Barta24

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

শাক, পেঁয়াজ ও টমেটো কীভাবে সংরক্ষণ করবেন ডিপ ফ্রিজে?

শাক, পেঁয়াজ ও টমেটো কীভাবে সংরক্ষণ করবেন ডিপ ফ্রিজে?
পেঁয়াজ সংরক্ষণের সঠিক নিয়ম জানা থাকলে অনেকদিন পর্যন্ত পেঁয়াজ ভালো থাকবে, ছবি: বার্তা২৪.কম
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদের বন্ধে পরামর্শ দেওয়া হয় একবারে বেশি করে বাজারসদাই করে রাখার জন্য।

কারণ দীর্ঘদিনের বন্ধে, লম্বা সময় যাবত প্রয়োজনীয় ও নিত্যদিনের অনেক কিছুই বাজারে পাওয়া যাবে না। এই সমস্যা উত্তরণের জন্য কেনাকাটা করে রাখলেও, আসল সমস্যা দেখা দেয় পচনশীল উপাদান সংরক্ষণে।

মাছ-মাংস সংরক্ষণে সমস্যা না থাকলেও শাক কিংবা পেঁয়াজ ফ্রিজে ৩-৪ দিনের বেশি সময় ভালো থাকে না। এক্ষেত্রে সঠিক নিয়ম মেনে এই উপাদানগুলো সংরক্ষণ করতে পারলে পুরোপুরিভাবে নিশ্চিন্ত থাকা যাবে। গতকাল কিংবা আজ যদি বাজার করে থাকেন, তবে আজ দিনের মাঝেই পচনশীল এই উপাদানগুলো সঠিকবভাবে সংরক্ষণ করতে পারবেন। তাই চোখ বুলিয়ে নিন আজকের ভীষণ উপকারী এই ফিচারটিতে।

শাক

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/01/1559370447341.jpg

সবচেয়ে নাজুক ও দ্রুত পচনশীল প্রাকৃতিক উপাদানের মাঝে অন্যতম হলো শাক। শাকে অধিকাংশ অংশ জলীয় উপাদান হওয়ায় খুব দ্রুত শাক পাতা শুকিয়ে নষ্ট হয়ে যায়। তাই শাক সংরক্ষণের জন্য শাক কেনার সময় নির্বাচন করতে হবে একদম ফ্রেশ ও তরতাজা শাক। যে সকল শাকের আঁটি ইতোমধ্যে কালচে হয়ে গিয়েছে বা শুকিয়ে গিয়েছে, সে শাকগুলো নেওয়া যাবে না।

শাক কেনার পর ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। শাকের ডাঁটা কিংবা পাতা কাটা যাবে না। শাকের পানি সম্পূর্ণ শুকিয়ে গেলে প্লাস্টিক বা জিপলক ব্যাগের ভেতরে কিচেন টিস্যু বিছিয়ে তার ভেতরে শাকগুলো ছড়িয়ে দিতে হবে এবং ব্যাগের মুখ বন্ধ করে দিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে ব্যাগের ভেতরে যেন ভেজা না থাকে। ভেজা থাকলে শাক এই পানি শোষণ করে নরম হয়ে যাবে। এই পদ্ধতিতে শাক ১০ দিন পর্যন্ত খুব ভালোভাবেই সংরক্ষণ করা যাবে।

পেঁয়াজ

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/01/1559370461796.jpg

পেঁয়াজ সংরক্ষণের বিষয়টি বেশ কৌশলের। অতিরিক্ত গরম আবহাওয়ায় পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে বিধায় পেঁয়াজ কেটে ডিপ ফ্রিজে রাখা হবে সবচেয়ে ভালো উপায়। কিন্তু যেমন-তেমনভাবে পেঁয়াজ ডিপ ফ্রিজে রাখা হলে তা রান্নায় ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে যায়। তাই পেঁয়াজ সংরক্ষণে জানা প্রয়োজন সঠিক পদ্ধতির। পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য দুইটি ভিন্ন পদ্ধতি জানানো হলো।

প্রথম পদ্ধতি:

