পলকের নাম ভাঙিয়ে হজে পাঠানোর নামে অর্থ দাবি

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, নাটোর
হজে যাওয়ার পুরনো ছবি

হজে যাওয়ার পুরনো ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

নাটোরের সিংড়া ও গুরুদাসপুর উপজেলার বিভিন্ন মাদরাসা সুপার, মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের কাছে সরকারিভাবে হজে পাঠানোর নামে একটি চক্র অর্থ দাবি করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এক্ষেত্রে চক্রটি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ও সংসদ সদস্য আব্দুল কুদ্দুসের ব্যক্তিগত সহকারী মুহুম্মদ ইব্রাহিমের নাম ব্যবহার করছে। তবে কোনো প্রতারকের ফাঁদে পা না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে জেলার ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে সিংড়া উপজেলার বারইহাটি মাদরাসা সুপার নজরুল ইসলামের কাছে অপরিচিত নম্বর (০১৪০৭-৮৪২৬৫৩) থেকে কল করে এ টাকা দাবি করা হয়।

মাদরাসার সুপার নজরুল ইসলাম বলেন, ‘একটি নম্বর থেকে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক পরিচয় দিয়ে আমাকে জানান, সরকারিভাবে হজে যাওয়ার জন্য প্রতিমন্ত্রী আপনার নাম সুপারিশ করেছেন। আপনি হজে যেতে চাইলে রেজিস্ট্রেশনের জন্য উল্লিখিত নম্বরে সাত হাজার টাকা বিকাশ করুন। বিষয়টি সন্দেহজনক হলে তিনি প্রতিমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী মাওলানা রুহুল আমীনের কাছে ফোন দিতে বলেন।’

তবে রুহুল আমীন তার ফেসবুক পেজে প্রতারক চক্রের ফাঁদে পা না দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে একটি পোস্ট দেন। তিনি বলেন, ‘সরকারিভাবে হজে পাঠানোর কথা বলে রেজিস্ট্রেশনের জন্য টাকা চাওয়া হচ্ছে। এর কোনো ভিত্তি নেই। এ বিষয়ে যেকোনো আর্থিক লেনদেন থেকে বিরত থাকার জন্য সকলকে আহ্বান জানানো হচ্ছে।’

এদিকে বৃহস্পতিবার বিকালের পর ওই মোবাইল (০১৪০৭-৮৪২৬৫৩) নম্বর থেকে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে ফোন দিয়ে সংসদ সদস্য আব্দুল কুদ্দুসের ব্যক্তিগত সহকারী মুহাম্মদ ইব্রাহিমের পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন মাদরাসার মুহতামিমের কাছে টাকা চাওয়া হয়। বিষয়টি অবগত হওয়ার পর সংসদ সদস্যের এপিএস মুহাম্মদ ইব্রাহিমও তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে সচেতনতামূলক পোস্ট দেন।

এদিকে, নাটোর জেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘একটা প্রতারক চক্র এই কাজটি করছে। চক্রটি মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে সরকার ও ইসলামী ফাউন্ডেশনের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করছে। আমরা এ বিষয়ে সবাইকে সর্তক করছি। ফলে কেউ প্রতারণার শিকার হলে আমরা এর দায় নেব না।’

আপনার মতামত লিখুন :