Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বর্ষায় ঘরের স্যাঁতস্যাঁতে ভাব দূর হবে কীভাবে?

বর্ষায় ঘরের স্যাঁতস্যাঁতে ভাব দূর হবে কীভাবে?
কয়েকটি নিয়মেই দূর হবে ঘরের স্যাঁতস্যাঁতে ভাব, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

গ্রীষ্মের অস্বস্তি ও তাপদাহের পর প্রশান্তি নিয়ে আসে বর্ষাকাল।

শান্তির বৃষ্টিতে শুধু মানবজীবনে নয়, প্রকৃতিতেও নেমে আসে শীতলতার পরশ। কিন্তু কয়েকদিন যেতে বিরক্তিকর হয়ে ওঠে একঘেয়ে বৃষ্টি। বর্ষাকালে প্রবল বৃষ্টি শুধু বাইরে নয়, ঘরের ভেতরেও সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। স্বাভাবিক সময়ের চাইতে এই সময়ে আবহাওয়াতে ও বাতাসে আর্দ্রতা বেড়ে যাওয়ার দরুন ঘরে দেখা দেয় স্যাঁতস্যাঁতে ভাব। যা ভীষণ বিরক্তিকর। বিরক্তিকর ভাব সবচেয়ে বেশি দেখা দেয় যখন ঘরের ভেতর চাপা গন্ধভাব তৈরি হয় ও ঘরের আবহাওয়া জুড়ে গুমোটভাব বিরাজ করে।

নিজের ঘরের ভেতরকে ফ্রেশ, সুগন্ধযুক্ত রাখতে এবং স্যাঁতস্যাঁতে ভাবকে দূর করতে কিছু সাধারণ নিয়ম মেনে চললেই ঝামেলা মিটে যাবে অনেকখানি।

ঘরে বাতাস চলাচল উপযোগী করতে হবে

অনেকেই ঘরদোর এমনভাবে বদ্ধ করে রাখেন যে খুব সহজেই ঘরের ভেতর গুমোটভাব তৈরি হয় এবং ঘরে স্যাঁতস্যাঁতে ভাব দেখা দেয়। সেক্ষেত্রে ঘরে যেন সহজেই বাতাস চলাচল করতে পারে এমন ব্যবস্থা করতে হবে। বাতাসের সাথে বাইরের আলো ঘরে প্রবেশ করলে ঘরের স্যাঁতস্যাঁতে ভাব অনেকটাই কমে যাবে।

এক্ষেত্রে একটি বিষয়ের উপরে নজর দিতে হবে খুব বেশি। এ সময়ে ডেঙ্গু মশার প্রকোপ দেখা দিচ্ছে খুব বেশি সেক্ষেত্রে সন্ধ্যা হওয়ার আগেই জানালা ও বারান্দায় নেট টেনে দিতে হবে। এতে করে বাতাস চলাচল করতে পারলেও মশা ঘরে প্রবেশ করতে পারবে না। পাশাপাশি খেয়াল রাখতে হবে, বৃষ্টি দেখা দেওয়ার সাথে সাথেই ঘরের জানালাগুলো বন্ধ করে দিতে হবে। এতে করে ঘরের ভেতরে বৃষ্টির পানি প্রবেশ করতে পারবে না। 

ভারি পর্দা এড়িয়ে যাওয়া

মোটা ও ভারি ধরনের দরজা-জানালার পর্দা সম্পূর্ণ এড়িয়ে যেতে হবে। মোটা কাপড় বাতাস থেকে আর্দ্রতা বেশি শোষণ করে। এতে করে পুরো ঘরের আবহাওয়া জুড়ে স্যাঁতস্যাঁতে ভাব বিরাজ করে। এছাড়া হুটহাট বৃষ্টিতে পর্দা ভিজে গেলে শুকাতে দীর্ঘসময় প্রয়োজন হবে যদি ভারি কাপড়ের পর্দা হয়। তাই এই সময়ে হালকা কাপড়ের পর্দা নির্বাচন করতে হবে।

কাপড় ধুতে হবে সীমিত

বর্ষাকালে স্বাভাবিকভাবেই ভেজা কাপড় শুকাতে দীর্ঘসময় প্রয়োজন হয়। ফলে অনেকেই ভেজা কাপড়চোপড় ঘরে ফ্যানের নিচে এনে শুকাতে দেন। এতে করে ঘর আরও বেশি স্যাঁতস্যাঁতে হয়ে ওঠে। তাই বর্ষাকালে যথাসম্ভব সীমিত কাপড় ধুতে হবে এবং ঘরের ভেতরে শুকাতে দেওয়ার ক্ষেত্রে ভেবেচিন্তে তবেই শুকাতে হবে।