এই পদ্ধতিতে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য পেঁয়াজ ধুয়ে, ছিলে মাঝারি আকৃতিতে কেটে নিতে হবে। পেঁয়াজের কুঁচি খুব বেশি চিকন বা মোটা করা যাবে না। পেঁয়াজের কুঁচিগুলো কিচেন টিস্যু পেপারের উপর বিছিয়ে রাখতে হবে কিছুক্ষণ, এতে পেঁয়াজের বাড়তি আর্দ্রতা টিস্যু শোষণ করে নেবে। এরপর এয়ার জিপলক ব্যাগে টেবিলে বিছিয়ে পেঁয়াজের কুঁচিগুলো ছড়িয়ে ব্যাগের ভেতরে রাখতে হবে এবং ব্যাগের মুখ বন্ধ করার আগে হাত দিয়ে চেপে ব্যাগের ভেতরের বাতাস বের করে নিতে হবে এবং ব্যাগের মুখ লাগিয়ে নিতে হবে। এবারে ডিপ ফ্রিজের থাকে সমান্তরালভাবে ব্যাগ বিছিয়ে দিতে হবে। এতে করে পেঁয়াজ খুব ভালোভাবে সংরক্ষিত থাকে। সাধারণত ডিপ ফ্রিজে পেঁয়াজ রাখলে পানি পানি হয়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। এমনভাবে রাখলে সেই সমস্যাটি হবে না। এভাবে পনের দিন পর্যন্ত পেঁয়াজ সম্পূর্ণ ভালো থাকবে।

দ্বিতীয় পদ্ধতি:

এই পদ্ধতিটি অনেকেরই জানা থাকার কথা। পেঁয়াজ কুঁচি করে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। আইস ট্রেতে ব্লেন্ড করা পেঁয়াজ পরিমাণমতো নিয়ে ডিপ ফ্রিজে রেখে পেঁয়াজের আইস কিউব তৈরি করে নিতে হবে। এক্ষেত্রে আইস ট্রের উপর প্লাস্টিকের ব্যাগ দিয়ে ঢেকে নিতে হবে। নতুবা ডিপ ফ্রিজে পেঁয়াজের গন্ধ ছড়িয়ে পড়বে। পেঁয়াজের এই আইস কিউবগুলো সে সকল রান্নায় পেঁয়াজ বাটা ব্যবহার করা হয়, সেখানে ব্যবহার করা যাবে। এভাবে এক মাস পর্যন্ত পেঁয়াজ সংরক্ষণ করা যাবে।

টমেটো

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/01/1559370491136.JPG

বিভিন্ন ধরনের রান্না কিংবা সালাদ তৈরিতে টমেটো আবশ্যিক উপাদান। কিন্তু টমেটো রেফ্রিজারেটরে খুব বেশিদিন ভালো থাকে না। আবার ডিপ ফ্রিজে রাখা হলে খুব সহজেই পানি পানি হয়ে যায়। যা রান্নায় কিংবা সালাদে ব্যবহার করা যায় না। সেক্ষেত্রে সঠিক উপায়টি জানা প্রয়োজন।

টমেটো সংরক্ষণে আমরা সবাই যে ভুলটি করি, টমেটো কেটে টমেটোর টুকরো সংরক্ষণের চেষ্টা করি। এটা করা যাবে না। আস্ত টমেটো ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে হবে। সংরক্ষণের জন্য প্রথমেই নির্বাচন করতে হবে একদম ফ্রেশ টমেটো। টমেটোগুলো ধুয়ে পানি ঝড়িয়ে সরাসরি ডিপ ফ্রিজে ঢুকিয়ে দিতে হবে। কয়েক ঘণ্টা পর টমেটোগুলো ফ্রোজেন হয়ে সম্পূর্ণ শক্ত হয়ে গেলে জিপলক ব্যাগে ঢুকিয়ে ব্যাগ থেকে বাতাস বের করে মুখ বন্ধ করে পুনরায় ডিপ ফ্রিজে ঢুকিয়ে দিতে হবে।

এভাবে সংরক্ষণ করলে টমেটো নরম বা পানি পানি হবে না। রান্নায় বা সালাদে ফ্রেশ টমেটোর মতোই ব্যবহার করা যাবে। তবে ডিপ ফ্রিজে থাকার ফলে টমেটোর খোসা আলগা হয়ে আসে, তাই ব্যবহারের আগে শুধু খোসা ছাড়িয়ে নিতে হবে। এভাবে টমেটো ১০-১৫ দিন সংরক্ষণ করা যাবে।

আরও পড়ুন: ছুটি নির্বিঘ্নে কাটাতে বাজার করে ফেলুন আজই!

