গ্যাসের দাম বাড়াতে চাতুরতার আশ্রয় নিয়েছে পেট্রোবাংলা!



সেরাজুল ইসলাম সিরাজ, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ধাক্কা সামলে না উঠতেই গ্যাসের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে জনমনে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা মনে করছে, দাম বাড়াতে চাতুরতার আশ্রয় নিয়েছে পেট্রোবাংলা। তারা যে হিসেবে দিয়েছে তা কোনভাবেই সঠিক হতে পারে না।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. শামসুল আলম বার্তা২৪.কম-কে বলেছেন, জনগণকে বোকা বানানোর চেষ্টা চলছে। বাংলাদেশ দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় এবং স্পর্ট মার্কেট থেকে এলএনজি (তরলীকৃত প্রকৃতিক গ্যাস) আনছে। দাম বেড়েছে স্পর্ট মার্কেট থেকে আনা ৫-৬ শতাংশের।

সিস্টেমের ৫-৬ শতাংশের দাম বেড়েছে বলে পুরো গ্যাসের দাম ১১৭ শতাংশ বাড়াতে হয় এটা বিশ্বাসযোগ্য! তারা গোঁজামিল দিয়ে হিসেব দেখাচ্ছে, এসব হিসাব বাস্তব সম্মত না। প্রয়োজন হলে ওই পরিমাণ এলএনজি আমদানি না করার পক্ষে আমরা। তবুও দাম বাড়ানো উচিত হবে না। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর জনগণের নাভিশ্বাস উঠেছে। এই অবস্থায় গ্যাসের দাম বৃদ্ধি কোনভাবেই কাম্য হতে পারে না।

তিনি বার্তা২৪.কম-কে বলেন, এই মুহূর্তে আমাদের অর্থনীতি ভর্তুকি বৃদ্ধি কিংবা দাম বৃদ্ধি কোনোটার জন্য প্রস্তুত নয়। বরং রেশনিং করে ওই পরিমাণ এলএনজি আমদানি কমিয়ে দেওয়া উচিত। জনগণের ১০-১২ ঘণ্টা লোডশেডিং ভোগ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। যারা কিছুটা ছাড় দিতে চায়, তবু পকেট কাটার বন্দোবস্ত বন্ধ করা হোক।

এমনিতেই সংকট চলছে তার উপর যদি আরও আমদানি কমানো হয় তাহলে তো সংকট বেড়ে যাবে। এমন প্রশ্নের জবাবে শামসুল আলম বলেন, দেশে সার উৎপাদন করার চেয়ে আমদানি করলে কম দাম পড়ে। তাহলে দেশে কেনো সার উৎপাদন করবো। যে সার কারখানাগুলো দক্ষ নয় সেগুলো বন্ধ করে দিলেই হয়।

তিনি বলেন, জনগণের কোম্পানির মালিকের আসনে এখন আমলারা বসে গেছে। তারা তাদের সুযোগ সুবিধা বাড়ায়, ডেভেলপমেন্ট প্লান করে না। আমদানি করলে কমিশন বাণিজ্য হয় তাই আমদানির দিকেই তাদের নজর বেশি। দেশীয় গ্যাসের অনুসন্ধান ও উত্তোলন কার্যক্রম সেভাবে করা যায়নি। যে কারণে আজকে এই সংকট। আগে থেকে পরিকল্পনা থাকলে এই সংকট তৈরি হতো না। জনগণ এক সময় গ্যাস রফতানির বিপক্ষে রাস্তায় নেমেছে। এখন আমদানির বিরুদ্ধে রাস্তায় নামার সময় এসেছে।

কোম্পানিগুলো গ্যাস না দিয়েও দাম নিচ্ছে। অবৈধ গ্যাস সংযোগের পয়সা কোথায় যাচ্ছে। সুশাসন নিশ্চিত করতে না পারলে এই সংকট দূর হবে না। ছাতক ও ভোলার গ্যাস থাকলেও এতোদিন কেনো আনা গেলো না। কোম্পানিগুলো অযৌক্তিক ব্যয়ের বোঝা জনগণের কাঁধে চাপানো হচ্ছে। কোম্পানিগুলো আমলা মুক্ত করতে হবে এরাই দেশকে আমদানি নির্ভর করে ফেলেছে।

