নির্বাচনকে ঘিরে দুই শিবিরে বিভক্ত কুবি শিক্ষক সমিতি



কুবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নির্বাচনকে ঘিরে দুই শিবিরে বিভক্ত কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। দুই পক্ষ এরই মধ্যে ঘোষণা করেছে পাল্টাপাল্টি নির্বাচন কমিশন। ঘোষণা দিয়েছে একই দিনে নির্বাচন করার।

দুই পক্ষের একদিকে আছেন সভাপতি রশিদুল ইসলাম শেখসহ কার্যনির্বাহী কমিটির আট সদস্য। অন্যদিকে আছেন সাধারণ সম্পাদক স্বপন চন্দ্র মজুমদারসহ সাত সদস্য।

গত ২৯ নভেম্বর শিক্ষক সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির এক সভায় ১৩ ডিসেম্বর নির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু, সেই সভায় কার্যনির্বাহী কমিটির ১৫ জন সদস্যের মধ্যে ৭ জন অনুপস্থিত ছিলেন। ছিলেন না সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সহ-সভাপতি ও কোষাধ্যক্ষ।

এরই জের ধরে বৃহস্পতিবার (৩ ডিসেম্বর) শিক্ষক সমিতির ৭ সদস্যের অংশটির ডাকা এক জরুরি সভায় আগের কার্যনির্বাহী সভাকে অবৈধ বলে ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি অবৈধ বলে ঘোষণা করা হয় সেই সভায় গঠিত নির্বাচন কমিশনকেও। অবৈধ বলার কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়, সমিতির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এই সভা ডাকা হয়নি। গঠিত নির্বাচন কমিশনেও সম্মতি বা স্বাক্ষর নেই শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক বা যুগ্ন সাধারণ সম্পাদকের।

আগের নির্বাচন কমিশনকে অবৈধ ঘোষণা করে কার্যনির্বাহী কমিটির এই অংশটিও আগের আরেকটি নির্বাচন কমিশন গঠন করে আগামী ১৩ ডিসেম্বর একই দিনে শিক্ষক সমিতি নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দেয়। নির্বাচন কমিশন গঠনের এই বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেন সহ-সভাপতি এমদাদুল হক ও সাধারণ সম্পাদক স্বপন চন্দ্র মজুমদার।

নির্বাচনকে ঘিরে এভাবে দুই শিবিরে বিভক্ত হওয়া ও পাল্টাপাল্টি নির্বাচন কমিশন ঘোষণা প্রসঙ্গে সমিতির সভাপতি রশিদুল ইসলাম শেখ বলেন, সমিতি দুই শিবিরে বিভক্ত হয়েছে কিনা তা আমাদের গঠনতন্ত্র পড়লেই বুঝতে পারবেন। আমরা গঠনতন্ত্র মেনেই নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করেছি। কেউ যদি গায়ের জোরে অগণতান্ত্রিকভাবে, অগঠনতান্ত্রিকভাবে নতুন নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করে একই দিনে নির্বাচন করতে চায় তবে সেই দায় দায়িত্ব তাদের।

এদিকে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন প্রসঙ্গে সাধারণ সম্পাদক স্বপন চন্দ্র মজুমদার বলেন, সংগঠনের মুখপাত্র হিসেবে সভাপতির অনুমতিক্রমে আমি সভা আহ্বান করার কথা। কিন্তু আমাকে সেই সুযোগ না দিয়ে সভাপতি নিজেই সভা ডেকে নির্বাচন কমিশন গঠন করেছেন। সেখানে নির্বাচন কমিশনারদের কাছে শুধুমাত্র সভাপতির স্বাক্ষরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এটা তিনি করতে পারেন না। চিঠিতে আমার বা সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষর থাকতে হবে। নতুবা বিধি লঙ্ঘন হবে। আমরা গঠনতন্ত্র মেনেই নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করেছি। তারা সভাপতির নেতৃত্বে এক তরফাভাবে কাজ করছে।