Barta24

বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

English

ঈদের ঝামেলা কমবে সঠিক পরিকল্পনাতে

ঈদের ঝামেলা কমবে সঠিক পরিকল্পনাতে
আগে থেকেই পেঁয়াজের বেরেস্তা তৈরি করে রাখুন, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদের দিন আসতে হাতে গুণে এক-দুই দিন বাকি মোটে।

ঈদ মানে যেমন আনন্দ, সাজ সাজ রব, ঠিক তেমনিভাবে ঈদ মানেই বাড়তি কাজের চাপ। ঘরদুয়ার গোছগাছ করা, রান্নার আয়োজন করা, মেহমানদের আপ্যায়ন করা, কম কথা নয় কিন্তু।

সবদিক সামাল দিতে স্বাভাবিকভাবেই হিমশিম খেতে হয়। কিন্তু একটু পরিকল্পনা করে ঈদে দুই দিন হাতে থাকতেই, কয়েকটি কাজ সেরে নিতে পারলে ঝামেলা কমে যাবে অর্ধেকের বেশি। কোন কাজগুলো আজকে দিনের মাঝে করে নিলে ঈদের দিন বেশ খানিকটা রিল্যাক্সে সময় কাটান যাবে, সেটা দেখে নিন।

রান্নাবান্নায় যা আগে থেকে করতে হবে

আজকে দিনের মাঝেই প্রয়োজনীয় সকল মশলার জোগাড় করে রাখুন। সেটা হতে পারে গুঁড়া মশলা, আস্ত মশলা কিংবা বাটা মশলা। প্রয়োজন ও রেসিপি অনুযায়ী যে সকল মশলার গুঁড়া কিংবা বাটা লাগবে, সে মশলা গুলো বেটে ও গুঁড়া করে নিতে হবে। এতে করে ঈদের দিনে রান্নায় অনেক সময় বেঁচে যাবে। সকল মশলা সংগ্রহে থাকলে হাতের কাছে গুছিয়ে রাখুন। নয়তো প্রয়োজনের সময়ে সঠিক মশলা খুঁজতে সময় নষ্ট হবে।

ঈদের রান্নায় অনেক বড় একটি অংশ হল পেঁয়াজের বেরেস্তা। পোলাও, মাংসে দেওয়ার জন্য বেরেস্তা তৈরিতে অনেকটা পরিশ্রম ও সময় নষ্ট হয়। একদিন হাতে রেখেই পর্যাপ্ত পরিমাণ বেরেস্তা তৈরি করে শুকনো বক্সে সংরক্ষণ করা যায়। এতে রান্নায় ঝামেলা কমে যাবে অনেকখানি।

মাছ-মাংস আগে থেকেই কেটে-বেছে রেফ্রিজারেটরে রেখে দিন। প্রয়োজনে মেরিনেট করে রাখুন আগে থেকেই। এতে করে মাংস নরম ও সুস্বাদু হবে।

বটি, ছুরি, চপিং বোর্ড এর মতো রান্নায় প্রয়োজনীয় অনুষঙ্গগুলো গুছিয়ে রাখতে হবে হাতের কাছে। সেই সাথে বেকিং এর প্রয়োজনীয় অনুষঙ্গগুলো একসাথে রাখতে হবে। এতে করে ঈদের দিন কোন খাবার বেক করার প্রয়োজন হলে খোঁজাখুঁজি করতে হবে না।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/03/1559556880538.jpg

ঘর গোছাতে আগে থেকে যা করতে হবে

ঘর গোছানোর আগে পরিষ্কার করে নিতে হবে। অনেকেই উল্টো কাজটি করেন। ফলে দ্বিগুণ পরিশ্রম করতে হয়। ঘর পরিষ্কার করার পর থালাবাসন পরিষ্কারে মনোনিবেশ করতে হবে। শোকেসে কাঁচের থালাবাসন ও শোপিসগুলো যেন একদম চকচকে হয়ে যায়, সে বিষয়ে নজর রাখতে হবে।

অনেকের ঘরেই বড়-ছোট স্টাফড টয় থাকে। দীর্ঘদিন বাইরে থাকার ফলে এতে ময়লার আস্তরণ পড়ে যায়। এ ধরনের পুতুলগুলো পরিষ্কার করে নিতে হবে। নতুবা পরিষ্কার ও গোছানো ঘরের ভেতর খুব বেমানান দেখাবে।