আরও পড়ুন: ছুটির মাঝে গাছ কীভাবে ভালো থাকবে?

আপনার মতামত লিখুন :

বয়স যখন চল্লিশ!

বয়স যখন চল্লিশ!
চল্লিশ বছরেও থাকা যায় প্রাণবন্ত, ছবি: সংগৃহীত

সময় এতো দ্রুত পার হয়ে যায় যে, মাঝে মাঝেই খেই হারিয়ে ফেলতে হয়।

অনিচ্ছা সত্ত্বেও মেনে নিতে হয় সময়ের গতিকে। এই সেদিন মাত্র দুই বেণী ঝুলিয়ে যে মেয়েটি স্কুলে ছুটেছে, তাকেই আজ নিজের মেয়েকে নিয়ে যেতে স্কুলে! কিছু বুঝে ওঠার আগেই বয়স বিশ ও তিরিশের কোঠা পেরিয়ে চল্লিশের ঘরে চলে আসে। চল্লিশ বছর! একেবারেই কম নয় কিন্তু! তারুণ্য ও যৌবনকে যেন এই বয়সটা অনেকখানি পেছনে ফেলে দেয়। ঠিক এই কারণেই চল্লিশ বছর বয়সে জীবনে, মনোভাবে এমনকি চেহারাতেও বড়সড় পরিবর্তন দেখা দেয়।

সামনেই কি আপনার বয়স চল্লিশ বছর হবে? তাহলে চোখ বুলিয়ে নিন আজকের ফিচারটিতে। যেখানে আলোচনায় রাখা হয়েছে চল্লিশ বছর বয়সে যে পরিবর্তনগুলো দেখা দিয়ে থাকে।

ওজন কমবে না সহজে

একটা বয়স পর্যন্ত নিত্যদিনের রুটিনে কিছুটা পরিবর্তন আনলেই ঝটপট ওজন কমিয়ে ফেলা সম্ভব হতো। কিন্তু বয়স যখনই চল্লিশের ঘর ছুঁয়ে দিবে, ওজনকে কোনভাবে কমানো সম্ভব হবে না। এক সপ্তাহ টানা ৫০০ ক্যালোরি ডায়েট চার্ট মেনে চললেও এক কেজি ওজন কমতে চাইবে না। কিন্তু এক চামচ বাড়তি খাবার খেলেও ওজন বেড়ে যাবে অবিশ্বাস্যভাবে। এমনটা হওয়ার কারণ হলো, বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে শরীরের মেটাবোলিজমের মাত্রা কমতে থাকে। বয়স চল্লিশে পোঁছালে মেটাবলিজমে হার লক্ষণীয়ভাবে হ্রাস পায় বলেই ওজন নিয়ে বিড়ম্বনা দেখা দেয়।

নিজেকে ভালোভাবে বুঝতে পারা

প্রতিটা মানুষই জীবনের বেশ অনেকখানি সময় পার করেন নিজের বিষয়ে প্রশ্ন রেখে। ‘কে আমি’, ‘কী হতে চাই আমি’, ‘কী এই জীবনের লক্ষ্য’, ‘কোন কাজে আগ্রহ আছে’, ‘কী করতে ভালোবাসি’ এমনতর হাজারো প্রশ্নের মাঝে খেই হারিয়ে ফেলতে হয়।

কিন্তু জীবনের চল্লিশটি বছর পার করে ফেলার মাঝে এই বিষয়টি অনেকটাই আয়ত্ত্বে চলে আসে। এতোদিনে কোন কাজটি পছন্দ, সেটা জানা হয়ে যায়। নিজের মূল্যবোধ সম্পর্কে জানা হয়। নিজের কাজের গুরুত্ব সম্পর্কে বোঝা যায়। যে বিষয়ে দ্বিধাদন্দ কাজ করতো, সে বিষয়ে পরিস্কার ধারণা চলে আসে।

