Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বর্ষায় ভ্রমণে যা রাখবেন সাথে

বর্ষায় ভ্রমণে যা রাখবেন সাথে
বর্ষাকালে ঘুরাঘুরিতে কিছু অনুষঙ্গ অবশ্যই সাথে রাখতে হবে, ছবি: সংগৃহীত
লাইফস্টাইল ডেস্ক
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বৃষ্টির সময় ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হলে, মাথায় রাখতে হয় শতেক দরকারি জিনিসপত্রের হিসাব।

স্বাভাবিকভাবে সবাই চেষ্টা করে কম জিনিস বহন করার। কারণ এতে ঘুরতে সুবিধা হয়।

বৃষ্টিকালীন সময়ে বের হলে সাথে ছাতা তো থাকেই, তবে ছাতার সাথে আরও কয়েকটি প্রয়োজনীয় জিনিস রাখতে হবে। এ সময়ে কোন জিনিসগুলো সাথে রাখা প্রয়োজন জেনে রাখুন।

ছাতা

বৃষ্টি মানেই সাথে ছাতা বহন করা। অনেকের কাছে বিরক্তকর মনে হলেও ভিজতে না চাইলে ব্যাগে ছাতা রাখতে হবে। কম বৃষ্টি হলে হালকা ভারের ছাতা রাখা যায়, তবে ঝড়ো বৃষ্টি হলে অবশ্যই ভারী ছাতা প্রয়োজন হবে। তা না হলে, প্রবল বাতাসে ছাতার হুক ভেঙ্গে যেতে পারে।

রেইনকোট

শিশু থেকে বড় সকলের জন্যেই রেইনকোট ব্যবহার দারুণ উপযুক্ত। নিজেকে বৃষ্টির হাত থেকে সম্পূর্ণ শুষ্ক রাখতে রেইনকোট সবচেয়ে কার্যকরী। বাচ্চাদের কোথাও নিয়ে গেলে রেইনকোট সাথে রাখুন, বৃষ্টি হলে তা পরিয়ে বাইরে বের হোন, এতে তারা সহজে ভিজবে না। এছাড়া অনেকে বাইক বা সাইকেল চালান। তারাও প্যান্টসহ জ্যাকেট রেইনকোট পরতে পারেন। এতে জামার কোন অংশই ভিজবে না ও বৃষ্টি শেষে শুষ্ক থাকতে পারবেন।

জুতা

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/11/1562848722180.jpg

বৃষ্টিতে আরেকটি খুব দরকারি হল জুতা। কাদাযুক্ত রাস্তায় হাঁটাহাঁটি করা খুব অসহ্য হলেও সঠিক সময়ে গন্তব্যে পৌছাতে চাইলে, যানবাহনের পাশাপাশি হাঁটতেও হয়। এছাড়া বৃষ্টির সময় ঘুরতে গেলে, বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকায় গেলে জুতা নিয়ে বেশ খেয়াল রাখতে হয়। পাহাড়ি অঞ্চলে গেলে শু বা কেডস জাতীয় জুতা, যেগুলো গ্রিপ্স রাখতে পারে সেগুলো ব্যবহার করা উচিৎ। এতে কাদাতে পা সহজে পিছলিয়ে যাবে না এবং বৃষ্টিতে যেসব পোকার পরিমাণ বেশি থাকে সেগুলো থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।

তবে আশেপাশে কোথাও বা নিচু স্থানে ঘুরতে গেলে প্লাস্টিক বা যেগুলো দ্রুতই শুকিয়ে যাবে এমন স্যান্ডেল বা জুতা পড়তে পারেন।

ওয়াটারপ্রুফ ও জিপলক ব্যাগ

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/11/1562848698153.jpg

বৃষ্টির সময় প্রয়োজন এমন ব্যাগ যেটি পানিতে ভিজবে না, পানি প্রবেশ করবে না ও ভিতরের জিনিসপত্রগুলো সুরক্ষিত থাকবে। তাই ব্যাগ যখন কিনবেন দেখে নিন সেটি ওয়াটারপ্রুফ কিনা এবং সেটিতে চেইন ঠিকমত আছে নাকি, যেন খোলা না থাকে।

তোয়ালে বা রুমাল

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/11/1562848681028.jpg

বৃষ্টিতে ভিজে ঘুরাঘুরি করতে কমবেশি অনেকই করেন। তবে ভেজা অবস্থায় বেশিক্ষণ থাকা ঠিক নয়। ঠাণ্ডা, জ্বর, সর্দি এমন সময়ে খুব জলদি দেখা দেয়। তাই সাথে রাখুন ছোট তোয়ালে বা রুমাল, যেটি সহজেই পানি চুষে নিবে এবং দ্রুত বাতাসের সংস্পর্শে শুকিয়ে যাবে। এতে করে বৃষ্টিতে ভেজার পরপরই মাথার চুলসহ শরীর ভালোভাবে মুছে ফেলা যাবে।