মেঝে মুছতে ফিনাইল

ঘরের মেঝে অপরিষ্কার রাখলে পুরো বাড়িই অপরিষ্কার হয়ে যায়। তাই প্রতিদিন নিয়ম করে ঘরের মেঝে অবশ্যই মুছতে হবে। কিন্তু বর্ষাকালে এমনিতেই মেঝে স্যাঁতস্যাঁতে হয়ে আছে। মেঝেতে পা দিলে দেখা যায়  ভেজা ভেজাভাব রয়েছে। এর মাঝেও মেঝে পরিষ্কার করতে চাইলে পানির সাথে মিশিয়ে নিতে হবে ফিনাইল। এতে মেঝে দ্রুত শুকিয়ে যাবে।

কার্পেট গুটিয়ে নিতে হবে

সাধারণত ড্রইংরুমে কার্পেট বিছানো হয়। মোটা বুননের কার্পেট অনেকখানি আর্দ্রতা শোষণ করে ও ভেজা ভেজা হয়ে থাকে। যা থেকেও ঘরে স্যাঁতস্যাঁতেভাব তৈরি হয়। সেক্ষেত্রে শুধুমাত্র বর্ষাকালের জন্য কার্পেট গুটিয়ে তুলে রাখতে হবে।

দারুচিনির সুঘ্রাণ

বর্ষায় ঘরের স্যাঁতস্যাঁতেভাবে থেকে গন্ধের উৎপত্তি হয়। বিশেষত যাদের বাড়িটি বহুকাল আগের ও পুরনো ধাঁচের কিংবা বেশখানিকটা ভেতরের দিকে, তাদের বাসাবাড়িতে এই সমস্যাটি বেশি দেখা দেয়। এমন সমস্যার ক্ষেত্রে দুই কাপ পানিতে মাঝারি আকৃতির একটি দারুচিনি ফুটিয়ে নিতে হবে। এতে করে পুরো ঘর জুড়েই দারুচিনির সুঘ্রাণ ছড়িয়ে পড়বে।

আরও পড়ুন: বর্ষাকালে কাপড় শুকানো নিয়ে ঝামেলা?

আরও পড়ুন: বায়ু পরিশোধক গাছে দূষণমুক্ত ঘরোয়া পরিবেশ

আপনার মতামত লিখুন :

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'
দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট ও কয়েকটি মেন্যু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় বলা চলে, পুরোটাই অফিস পাড়া। সকাল থেকে সন্ধ্যা কিংবা রাত- প্রতিনিয়তই চলছে কাজ। কিন্তু এই এলাকায় ছিল না ভালো কোনো খাবারের জায়গা। হাতেগোনা যে কয়টা রেস্টুরেন্ট আছে তার কোনোটাতে হয় দাম বেশি রাখা হয় কিংবা খাবার স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে তেজগাঁওয়ে শুরু হয়েছে 'দ্যা গ্যারাজ ফুডকোর্ট'।

তেজগাঁও শান্তা টাওয়ার মোড় বা ব্র্যাক ব্যাংক অনিক টাওয়ারে যেতে গলির মুখেই ২২২ নাম্বার হাউজে এই ফুডকোর্ট অবস্থিত। রয়েছে ২০০টির বেশি আসন। তবে ফুডকোর্টটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত না হলেও বড় বড় ফ্যানের মাধ্যমে ঠাণ্ডা বাষ্প দিয়ে জায়গাটি শীতল করার ব্যবস্থা আছে।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

সরেজমিনে দেখা গেছে, বর্তমানে এই ফুডকোর্টে জুসবারসহ প্রায় ১০টি দোকান আছে। এসব দোকানে নুডলস, বার্গার, দই ফুচকা, দোসা, রাজকচুরি, ফ্রাইড রাইস, ফ্রাইড চিকেন, লাঞ্চ আইটেম, চাপ, পরোটা, এগ রোল এবং চাপরোল পাওয়া যায়। আর বেভারেজ আইটেমের মধ্যে রয়েছে- কোল্ড কফি, হটকফি, এসপ্রেসো কফিসহ আনারস, আম ও সিজনাল নানা ফ্রুট জুস।

এখানে চিকেন ও বিফ চাপ ১৫০ টাকা, চিকেন চাপ প্যাকেজ মিল ১৮০ টাকা, পরোটা ২০ টাকা, চিকেন রোল ১০০ টাকা, বিফ রোল ১২০ টাকা, এগরোল ৪০ টাকা, বিফ তেহারি ১৫০ টাকা, চিকেন খিচুরি ও বেগুন ভাজি ১৮০ টাকায় পাওয়া যায়।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

