রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিড়ালের র‌্যাম্প শো



রাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রথমবারের মতো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) বিড়ালের র‌্যাম্প শো ও বিড়ালকে যেমন খুশি তেমন সাজাও প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে পিকু, বি, বার্বি, পুচি, মুন ড্যান্সার, মেলিস, ডলি, মিনি, আদর, পুষি, টুকুসহ দেশি-বিদেশি বাহারি জাতের বিড়াল হাজির করা হয়।

শনিবার (৩ জুন) সকাল ১০টায় রাবির এগ্রিকালচারাল ক্লাবের আয়োজনে ও ইন্টারন্যাশনয়াল সোসাইটি অব এপ্লাইড ইথোলজির সমন্বয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, প্রতিযোগিতায় রাবি ও রাজশাহী জেলার প্রায় ৭০ জন রেজিস্ট্রেশনকৃত প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন। র‌্যাম্প শো-তে নিজ নিজ বিড়ালের চোখে সানগ্লাস, গায়ে শাড়ি, গলায় বিভিন্ন রংয়ের ফিতা, দামি পোশাক ও বিভিন্ন কসমেটিকস, মাথায় টুপি ও মুকুট, কোমরে বেল্টসহ বিভিন্ন সাজে সজ্জিত করে এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন প্রতিযোগীরা। অনেকে বিড়ালকে বর, রানি এলিজাবেথ, ডক্টর, চিত্রনায়িকা পরীমনিসহ বিভিন্ন সাজে সাজিয়ে র‌্যাম্প শো তে প্রদর্শন করেন। প্রতিযোগিতায় র‌্যাম্প শো প্রদর্শন ও সাজানোর উপর ভিত্তি করে বিচারকদের মূল্যায়নে ৬ জন বিজয়ীকে সার্টিফিকেট ও ক্রেস্টও প্রদান করা হয়। এবং র‌্যাম্প শো শেষে ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়।

রাজশাহী শহরের বর্ণালী থেকে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া সাবা সরকার বলেন, র‌্যাম্প শো দারুণ এক প্রতিযোগিতা। আমি এই প্রথম এমন প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেছি। খুবই ভালো লাগছে এমন একটা প্রোগ্রামে অংশ গ্রহণ করতে পেরে। তার পারফর্মও অনেক ভালো হয়েছে বলে জানান তিনি।

সানজিদা সাজ্জাদ ঐশী নামের আরেক প্রতিযোগী বলেন, অসম্ভব সুন্দর একটা প্রোগ্রাম ছিলো।আমার বিড়ালকে আমি ডক্টর সাজিয়ে সকলের সামনে প্রদর্শন করেছি। আমার বিড়ালও অনেক উপভোগ করেছে। এমন প্রোগ্রাম হলে আবারও অংশগ্রহণ করবেন বলে জানান তিনি।

জানতে চাইলে প্রতিযোগিতার আয়োজক ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এগ্রিকালচারাল ক্লাবের সভাপতি মো. জাকির হোসেন বলেন, আমরা রাজশাহীতে প্রথমবারের মতো পেট র‌্যাম্প শো আয়োজন করেছি। রাজশাহীতে যারা বিড়াল পোষে তাদেরকে নিয়ে মিলনমেলার আয়োজন করাই আমাদের আসল উদ্দেশ্য ছিল। আমরা অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট দেয়ার পাশাপাশি বিড়ালগুলোকে ফ্রি মেডিকেল চেক-আপ, ভ্যাকসিন ও ডিওয়ার্মিং মেডিসিন দিয়েছি।

এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভেটেরিনারি এন্ড এনিমেল সায়েন্সস অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. জালাল উদ্দিন সরদার, কৃষি অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলিম, ভেটেরিনারি এন্ড এনিমেল সায়েন্সেস বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোইজুর রহমান, এগ্রিকালচারাল ক্লাবের উপদেষ্টা অধ্যাপক গিয়াস উদ্দিন আহমেদসহ প্রায় তিন শতাধিক দর্শনার্থী।

   

ছাত্র ফ্রন্টের সমাবেশ ও নতুন কমিটি পরিচিতি



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

শিক্ষার অধিকার আদায়ের সংগ্রাম ও ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলার দাবিতে ছাত্র ফ্রন্টের ছাত্র সমাবেশ-মিছিল ও কমিটি পরিচিতি অনুষ্ঠিত হয়।

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলা পাদদেশে শিক্ষা দিবসের ছাত্র সমাবেশ-মিছিল ও কমিটি পরিচিতি অনুষ্ঠিত হয়।

