Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

ছুটি শেষে কাজের শুরু

ছুটি শেষে কাজের শুরু
কাজ নিয়ে আলোচনা করতে হবে সহকর্মীদের সাথে, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

এ বছরে রোজার ঈদে প্রায় সকল কর্মজীবীরাই পেয়েছেন লম্বা ছুটি।

কাঙ্ক্ষিত সেই ঈদের ছুটি শেষ হয়ে আবারো শুরু হয়ে গেছে কর্মব্যস্ততা, ছুটে চলা। কিন্তু ছুটির আলস্য ও ছুটির আবেশ শেষে হুট করেই কাজের বোঝাকে যেন মাথায় বাড়ি পড়ার মতো বোধ হতে থাকে। হাজারো কাজ, অসংখ্য মেইল, পেন্ডিং মিটিং, ওয়ার্ক শিডিউলের মাঝে অনেকটা দিশেহারা বোধ হতে থাকে। মনে হতে থাকে ছুটিটা না থাকলেই হয়তো ভালো হতো।

নয়-দশদিনের ছুটি কাটিয়ে অফিসে যোগদান করার পরে এমনটা মনে হওয়া এবং কাজের চাপের মাঝে হাঁপিয়ে ওঠাটা খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু নিজেকে ও নিজের দায়িত্বগুলোকে একটু গুছিয়ে নিয়ে কাজে হাত দিলে এমন দিশেহারা বোধ হওয়ার পরিবর্তে খুব সুন্দরভাবেই কাজ গুছিয়ে নেওয়া যাবে।

সেক্ষেত্রে যে বিষয়গুলোর প্রতি নজর দেওয়া প্রয়োজন তার কয়েকটি আজকের ফিচার থেকে জেনে রাখুন।

বিচলিত হওয়া যাবে না

যতই কাজের পাহাড় জমে থাকুক না কেন, কোনভাবেই বিচলিত হওয়া যাবে না। বিচলিত হলেই পিছিয়ে পড়তে হবে। বরঞ্চ ঠাণ্ডা মাথায় সকল কাজকে কীভাবে গুছিয়ে আনা যাবে সেই পরিকল্পনা করতে হবে ধীরেসুস্থে।

জমে থাকা মেইল দেখতে হবে

মেইলে ইনবক্সের ঘরে বড় সংখ্যা দেখে ভয় না পেয়ে এক এক করে মেইল ওপেন করা শুরু করতে হবে। হয়তো মেইল জমে আছে ২০টি। যার মাঝে প্রায় ৫-৬টি হবে একেবারেই অপ্রয়োজনীয় মেইল। এই মেইলগুলো ফেলে দিন। জরুরি ও কাজের মেইলগুলো চেক করে নোট করে রাখুন। এতে করে অহেতুক মানসিক অশান্তি কমবে।

পরিকল্পনা করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/10/1560148895570.jpg

মেইল চেক করার সময়েই বুঝে যাওয়ার কথা কোন কাজগুলো জমে আছে এবং কোন কাজগুলো সেরে ফেলতে হবে। কিন্তু পরিকল্পনা না করে কাজে হাত না দেওয়াই ভালো। কাজের গুরুত্ব ও কোন সময়ে কোন কাজটি করা প্রয়োজন- সেই হিসাব করে তবেই কাজে হাত দিতে হবে। সে কারণেই পরিকল্পনা তৈরি করে তবেই কাজ শুরু করতে হবে। এতে সময়ের অপচয় হবে না মোটেও।

সহকর্মীদের সাথে আলোচনা করতে হবে

অনেকদিন পর অফিসে ফিরে কিছুটা ‘আউট অফ ট্র্যাক’ মনে হতেই পারে নিজেকে। কাজ গুছিয়ে নিতেও হিমশিম খেতে হতে পারে। এক্ষেত্রে সহকর্মীদের সাথে হালকা গল্প করা, আলোচনা করা, কাজের ক্ষেত্রে পরামর্শ নেওয়া কাজে আসবে। অনেকেই নির্ধারিত সময়ের আগে অফিসে যোগদান করবে। তাদের সাথে কাজ ও কাজের অগ্রগতি নিয়ে কথা বললে কোন উপায় বলে দিতে পারে।

একদিনেই সব কাজ নয়

ছুটির মাঝে জমে থাকা কাজগুলো একদিনের মাঝে শেষ করার প্রবণতা দেখা দেয় অনেকের মাঝে। এই কাজটি একেবারেই করা যাবে না। স্বভাবিকভাবেই নয়-দশ দিনের জমে থাকা কাজ একদিনে শেষ করা সম্ভব নয়। এতে বরং সব কাজে গুবলেট পাকিয়ে সময় আরও বেশি প্রয়োজন হবে। তাই কয়েকদিনের জন্য ভাগ করে নিয়ে কাজ শুরু করতে হবে। এতে করে সব কাজ সুন্দরভাবে শেষ হবে।

আরও পড়ুন: মন বসে না কাজের টেবিলে!