গ্যাসের দাম দ্বিগুণের বেশি বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বিতরণ কোম্পানিগুলো। একচুলা ৯২৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা, দুই চুলা ৯৭৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২১০০ টাকা করার প্রস্তাব জমা দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে(বিইআরসি)।

নজিরবিহীন উচ্চমূল্যের এই প্রস্তাবটি সোমবার (১৭ জানুয়ারি) কমিশনে জমা পড়েছে সূত্র নিশ্চিত করেছে। বৃহত্তর নোয়াখালী, কুমিল্লা ও চাঁদপুর জেলায় বিতরণের দায়িত্বে রয়েছে কোম্পানিটি। অন্যান্য কোম্পানিগুলোকেও অভিন্ন প্রস্তাব জমা দিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে পেট্রোবাংলা থেকে। দু’একদিনের মধ্যে প্রস্তাব জমা পড়তে যাচ্ছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

বাখরাবাদ তার প্রস্তাবে আবাসিকে প্রিপেইড মিটার ব্যবহারকারী গ্রাহকদের প্রতি ঘনমিটারের বিদ্যমান মূল্য ১২.৬০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৭.৩৭ টাকা, সিএনজিপ্রতি ৩৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭৬.০৪ টাকা, হোটেল-রেস্টুরেন্টে ২৩ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪৯.৯৭ টাকা, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে ১৭.০৪ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩৭.০২ টাকা, ১০.৭০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৩.২৪ টাকা, ক্যাপটিভ পাওয়ারে ১৩.৮৫ টাকা থেকে ৩০.০৯ টাকা, চা শিল্পে ১০.৭০ টাকা বাড়িয়ে ২৩.২৪ টাকা করার প্রস্তাব করেছে। অন্যদিকে বিদ্যুৎ ও সার কারখানায় থাকা বিদ্যমান দর ৪.৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯.৬৬ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বাড়তি বিদ্যমান গড় ৯.৩৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০.৩৫ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। অতীতে কখনই এতো বেশি পরিমাণে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়নি। যে কারণে একে নজিরবিহীন বলে উল্লেখ করেছে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)।

পেট্রোবাংলা তার লিখিত প্রস্তাবে বলেছেন, রাষ্ট্রীয় কোম্পানি বাপেক্স ও সিলেট গ্যাস ফিল্ডের গ্যাসের প্রতি ঘনমিটারের গড় ক্রয়মূল্য পড়ছে ১.২৬ টাকা, শেভরনের থেকে কিনতে হচ্ছে ২.৮৯ টাকা, তাল্লো থেকে ৩.১০ টাকা করে। অন্যদিকে এলএনজির প্রকৃত ক্রয়মূল্য ৩৬.৬৯ টাকা অন্যান্য চার্জ দিয়ে ৫০.৩৮ টাকা পড়ছে। দৈনিক ৮৫০ মিলিয়ন ঘন ফুট এলএনজি আমদানি বিবেচনায় এই দর।

কোম্পানিগুলোর প্রস্তাব দেওয়ার আগে পেট্রোবাংলা একটি চিঠি দিয়ে গ্যাসের দাম বাড়ানোর আবেদন করেছিল বিইআরসিতে। পেট্রোবাংলার সেই প্রস্তাব আইনসম্মত না হওয়ায় ফেরত পাঠানো হয়। ভোক্তা পর্যায়ে দাম বাড়ানোর আইনি প্রতিষ্ঠান বিইআরসি। তারা প্রস্তাব পেলে প্রথমে যাচাই-বাছাই করে দেখেন। আবেদন যৌক্তিক হলে গণশুনানির মাধ্যমে দর চুড়ান্ত করে থাকেন।

গ্যাসের সংকট মোকাবিলায় বিদেশ থেকে এলএনজি আমদানির প্রক্রিয়াটি শুরু থেকেই ব্যাপক সমালোচিত। কাতার ও ওমান থেকে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে আনা এলএনজি রিগ্যাসিফিকেশন করা হচ্ছিল মহেশখালীতে অবস্থিত দুটি এফএসআরইউ (ফ্লোটিং স্টোরেজ রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট) দিয়ে। মুরিং পয়েন্ট ছিঁড়ে যাওয়ায় একটি এফএসআরইউ এখন বন্ধ রয়েছে। অন্যদিকে কাতার ও ওমান জানিয়েছে, আগামী বছর এলএনজির সরবরাহ কমিয়ে দেবে দেশ দুটি।