এছাড়া দোসা এক্সপ্রেসে দোসা পাওয়া যাবে ১৮০–৩৫০ টাকায়।

'হাক্কা ঢাকায়' সেট মেন্যু ৩২৯–৫২৯ টাকা। এপিটাইজার আইটেমের পাওয়া যাচ্ছে ১৯৯-৩০০ টাকায়, যার মধ্যে রয়েছে চিকেন, প্রন ডাম্পলিং, হাক্কা চিকেন উইংস। রাইস এবং নুডুলস আইটেমের মধ্যে আছে চিকেন, প্রন এবং বিফ ফ্রাইড রাইস ও নুডুলস, যার দাম পড়বে ১৯৯-৩০০ টাকা। এছাড়াও রয়েছে রাইস, চিকেন চিলি ও ফ্রাইড চিকেন এর একটি লাঞ্চ মেন্যু, যার দাম ধরা হয়েছে ১৯৯ টাকা।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

চিজ এক্সপ্রেসে স্লাইস পিজ্জার দাম পড়বে ১২৯ টাকা। এছাড়াও সর্বোচ্চ ১৬ ইঞ্চি পিজ্জা পাওয়া যাবে এক হাজার ২৪৯ টাকায়।

দ্যা গ্যারাজ কফিতে এসপ্রেসো কফি পাওয়া যাবে ১০০ টাকায়। এছাড়াও আমরিকানো ১৩০ টাকা, মকা ২২০ টাকা, ডেজার্ট আইটেম ১০০-২৫০ টাকা, হট ড্রিঙ্কস ২০০ টাকা, চা ৩৫ টাকা, আইসড কফি ১৫০-২৫০ টাকা, সিজনাল ফ্রুট জুস ১৩০ টাকা। রয়েছে জনপ্রিয় টেকআউট বার্গারের ফুড স্টলও।

ফুডকোর্টতির ইনচার্জ বদিউজ্জামান জানান, গত মে মাসে এর যাত্রা শুরু হয়। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ফুডকোর্ট খোলা থাকে।

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান
নান, ছবি: সংগৃহীত

সকাল কিংবা বিকালের নাশতায় যারা নিয়মিত রুটি ও পরোটা খান, একটা সময় পরে তাদের রুটিতে অভক্তি দেখা দেয়।

এ সময়ে রুটির বদলে গরম নান খেতে মনে চায়। ফোলা ও গরম নানের সাথে সবজি কিংবা মাংসের ঝোল যেন অমৃতসম।

এই নান কেনার জন্য এলাকার রেস্টুরেন্টে দৌড়ঝাঁপ না করে ঘরে বসে চুলাতেই তৈরি করে নেওয়া যাবে মজাদার গরমাগরম নান। দেখে নিন নান তৈরির রেসিপিটি।

নান তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623276721.JPG

১. ১/৪ কাপ দই।

২. এক চা চামচ চিনি।

৩. এক চা চামচ বেকিং পাউডার।

৪. এক চিমটি বেকিং সোডা।

৫. দুই কাপ ময়দা।

৬. এক চা চামচ লবণ।

৭. দুই টেবিল চামচ তেল।

৮. ১/৪-১/৩ কাপ পানি।

৯. এক টেবিল চামচ কালোজিরা।

১০. ঘি অথবা মাখন।

নান যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623263865.JPG

১. একটি পাত্রে দই, এক চা চামচ চিনি, এক চা চামচ বেকিং পাউডার ও এক চিমটি বেকিং সোডা ভালোভাবে মেশাতে হবে।

২. এতে দুই কাপ ময়দা ও স্বাদমতো লবণ দিয়ে চামচের সাহায্যে ভালোভাবে মেশাতে হবে। মিশ্রণের মাঝখানে দুই টেবিল চামচ তেল অ ১/৪ কাপ পানি দিয়ে ময়দার কাই তৈরি করতে হবে। ময়দার কাই শক্ত হলে পানি ও নরম হলে ময়দা মেশাতে হবে।

৩. ময়দার কাইটি মসৃণ হয়ে আসলে তার উপরে তেল মাখিয়ে পাত্রের মাঝখানে রেখে তার উপরে ভেজা অ পরিষ্কার কাপড় দিয়ে দুই ঘন্টার জন্য ঢেকে রাখতে হবে।

৪. দুই ঘণ্টা পর ময়দার কাই থেকে ছোট ছোট বল তৈরি করে রুটির মতো বেলে নিতে হবে। বেলার সময় তার উপরে কালোজিরা ছড়িয়ে দিতে হবে এবং রুটির মতো গোলাকৃতির না করে লম্বাটে করে নিতে হবে। চাইলে হাত দিয়ে টেনে লম্বাটে করে নেওয়া যাবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623299530.JPG

৫. এবারে চুলায় তাওয়া গরম করে নান দিয়ে দিতে হবে। একপাশ কিছুটা ভাজা হলে ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দেবে। এমন হলে নান উল্টে দিয়ে অপর পাশ ভাজতে হবে। এ পাশেও ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দিলে আবারো উল্টে দিতে হবে।

তাওয়া থেকে নামানোর আগে নানের উপরে ঘি অ ধনিয়া পাতা কুঁচি ছড়িয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

আরও পড়ুন: ঘিয়ে তৈরি মুচমুচে নিমকি

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র