হালকা পোশাক

বৃষ্টির দিন ভারী কাপড় পড়া উচিৎ নয়, কারণ এমন পোশাক বৃষ্টিতে ভিজলে সহজে শুকাতে চায় না। এমন সময় হালকা ধরণের জামা পরিধান করা উচিৎ যেগুলোতে পানি ঝরে যাবে, দাগ বসবে না, দ্রুত শুকিয়ে যাবে এবং পরে আরাম বোধ হবে। এ ধরণের জামা ব্যাগে বেশি জায়গাও নেয় না এবং ব্যাগ ভারীও হয়না।

টর্চলাইট

বৃষ্টির দিন কারেন্টের সমস্যাতো থাকেই, তবে এ সময় দিনভর অন্ধকার পরিবেশ হয়ে থাকে। এ সময়ে পাহাড়-জঙ্গলে ঘুরলে অন্ধকারে সহজে দেখা যায়না। এছাড়া রাতে দুর্ঘটনার প্রবণতা বেশি থাকে। তাই সাথে রাখুন ছোট টর্চলাইট বা এমন কোনো লাইট যেটির চার্জ অনেকক্ষণ থাকবে ও ভালো আলো দিতে পারবে।

স্মার্ট ওয়াচ

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/11/1562848621597.jpg

ডিজিটাল প্রযুক্তির যুগে সবকিছুই হাতের মুঠোয়। শুধু যে মোবাইল ফোনে সবকিছু করা হয়, তা নয়। এখন হাতে পড়া ঘড়িতেও রয়েছে মোবাইলের কিছু কার্যক্রম যেমন- ম্যাসেজ দেখা, কল ধরে কথা বলা, কত কিলোমিটার হেঁটেছেন সে হিসাব রাখা, মোবাইল ট্র্যাক করা, দিক নির্দেশনা ইত্যাদি। তাই সম্ভব হলে ঘুরতে যাওয়ার আগে সাথে রাখুন একটি ডিজিটাল ঘড়ি। চমৎকার বিষয়টি হল, স্মার্ট ওয়াচ বৃষ্টিতে ভিজলেও নষ্ট হওয়ার ভয় নেই। এতে বৃষ্টিতে আপনার মোবাইল বারাবার বের করার প্রয়োজন হবে।

পাওয়ার ব্যাংক

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/11/1562848603466.jpg

মোবাইল, লাইট, স্মার্ট ঘড়ি চার্জ দিতে যেখানে সেখানে বিদ্যুৎ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর হয়ে যাবে। তাই ডিভাইসগুলোর চার্জের জন্য সাথে রাখুন পাওয়ার ব্যাংক।

মশার ঔষধ 

বৃষ্টিতে মশার উৎপাত চারিদিকে বেশি থাকে। তাই যেখানেই ঘুরতে যাওয়া হোক না কেনো সাথে রাখুন মশার ঔষধ, ক্রিম বা স্প্রে। এছাড়াও সাথে মশার কয়েল বা মশা মারার উপাদান রাখুন।

খাওয়ার ঔষধ

ব্যাগে প্রাথমিক চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ঔষধ যেমন: জ্বরের জন্য প্যারাসিটামল, নাপা বা এইস প্লাস, এলার্জির ঔষধ, গ্যাস্ট্রিকের ঔষধ, পোকামাকড়, মশা কামড়ানোর ক্রিম, ব্যান্ডেজ, কেটে গেলে ক্ষত পরিষ্কারের জন্য অ্যান্টিসেপটিক ইত্যাদি রেখে দিন।

প্লাস্টিক বা পলিথিন

বৃষ্টিতে আপনার জিনিসগুলো ভিজে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য সাথে রাখুন প্লাস্টিকের ব্যাগ বা পলিথিন। আপনার বহনের ব্যাগটি ওয়াটারপ্রুফ হলেও, বেশিভাগ জিনিসপত্র প্লাস্টিকে মুড়িয়ে ব্যাগে রাখুন। বিশেষ করে ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস, ঔষধ, পরিধেয় পোশাক। এতে কোনোভাবে ব্যাগে পানি ঢুকলে জিনিসগুলো ভিজে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাবে। এছাড়াও ভিজে যাওয়া জামা-জুতা পলিথিনে মুড়িয়ে ব্যাগে নিতে পারবেন, এতে পানি ছড়িয়ে যাবেনা।