আরও পড়ুন: গ্যাসের দাম দ্বিগুণের প্রস্তাব, দুই চুলা ২১০০ করতে চায়

গ্যাসের দাম বাড়ানোর বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীরা

কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে বাজার স্থিতিশীল রাখার আহ্বান এফবিসিসিআই’র



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে বাজার স্থিতিশীল রাখার আহ্বান এফবিসিসিআই’র

কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে বাজার স্থিতিশীল রাখার আহ্বান এফবিসিসিআই’র

  • Font increase
  • Font Decrease

কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার নির্ধারিত মূল্যে পণ্য বিক্রির আহ্বান জানিয়েছেন এফবিসিসিআই’র সিনিয়র সহ-সভাপতি ও এফবিসিসিআই বাজার মনিটরিং কমিটির আহ্বায়ক মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু। শনিবার দুপুরে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর মজুদ, আমদানি, সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি বিষয়ে রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউনহল ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন কাঁচাবাজার বণিক সমিতির সাথে মতবিনিময় সভায় এ আহ্বান জানান তিনি।

সভায় ভোগ্যপণ্যের বৈশ্বিক বাজারের সংকটকে পুঁজি করে দেশীয় বাজারকে অস্থির না করার প্রতি আহ্বান জানান মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু। সরকার নির্ধারিত দামে পণ্য বিক্রি নিশ্চিত করেত বাজার কমিটিকে বিশেষভাবে তদারকি করার নির্দেশনা দেন তিনি।

তিনি আরো জানান, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে মসলা সংকটের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। যদি কোনো ব্যবসায়ী পণ্য মজুদ করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে ও সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করে বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে, এফবিসিসিআই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকারের কাছে সুপারিশ করবে। এছাড়া চিনি, লবন, আটা, ময়দা ইত্যাদি পণ্যের ডিলারদের তালিকা এফবিসিসিআইতে পাঠানোর জন্য মিলমালিকদের আহ্বান জানান মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু।

এছাড়াও, বাজার সমিতিগুলোকে দোকানিদের নিয়ে মসলা, লবন, চিনি ইত্যাদি খাতভিক্তিক সভা করা, দোকানে নিত্যপণ্যের মূল্যতালিকা টানানো সহ বিশ্ববাজারে পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি ও হ্রাসের সাথে সমন্বয় রেখে সীমিত মুনাফায় ব্যবসা পরিচালনা করতে সকল ব্যবসায়ীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি। এসময় তিনি আবারো ১৫ দিন পর পর সয়াবিন তেলের দাম সমন্বয়ের সুপারিশ করেন।

মোহাম্মদপুর টাউনহল ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন কাঁচাবাজার বণিক সমিতির সভাপতি মোঃ লুৎফর রহমান (বাবুল) জানান, যেসব দোকানি পণ্য মজুদ ও সরকার নির্ধারিত মূল্যের বেশি দামে পণ্য বিক্রি করার চেষ্টা করেছে, সমিতি তাদের দোকান বন্ধ করে দিয়েছে। বাজার স্থিতিশীল রাখার স্বার্থে ভবিষ্যতেও একই অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে একই ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

বাজারে স্থিতিশীলতা রাখতে প্রয়োজনের তুলনায় বাড়তি পণ্য না কিনতে ভোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানান এফবিসিসিআইর পরিচালক আবু মোতালেব।

মতবিনিময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই’র পরিচালক বিজয় কুমার কেজরিওয়াল, হারুন অর রশীদ, মোহাম্মদপুর টাউন হল সিটি কর্পোরেশন বাজার সমিতির সাধারন সম্পাদক মোঃ মুসলিম উদ্দিন শিকদারসহ অন্যান্যরা।

;

