দৈত্যদল মৃতদের জন্য গান করে



নীহার লিখন
কুয়াশা উৎসবে লাইভ পারফর্ম করবে দৈত্যদল

কুয়াশা উৎসবে লাইভ পারফর্ম করবে দৈত্যদল

  • Font increase
  • Font Decrease

দৈত্যদলের গান—চিন্তার প্লাটফর্ম হিসেবেই যাদের জ্ঞান করাটা অধিক অর্থবহ। উত্তরাধিকারের যাতনা, ক্লেদ, মর্ম বহন করে, পূর্বসূরীকে যারা ধরে নেয় সোনালি ঈগল।

তাদের ক্রন্দন কখনো বিলাপকে প্রশ্রয় দেয় না বলেই তারা দৈত্য। পাখিকে যারা ভাবে বিদীর্ণ আত্মার অনুবাদ।

যাদের ভিত্তি-ভাষা মূলত ব্রহ্মাণ্ডের সবগুলো মরে যাওয়া নদী আর নক্ষত্ররা। এবং এসব কিছুকে মৃত বলা গেলে বলা যায় দৈত্যদল একঅর্থে মৃতদের জন্যেই গান করতে চায়।

তাদের বন্ধু কখনো শিব, অথবা একিলিস, এবং অবশ্যই রুশো এবং কাফকার লেখার টেবিল।

দৈত্যদল, প্রচলিত সুরের সব মগ্নতাকে ভেঙে ফেলতে চায় কর্কশ নির্মমতায়, তাদের সঙ্গীত বেসুরো এক নন্দন, মনে হতে পারে উদ্ভট এক উদ্ভিদ বুঝি যার পাতা থেকে ঝরে পড়ছে স্বয়ং গাছটাই।

২০১৭ সালের দিকে যাত্রা শুরু করা এই দলটির মেম্বাররা সবাই মূলত কবি, চিন্তক, চিত্রকর, নিউ ওয়েইভ ফিল্ম মেকার। যারা এ পর্যন্ত প্রায় ২০০টির অধিক গান তৈরি করে ফেলেছে যা তাদের চিন্তার বাণীকে বেইজ করে।

ইতোমধ্যেই দলটির বেশ কিছু গান এক্সপেরিমেন্টাল মিউজিক লাভারদের মধ্যে বেশ সমাদর লাভ করেছে, এগুলোর মধ্যে আছে—তামাশার বট, বিমান বালা, চাঁদের চিৎকার, স্বর্ণ ঈগলসহ আরো বেশ কিছু গান।

আজ ২৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় দৈত্যদল জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের কুয়াশা উৎসবে লাইভ পারফর্ম করবে, সেখানে তারা প্রায় ১০টি গান গেয়ে শোনাবে বলে ব্যান্ড সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।