সংগঠনের সভাপতি মুক্তা বাড়ৈ এর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তৃতা রাখেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ এর কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক কমরেড বজলুর রশীদ ফিরোজ। আরও বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিস্ট আবু সাঈদ খান, বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী সাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন।

সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, স্বাধীনতার ৫২ বছর পরও এই রাষ্ট্র তার ঘোষিত অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করতে পারেনি। সবার জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার বদলে টাকা যার শিক্ষা-স্বাস্থ্য তার এই নীতিতে পরিচালিত হয়েছে দেশ। শিক্ষার সংকট বহুগুণে বেড়েছে। তাই বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে আইয়ুব সরকারের যে শিক্ষা সংকোচন নীতি এদেশের ছাত্রসমাজ প্রতিহত করেছিল, তারই ‘প্রেতাত্মা’ সওয়ার হয়েছে স্বাধীন দেশের শাসকশ্রেণির উপর। ৬২’র শিক্ষা আন্দোলনের চেতনাকে পদদলিত করা হয়েছে। শরীফ কমিশন প্রণীত শিক্ষানীতি আর স্বাধীনতাত্তোর দেশে প্রণীত সবকটি শিক্ষানীতির অন্তর্গত মৌলচরিত্র এক ও অভিন্ন। নতুন মোড়কে হাজির করা হয়েছে শিক্ষার বাণিজ্যিক দৃষ্টিভঙ্গি। সর্বজনীন বিজ্ঞানভিত্তিক সেক্যুলার বৈষম্যহীন একই ধারার গণতান্ত্রিক শিক্ষার দাবি উপেক্ষিত। শিক্ষার প্রধান ধারাই এখন বেসরকারি ধারা। বর্তমানে দেশের মোট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৯৫ ভাগই বেসরকারি। শিক্ষার মর্মবস্তুকে ধ্বংস করে সিলেবাসে যুক্ত করা হয়েছে সাম্প্রদায়িক ধ্যান-ধারনা। জাতীয় বাজেটে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ কমছে প্রতিবছর। এ বছর শিক্ষাখাতে মোট বাজেটের মাত্র ১১.৫৭ শতাংশ বরাদ্দ করা হয়েছে যা দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সর্বনিম্ন। শিক্ষার্থীদের গিনিপিগ বানিয়ে প্রতিনিয়ত চলছে নানান পরীক্ষা-নীরিক্ষা। সম্প্রতি ‘জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০২০’ এর প্রয়োগ শুরু হয়েছে। কারিকুলামে বিজ্ঞান শিক্ষাকে সংকুচিত করা হয়েছে, শিক্ষাকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে কারিগরিকরণের দিকে। পাঠদান ও পরীক্ষাপদ্ধতিতে যে পরিবর্তন আনা হয়েছে তা চমকপ্রদ হলেও অবকাঠামোসহ শিক্ষাব্যবস্থার খোলনলচে বদল ব্যতীত এটির প্রয়োগ নতুন করে শুধু জটিলতাই তৈরি করবে। নতুন পদ্ধতির সাপেক্ষে দক্ষ শিক্ষক গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও অর্থ বরাদ্দ করা হয়নি। বছরের শুরুতে ভুলে ভরা নিম্ন মানের পাঠ্যপুস্তক তুলে দেয়া হয়েছে শিক্ষার্থীদের হাতে। এ যেন শিক্ষা আর শিক্ষার্থীদের প্রতি শাসকশ্রেণির নির্মম পরিহাস। প্রতিটি শিক্ষা উপকরণের দাম ঊর্ধ্বমুখী। তার সাথে যুক্ত আছে বর্ধিত বেতন ফি। এই ক্রমবর্ধমান শিক্ষা ব্যয়ের ফলে সৃষ্ট আর্থিক সংকটে ঝরে পড়ছে দেশের বিশাল অংশের শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সরকারের অনুগামী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হয়েছে। উচ্চশিক্ষা কমিশন গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসনের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠোকার আয়োজন চলছে।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলিতে বজায় আছে সরকারি ছাত্র সংগঠনের সন্ত্রাস-দখলদারিত্ব। শিক্ষার্থীদের জোরপূর্বক ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনের কর্মসূচিতে নেয়া হচ্ছে। কেউ ভিন্ন মত পোষণ করলে গেস্টরুমে নির্যাতন, মারধোর, হল থেকে বের করে দেয়া সারাদেশের নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। তার সাথে যুক্ত আছে প্রশাসনিক স্বৈরতন্ত্র। ন্যূনতম গণতান্ত্রিক চর্চা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এখন আর পরিলক্ষিত হয় না। দীর্ঘদিন ধরে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদগুলোর নির্বাচন হয় না। শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ, শিক্ষা সংকোচন, ক্যাম্পাসের গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিনষ্টকরণসহ শিক্ষার উপর শাসকশ্রেণির সর্বগ্রাসী আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে।