বিপিডিবির অদক্ষতা ও অসমচুক্তির ফল বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি



সেরাজুল ইসলাম সিরাজ, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) অদক্ষতা, লুটপাট ও অসম চুক্তির কারণে লাফিয়ে বাড়ছে বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ। উৎপাদন ও বিতরণ কোম্পানির মুনাফা লাফিয়ে বাড়লেও ডুবতে বসেছে বিপিডিবি।

অপরেশনে থাকা সরকারি ৫ বিদ্যুৎ উৎপাদন কোম্পানির মুনাফা বেড়েই চলেছে। বিদ্যুৎ বিভাগের উপ-সচিব ও কাউন্সিল অফিসার মোঃ জাহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে দেখা গেছে, নর্থওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির(নওপাজেকো) গত অর্থবছরের চেয়ে দ্বিগুণ মুনাফা করেছে। কোম্পানিটি (২০২-২১ অর্থবছরে) নীট মুনাফা করেছে ৯৩১ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। কোম্পানিটি আগের অর্থ বছরে মুনাফা করেছিল ৪৭৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

মুনাফার দিক থেকে এরপরেই রয়েছে রুরাল পাওয়ার কোম্পানি (আরপিসিএল)। ২০২০-২১ অর্থবছরে নীট মুনাফা করেছে ২৫৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি (এপিএসসিএল) নীট মুনাফা করেছে ২৪৬ কোটি ৮৭ লাখ টাকা, ইলেক্ট্রিসিটি জেনারেশন কোম্পানি (ইজিসিবি) মুনাফা করেছে ১৩২ কোটি টাকা, বিআর পাওয়ার জেন (বিআরপিএল) নীট মুনাফা করেছে ৮৪ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। একমাত্র লোকসানে থাকা কোম্পানি হচ্ছে কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি। কোম্পানিটি উৎপাদনে না থাকায় গত অর্থবছরে ২৩ কোটি ২১ লাখ ৩২ হাজার টাকা লোকসান দিয়েছে।

অন্যদিকে বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদন কোম্পানিরও পোয়াবারো।বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগকে বর্তমান সময়ে সবচেয়ে ভাল ব্যবসা বিবেচনা করা হয়। ৬ বিতরণ কোম্পানিও মুনাফায় রয়েছে। একমাত্র সঞ্চালন কোম্পানি পিজিসিবিও ফুলে ফেপে উঠছে। বছরে ৮ লাখ টাকা পর্যন্ত প্রফিট বোনাস পেতে দেখা গেছে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের।

মাঝে থেকে বিপিডিবি শুধু লোকসান দিয়ে হা-হুতাশ করে যাচ্ছে, ভর্তুকির নাম করে দেওয়া ঋণের বোঝা বেড়েই চলছে। তারপরও লাফিয়ে বাড়ছে বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ। বিপিডিবি বোকামি ও অসমচুক্তি ফলে আজকে ডুবতে বসেছে, পাশাপাশি জনগণকে বাড়তি দামের বোঝা চাপিয়ে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. শামসুল আলম।

উৎপাদন কোম্পানিগুলোর বাড়ন্ত মুনাফায় মূল কারণ মনে করা হচ্ছে অসম চুক্তিকে। যাচাই-বাছাই না করে ঢালাওভাবে চুক্তি করায় আজকের অপরিস্থিতি উদ্ভব হয়েছে। বিপিডিবি যদি দেখেশুনে ক্রয় চুক্তি করতো তাহলে মুনাফা এক বছরে দ্বিগুণ হওয়া সম্ভব ছিল না।

উৎপাদকের সঙ্গে ক্রয় চুক্তি সম্পাদন করে বিপিডিবি, তাদের উচিত উৎপাদকের মুনাফায় লাগাম টানা। তারা যত বেশি মুনাফা করবে চাপ গিয়ে পড়বে বিপিডিবি তথা ভোক্তাদের উপর। চুক্তিগুলোতে স্বচ্ছতার যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে।

কনজুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এর ভাইস চেয়ারম্যান জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. শামসুল আলম বার্তা২৪.কমকে বলেছেন, এটাযে পাপের টাকা, চুরির টাকা, তা কেউ বুঝতে চায় না। বরং বুক ফুলিয়ে বলে আমি এতো মুনাফা করেছি।