কোন কিছু মনে রাখা দারুণ চ্যালেঞ্জিং

স্কুল, কলেজ কিংবা ভার্সিটিতে পড়ার সময় যেখানে কোন একটি কথা শুনলেই মনে থাকতো, সেখানে এখন একই কথা বারংবার বলা হলেও মনে রাখা কষ্টকর হয়ে দাঁড়াবে। চল্লিশ বছর বয়সে মস্তিষ্ক অনেকটাই যেন অচেনা হয়ে যায়। প্রখর স্মৃতিশক্তিও হুট করে নেই হয়ে যায়। সন্তানের স্কুলের পড়া দেখিয়ে দেওয়ার সময়ে দেখা যায়, পারা অংকর সূত্রটাও যেন আর মনে আসছে না।

কোনো বিষয়ে বিচলিত না হওয়া

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561561335049.jpg

সত্যি বলতে, এই বয়সে আশেপাশের কথায়, অন্যের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রবণতা একেবারেই কমে যাবে। বয়স যখন কম ছিল, তখন এই আপনিই অন্যের মতামতকে নিজের মতামতের চাইতেও বেশি প্রাধান্য দিতেন। অথচ এখন যেন গায়েই মাখেন না একদম। এছাড়া যেকোন বিষয়ে, ঘটনায় ঝামেলা এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা প্রবলভাবে দেখা দিবে। সবাইকে সবার মতো থাকতে দিয়ে নিজেকে নিজের মতো করে সময় দেওয়ার প্রতিই থাকবে মূল লক্ষ্য।

চেহারার পরিবর্তনটা চোখে পড়বে খুব বেশি

বয়স বিশের কোঠা পেরুলেই চেহারায় পরিবর্তন আসতে শুরু করে। তবে এই পরিবর্তনটা সবচেয়ে বেশি দেখা দেবে বয়স যখন চল্লিশে পড়বে। হুট করেই চোখের পাশে, ঠোঁটের পাশে ভাঁজ দেখা দেবে। ত্বকের মেলানিন যেন আর কাজই করছে না- এমনটা মনে হবে। এতে মন খারাপের কিচ্ছু নেই। প্রতিটা বয়সের আলাদা সৌন্দর্য আছে। সেটাকে বুঝতে হবে ও মেনে নিতে হবে।

কোনটি গুরুত্বপূর্ণ- সেটা বুঝতে পারা

নিজের গণ্ডি, আপন জগত, পরিবারের মানুষ, প্রিয় মানুষ, সন্তান, ক্যারিয়ার, সংসার- এগুলোই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব বহন করে আপনার জীবনে। মিথ্যে আশ্বাস, সম্পর্ক, বন্ধুত্ব ও নানা রকম ভনিতা এ বয়সের মাঝেই অনেকখানি দেখা হয়ে যায়। ফলে খুব সাধারণ ও সহজভাবেই জীবনে কে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, কোন জিনিসটি কতটা গুরুত্ব বহন করে সেটা অনুধাবন করা সম্ভব হয়। এখানে এসে বলতেই হয়, চল্লিশ বছর বয়স হিসেবে অতোটাও খারাপ নয়!

আরও পড়ুন: যোগব্যায়ামের সাথে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা

আরও পড়ুন: অলসতা ঝেড়ে ফেলুন আজ থেকেই

ঘরে তৈরি গরম ও মুচমুচে জিলাপি

ঘরে তৈরি গরম ও মুচমুচে জিলাপি
জিলাপি, ছবি: সংগৃহীত

পছন্দের ও পুরনো ঘরানার মিষ্টান্নের মাঝে প্রথমেই মাথায় আসবে জিলাপির কথা।

রসে টইটম্বুর, গরম ও মুচমুচে জিলাপির তুলনা হয় না। অনেকে মিষ্টি ঘরানার খাবার মাঝে শুধু জিলাপি খেতেই পছন্দ করেন।