আরও পড়ুন: কর্মোদ্দীপ্ত থাকতে সাহায্য করবে এই নিয়মগুলো!

আপনার মতামত লিখুন :

নাশতার নতুনত্বে ফালাফেল

নাশতার নতুনত্বে ফালাফেল
ফালাফেল

মধ্যপ্রাচ্যের সকাল ও বিকালের নাশতার অন্যতম একটি প্রচলিত খাবারের নাম হলো ফালাফেল।

নাম শুনে অনেকেই ভাববেন, এই খাবারটি সম্ভবত ফল দিয়ে তৈরি করা হয়। আদতে খাবারটি তৈরি হয় ছোলা কিংবা মটরশুঁটিতে। তেলে ভাজা বিভিন্ন মসলার সংমিশ্রণে তৈরি ফালাফেল ডুবো তেলে কড়া করে ভেজে দইয়ের রায়তার সাথে খেতে চমৎকার ভালো লাগে।

পরিচিত বড়া বা পেঁয়াজুর বাইরে নতুন ও হালকা কোন নাশতার খাবার খেতে চাইলে দেখে নিন ফালাফেল তৈরির রেসিপি।

ফালাফেল তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566653988942.JPG

১. এক কাপ শুকনো ছোলা।

২. একটি ছোট পেঁয়াজ কুঁচি।

৩. এক চা চামচ রসুন কুঁচি।

৪. তিন টেবিল চামচ ধনিয়া পাতা কুঁচি।

৫. আধা চা চামচ মরিচ গুঁড়া।

৬. এক চা চামচ ধনিয়া গুঁড়া।

৭. এক চা চামচ জিরা গুঁড়া।

৮. ১/৪ চা চামচ কালো গোলমরিচ গুঁড়া।

৯. এক টেবিল চামচ ময়দা।

১০. স্বাদমতো লবণ।

১১. ভাজার জন্য পরিমাণমতো তেল।

ফালাফেল যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566654005300.JPG

১. ছোলা ধুয়ে পরিষ্কার পানিতে সারারাতের জন্য ভিজিয়ে রাখতে হবে এবং সময় হলে পানি থেকে তুলে শুকিয়ে নিতে হবে এবং ব্লেন্ড করে নিতে হবে।

২. এতে পেঁয়াজ কুঁচি, রসুন কুঁচি, ধনিয়া পাতা কুঁচি, জিরা গুঁড়া, ধনিয়া গুঁড়া, কালো গোলমরিচ গুঁড়া ও ময়দা মেশাতে হবে। সাথে পরিমাণমতো লবণ ও লেবুর রস যোগ করতে হবে এবং ব্লেন্ড করতে হবে।

৩. ব্লেন্ড শেষে সকল উপাদান মিশে অমসৃণ ও অসূক্ষ্ম মিশ্রণ তৈরি হবে। এতে পানি যোগ করা যাবে না, তবে যদি ব্লেন্ড করতে সমস্যা হয় ১-৩ টেবিল চামচ পানি আলাদাভাবে যোগ করতে হবে।

৪. ফালাফেল মিশ্রণ তৈরি হয়ে গেলে বাটিতে ঢেলে প্রয়োজন ও স্বাদ অনুযায়ী মসলা ও লবণ যোগ করতে হবে এবং হাতের সাহায্যে মাখিয়ে ছোট ছোট গোল ফালাফেল তৈরি করে নিতে হবে।

৫. এবারে কড়াইতে তেল গরম করে ফালাফেল দিয়ে দেখতে হবে তা ভেঙে যায় কিনা। যদি ভেঙে যায় তবে মিশ্রণের সাথে ময়দা যোগ করে এরপর ভাজতে হবে।

৬. ফালাফেল বাদামী-সোনালি হয় আসলে নামিয়ে নিয়ে দইয়ের রায়তা কিংবা ঘরে তৈরি পাতার চাটনির সাথে পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

কেন কেএফসির ফ্রাইড চিকেন সবচেয়ে আলাদা?