তিনি বলেন, দর যাচাই-বাছাই করবে না বলে বিশেষ আইন করা হয়েছে্। যাচাই বাছাই করতে গেলেও সঠিক মানুষ পাওয়া কঠিন। চাকরি বাঁচাতে গেলে এগুলো  করতে হয়। না হলে তার টিকতে সমস্যা হবে। এখানে সঠিক কাজ করলে নানা রকম ঝুঁকির মধ্যে পড়তে হয়।

নর্থওয়েস্টের পায়রা ১৩২০ মেগাওয়ার্ট পাওয়ার প্লান্ট প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ১২ শতাংশ রিটার্ন ধরা হয়েছে। কপোরেট ট্যাক্স রাজস্ব থেকে দেওয়া হচ্ছে। অবচয় ব্যায় মাত্রাতিরিক্ত, ক্রয়মুল্য অস্বাভাবিক দেখানো হয়েছে। রামপালের তুলনায় নির্মাণখরচ অনেকগুণ দেখিয়েছে। টাকা নিয়েছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন তহবিল থেকে, শেয়ার দেওয়ার কথা দেওয়া হয় নি।

তিনি বলেন, বিভিন্ন নাম নিয়ে ভোত্তাদের অর্থ লুণ্ঠন করছে। সঠিকভাবে চুক্তি হলে আজকে বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ এতো বেড়ে যেত না। কোম্পানিগুলোর বোর্ডে বড় বড় আমলাদের বসিয়ে রাখা হয়েছে, অধস্তন কর্মকর্তারা মিটিংয়ে বসে সত্যকথাও বলার সাহস পান না। মিটিংয়ে অধস্তন কর্মচারীকে দিয়ে ন্যায্য কথা বলার সংস্কৃতি ভাবা যায় না। যারা দায়িত্বে রয়েছেন তারা ছোট কর্মচারী, আর কোম্পানিতে তার বস বসে আছে। এভাবে কি সঠিক কাজ আশা করা যায়।

অসম চুক্তির পাশাপাশি বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিচালনার ক্ষেত্রে অদক্ষতার অভিযোগ উঠেছে বিপিডিবির বিরুদ্ধে। যেখানে গ্যাস সরবরাহ করলে তুলনামূলক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদিত হতো, সেই কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো বসিয়ে রাখা হচ্ছে। তুলনামূলক কম বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয় তেমন বিদ্যুৎ কেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহ করার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্লান্টে যেহেতু কম জ্বালানিতে বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়, তাই এগুলো প্রথম চালু করা হবে। এরপর যদি ঘাটতি থাকে তাহলে ধাপে ধাপে ব্যয়বহুল বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো পরিচালনা করা হবে।

কিন্তু গত ৯ মে তারিখের এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে ২৫টি কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মোট উৎপাদন ক্ষমতা হচ্ছে ৭ হাজার ২৪৯ মেগাওয়াট। এগুলো ২৪ ঘণ্টা সচল রাখতে মোট গ্যাসের প্রয়োজন পড়ে ১ হাজার ৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। ওই দিন মাত্র ৫৭৮ ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয় কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে। আশুগঞ্জ ৪৫০ মেগাওয়ার্ট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে গ্যাস ঘাটতির কারণে পিক আওয়ারে উৎপাদন করা হয়েছে মাত্র ৩৫ মেগাওয়ার্ট। হরিপুর ৩৬০ মেগাওয়ার্ট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ৩০২ মেগাওয়ার্ট, ভেড়ারামা ৪১০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন করা হয়েছে ১৮০ মেগাওয়ার্ট। কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র না চালিয়ে সিম্পল সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহকে অপরিপক্ক সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই পরিমাণ গ্যাস সিম্পল সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সরবরাহ করে যখন ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যায়, সেই গ্যাস কম্বাইন্ড সাইকেলে সরবরাহ করা হলে ১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যায়। তারপর বছরে সর্বোচ্চ ৫৬ শতাংশ উৎপাদন করানো হচ্ছে কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে।

এ বিষয়ে বিপিডিবির চেয়ারম্যান মোঃ মাহবুবুর রহমান বার্তা২৪.কমকে বলেছেন, অবশ্যই কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। কিন্তু টেকনিক্যাল করণে অনেক সময় সম্ভব হয় না। দেখা যায় যেখানে কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে সেখানে গ্যাস দিতে পারছে না জিটিসিএল। তখন বাধ্য হয়ে সিম্পল সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালানো হয়। কমদামে উৎপাদন করতে পারলে কে না চাইবে!

