বেরোবির আলোচিত সেই ৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত



বেরোবি করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম, রংপুর
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়

  • Font increase
  • Font Decrease

ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে ১৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে আলোচিত সেই ৪ কর্মকর্তা-কর্মচারীর দু'জনকে সাময়িক এবং একজনকে স্থায়ী বরখাস্ত করেছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) প্রশাসন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে এক নির্বাহী প্রকৌশলীকে স্থায়ী বরখাস্ত করা হয়েছে।

গত রোববার (৭ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৭তম বিশেষ সিন্ডিকেট সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে বার্তা২৪.কম-কে নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ তথ্য ও প্রকাশনা দফতরের সহকারী প্রশাসক তাবিউর রহমান প্রধান।

তিনি বলেন, ভুয়া নিয়োগপত্র দেখিয়ে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা লেনদেনের ঘটনায় সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সেকশন অফিসার মনিরুজ্জামান পলাশ ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের কম্পিউটার অপারেটর শেরে জামান সম্রাটকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। একই ঘটনায় অভিযুক্ত মাস্টাররোল কর্মচারী গুলশান আহমেদ শাওনকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিশেষ প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে নির্বাহী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলমকে স্থায়ী বরখাস্ত করা হয়েছে।

জানা যায়, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রংপুর মিঠাপুকুরের বাসিন্দা রুবেল সাদীকে কর্মকর্তা পদে চাকরি দেওয়ার নামে ভুয়া নিয়োগপত্র দেখিয়ে ১৩ লাখ টাকা লেনদেনের ভিডিও ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। ভিডিওতে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সেকশন অফিসার মনিরুজ্জামান পলাশ, বঙ্গবন্ধু হলের কম্পিউটার অপারেটর শেরে জামান সম্রাট এবং মাস্টাররোল কর্মচারী গুলশান আহমেদ শাওনকে দেখা যায় টাকা লেনদেন করতে।

এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে সহকারী প্রক্টর ও মার্কেটিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাসুদ-উল-হাসানকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তদন্ত কমিটি অভিযুক্ত তিনজনের বিরুদ্ধে বরখাস্তের সুপারিশ করে।

এছাড়া স্থায়ীভাবে বরখাস্ত হওয়া নির্বাহী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলমকে এর আগে ২০১৭ সালের ২৬ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডার ডকুমেন্টেস ও অন্যান্য কাগজপত্রে অনিয়মের অভিযোগ এনে সাময়িক বরখাস্ত করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।