আপনার মতামত লিখুন :

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান
নান, ছবি: সংগৃহীত

সকাল কিংবা বিকালের নাশতায় যারা নিয়মিত রুটি ও পরোটা খান, একটা সময় পরে তাদের রুটিতে অভক্তি দেখা দেয়।

এ সময়ে রুটির বদলে গরম নান খেতে মনে চায়। ফোলা ও গরম নানের সাথে সবজি কিংবা মাংসের ঝোল যেন অমৃতসম।

এই নান কেনার জন্য এলাকার রেস্টুরেন্টে দৌড়ঝাঁপ না করে ঘরে বসে চুলাতেই তৈরি করে নেওয়া যাবে মজাদার গরমাগরম নান। দেখে নিন নান তৈরির রেসিপিটি।

নান তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623276721.JPG

১. ১/৪ কাপ দই।

২. এক চা চামচ চিনি।

৩. এক চা চামচ বেকিং পাউডার।

৪. এক চিমটি বেকিং সোডা।

৫. দুই কাপ ময়দা।

৬. এক চা চামচ লবণ।

৭. দুই টেবিল চামচ তেল।

৮. ১/৪-১/৩ কাপ পানি।

৯. এক টেবিল চামচ কালোজিরা।

১০. ঘি অথবা মাখন।

নান যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623263865.JPG

১. একটি পাত্রে দই, এক চা চামচ চিনি, এক চা চামচ বেকিং পাউডার ও এক চিমটি বেকিং সোডা ভালোভাবে মেশাতে হবে।

২. এতে দুই কাপ ময়দা ও স্বাদমতো লবণ দিয়ে চামচের সাহায্যে ভালোভাবে মেশাতে হবে। মিশ্রণের মাঝখানে দুই টেবিল চামচ তেল অ ১/৪ কাপ পানি দিয়ে ময়দার কাই তৈরি করতে হবে। ময়দার কাই শক্ত হলে পানি ও নরম হলে ময়দা মেশাতে হবে।

৩. ময়দার কাইটি মসৃণ হয়ে আসলে তার উপরে তেল মাখিয়ে পাত্রের মাঝখানে রেখে তার উপরে ভেজা অ পরিষ্কার কাপড় দিয়ে দুই ঘন্টার জন্য ঢেকে রাখতে হবে।

৪. দুই ঘণ্টা পর ময়দার কাই থেকে ছোট ছোট বল তৈরি করে রুটির মতো বেলে নিতে হবে। বেলার সময় তার উপরে কালোজিরা ছড়িয়ে দিতে হবে এবং রুটির মতো গোলাকৃতির না করে লম্বাটে করে নিতে হবে। চাইলে হাত দিয়ে টেনে লম্বাটে করে নেওয়া যাবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623299530.JPG

৫. এবারে চুলায় তাওয়া গরম করে নান দিয়ে দিতে হবে। একপাশ কিছুটা ভাজা হলে ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দেবে। এমন হলে নান উল্টে দিয়ে অপর পাশ ভাজতে হবে। এ পাশেও ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দিলে আবারো উল্টে দিতে হবে।

তাওয়া থেকে নামানোর আগে নানের উপরে ঘি অ ধনিয়া পাতা কুঁচি ছড়িয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

আরও পড়ুন: ঘিয়ে তৈরি মুচমুচে নিমকি

কর্মক্ষেত্রে দম ফুরিয়ে যাচ্ছে চার কারণে!

কর্মক্ষেত্রে দম ফুরিয়ে যাচ্ছে চার কারণে!
কর্মক্ষেত্রে দম ফুরিয়ে যাওয়া আর ক্লান্তিবোধ এক নয়, ছবি: সংগৃহীত

প্রতিটি কর্মজীবীকে দিনের সিংহভাগ সময় কাটাতে হয় নিজ কর্মক্ষেত্রে।

কাজের চাপ, ব্যস্ততা, ডেডলাইন, মিটিংসহ সবকিছুর সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে ক্লান্তি দেখা দেয় একটা সময়। সময়মতো বিশ্রাম নিলে এই ক্লান্তিভাব খুব দ্রুত কেটেও যায়। কিন্তু কর্মক্ষেত্রে দম ফুরিয়ে যাওয়া আর ক্লান্তিবোধ এক নয়।

