ঢাবির ১৮ হলের ১৫০ গণরুম ছাত্রলীগের নিয়ন্ত্রণে



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ছবি: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনা মহামারীর কারণে প্রায় ১৮ মাস বন্ধ থাকার পর গত বছরের ৫ অক্টোবর বন্ধ আবাসিক হলগুলো খোলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)। শুরুতে ঢাবি কর্তৃপক্ষ গণরুম সংস্কৃতি বন্ধ করবে বলে আশ্বস্থ করে কিন্তু গত বুধবার (২৬ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়টির বিজয় একাত্তর হলে গণরুমে থাকা এক শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠে ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে। এ থেকে বোঝা যায়, আবারও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো গণরুম-গেস্টরুম সংস্কৃতি ফিরে এসেছে।

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়টির ১৮ টি হলের দেড় শতাধিক গণরুম ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের নিয়ন্ত্রণে। রুমগুলোতে যেখানে আটজনের কম থাকতে পারে সেখানে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ছাত্র সংঘঠনের বেধে দেয়া নিয়মে মেঝেতে প্রায় ৩০-৩৫ জন শিক্ষার্থী’কে থাকতে হয়। যার বিনিময়ে গণরুমে থাকা শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে ছাত্রলীগের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ এবং রাতে হলের ছাত্ররাই গেস্টরুমের ‘গেস্ট’ বনে যায়, যেখানে কি’না শেখানো হয় নানান ধরনের ‘শিষ্টাচার’। শিষ্টাচার যে অত্যাচারে রূপ নেয় বিশ্ববিদ্যালয়টির বিজয় একাত্তরে হলের অপ্রীতিকর ঘটনাটি তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

গণরুম সম্পর্কে ঢাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম বলেন, ছাত্রলীগ এ ধরনের কক্ষ চায় না। আমরা চাই শিক্ষার্থীরা যেন ভর্তির প্রথম বর্ষ থেকেই তার একটি বৈধ সীট পেয়ে যায়। গণরুম বাতিলের সিদ্ধান্তকে আমরা প্রশাসনকে স্বাগত জানাই।

এ দিকে ডাকসুর সাবেক সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুর অভিযোগ করেন, প্রশাসনের সহায়তায় ছাত্রলীগ এসব দখল করেছে। অন্যদিকে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাবি শাখার আহ্বায়ক রকিবুল ইসলাম রকিব বলছে, পেশি শক্তি দিয়ে হলগুলো দখল করেছে ছাত্রলীগ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, গণরুম বাতিলের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। কিছুটা সময় প্রয়োজন, এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

স্টামফোর্ডে সপ্তাহব্যাপী 'ভর্তি মেলা'



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
স্টামফোর্ডে সপ্তাহব্যাপী 'ভর্তি মেলা'

স্টামফোর্ডে সপ্তাহব্যাপী 'ভর্তি মেলা'

  • Font increase
  • Font Decrease

স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে স্প্রিং-২০২২ সেমিস্টার উপলক্ষে শুরু হয়েছে ভর্তি মেলা। বুধবার (২৫ মে) সকালে ইউনিভার্সিটির সিদ্ধেশ্বরী ক্যাম্পাসে মেলার উদ্বোধন করেন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মো: ইউনুছ মিয়া।

বুধবার (২৫ মে) থেকে ৩০ মে পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রম চলবে। 'এডমিশন ফেয়ারে' ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে বিশেষ ছাড়। ভর্তি ফিতে ৫০% ছাড় ও টিউশন ফিতে ২৫% ছাড়।

এছাড়াও রয়েছে ভর্তি ফরম ফ্রি ও আকর্ষণীয় উপহার। স্টামফোর্ডে মোট ১৪টি বিভাগের অধীনে ২৮টি প্রোগ্রামে ভর্তি কার্যক্রম চলছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মো: ইউনুছ মিয়া বলেন, 'ঐতিহ্যবাহী এ ইউনিভার্সিটির ভর্তির জন্য সংশ্লিষ্ট ছাত্র-ছাত্রীকে আহবান জানাচ্ছি।