ছাত্র সমাবেশ শেষে আগামীর ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দানকারী হিসাবে মুক্তা বাড়ৈকে সভাপতি ও রায়হান উদ্দিনকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৮ সদস্যের ২০তম নতুন কমিটিকে পরিচয় করিয়ে দেন বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক কমরেড বজলুর রশীদ ফিরোজ।

নতুন কমিটির তালিকা, সভাপতি-মুক্তা বাড়ৈ, সহ-সভাপতি-সুস্মিতা মরিয়ম, সাধারণ সম্পাদক-রায়হান উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক-সুহাইল আহমেদ শুভ, দপ্তর সম্পাদক-অনিক কুমার দাস, অর্থ সম্পাদক-সুলতানা আক্তার, প্রচার ও প্রকাশনাসম্পাদক-হারুনু-অর-রশিদ, আন্তর্জাতিক সম্পাদক-রিনা মুর্মু, স্কুল সম্পাদক-বিশ্বজিৎ নন্দী।

সদস্য-যুগেশ ত্রিপুরা, ধনঞ্জয় বর্মণ, লাবনী সুলতানা, আনারুল ইসলাম, বিজয় শিকদার, ঋজু লক্ষ্মী অবরোধ, রিদম শাহরিয়ার, খালেদা আক্তার, মিরাজ উদ্দিন। 

উল্লেখ্য, নতুন কমিটি ছাত্র সমাবেশে আগামী দিনের শিক্ষার অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে পাশাপাশি সমাজ পরিবর্তনের পরিপূরক ছাত্র আন্দোলন গড়ে তোলার অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন।

 

;

জবি থেকে সহকারী জজ পদে ১১ শিক্ষার্থী



জবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম ঢাকা
জবি থেকে সহকারী জজ পদে ১১ শিক্ষার্থী

জবি থেকে সহকারী জজ পদে ১১ শিক্ষার্থী

  • Font increase
  • Font Decrease

সহকারী জজ পদে ধারাবাহিক সফলতা ধরে রেখেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) আইন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। ষোড়শ বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় (বিজেএস) সহকারী জজ পদে মনোনীত হয়েছেন আইন বিভাগের ১১ শিক্ষার্থী।

শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন সচিবালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শরীফ এ এম রেজা জাকের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি থেকে ফলাফল জানা যায়। প্রকাশিত ফলাফলে মোট ১০৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে জবির আইন বিভাগের ১১ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ ও মনোনীত হয়েছেন।

উত্তীর্ণরা হলেন, ২০১১-১২ সেশনের রাকেশ হোসেন সুজন, অমল কুমার দাস, সোহেল আহমেদ ও এডভোকেট সুমন হোসেন, ২০১২-১৩ সেশনের জ্যৌতি মুস্তারি, ২০১৫-১৬ সেশনের মোহাম্মদ হোসেন জেমি, আমিনুল ইসলাম খান, ২০১৬-১৭ সেশনের ফাতেমা জামান চৈতি, ২০১৭-১৮ সেশনের সাজ্জাতুল সবুজ, মিনারা জাহান ও আবির ঘোষ হৃদয়।

আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের এমন ধারাবাহিক সাফল্যে বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগ জুড়ে খুশির আমেজ বিরাজ করছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সরকার আলী আককাস বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কষ্ট করে পড়াশোনা করছে৷ সে হিসেবে এই সাফল্য নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। তবে শিক্ষার্থীদের আবাসন ব্যবস্থা হলে তারা আরও ভালো করবে। কারণ তখন তারা আরও সুযোগ-সুবিধা পাবে৷ শিক্ষার্থীদের সফলতার মাত্রা আরও বাড়বে বলে প্রত্যাশা করি।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ বলেন, ‘সুযোগ সুবিধা না পাওয়া স্বত্তেও আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এমন অর্জন অবশ্যই গর্বের বিষয়। এক্ষেত্রে আইন বিভাগের শিক্ষকদেরও সমান অবদান রয়েছে৷ শিক্ষকরা যত্ন নিয়েছেন বলেই শিক্ষার্থীরা সফল।’

;

