শাবিপ্রবিতে গুচ্ছ 'ক' ইউনিটের পরীক্ষায় উপস্থিতি ৯২ শতাংশ



শাবিপ্রবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গুচ্ছ 'ক' ইউনিটের (বিজ্ঞান) ভর্তি পরীক্ষা শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে । এতে উপস্থিতর হার ছিলো ৯২ দশমিক ৬৫ শতাংশ।

রোববার (১৭ অক্টোবর) দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত এই পরীক্ষা চলে । ভর্তি কমিটি সূত্রে জানা যায়, শাবিপ্রবি কেন্দ্রে ৪ হাজার ৭১০ শিক্ষার্থীর মধ্যে পরীক্ষায় উপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ৩৬৪ জন। সে হিসেবে পরীক্ষায় উপস্থিতির হার ছিলো ৯২ দশমিক ৬৫ শতাংশ। অনুপস্থিত ছিলেন ৩৪৬ জন পরীক্ষার্থী।

পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন গুচ্ছ ভর্তি কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও শাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।

কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য বলেন, সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জিএসটি) বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের কষ্ট লাঘব হয়েছে। এতে বাংলাদেশে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন হয়েছে। আশাকরি এই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আগামী দিনে আরও সুন্দরভাবে এ পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়া যাবে।

তিনি আরও বলেন, আজকের ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে । আমরা জানতে পেরেছি দেশের অন্যান্য কেন্দ্রগুলোতেও শিক্ষার্থীরা প্রায় শতভাগ অংশগ্রহণ করেছেন। আমরা দুই একদিনের মধ্যেই ফলাফল ঘোষণা করার চেষ্টা করবো। পরিশেষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান উপাচার্য।

প্রসঙ্গত, শাবিপ্রবিতে আগামী ২৪ অক্টোবর 'খ' ইউনিটে মানবিক বিভাগে ১৯৬৫ জন এবং ১ নভেম্বর 'গ ' ইউনিটে বাণিজ্য বিভাগে ৮৬৭ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবেন।

সাত কলেজের পরীক্ষা সশরীরে



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
সাত কলেজের পরীক্ষা সশরীরে

সাত কলেজের পরীক্ষা সশরীরে

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের স্থগিত হওয়া পরীক্ষাগুলো সশরীরে নেওয়া হবে। নতুন সূচি অনুযায়ী চলবে এ পরীক্ষা।

রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও সাত কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির এক অনলাইন বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন সাত কলেজের সমন্বয়ক ও ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আই কে সেলিম উল্লাহ খন্দকার।

তিনি বলেন, অনলাইন বৈঠকে পরীক্ষা চলমান রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ সেশনজট নিরসনের জন্যই এ সিদ্ধান্ত৷ পরীক্ষাগুলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনুষ্ঠিত হবে৷

সাত কলেজের পরীক্ষা চলমান রাখার সিদ্ধান্তের জন্য শিক্ষামন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান তিনি৷

বৈঠকে পরীক্ষা চলমান রাখার সিদ্ধান্তের পরই স্থগিত হওয়া পরীক্ষার নতুন সময়সূচি প্রকাশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কার্যালয়।

নতুন সূচি অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ডিগ্রি পাস ও সার্টিফিকেট কোর্সের ২২ ও ২৫ জানুয়ারির পরীক্ষা আগামী ২৬ ও ২৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ৷ এছাড়া ২০১৮ সালের মাস্টার্স প্রথম পর্বের ২৩ ও ২৬ জানুয়ারির পরীক্ষা আগামী ২৬ ও ২৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে৷

এর আগে শনিবার পরীক্ষা স্থগিতের প্রতিবাদে রাজধানীর নীলক্ষেত মোড় অবরোধ করে সাত কলেজের ডিগ্রির শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা প্রায় দেড় ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে রাখেন।

;

ক্যাম্পাসে মশাল মিছিল, উপাচার্যের পদত্যাগে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
ক্যাম্পাসে মশাল মিছিল, উপাচার্যের পদত্যাগে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা

ক্যাম্পাসে মশাল মিছিল, উপাচার্যের পদত্যাগে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা

  • Font increase
  • Font Decrease

 