বেসরকারির মধ্যে এটি একটি পুরানো ইউনিভার্সিটি । ছাত্র-ছাত্রীদের জ্ঞান বিজ্ঞান চর্চায় এই ইউনিভার্সিটি সংশ্লিষ্ট সবাই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ২০০২ সাল থেকে যাত্রা শুরু করে অদ্যবধি সুনামের সাথে এগিয়ে যাচ্ছে।’’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ড. ফারাহনাজ ফিরোজ ও রুমানা হক রিতাসহ ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. জিয়াউল হাসান, রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ আব্দুল মতিন, বিভিন্ন অনুষদের ডীন, চেয়ারম্যান, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

;

যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় কবির ১২৩তম জন্মবার্ষিকী পালিত



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
কবির সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ

কবির সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ

  • Font increase
  • Font Decrease

যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৩তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে। কবির সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও দোয়াসহ নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিনটি পালন হয়েছে। জন্মবার্ষিকীর এবারের প্রতিপাদ্য ছিল ‘বিদ্রোহীর শতবর্ষ’।

বুধবার (২৫ মে) ভোরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের নেতৃত্বে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা এবং কর্মচারীবৃন্দ শোভাযাত্রা নিয়ে কবির সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে কবির সমাধি প্রাঙ্গণে এক স্মরণ সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সৈয়দ আজিজুল হকের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে একই বিভাগের সংখ্যাতিরিক্ত অধ্যাপক ড. বেগম আকতার কামাল মূল বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান ড. দেবপ্রসাদ দাঁ-এর নেতৃত্বে বিভাগীয় শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ নজরুল সংগীত পরিবেশন করেন।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, রেজিস্ট্রার প্রবীর কুমার সরকার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূইয়া এবং প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, বাংলা ১৩০৬ সনের ১১ জ্যৈষ্ঠ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোলের চুরুলিয়া গ্রামে তিনি জন্মেছিলেন।

;

সালাম না দেওয়ায় ঢাবিতে শিক্ষার্থী নির্যাতনের অভিযোগ



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
মাস্টার দা সূর্য সেন হল

মাস্টার দা সূর্য সেন হল

  • Font increase
  • Font Decrease

অনলাইন ক্লাস চলাকালীন সালাম না দেওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মাস্টার দা’ সূর্য সেন হলের এক শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগের এক কর্মীর বিরেুদ্ধে। নির্যাতনের শিকার ওই শিক্ষার্থী কানে শুনছেন না। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সাজ্জাদুল হক সাঈদি হল প্রাধ্যক্ষ বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।

জানা গেছে, অভিযুক্ত ছাত্রলীগ কর্মী মানিকুর রহমান মানিক ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। সে হল ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ও হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সিয়াম রহমানের অনুসারী। সিয়াম রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনের অনুসারী।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (২৪ মে) রাত ১১টার পর সূর্য সেন হলের ২৪৯ নম্বর কক্ষে অনলাইনে ক্লাস করছিলেন সাঈদি। এ সময় মানিক ও তার কয়েকজন সহযোগী ২৪৯ নম্বর কক্ষে যায়। এ সময় সাঈদি সালাম না দেওয়ায় তাকে অকথ্য ভাষায় গালি দেয় মানিক । এরপর সাঈদিকে নিজের রুমে ডাকেন মানিক। সেখানে যাওয়ার পর তাকে গালে এবং কানে চড় মারেন মানিক। এরপর এলোপাতাড়িভাবে তাকে শারীরিক নির্যাতন শুরু করেন মানিক। কানে চড় মারার কারণে সাঈদি এখন কানে শুনতে পাচ্ছে না।

এ প্রসঙ্গে জানতে অভিযুক্ত মানিকের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

মাস্টার দা সূর্য সেন হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পদক সিয়াম রহমান বলেন, তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি নিয়ে ঝামেলা হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। তেমন বড় কোনো ঘটনা না। কেউ হয়ত বাড়িয়ে বলছে। আজ দুইজনের সাথে কথা বলে বিষয়টি মীমাংসা করে দেব। আমাদের হলে কেউ কাউকে নির্যাতনের কোনো সুযোগ নেই।