কেন কেএফসির ফ্রাইড চিকেন সবচেয়ে আলাদা?
কেএফসির ফ্রাইড চিকেন

গরম মুচমুচে কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের মতো মজাদার খাবার যেন আর হয় না।

অন্যান্য রেস্টুরেন্টের ফ্রাইড চিকেন যতই মজাদার হোক না কেন, কেএফসির ফ্রাইড চিকেনে সবসময়ই ভিন্নতা বজায় থাকে। কিন্তু কেন কেএফসির চিকেন অন্যান্য রেস্টুরেন্টের চিকেনের চাইতে আলাদা ও ভিন্ন? এর প্রধান কারণ, মুরগির মাংস প্রস্তুতে মসলার ব্যবহার। ব্যতিক্রমী ও অন্য ধাঁচের মসলার নিয়ন্ত্রিত ও সঠিক ব্যবহারের ফলে, কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের স্বাদ সহজেই আলাদা হয়ে ওঠে।

১১টি বিশেষ মসলার ব্যবহার

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566637051338.jpg

কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী স্বাদ ঘরে বসে পেতে চাইলে, বিষয়টি খুব একটা সহজ হবে না। তবে কাছাকাছি স্বাদ তৈরি করা যেতে পারে ১১টি বিশেষ মসলার ব্যবহারে। মসলাগুলো হলো-

১. ২/৩ টেবিল চামচ লবণ।

২. ৩ টেবিল চামচ সাদা গোলমরিচের গুঁড়া।

৩. ১ টেবিল চামচ কালো গোলমরিচের গুঁড়া।

৪. ১/২ টেবিল চামচ বাসিল।

৫. ১ টেবিল চামচ সেলেরি সল্ট।

৬. ১ টেবিল চামচ শুকনো সরিষা।

৭. ২ টেবিল চামচ গার্লিক সল্ট।

৮. ১ টেবিল চামচ আদা গুঁড়া।

৯. ১/৩ টেবিল চামচ অরিগানো।

১০. ৪ টেবিল চামচ প্যাপরিকা।

১১. ১/২ টেবিল চামচ থাইম।

চিকেন ফ্রাই করার কৌশল আছে কী?

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566637102106.jpg

ব্যাটার তৈরি করে মুরগির মাংসে মিশিয়ে তেলে গড়িয়ে নিলেই যদি কেএফসির চিকেন ফ্রাই হয়ে যেতো, তাহলে তো কথাই ছিল না। ফ্রাইড চিকেন তৈরির মসলা নয়, চিকেন ফ্রাই করার কৌশলেও থাকে ভিন্নতা। ফলে অন্যান্য ফ্রাইড চিকেনের তুলনায় কেএফসির ফ্রাইড চিকেন ও চিকেন ক্রাস্ট হয় আলাদা। কয়েকটি কৌশল জেনে রাখুন।

দ্রুত ভেজে ফেলা

অনেকেই চিকেন ব্যাটার ও ময়দায় মাখিয়ে বেশ অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পর তেলে ভাজেন। কিন্তু কেএফসির ক্ষেত্রে নিয়ম একেবারে উল্টো। ‘ফ্রম ফ্লাওয়ার টু ফ্রায়ার’ এই নীতিতে কাজ করে কেএফসি। অর্থাৎ ময়দায় মুরগির মাংস গড়িয়ে সরাসরি ফ্রায়ারে ছেড়ে দেওয়া। এতে করে বাইরের আবরণ অতিরিক্ত শক্তও হবে না আবার মুচমুচে থাকবে এবং ফ্রাইড চিকেন খাওয়ার সময় সহজেই চিকেন থেকে খুলে আসবে।

ফ্রায়ারে ভিন্নতা

কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের এক্সট্রা ক্রিস্পিভাব তৈরি করা হয় বিশেষ ইনডাস্ট্রিয়াল-স্ট্রেনথ প্রেশার ফ্রায়ার ব্যবহারে। কেএফসির মতো ফ্রায়ার ঘরে পাওয়া সম্ভব না হলেও, গভীর কোন পাত্রে ৩৫০-৩৬০ ডিগ্রীতে তেল গরম করে প্রতিটি মুরগির পিস ঘড়ি ধরে ১২ মিনিট ভাজলে কেএফসির কাছাকাছি ফ্রাইড চিকেন তৈরি করা সম্ভব হবে।

সাথে সাথেই না খাওয়া

কেএফসির ফ্রাইড চিকেন ভাজার পর অন্তত বিশ মিনিট ১৭৫ ডিগ্রী তাপমাত্রায় ওভেন সেটে রেখে দেওয়া হয়। এরপর এই ফ্রাইড চিকেন খাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়। তেল থেকে ওঠানোর সাথে সাথে কেএফসির ফ্রাইড চিকেন পরিবেশন করা হয় না। ২০ মিনিট ওভেন সেটে রাখার ফলে মাংসের ভেতরের অংশ গরম থাকে এবং বাইরের অংশ থাকে মুচমুচে। এছাড়া মাংসে বাড়তি তেল থাকলে সেটাও ঝরে যায় সহজেই।

আরও পড়ুন: মাংসের ঝোলের ঘ্রানে কেএফসি’র সেন্টেড ক্যান্ডেল

আরও পড়ুন: কেএফসি যে কারণে নাম পরিবর্তন করেছিল!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র