ঘর সাজানোর অনুষঙ্গ হিসেবে ফুলদানি থাকলে তাতে কাগজের হলে পরিষ্কার ও সত্যিকারের হলে ফ্রেশ ফুল রাখার চেষ্টা করুন। ফ্রেশ ফুলের ক্ষেত্রে ঈদের দিনে ফুল রাখতে পারলে ভালো হবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/03/1559556931081.jpg

একটা ঘরের সবচেয়ে বড় অংশ নির্ভর করে বিছানা-বালিশের চাদর, দরজা-জানালার পর্দা ও সোফা-কুশনের কভারের উপরে। ঈদ উপলক্ষে অনেকেই দামি ও বিশেষ পর্দা ও চাদর তুলে রাখেন। হাতে সময় নিয়েই এগুলো ব্যবহার করতে হবে। নতুবা ঈদের দিনে এই সকল কাজে প্রচুর সময় নষ্ট হবে।

ওয়াল ম্যাট, ফ্লোর ম্যাটগুলো সময় সুযোগ বুঝে পরিষ্কার করে নিতে হবে। পাশাপাশি দেয়ালে ঝোলান ছবির ফ্রেমগুলোও মুছে নিতে হবে।

ঈদে আয়োজনে এই বিষয়গুলোর প্রতি খেয়াল রাখতে পারলে অধিকাংশ ঝামেলাই কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন: শাক, পেঁয়াজ ও টমেটো কীভাবে সংরক্ষণ করবেন ডিপ ফ্রিজে?

আরও পড়ুন: ছুটি নির্বিঘ্নে কাটাতে বাজার করে ফেলুন আজই!

আপনার মতামত লিখুন :

হাড়ের সুস্বাস্থ্যে পাঁচ নিয়ম

হাড়ের সুস্বাস্থ্যে পাঁচ নিয়ম
ছবি: সংগৃহীত

সম্পূর্ণ শারীরিক সুস্বাস্থ্যে হাড়ের ভূমিকা অনেকখানি।

আমাদের শরীরের পুরো গঠন ও কাঠামো নির্ভর করে হাড়ের উপরে। ফলে হাড়ে যদি কোন সমস্যা দেখা দেয়, তার প্রভাব পরে সামগ্রিকভাবে। তরুণ বয়সে হাড় সবচেয়ে বেশি শক্ত ও সুস্থ থাকে, যদি সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা যায় ও যত্ন নেওয়া হয়। তবে বয়স যত বৃদ্ধি পেতে থাকে, হাড়ের শক্তি কমতে থাকে এবং হাড় ক্ষয় হতে থাকে। ফলে ৪৫-৫০ বছর পর থেকেই হাড়জনিত নানাবিধ সমস্যা দেখা দেওয়া শুরু হয়। এ কারণেই হাড়ের প্রতি আলাদাভাবে যত্নবান হওয়া প্রয়োজন। জেনে নিন হাড়ের যত্নে কোন বিষয়গুলোর প্রতি নজর দিতে হবে।

পারিবারিক ইতিহাস সম্পর্কে জানা

স্বাস্থ্যগত বিষয়ে ফ্যামিলি হিস্ট্রি অনেক বড় ভূমিকা পালন করে। যার বাবা-মা অথবা ভাই-বোনের অস্টিওপরোসিসের সমস্যা রয়েছে, তারও এই সমস্যাটি দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই পরিবারের মানুষদের হাড়ের স্বাস্থ্য ও সমস্যা সম্পর্কে খোঁজখবর করতে হবে এবং সেইভাবে নিজের হাড়ের যত্ন নেওয়ার বিষয়ে সচেতন হয়ে উঠতে হবে।

ক্যালসিয়াম গ্রহণ বৃদ্ধি

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566384501379.jpeg

হাড়ের বিষয়ে আলোচনা আসলে প্রথমেই যে শব্দটি মাথায় আসবে সেটা হলো ক্যালসিয়াম। প্রাকৃতিক এই মিনারেলটির সাহায্যে হাড় ও দাঁত গড়ে ওঠে ও দৃঢ়তা পায়। তবে ক্যালসিয়ামই শেষ কথা নয়। শরীরকে প্রস্তুত করতে হবে ক্যালসিয়াম শোষণের জন্য। নতুবা ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার খাওয়া হলেও, তার পুষ্টিগুণ শরীরে ঠিকভাবে শোষিত হবে না এবং ক্যালসিয়ামের অভাব তৈরি হবে।