সার্বিক বিষয়ে জানতে মাস্টার দা’ সূর্য সেন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মকবুল হোসেন ভূঁইয়ার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করেছেন বলে জানিয়েছেন হলের আবাসিক শিক্ষক অধ্যাপক মোহাম্মদ মোবারক হোসেন। অধ্যাপক মোবারক জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হবে।

;

ঢাবি সিনেট নির্বাচন: ৩৫টির ভেতরে ৩২টি পদ নীলদলের দখলে



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ঢাবি সিনেট নির্বাচন: ৩৫ টির ভেতরে ৩২টি পদ নীলদলের দখলে

ঢাবি সিনেট নির্বাচন: ৩৫ টির ভেতরে ৩২টি পদ নীলদলের দখলে

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নীতিনির্ধারণী ফোরাম (ঢাবি) সিনেটে মোট ৩৫ পদের মধ্যে আওয়ামী লীগপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন নীলদল থেকে ৩২ জন প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। বিএনপি-জামায়ত সমর্থিত সাদাদল থেকে নির্বাচিত হয়েছেন ৩ জন।

মঙ্গলবার (২৪ মে) সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে এই নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয়। নির্বাচনের ফল আনুষ্ঠনিকভাবে প্রকাশ করা হয়। নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মমতাজ উদ্দিন আহমেদ।

নীলদল থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা হলেন- সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দীন, টেলিভিশন, ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি বিভাগের অধ্যাপক আবু জাফর মো. শফিউল আলম ভূঁইয়া, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক আবদুল বাছির, ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স বিভাগের অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ইসতিয়াক মঈন সৈয়দ, প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এ কে এম মাহবুব হাসান, ক্লিনিক্যাল ফার্মেসি অ্যান্ড ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক এস এম আবদুর রহমান, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক কে এম সাইফুল ইসলাম খান, গণিত বিভাগের অধ্যাপক চন্দ্রনাথ পোদ্দার, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জিনাত হুদা, আবহাওয়া বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক তৌহিদা রশিদ, অঙ্কন ও চিত্রায়ণ বিভাগের অধ্যাপক নিসার হোসেন, ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ফিরোজ আহমেদ, ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ফিরোজা ইয়াসমীন, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মিহির লাল সাহা এবং ইসলাম শিক্ষা বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মদ আবদুর রশীদ।

আরও আছেন অর্গানাইজেশন স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশিপ বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মাদ আবদুল মঈন, প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ ফিরোজ জামান, পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক মো. আবদুর রহিম, ফলিত গণিত বিভাগের অধ্যাপক আবদুস ছামাদ, ডিজাস্টার সায়েন্স অ্যান্ড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স বিভাগের অধ্যাপক মো. জিল্লুর রহমান, অপরাধবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. জিয়াউর রহমান, পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া, মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক মো. মাসুদুর রহমান, অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. মিজানুর রহমান, শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলাম, ফলিত গণিত বিভাগের অধ্যাপক মো. শফিকুল ইসলাম, রোবটিকস অ্যান্ড মেকাট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক লাফিফা জামাল, ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সিকদার মনোয়ার মুর্শেদ ওরফে সৌরভ সিকদার, আইন বিভাগের অধ্যাপক সীমা জামান এবং কম্পিউটারবিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক হাফিজ মুহম্মদ হাসান বাবু।

সাদাদল থেকে নির্বাচিত তিন প্রতিনিধি হলেন অধ্যাপক লুৎফর রহমান, অধ্যাপক ড. এবিএম ওবাইদুল ইসলাম ও অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ।

প্রসঙ্গত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটে সদস্য সংখ্যা ১০৫। এর মধ্যে শিক্ষক প্রতিনিধির ৩৫টি পদ রয়েছে। তাদের মেয়াদ তিন বছর। এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেটে সবশেষ শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন হয়েছিল ২০১৭ সালের ২২ মে। সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন নীল দল ও বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।

সেই নির্বাচনে নীল দলের ৩৩ জন আর সাদা দলের ২ জন জয়ী হয়েছিলেন। এবার নীলদল থেকে ৩২ জন আর সাদাদল থেকে নির্বাচিত হয়েছেন তিনজন।

;