বসন্ত উৎসবের মধ্য দিয়ে শেষ হলো জবির সাংস্কৃতিক উৎসব

জবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসবের আয়োজন করা হয়, ছবি: সংগৃহীত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসবের আয়োজন করা হয়, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ১৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসবের আয়োজন করা হয়।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বসন্ত উৎসবের মধ্য দিয়ে উৎসবের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

উৎসবের দ্বিতীয় দিন বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২ টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্ত চত্বরে 'বসন্ত উৎসব' কে ধারণ করে দেশীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সদস্যরা নাচ, গান ও কবিতা আবৃত্তি করেন।

উল্লেখ্য, উৎসবের প্রথম দিন মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জবিসাকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বেলা ১১টায় এক আনন্দ র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সামনে থেকে শুরু হয়ে নতুন বিল্ডিংয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। র‍্যালি শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে পুনর্মিলনী এবং নবীনবরণ শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দিন আহমেদ। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উপদেষ্টা চারুকলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. বজলুর রশিদ খাঁন। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি সুরাইয়া চিশতী রিমা। সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শৈবাল দত্ত।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেন, ‘বিজ্ঞান সংস্কৃতি ছাড়া এগিয়ে যেতে পারে না। শিল্প সংস্কৃতির হাত ধরেই সকল বড় বড় পরিবর্তন এসেছে। তিনি এই সময়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কাজের প্রশংসা করেন।'

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সভাপতি ফাইয়াজ হোসেন ও সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক সাঈদ মাহাদী সেকান্দর।

অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাকালীন পরবর্তী সময়ের নেতৃবৃন্দ ও বর্তমান সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

এ সম্পর্কিত আরও খবর