কর্মোদ্যম ফুরিয়ে গেলে শারীরিক ক্লান্তির সাথে মানসিক ক্লান্তি প্রভাব বিস্তার করে। কাজ, ব্যস্ততা, ছুটে চলা- সবকিছুকেই অর্থহীন বোধ হতে থাকে। অসামঞ্জস্যতা দেখা দেয় জীবনে চলার পথে। এমন অবস্থা চলতে একটা সময় জীবনের উপরে বিরক্তিবোধ কাজ করা শুরু করে।

কর্মোদ্যম হারিয়ে যাওয়া বা দম ফুরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি বেশ কয়েকটি কারণে দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রফেশনাল প্রেসক্রিপশন ফর লাইফের কোচ সুসান বিয়ালি হাস এমডি। বিগত কয়েক বছর ধরে এ বিষয়ে কাজ করে এবং বহু মানুষকে কাউন্সেলিং করে তিনি বুঝতে পেরেছেন কর্মক্ষেত্রে কর্মোদ্যমতা হারানো শুরু হয় খুব ছোট কিছু থেকেই।

নির্দিষ্ট কোন একটি কারণ

ভিন্ন ভিন্ন কর্মক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের চাপ থাকে, কাজের ধরণ থাকে। সেক্ষেত্রে প্রতিটি ক্ষেত্রেই ভিন্ন কারণে দেখা দিতে পারে দম ফুরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি। কোচ সুসান জানাচ্ছেন মূলত ছয়টি কারণ কাজ করে এক্ষেত্রে। অতিরিক্ত কাজের চাপ, নিয়ন্ত্রণের অভাব, অপর্যাপ্ত উপহার, কর্মক্ষেত্রে কমিউনিটি সংক্রান্ত সমস্যা, অন্যায্য/ অনৈতিক চর্চা, নৈতিকতার অমিল। এ বিষয়গুলো খুব ধীরে ধীরে কাজের উপর অনাগ্রহ তৈরি করে এবং কর্মোদ্যমতা নষ্ট করে দেয়।

আপনিও কর্মোদ্যম হারিয়ে ফেলেন তবে চেষ্টা করুন কারণটি খুঁজে বের করার। কোন কারণে এমনটা হচ্ছে সেটা শনাক্ত করতে পারলে সেটা সমাধানে কাজ করতে পারবেন।

অন্যের কাজ করা

স্বাভাবিকভাবেই অফিসে নিজের কাজের চাপ থাকে অনেক বেশি। সেখানে অন্যের কাজের বোঝাও যদি মাথায় এসে ভর করে তবে সেটা শারীরিক ও মানসিক চাপ তৈরি করে অনেক বেশি। আপনিও যদি এমনটা করে থাকেন তবে এই অভ্যাসটি খুব দ্রুত পরিহার করতে হবে।

ব্যক্তিগত জীবন ও কর্মজীবনের মাঝে দেয়াল না থাকা

অফিসের কাজ বাসাতে টেনে নিয়ে যাওয়া এবং পরবর্তীতে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করে যাওয়ার ফলে স্বাভাবিকভাবেই কোন বিশ্রাম হয় না। মাথার ভেতর সর্বদা কাজের বিষয়গুলো ঘুরঘুর করতে থাকে, যার ফলে প্রচণ্ড মানসিক অশান্তি ও অস্থিরতা দেখা দেয়।

সেক্ষেত্রে কোচ সুসান পরামর্শ দেন- যতই কাজের চাপ থাকুক না কেন বা কাজ শেষ করার তাড়া থাকুক না কেন, কোনভাবেই অফিসের কাজ বাসাতে আনা যাবে না। বাসায় বসেও অফিসের কাজ করা ও অফিসে থাকার মাঝে আদতে কোন পার্থক্য থাকে না। এতে করে পরদিন পুনরায় অফিসে গেলেও বিন্দুমাত্র কর্মোদ্যমতা পাওয়া যায় না।

নিজের যত্ন না নেওয়া

একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের জন্য চব্বিশ ঘণ্টার মাঝে অন্ততপক্ষে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম বাধ্যতামূলক। এর কম হলে শরীর ও মন জুড়ে অপরিসীম ক্লান্তি ভর করে। এছাড়া নিজের যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে যদি হেলাফেলা করা হয়, তার প্রভাব সরাসরি দেখা দেয় কাজের উপর। সারাদিন অফিসে ডেস্কে বসে থেকেও মাথা কাজ করবে না, কাজে মন বসবে না। সেক্ষেত্রে অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, নিজের অযত্নও কর্মোদ্যম ফুরিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

আরও পড়ুন: কর্মক্ষেত্রে দূরে থাকুক আত্ম-সন্দেহ

আরও পড়ুন: সমস্যাটি যখন কর্মক্ষেত্রে!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র