উপাচার্য ইস্যুতে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) চলমান ছাত্র আন্দোলন আরো জোরালো হয়ে উঠেছে। ১১ দিনের মাথায় অবশেষে গণমাধ্যমে বিবৃতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি।

বিবৃতিতে উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগে সরকারকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। রোববার (২৩ জানুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে চারটি সিদ্ধান্তের কথা জানান শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. তুলসী কুমার দাস।

সিদ্ধান্তগুলো হলো

>>>শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের উপর বর্বরোচিত পুলিশি হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয়। অবিলম্বে সরকার কর্তৃক নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে দায়ীদের চিহ্নিত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

>>>অনশনরত শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙানোর জন্য যা যা দরকার তা অনতিবিলম্বে করতে হবে। এ ব্যাপারে সরকারের সহযোগিতা কামনা করছি।

>>>উপাচার্যের পদত্যাগের বিষয়টি সরকারের এখতিয়ারভুক্ত। এক্ষেত্রে অতিদ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়।

>>>শিক্ষার্থীদের প্রতি কোনোরকম সহিংসতায় সম্পৃক্ত না হওয়ার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়।

এদিকে, উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আমরণ অনশনের ১০৪ ঘণ্টা ৩০ মিনিট পেরিয়েছে রোববার রাত সাড়ে ১১টায়। এরইমধ্যে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আন্দোলনরত ১৬ শিক্ষার্থী। অনশনকারীরা ধীরে ধীরে সুনিশ্চিত মৃত্যুর দিকে চলে যাচ্ছে। তবুও প্রাণের মায়া ত্যাগ করে তারা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন। আগের ২৩ জনের সঙ্গে আরও ৪ জন অনশনে যুক্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

এরআগে রাত আটটার দিকে উপাচার্যের বাসভবনের বিদ্যুৎ ও পানি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় বিক্ষুব্ধরা। উপাচার্যের বাসভবনে পুলিশ ছাড়া আর কাউকে ঢুকতে দিচ্ছেনা শিক্ষার্থীরা।

রোববার সন্ধ্যা ৭ টার দিকে শিক্ষার্থীরা একটি বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। পরে রাত ৯টায় হয় মশাল মিছিল। মিছিলটি অনশনস্থল থেকে শুরু হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের চেতনা-৭১ প্রদক্ষিন করে মুক্তমঞ্চে গিয়ে শেষ হয়। মশাল মিছলে শত শত শিক্ষার্থী অংশ নেন। মিছিল শেষে উপাচার্যের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত ১৩ জানুয়ারি রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রাধ্যক্ষ জাফরিন আহমেদের বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ তুলে তাঁর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন হলের কয়েক শ ছাত্রী। শনিবার সন্ধ্যার দিকে হলের ছাত্রীদের ওপর হামলা চালায় ছাত্রলীগ। রোববার দাবি আদায়ে ছাত্রীরা উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করে রাখলে পুলিশ উপাচার্যকে উদ্ধার করতে গিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে পুলিশি সংঘর্ষ হয়। এতে অর্ধশত শিক্ষার্থীসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন। এর পর থেকে উপাচার্য পদত্যাগের দাবি উঠে।

;

শাবি ভিসির বাসভবনের বিদ্যুৎ ও পানি সংযোগ বিচ্ছিন্ন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
শাবি ভিসির বাসভবনের বিদ্যুৎ ও পানি সংযোগ বিচ্ছিন্ন

শাবি ভিসির বাসভবনের বিদ্যুৎ ও পানি সংযোগ বিচ্ছিন্ন

  • Font increase
  • Font Decrease

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের বাসভবনের বিদ্যুৎ ও পানি সংযোগ বন্ধ করে দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

রোববার (২৩ জানুয়ারি) রাত ৮টায় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বিদ্যুৎ ও পানি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

এর আগে বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করে ক্যাম্পাসে প্রতিবাদী মিছিল করার ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থী নাফিজা আনজুম বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেব। এ সময় পুলিশ ছাড়া আর কাউকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা অবরুদ্ধ করছি, বিষয়টি ঠিক এমন নয়; আমরা উপাচার্যের বাসভবনের ভেতরে কাউকে ঢুকতে দেব না। আমরা এখানে বসে অনশন করছি, আর সবাই গিয়ে উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করবেন, সেটা হয় না। এ কারণে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