ভোলা যাবে না ভিটামিন-ডি কে

ক্যালসিয়ামের সাথে সরাসরিভাবে সংযুক্ত হলো ভিটামিন-ডি। একইসাথে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন-ডি হাড়কে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। ভিটামিন-ডি পাওয়া যাবে চিংড়ি, কমলালেবুর রস, ডিমের কুসুম, টুনা মাছ প্রভৃতি থেকে। এছাড়া রোদের আলো ভিতামিন-ডি এর অন্যতম বড় একটি উৎস। বর্তমান সময়ে অনেকেই রোদের আলোর অপর্যাপ্ততায় ভিটামিন-ডি এর অভাবে ভুগছেন। সেক্ষেত্রে প্রতিদিন অন্তত ১০-১৫ মিনিট শরীরে রোদের আলো লাগানোর চেষ্টা করতে হবে।

নিয়মিত শরীরচর্চা করা

শুধু স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণই যথেষ্ট নয়, শরীরচর্চার অভ্যাসও গড়ে তুলতে হবে হাড়কে সুস্থ রাখতে চাইলে। শরীরচর্চার বিভিন্ন কলাকৌশল হাড়কে দৃঢ় করতে কাজ করে। দৌড়ানো, দ্রুত হাঁটা, দড়িলাফ কিংবা সিঁড়িতে ওঠানামার মতো হালকা ঘরানার শরীরচর্চাগুলোই হাড়কে ভালো রাখতে উপকারী।

সীমিত মাত্রায় ক্যাফেইন গ্রহণ

ক্যাফেইনের বেশ কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে বটে, তবে দুঃখজনকভাবে হাড়ের জন্য নয়। অতিরিক্ত মাত্রায় ক্যাফেইন গ্রহণ শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণে বাধাদান করে। তাই প্রতিদিন দুই কাপ পরিমাণ কফি পান নিরাপদ। এর বেশি হয়ে গেলে তা হাড়ের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

আরও পড়ুন: ওয়ার্ল্ড অস্টিওপরোসিস ডে: হাড় থাকুক মজবুত

আরও পড়ুন: ভিটামিন ডি ঘাটতি: ঝুঁকি, উপসর্গ এবং বৃদ্ধির উপায়

জাপানিদের গড় আয়ু বেশি হওয়ার ৭ কারণ

জাপানিদের গড় আয়ু বেশি হওয়ার ৭ কারণ
চা পান জাপানিদের অন্যতম পুরনো একটি অভ্যাস

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানে নিহত হয় ২.৫ মিলিয়ন থেকে ৩.১ মিলিয়ন মানুষ।

এতো বড় একটি বিপর্যয়ের পরেও জাপানের মানুষ তাদের কঠিন অধ্যাবসায় ও সঠিক নিয়মের চর্চার মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। সময়ের পরিক্রমায় এ দেশটি বর্তমানে সবচেয়ে বেশি গড় আয়ু সম্পন্ন দেশ হিসেবে প্রথম স্থানটি দখল করে নিয়েছে এবং বেশ লম্বা সময় ধরেই প্রথম স্থানটি এ দেশটির দখলে রয়েছে। কারণ অন্যান্য যেকোন দেশের তুলনায় দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হয় জাপানের মানুষেরা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরিপ অনুযায়ী যেখানে জাপান প্রথম স্থানটি দখল করেছে (নারী ও পুরুষের গড় আয়ু ৮৩.৭) , সেখানে আমাদের বাংলাদেশের স্থান ১০২ নাম্বারে (নারী ও পুরুষের গড় আয়ু ৭১.৮)! একটা দেশের মানুষের দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্যের পেছনে কাজ করে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যা তাদেরকে লম্বা আয়ু পেতে ও সুস্থ থাকতে সাহায্য করে। বিজ্ঞানীরা স্টাডি করে এমন কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেছেন সবার সামনে।