কিন্তু মনমতো জিলাপি খুঁজে পাওয়াও বেশ ঝক্কির কাজ। খোঁজাখুঁজি বাদ দিয়ে ঘরেই কিন্তু তৈরি করে নেওয়া যাবে গরম গরম জিলাপি। একদম পারফেক্ট ও সুস্বাদু জিলাপি তৈরির জন্য দেখে নিন আজকের রেসিপিটি।

জিলাপি তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561554595535.JPG

১. এক কাপ ময়দা।

২. দেড় টেবিল চামচ কর্ন ফ্লাওয়ার।

৩. দেড় টেবিল চামচ ময়দা।

৪. দুই টেবিল চামচ ঘি।

৫. এক চিমটি লবণ।

৬. এক চা চামচ চিনি।

৭. এক চা চামচ ইস্ট।

৮. এক কাপ পরিমাণ গরম পানি।

৯. কমলা ফুড কালার (ঐচ্ছিক)

চিনির সিরা তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561554614844.JPG

১. দেড় কাপ চিনি।

২. এক কাপ পানি।

৩. তিনটি লবঙ্গ।

৪. দুইটি এলাচ গুঁড়া।

৫. এক চিমটি পরিমাণ জাফরান (ঐচ্ছিক)

জিলাপি যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561554627238.JPG

১. আধা কাপ পরিমাণ গরম পানিতে চিনি ও ইস্ট মিশিয়ে ঢেকে রেখে দিতে হবে।

২. বড় একটি পাত্রে ময়দা, বেসন ও লবণ একসাথে মেশাতে হবে। এতে ঘি মিশিয়ে পুনরায় মেশাতে হবে। এতে ইস্ট মিশ্রিত পানি মিশিয়ে হুইস্ক করতে হবে। এতে গরম পানি মিশিয়ে প্যানকেকের মতো স্মুদ ব্যাটার তৈরি করতে হবে। এতে যদি ফুড কালার যোগ করতে চান তবে এক-দুই ফোঁটা ফুড কালার দিয়ে মিশিয়ে তুলনামূলক উষ্ণ স্থানে গাঁজনের জন্য ২-৩ ঘণ্টা রেখে দিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, এই সময়টুকুর মাঝে পাত্রটি একেবারেই নাড়াচাড়া করা যাবে না।

৩. ব্যাটারে গাঁজন হয়ে গেলে চিনির সিরা তৈরি করতে হবে। একটি সসপ্যানে চিনি, পানি, লবঙ্গ, এলাচ গুঁড়া ও জাফরান একসাথে মিশিয়ে মাঝারি তাপে ৭-১০ মিনিট জ্বাল দিতে হবে। চিনির সিরা খুব বেশি ঘন ও স্টিকি হবে না।

৪. এবারে জিলাপি ভাজার পালা। সমান্তরাল ফ্রাইং প্যানে পর্যাপ্ত পরিমাণ তেল নিয়ে গরম করে তেলের তাপমাত্রা মাঝারি আঁচে রাখতে হবে। জিপলক ব্যাগে জিলাপির ব্যাটার নিয়ে ব্যাগের এক কোনার অংশ অল্প একটু কেটে নিতে হবে।

৫. তেল সঠিক মাত্রায় গরম হয়ে গেলে তেলের উপরে জিপলক ব্যাগ ধরে ধীরে ধীরে ব্যাগ চাপ দিয়ে ব্যাটার তেলে ছাড়তে হবে। ব্যাটার তেলে ছাড়ার সময় জিপালির মতো গোলাকৃতির প্যাঁচ তৈরি করতে হবে।

৬. প্রতিটি জিলাপি ভাজা হতে বড়জোর ৫-৬ মিনিট সময় লাগবে। জিপালি উজ্জ্বল বাদামী বর্ণ ধারণ করলে তেল থেকে তুলে সরাসরি চিনির সিরাতে দিয়ে দিতে হবে।

চিনির সিরায় মিনিট দুয়েক ভিজিয়ে উঠিয়ে নিয়ে গরম গরম পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: মিষ্টি মুখে আমের রসগোল্লা

আরও পড়ুন: দশ মিনিটে বাদামের স্বাদে কুলফি মালাই

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র