কুবির শিক্ষার্থীদের আয়োজনে গুজব বিষয়ক সচেতনতা সেমিনার



কুবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আয়োজনে পার্শ্ববর্তী সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং সিসিএন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে গুজব বিষয়ক সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন ও সেমিনার আয়োজন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় সিসিএন ক্যাম্পাসের অডিটোরিয়ামে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। । 

এতে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী অধ্যাপক কাজী এম. আনিছুল ইসলাম। রিসোর্স পার্সন হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন রিউমার স্ক্যানারের সিনিয়র ফ্যাক্টচেকার রিদওয়ানুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিসিএন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে রিদওয়ানুল ইসলাম মিথ্যা সংবাদ, গুজবের ধরণ, গুজব কীভাবে ছড়ায় এবং তা কীভাবে শনাক্ত করা যায় সে সম্পর্কে আলোচনা করেন। পাশাপাশি সহজে কিছু টুলস ব্যবহার করে কীভাবে কোনো তথ্য, ছবি বা ভিডিও ক্রসচেক করা যায় সে সম্পর্কেও ধারণা দেন তিনি।

সেমিনারের প্রধান বক্তা কাজী এম. আনিছুল ইসলাম বলেন, আমরা যে যেই বিষয়েই পড়াশোনা করি না কেন, আমাদের জীবনে তথ্যের গুরুত্ব অনেক বেশি৷ আমরা বিশ্বাসের ওপর নির্ভর করেই চলি। এই বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে কোনো তথ্য আমাদের সমস্যার কারণ হতে পারে। তাই যেকোনো তথ্যকেই আমাদের অবিশ্বাসের দৃষ্টিতে দেখতে হবে। তাহলেই সত্য তথ্য আমরা জেনে নিতে পারব।

সেমিনারের শেষ পর্যায়ে প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, আমিও কয়েকদিন আগে একটা ভিডিওতে দেখেছিলাম নদীতে সারি সারি মানুষের লাশ ভেসে যাচ্ছে৷ মানুষ হায় হায় করছে কমেন্টে৷ পরে আবার দেখা গেল সেগুলো আসলে পলিথিন ছিল। অথচ অনেকেই বিষয়টা সেভাবে দেখে না। আমি কুবির এই শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানাই এমন একটা ক্যাম্পেইন আমাদের প্রতিষ্ঠানে আয়োজন করার জন্য। ভবিষ্যতে আরো সেমিনার বা ক্যাম্পেইন করতে চাইলে আমরা সাদরে অভ্যর্থনা জানাব।

প্রসঙ্গত, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীরা 'পাবলিক রিলেশনস' কোর্সের অংশ হিসেবে 'সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব বিষয়ক সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন' পরিচালনা করছেন৷ ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে কুমিল্লা জেলার কোটবাড়িতে অবস্থিত 'সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়' এবং 'সিসিএন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট' এর শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি সেমিনার পরিচালনা করেন তারা।

;

ঢাবিতে 'বুদ্ধ ভাবাদর্শের মূর্ত প্রকাশ স্বামী বিবেকানন্দ' শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তআ২৪.কম

ছবি: বার্তআ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) সেন্টার ফর বুদ্ধিস্ট হেরিটেজ এন্ড কালচারের উদ্যোগে 'বুদ্ধ ভাবাদর্শের মূর্ত প্রকাশ স্বামী বিবেকানন্দ' শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের আর সি মজুমদার আর্টস মিলনায়তনে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল।

সেন্টার ফর বুদ্ধিস্ট হেরিটেজ এন্ড কালচারের পরিচালক অধ্যাপক ড. বিমান চন্দ্র বড়ুয়ার সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মিল্টন কুমার দেব। এসময় সেমিনারে আয়োজিত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন চাঁদপুরের রামকৃষ্ণ আশ্রমের অধ্যক্ষ স্বামী স্থিরাত্মানন্দ মহারাজ ও পালি এন্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. দিলীপ কুমার বড়ুয়া।

প্রো-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, বৌদ্ধ ধর্মের প্রবক্তা গৌতম বুদ্ধ এবং বৌদ্ধ ধর্মের প্রচারক স্বামী বিবেকানন্দ দুটি ভিন্ন সময়ে জন্মগ্রহণ করলেও তাঁদের মানবতাবাদী কাজের ধরণ ছিল একই। তাঁরা দুজনই মানব সেবার জয়গান করেছেন। 

এসময় এধরণের সেমিনারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের মূল্যবোধকে দৃঢ় করবে এবং তাদের মধ্যে মানবপ্রেমকে জাগ্রত করবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রো-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল।

;