পর্যাপ্ত সবজি গ্রহণ

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566371517204.jpg

অন্যান্য যেকোন দেশের মতো বিভিন্ন ধরনের খাবার নয়, জাপানের খাদ্য তালিকায় বড় একটা অংশ জুড়েই থাকে তাজা শাক-সবজি, ফার্মেন্টেড সয়া, ভাত ও মাছ। যা থেকে পর্যাপ্ত ফাইটোকেমিক্যালস, ভিটামিন ও মিনারেল পাওয়া যায়। স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার এই নিয়ম খুব সহজেই দীর্ঘায়ু পেতে অবদান রাখে।

ব্যতিক্রম রান্নার ধরণ

সাধারণত জাপানিজদের খাবার তৈরির প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকে স্টিমিং (ভাপে রান্না), ফার্মেন্টিং (গাঁজন), স্লো-কুকিং, প্যান গ্রিলিং ও স্টির ফ্রাইং। রান্নার এই ধরণগুলোতে প্রাকৃতিক খাদ্য উপাদানের পুষ্টিগুণ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অক্ষুণ্ণ থাকে। ফলে যা খাবার খাওয়া হয়, তা থেকে প্রায় সবটুকুই উপকারিতা শরীর পায়।

চা পানের সংস্কৃতি

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566371494446.JPG

জাপানে বহু প্রজাতির চা পানের সংস্কৃতি বহু পুরনো। অন্যান্য দেশে যেখানে কফি পানকে আভিজাত্য হিসেবে দেখা হয়, জাপানে চা পানের সংস্কৃতিকে গড়ে তোলা হয়ে অভিজাত্যের সাথে। কফিতেও রয়েছে বহু স্বাস্থ্য উপকারিতা, তবে জাপানে উৎপাদিত বিভিন্ন প্রজাতির চা তথা মাচা চা থেকে পাওয়া যাবে আরও অনেক বেশি উপকারিতা।

ফ্রেশ খাবার

আমরা দৈনিক যে খাবারগুলো খাই, তার কতটা ফ্রেশ হয় ভাবুন তো একবার। এদিক থেকে জাপানের মানুষেরা খুব কড়া নিয়ম মেনে চলে। তাদের প্রতিটি খাবার একদম ফ্রেশ উপাদানে তৈরি হওয়া চায়। এমনকি বাজারজাত খাবার তৈরি হওয়ার ঘণ্টাখানেকের মধ্যে তারা খাবার খেয়ে ফেলে। এক্ষেত্রে চাহিদা অনুযায়ী খাবার তৈরি করা হয়। ফলে বাড়তি খাবার থাকে না। স্বাভাবিকভাবেই ফ্রেশ খাবার শরীরে বাড়তি শক্তি জোগাতে কাজ করে।

তুলনামূলক ছোট পাত্র

খাবারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণের মাঝে রাখা জাপানি সংস্কৃতির অনেক বড় একটি অংশ। তারা ছোট পাত্রে চপস্টিক ব্যবহারের মাধ্যমে খাবার খায় এবং পাত্রে খাবারও নেয় পরিমাণে কম। এছাড়া জাপানিরা একদম পেট ভরে খাবার না খেয়ে, পেটের কিছু অংশ খালি রেখে দেয়। এতে করে খাবার পরিপূর্ণভাবে হজম হয়।

বেশি শারীরিক কার্যক্রম

বেশিরভাগ জাপানিরা নিকটতম বাসস্টেশনে হেঁটে যায়, এরপর ট্রেনে উঠে দাঁড়িয়ে ভ্রমণ করে এবং ট্রেন থেকে নেমে হেঁটে অফিসে যায়। প্রতিদিন সকালে এই নিয়ম মেনে চলার ফলে সকালের শরীরচর্চার অনেকখানি পূরণ হয়ে যায় এবং প্রয়োজনীয় কর্মশক্তি পাওয়া যায়। এছাড়া এতে করে শরীর ও মন চাঙা হয়ে ওঠে, ফলে কর্মশক্তি ফিরে পাওয়া যায়।

নিয়মিত ডাক্তারের চেকআপ

জাপানের নাগরিকেরা নিয়মিত ডাক্তারের কাছে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান। এ নিয়মে কোন হেরফের হয় না। ফলে সামান্যতম স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিলেও, তা দ্রুত সমাধান করে ফেলা হয়। এতে করে বড় ধরনের কোন স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হয় না।

আরও পড়ুন: যে তিনটি সময়ে হিটস্ট্রোকের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র