Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

টুথপেস্ট নয়, নারিকেল তেলে পাওয়া যাবে দাঁতের সুরক্ষা!

টুথপেস্ট নয়, নারিকেল তেলে পাওয়া যাবে দাঁতের সুরক্ষা!
দাঁত ভালো থাকবে নারিকেল তেলের ব্যবহারে, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

আমাদের দিনের শুরু হয় টুথপেস্টে দাঁত মেজে।

চিরাচয়িত এই নিয়মে হুট করে যদি পরিবর্তন আনা হয়, তবে কেমন হয়? টুথপেস্টের বদলে নারিকেল তেল ব্যবহারে দাঁত মাজার কথা বলা হলে অবাক না হয়ে উপায় নেই। কিন্তু গবেষকেরা নানান পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও গবেষণা শেষে জানাচ্ছেন, দাঁতের সুরক্ষা ও সুস্বাস্থ্য রক্ষার্থে টুথপেস্টের চাইতেও উপকারী ভূমিকা পালন করে প্রাকৃতিক নারিকেল তেল।

আমাদের স্যালাইভা তথা লালাতে থাকা এনজাইমের সাথে নারিকেল তেলের সংযোগে উৎপাদিত উপাদান ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে ও দাঁতের ক্ষয়রোগ প্রতিরোধে কাজ করে।

আয়ারল্যান্ডের অ্যাথলোন ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজির (AIT) গবেষকেরা মানুষের মুখের স্ট্রেপটোকক্কাস (Streptococcus) ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে নারিকেল তেলের কার্যকারিতা পরীক্ষা করেন। ফলাফল থেকে দেখা যায় নারিকেল তেল মুখের লালার সাথে মিশ্রিত হয়ে এই ব্যাকটেরিয়াসহ অন্যান্য ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিতেও বাধা প্রদান করে।

গবেষকেরা পরীক্ষার জন্য নারিকেল তেলের পাশাপাশি ভেজিটেবল অয়েল, অলিভ অয়েল নিয়েও পরীক্ষা করেন। দেখা গেছে, খুব স্বল্প পরিমাণ নারিকেল তেল থেকেও ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া গিয়েছে।

গবেষণার প্রধান ড্যামেইন ব্র্যাডলি জানান, তাদের গবেষণার ফলাফল থেকে দেখা গেছে- মানুষের পাচনতন্ত্রে রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল কার্যক্রম। তিনি বিশ্বাস করেন, তাদের তথ্য ভবিষ্যতে দাঁতের সুরক্ষায় কার্যকরি ভূমিকা পালন করবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/12/1560338465745.jpg

সবার সুবিধার্থে এখানে তিনটি কারণ তুলে ধরা হলো, যা আরও ভালোভাবে বোঝাতে সাহায্য করবে কেন টুথপেস্টের চাইতে নারিকেল তেলের ব্যবহার দাঁতের জন্য উপকারী।

নারিকেল তেল প্রাকৃতিক ও নিরাপদ

দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, বেশিরভাগ টুথপেস্টেই থাকে নানাবিধ কেমিক্যাল ও টক্সিন উপাদান। ক্ষতিকর উপাদানের মাঝে প্রধান তিনটি হলো-

ট্রাইক্লোসান – এটা হরমোনাল সমস্যা তৈরি করে এবং অ্যান্টিবায়োটিক রেসিস্টেন্স তৈরি করে শরীরে। কিছু ক্ষেত্রে ক্যান্সার তৈরির কারণো এই উপাদানটি।

ফ্লোরাইড – এটা হলো বিষাক্ত ইন্ডাস্ট্রিয়াল বর্জ্য পদার্থ, যা বেশ কিছু টুথপেস্টে পাওয়া যায়।

সারফ্যাকট্যান্টস – এটা হলো সোডিয়াম লরেথ সালফেট (SLS), যা এক ধরনের ফোমিং উপাদান। এর ফলে খাবারে অরুচির সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে।

অন্যদিকে নারিকেল তেল সম্পূর্ণ বিশুদ্ধ ও প্রাকৃতিক একটি উপাদান। যা মুখের ভেতরের ও দাঁতের সার্বিক সুরক্ষা ছাড়া কোন ক্ষতি করে না।

ক্যাভিটি প্রতিরোধ করে

ফিচারের শুরুতেই উল্লেখ করা হয়েছিল, নারিকেল তেল স্ট্রেপটোকক্কাস (Streptococcus) ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে। এই ব্যাকটেরিয়া মূলত ক্যাভিটি তৈরির জন্য দায়ী। নারিকেল তেল ব্যবহারে দাঁত এক্ষেত্রে অনেকটাই সুরক্ষিত থাকে।

তৈরি করা যাবে নারিকেল তেলের পেস্ট

চাইলে ঘরেই তৈরি করে নেওয়া যাবে নারিকেল তেলের পেস্ট। দুই টেবিল চামচ বেকিং সোডা ও দুই টেবিল চামচ পরিমাণ নারিকেল তেল মিশিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে কাঙ্ক্ষিত নারিকেল তেলের পেস্ট।

আরও পড়ুন: ঘরেই বানিয়ে নিন পেপারমিন্ট-নারিকেল তেলের টুথপেস্ট

আরও পড়ুন: চিনির বিকল্পে চার উপাদান

আপনার মতামত লিখুন :

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়
ডিটক্সিফাইং পানীয়

অন্যান্য সময়ের চাইতে ঈদের সময়টাতে তেল, চর্বি ও উচ্চমাত্রার ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়।

এতে করে সহজেই শরীরের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। এই ক্ষতিকর প্রভাব কাটানোর জন্য প্রয়োজন হয় ডিটক্সিফাইং পানীয়। যা শরীর থেকে ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

এমন পানীয় তৈরিতে সাধারণত খুব বেশি উপাদান প্রয়োজন হয় না। আজকের বিশেষ ডিটক্সিফাইং পানীয়টি তৈরিতেও মাত্র তিনটি সহজলভ্য উপাদান প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিটক্সিফাইং পানীয় তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047849609.jpg

১. একটি বড় লেবুর রস।

২. ১-২ ইঞ্চি পরিমাণ আদা কুঁচি।

৩. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৪. দুই কাপ পরিমাণ পানি।

৫. এক চিমটি কালো গোলমরিচ গুঁড়া (ঐচ্ছিক)

ডিটক্সিফাইং পানীয় যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047866015.jpg

পানি ফুটিয়ে নামিয়ে এতে লেবুর রস, আদা কুঁচি, হলুদ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পুনরায় চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে কুসুম গরম থাককাকালী সময়ে পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে উপকারী পাঁচ পদের জুস

আরও পড়ুন: আহ, মশলা চা!

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র