Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

পায়ায় তৈরি মুখরোচক নেহারি

পায়ায় তৈরি মুখরোচক নেহারি
নেহারি
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

কোরবানির ঈদে শুধু মাংস নয়, সাথে গরু কিংবা খাসির পায়ার নেহারিও থাকা চায়। ঈদের দিন রাতে কিংবা ঈদের পরদিন সকালের নাশতায় গরম গরম নেহারির সাথে চালের আটা রুটি আয়োজন জমবে সবচেয়ে বেশি। তবে নেহারি রান্নায় দুটি বিষয়ে বেশি খেয়াল রাখা প্রয়োজন- মসলার ব্যবহার ও নেহারি জ্বাল দেওয়ার সময়। রেসিপিতে দেখে নিন নেহারি তৈরির সহজ নিয়ম।

নেহারি তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/10/1565426202036.JPG

১. ৭-৮ টুকরা করে কাটা গরু বা খাসির পায়া।

২. আট লিটার পরিমাণ পানি।

৩. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৪. এক টেবিল চামচ আদা বাটা।

৫. এক টেবিল চামচ রসুন বাটা।

৬. এক কাপ পেঁয়াজ কুঁচি।

৭. চারটা বড় তেজপাতা।

৮. ৪-৫টি ছোট দারুচিনি।

৯. ৪-৫টি এলাচ।

১০. আধা চা চামচ গোলমরিচের গুঁড়া।

১১. এক চা চামচ শুকনা মরিচ গুঁড়া।

১২. ৪-৫টি কাঁচামরিচের ফালি।

১৩. লবণ স্বাদমতো।

১৪. চার টেবিল চামচ ঘি।

১৫. ৬-৭টি লবঙ্গ।

১৬. এক চা চামচ গোলমরিচের গুঁড়া।

নেহারি যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/10/1565426178316.JPG

১. পাত্রে ঘি দিয়ে গরম করে পেঁয়াজ কুঁচি দিয়ে হালকা বাদামী করে ভেজে নিতে হবে। এতে পরিষ্কার পায়া হলুদ গুঁড়া ও লবণ দিয়ে চুলায় বসিয়ে দিতে হবে। মাঝারি আঁচে রেখে তিন-চার ঘণ্টার জন্য পায়াগুলো সিদ্ধ করতে হবে।

২. পানি কমে এলে আদা-রসুন বাটা, দারুচিনি, এলাচ, তেজপাতা, শুকনা মরিচ গুঁড়া, গোলমরিচ গুঁড়া, লবঙ্গ ও কাঁচামরিচ দিয়ে দিতে হবে এবং একদম ঢিমে আঁচে আরও ৩-৪ ঘণ্টার জন্য রেখে দিতে হবে।

৩. চামচের সাহায্যে তুলে দেখতে হবে পায়ার সাথে লেগে থাকা মাংস সিদ্ধ হয়েছে কিনা। পানি যদি অনেকখানি টেনে যায় তবে এতে আরও কিছুটা পানি দিতে হবে।

পানি টেনে ঘন ঝোল হয়ে আসলে ও পায়ার মাংস সিদ্ধ হয়ে গেলে উপরে গোল মরিচের গুঁড়া ও ধনিয়া পাতা কুঁচি ছিটিয়ে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: মেজবানি গরু ভুনা

আরও পড়ুন: ইস্ট ছাড়াই তৈরি হবে ফুলকো লুচি!

আপনার মতামত লিখুন :

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়
ডিটক্সিফাইং পানীয়

অন্যান্য সময়ের চাইতে ঈদের সময়টাতে তেল, চর্বি ও উচ্চমাত্রার ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়।

এতে করে সহজেই শরীরের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। এই ক্ষতিকর প্রভাব কাটানোর জন্য প্রয়োজন হয় ডিটক্সিফাইং পানীয়। যা শরীর থেকে ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

এমন পানীয় তৈরিতে সাধারণত খুব বেশি উপাদান প্রয়োজন হয় না। আজকের বিশেষ ডিটক্সিফাইং পানীয়টি তৈরিতেও মাত্র তিনটি সহজলভ্য উপাদান প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিটক্সিফাইং পানীয় তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047849609.jpg

১. একটি বড় লেবুর রস।

২. ১-২ ইঞ্চি পরিমাণ আদা কুঁচি।

৩. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৪. দুই কাপ পরিমাণ পানি।

৫. এক চিমটি কালো গোলমরিচ গুঁড়া (ঐচ্ছিক)

ডিটক্সিফাইং পানীয় যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047866015.jpg

পানি ফুটিয়ে নামিয়ে এতে লেবুর রস, আদা কুঁচি, হলুদ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পুনরায় চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে কুসুম গরম থাককাকালী সময়ে পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে উপকারী পাঁচ পদের জুস

আরও পড়ুন: আহ, মশলা চা!

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র