এদিকে শিক্ষার্থীদের আমরণ অনশন কর্মসূচির ১০০ ঘণ্টা পূর্ণ হয়েছে আজ সন্ধ্যায়। এরই মধ্যে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আন্দোলনরত ১৬ জন শিক্ষার্থী। অনশনকারীরা ধীরে ধীরে সুনিশ্চিত মৃত্যুর দিকে চলে যাচ্ছে। তবুও প্রাণের মায়া ত্যাগ করে তারা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন। আগের ২৩ জনের সঙ্গে আরও ৪ জন অনশনে যুক্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

প্রসঙ্গত, গত ১৩ জানুয়ারি রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রাধ্যক্ষ জাফরিন আহমেদের বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ তুলে তাঁর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন হলের কয়েক শ ছাত্রী। শনিবার সন্ধ্যার দিকে হলের ছাত্রীদের ওপর হামলা চালায় ছাত্রলীগ। রোববার দাবি আদায়ে ছাত্রীরা উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করে রাখলে পুলিশ উপাচার্যকে উদ্ধার করতে গিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে পুলিশি সংঘর্ষ হয়। এতে অর্ধশত শিক্ষার্থীসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন। এর পর থেকে উপাচার্য পদত্যাগের দাবি উঠে।

;

শাবি ভিসি অবরুদ্ধ, জরুরি পরিষেবা বন্ধের হুঁশিয়ারি



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট 
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) ভিসির বাসভবন ঘেরাও করে রেখেছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। রোববার (২৩ জানুয়ারি) বিকেল থেকে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন। পরে বাঁশ দিয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের বাসভবন ব্যারিকেড দেয় বিক্ষুব্ধরা। 

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ছাড়া উপাচার্যের বাসভবনের ভেতরে আর কাউকে ঢুকতে দেওয়া হবে না জানিয়ে আন্দোলনকারীরা বলেন, পরিস্থিতি যেভাবে এগোচ্ছে, তাতে আমাদের বাধ্য করা হচ্ছে আরও কঠোর কর্মসূচির দিকে যেতে। ভবিষ্যতে বাসভবনের জরুরি পরিষেবা বন্ধ করতে বাধ্য হবেন বলেও হুঁশিয়ারি দেন শিক্ষার্থীরা।

এর আগে সংবাদ সম্মেলন করে ক্যাম্পাসে প্রতিবাদী মিছিল করার ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থী নাফিজা আনজুম বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেব। এ সময় পুলিশ ছাড়া আর কাউকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা অবরুদ্ধ করছি, বিষয়টি ঠিক এমন নয়; আমরা উপাচার্যের বাসভবনের ভেতরে কাউকে ঢুকতে দেব না। আমরা এখানে বসে অনশন করছি, আর সবাই গিয়ে উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করবেন, সেটা হয় না। এ কারণে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

এদিকে শিক্ষার্থীদের আমরণ অনশন কর্মসূচির ১০০ ঘণ্টা পূর্ণ হয়েছে আজ সন্ধ্যায়। এরই মধ্যে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আন্দোলনরত ১৬ জন শিক্ষার্থী। অনশনকারীরা ধীরে ধীরে সুনিশ্চিত মৃত্যুর দিকে চলে যাচ্ছে। তবুও প্রাণের মায়া ত্যাগ করে তারা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন। আগের ২৩ জনের সঙ্গে আরও ৪ জন অনশনে যুক্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

প্রসঙ্গত, গত ১৩ জানুয়ারি রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রাধ্যক্ষ জাফরিন আহমেদের বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ তুলে তাঁর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন হলের কয়েক শ ছাত্রী। শনিবার সন্ধ্যার দিকে হলের ছাত্রীদের ওপর হামলা চালায় ছাত্রলীগ। রোববার দাবি আদায়ে ছাত্রীরা উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করে রাখলে পুলিশ উপাচার্যকে উদ্ধার করতে গিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে পুলিশি সংঘর্ষ হয়। এতে অর্ধশত শিক্ষার্থীসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন। এর পর থেকে উপাচার্য পদত্যাগের দাবি উঠে।

;