গত ১৮ মে বিদ্যুতের পাইকারি দাম বৃদ্ধি প্রস্তাবের উপর গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) বর্তমান দর ইউনিট প্রতি ৫.১৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮.৫৮ টাকা করার প্রস্তাব করেছে।প্রস্তাবে বলা হয়েছে, চাহিদা মতো গ্যাস সরবরাহ না পাওয়ায় তেল দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে গিয়ে খরচ বেড়ে গেছে।২০১৯-২০ অর্থ বছরে বিদ্যুতে গড় উৎপাদন খরচ ছিল ২.১৩ টাকা, ২০২০-২১ অর্থ বছরে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩.১৬ টাকায়। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি, কয়লার মুসক বৃদ্ধির কারণে ২০২২ সালে ইউনিট প্রতি উৎপাদন খরচ দাঁড়াবে ৪.২৪ টাকায়। পাইকারি দাম না বাড়লে ২০২২ সালে ৩০ হাজার ২৫১ কোটি ৮০ লাখ টাকা লোকসান হবে বিপিডিবির।

;

দুই চ্যালেঞ্জের মুখে ব্যাংক খাত: গভর্নর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মূল্যস্ফীতি ও বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে ব্যাংক খাত। এ‌টি মোকাবিলায় শুধুমাত্র বাংলাদেশ ব্যাংক নয়, সরকারি বেসরকারি সব বাণিজ্যিক ব্যাংকগু‌লো‌কে সমষ্টিগতভাবে কাজ করতে হবে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির।

শনিবার (২৮ মে ) ঢাকার অফিসার্স ক্লাবে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর জানান, এসব চ্যা‌লেঞ্জ মোকা‌বিলায় আমদানির ক্ষেত্রে বেশ কিছু বিধিনিষেধ দিয়েছি কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সেগুলো মেনে চললে আমরা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারব।

তিনি বলেন, এ মুহূর্তে বিলাসী পণ্য আমদানি থেকে বিরত থাকতে হবে। এলসি ওপেনের ক্ষেত্রে আমরা কিছু মার্জিন দিয়েছি এগুলো আপনারা পরিপালন করবেন। আমরা সংকট কাটা‌তে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে সরাসরি ডলার সরবরাহ কর‌ছি। এটা অব্যাহত থাকবে। এছাড়া খাদ্য, শিশু-খাদ্য ,সার, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ, কৃষিসহ প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির সুযোগ করে দিয়েছি। যেসব পণ্য অতি প্রয়োজনীয় নয় সেগুলো আমরা নিরুৎসাহিত করছি।

করোনার সময় আমরা যেভাবে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছি আমরা বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ সেভাবেই মোকাবিলা করে করতে সক্ষম হবো বলে আশা করছি, ব‌লেন গভর্নর ফজলে কবির।

গভর্নর ফজলে কবির বলেছেন, ২০২০ সালে করোনাভাইরাসের কারণে আমাদেরকে চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়তে হয়েছিল। দেশের অর্থনীতি গতিশীল রাখতে ওই সময় ব্যাংকের কার্যক্রম সচল রাখ‌তে হ‌য়ে‌ছে। ব্যাংকগু‌লো সম্মুখ সা‌রিতে ছিল। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে গি‌য়ে কিছু ক্ষ‌তিও হয়েছে। মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ১৮৯ জন ব্যাংকার মারা গেছেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান সেলিম রহমান। এ সময় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ফরমান আর চৌধুরীসহ পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

;

ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের সঙ্গে ‘নগদ’-এর মতবিনিময় সভা



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের সঙ্গে ‘নগদ’-এর মতবিনিময় সভা

ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের সঙ্গে ‘নগদ’-এর মতবিনিময় সভা

  • Font increase
  • Font Decrease

মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টরে গ্রাহকদের আর্থিক নিরাপত্তার বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা করেছে ‘নগদ’। প্রতিষ্ঠানটির এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্স ডিভিশনের উদ্যোগে আয়োজিত এই সভায় আলোচকেরা এমএফএস খাতের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

সম্প্রতি ঢাকার একটি পাঁচতারকা হোটেলে আয়োজিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার। এসময় ডিএমপির (উত্তর) যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মুহাম্মদ হারুন অর রশিদ এবং ডিএমপির (দক্ষিণ) যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. মাহবুব আলম, ‘নগদ’ লিমিটেডের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক নিয়াজ মোর্শেদ এলিট ও ‘নগদ’-এর নির্বাহী পরিচালক মারুফুল ইসলাম ঝলক। অনুষ্ঠানে ‘নগদ’-এর চিফ অব এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্স লে. কর্নেল মো. কাওসার সওকত আলী (অব.) ধন্যবাদ বক্তব্য দেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেন, তিন বছরে ‘নগদ’ অনেক ভালো করেছে। ‘নগদ’-এর মতো প্রযুক্তিগতভাবে আধুনিক সেবা বাজারে যত বেশি থাকবে, মানুষ ততো বেশি উপকৃত হবে। আমরা চাই বাজারে যারা এমএফএস সেবা দিচ্ছে, তারা সবাই ভালো করুক। গ্রাহকের কষ্টার্জিত অর্থ যেন নিরাপদ থাকে, সে জন্য সবসময় আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এ ছাড়া গ্রাহকদেরও সচেতন থাকতে হবে।

অনুষ্ঠানে ডিএমপির (উত্তর) যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মুহাম্মদ হারুন অর রশিদ এবং ডিএমপির (দক্ষিণ) যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. মাহবুব আলম বক্তব্য দেন। তাঁরা নগদ-এর ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে গ্রাহকের সেবা দিতে গোয়েন্দা পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বরাবরের মতো সহেযাগিতা করার আহ্বান জানান।

‘নগদ’-এর নির্বাহী পরিচালক নিয়াজ মোর্শেদ এলিট বলেন, ‘নগদ’ শুরু থেকে একটি গ্রাহকবান্ধব সেবা হিসেবে মানুষের কাছে পরিচিত হয়ে আসছে। ‘নগদ’-এর প্রযুক্তি, লেনদেন খরচ এবং সহজলভ্যতা অন্যান্য অনেক প্রতিষ্ঠানের চেয়ে যুগোপযোগী। আমি আন্তরিকভাবে ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগকে ধন্যবাদ জানাতে চাই, তারা বিভিন্ন সময় আমাদের বুদ্ধি-পরামর্শ ও প্রয়োজনে সহযোগিতা করেছেন। আমার বিশ্বাস, সামনের দিনেও আমাদের পারস্পরিক এই সম্পর্ক অবিচ্ছিন্ন থাকবে।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিরা ‘নগদ’-এর প্রযুক্তিগত সক্ষমতার বিষয়ে প্রশংসা করেন। এত কম সময়ে এত বেশি গ্রাহকভিত্তি তৈরি করা এবং কোনো ধরনের ঝামেলা ছাড়া কয়েক সেকেন্ডে অ্যাকাউন্ট খোলার প্রযুক্তি নিয়ে আসার বিষয়গুলোর প্রশংসা করেন অতিথিরা।

‘নগদ’ ইতিপূর্বে বাংলাদেশ পুলিশের সার্বিক সহযোগিতায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সচেতনতামূলক কর্মশালার আয়োজন করেছে। তার মধ্যে মানি লন্ডারিং, সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ, উদ্যোক্তাদের সচেতনতা বৃদ্ধি, সন্দেহজনক লেনদেনসহ প্রতারণা সংক্রান্ত বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির কাজসমূহ উল্লেখযোগ্য।

এ ছাড়া মতবিনিময় সভা উপলক্ষ্যে নৈশভোজ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি ‘নগদ’-এর পক্ষ থেকে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিদের সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

;