‘খেলাপিদের বিরুদ্ধে শূন্যসহিষ্ণুতা প্রয়োগের এখনি সময়’



আশরাফুল ইসলাম, পরিকল্পনা সম্পাদক, বার্তা২৪.কম
‘খেলাপিদের বিরুদ্ধে শূন্যসহিষ্ণুতা প্রয়োগের এখনি সময়’

‘খেলাপিদের বিরুদ্ধে শূন্যসহিষ্ণুতা প্রয়োগের এখনি সময়’

  • Font increase
  • Font Decrease

ঋণ খেলাপি-কর খেলাপি ও দেশ থেকে টাকা পাচারকারীদের আইনের প্রাতিষ্ঠানিক আওতায় নিয়ে একটা সিগন্যাল দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও বেসরকারি খাতের গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, অর্থনীতি যখন চাপের মধ্যে তখন এসব খেলাপিদের বিরুদ্ধে শূন্যসহিষ্ণুতা প্রয়োগের এখনই সময়।

বার্তা২৪.কম-কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এই মন্তব্য করেছেন তিনি। কথা বলেছেন পরিকল্পনা সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম।

বার্তা২৪.কম: সার্বিকভাবে দেশের অর্থনীতির গতি-প্রকৃতি কোন দিকে যাচ্ছে?

অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান: অবশ্যই সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা একটা ঝুঁকির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। একটা অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন আর্থসামাজিক সূচক আছে, সেসবের মধ্যে তার একটা প্রতিফলন আমরা দেখছি। সেটা আমাদের মূল্যস্ফীতি, রিজার্ভের সিচুয়েশনস, টাকার মূল্যমানের প্রবণতা, বিদেশি বিনিয়োগ, ঋণ প্রবাহ কিংবা রিজার্ভের কারণে আমদানি ও রফতানির ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা; সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিচালনার ক্ষেত্রে অক্টোবরে তো নেগেটিভ হয়ে গেছে, নভেম্বরেও সুবিধার না। সব ধরনের সূচকই একটা চাপের মধ্যে আছে। সুতরাং সেদিক থেকে অবশ্যই এসবের অভিঘাত পড়ছে জীবনযাত্রার মান, কর্মসংস্থান, প্রবৃদ্ধি-এগুলোর উপরে তার একটা নেতিবাচক প্রভাব তো পড়ছেই। সুতরাং সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা একটা ঝুঁকির মধ্যে আছে।

বার্তা২৪.কম: বিদ্যমান পরিস্থিতিতে আর্থিক খাতের অংশীজন ও সরকার কিংবা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগকে আপনি কিভাবে দেখেন-

অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান: কিছু কিছৃ পদক্ষেপ তারা নিচ্ছে। প্রথম কথা হলো সংকটের কারণটাকে যদি কেবলমাত্র কোভিড পরবর্তী উত্তরণ এবং ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বলা হয় যে এটি বাহির থেকে আসছে আমার মনে হয়; তাহলে সম্পূর্ণ গল্পটা বলা হবে না। আমাদের নিজেদের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে এই বাইরের ফ্যাক্টরগুলি আরও জেঁকে বসেছে। আমরা অনেকদিন ধরে বলছি, আমাদের টাকা অতিমূল্যায়িত আছে, এটাকে গ্রাজুয়্যাললি অবমূল্যায়িত করেন; তখন বলা হলো-মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়বে। আমরা বললাম যে আমাদের রেমিটেন্স এবং রফতানি সক্ষমতা বাড়বে, প্রতিযোগিতার সক্ষমতা এবং তার ফলে এটা অর্থনীতির জন্য ভালো হবে। আমদানিকৃত মূল্যস্ফীতিকে আমাদের বাজার ব্যবস্থাপনা, শুল্ক ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি  দিয়ে সামাল দিতে হবে। কিন্তু ইতিমধ্যে আমরা অনেক বিলম্ব করেছি, ডলারের দাম ৮৬ টাকা অনেক দিন ধরে রেখেছি, এরপর এক লাফে এখানে ১১০-১১১ টাকা হয়েছে, যখন নাকি আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়েছে। মূল্যস্ফীতি শেষ পর্যন্ত বাড়লই। এসব বিষয়গুলি যেমন আছে-তেমনি দেশ থেকে অনেক টাকা বিদেশে চলে যাচ্ছে;  আমরা বলছি অনেকদিন ধরে, বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা দিয়ে এগুলো  মোকাবেলা করুন। বাজারের মধ্যে একধরণের একচেটিয়াকরণ হচ্ছে-এগুলোকে মোকাবেলা করুন। বাজার ব্যবস্থাপনা, সুশাসন, সাশ্রয়ীভাবে সময়মতো প্রকল্প বাস্তবায়ন- এগুলোর ক্ষেত্রে আমাদের বিভিন্ন ধরণের দুর্বলতার কারণে আমরা ঝামেলার মধ্যে পড়ে গেছি। ঝুঁকির মধ্যে পড়ে গেছি, অনিশ্চয়তায় পড়ে গেছি। যেহেতু আমাদের সমস্যাটা ভেতরে, সেহেতু সমাধানটাও ভেতরেই খুঁজতে হবে-সেটাই হলো এখন মূল উদ্দেশ্য। এখন বাইরে জ্বালনি আর চিনি ছাড়া সবকিছুর দাম কমেছে। অভ্যন্তরীণ বাজারে তো বাড়ছেই। ইনফ্লেশন কমার তো কোনো লক্ষণ নেই। আর এখন ইনফ্লেশন যদি কিছু কমেও সেটি উপরের স্তরে; ১০০ টাকারটা ১০ শতাংশ বেড়ে ১১০ হয়েছে, তারপরে ইনফ্লয়েশন ১০ শতাংশ থেকে ৮ শতাংশ কমলো তার মানে ১১০ টাকারটা ১৮ হলো, তাতে তো আমার কোনো স্বস্তি নেই, ভিত্তি অলরেডি উপরে উঠে গেছে। সুতরাং এইখানে আমাদের এখন চেষ্টা করতে হবে যাতে ব্যালেন্স অব পেমেন্টটা আরেকটু বেটার করা যায়। রেমিট্যান্স  ইনফরমাল চ্যানেলে চলে গেছে। একে ফরমাল চ্যানেলে আনতে হবে। ঋণ খেলাপি, কর খেলাপি, দেশ থেকে টাকা পাচারকারী-এদের সবাইকে আইনের প্রাতিষ্ঠানিক আওতায় নিয়ে একটা সিগন্যাল দেওয়ার সময় আসছে। শূন্য সহিষ্ণুতার কথা আমরা বলি, এই শূন্য সহিষ্ণুতা প্রয়োগের এখনই সময়, অর্থনীতি যখন একটা চাপের মধ্যে আছে। সবদিক থেকে আমার মনে হয়, অর্থনৈতিক চাপের উৎকর্ষতা, সুশাসন, শূন্য সহিষ্ণুতা, ঋণখেলাপি, করখেলাপি, হুন্ডি চ্যানেল নিয়ন্ত্রণ জরুরি হয়ে দেখা দিয়েছে, যাতে করে অনিশ্চয়তা কাটিয়ে বিনিয়োগ তার আগের জায়গায আসে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আমাদের বিনিয়োগকারীরাও যাতে উৎসাহ পায় । একটা পেইনপুল প্রসেসের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে আরেকটা ভারসাম্যে আসতে হলে। প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা প্রয়োগ করে আমাদের সংস্কার করা দরকার, বাংলাদেশব্যাংকের ফিন্যান্সিয়াল ইউনিটগুলোর মাধ্যমে বিদ্যমান যেসব আইন আছে তা প্রয়োগের মাধ্যমে স্বাধীনভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। বিশেষ করে ভোক্তা অধিদপ্তর, কমপিটিশন অধিদপ্তর স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারলে পেইনপুল প্রসেসের মধ্য দিয়ে আমরা আরেকটা ভারসাম্যে পৌঁছে যাবো।

বার্তা২৪.কম: স্ব-শাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক সক্ষমতার জায়গাটি কতটা দেখাতে পারছেন?

অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান: বাংলাদেশ ব্যাংক বেশ কিছু পদক্ষেপ নিচ্ছে রাইট ডাইরেকশনে-তা অস্বীকার করার উপায় নেই। কিন্তু আমরা দেখেছি ধারাবাহিকভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উপরে বিভিন্নভাবে (তাদের) স্বাধীনতা খর্ব করা হয়েছে, তাদের দিয়ে বিভিন্ন কাজ করানো হয়েছে। নতুন আইন পাস হলো পার্লামেন্টের শেষ মূহুর্তে, তাতে দেখলাম পরিচালক পদে নয় বছরের জায়গায় ১২ বছর থাকার সুযোগ রাখা হয়েছে। সেন্ট্রাল ব্যাংককে তো স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে হবে । মুদ্রানীতি, মূল্যস্ফীতি নীতির জন্য যেটা করার দরকার, বিশেষ করে ঋণখেলাপির বিরুদ্ধে-এসবের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে হবে। কিছু দরকারি পদক্ষেপ তারা নিচ্ছেন কিন্তু সেটা আরও শক্তিশালী করতে হবে। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকেও বুঝতে হবে যে স্বাধীনভাবে যেসব সংস্থাকে কাজ করতে দিলে সেখানে তার জন্য ভালো হবে। তাদের নিজেদের স্বার্থে এটা করা উচিত। কারণ যদি ন্যায্যতার ভিত্তিতে আমরা যদি অন্তর্ভূক্তিমূলক উন্নয়ন করতে চাই তাহলে বিভিন্ন সংস্থাগুলোকে স্বাধীনভাবে নিজ নিজ কর্তব্য পালন করতে দিতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে সেগুলো ভালো কিন্তু আমার মনে হয় আরও একটু দ্রুততার সঙ্গে নিতে হবে। এক্সচেঞ্জ রেট-ইন্টারেস্ট রেটকে দ্রুততার সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে।

বার্তা২৪.কম: আমরা জ্ঞান ও তথ্য ভিত্তিক সমাজের কথা বলি সেখানে অর্থনীতির সংকট নিয়ে যেসব গণমূখি গবেষণা হয়, সেসব গবেষণাকে সরকার বা সংশ্লিষ্টরা কতখানি অগ্রাধিকার দেন-

অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান: আমার মনে হয়, বাংলাদেশের অর্থনীতি ৪৬০ বিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি এটা পারচেজিং পাওয়ার প্যারিটিতে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হয়ে গেছে-ক্রয় ক্ষমতার নিরিখে; এরকম একটা অর্থনীতি চালাতে গেলে অবশ্যই একটা জ্ঞানভিত্তিক ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন। কিন্তু সেখানে আমার মনে হয় না সেটার অনুধাবনটা আছে। অনেকক্ষেত্রে দেখা যায় যে, জ্ঞানভিত্তিক কথাবার্তা বললে আবার অনেকের পছন্দ হয় না। যারা এগুলো নিয়ে চর্চা করেন, যাদের বুদ্ধিমত্তা-মেধা আছে সেটা দিয়ে তারা পরামর্শ দেওয়ার চেষ্টা করেন কিন্তু দেখা যায় এসব পরামর্শকে অনেক সময় নেতিবাচকভাবে নেওয়া হয়। আমার মনে হয় এটা ভালো কোনো লক্ষণ না। সমাজের যত জ্ঞানভিত্তিক আলাপ-আলোচনা হবে, শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক ব্যক্তিরাই সিদ্ধান্তটা গ্রহণ করবেন; সেটা তো তাদের ম্যান্ডেট, কিন্তু গঠনমূলক আলোচনা-সমালোচনার স্পেস থাকতে হবে। তখন সেখান থেকে তারা বেছে নিতে পারবেন, কোনটা তাদের জন্য সবচেয়ে  ভালো। কা্রণ রাজনৈতিক বিচার বিবেচনা করেই তাদের সিদ্ধান্ত নিতে হয়, সেটা কি আমরা বুঝি না? কিন্তু গঠনমূল সমালোচনার প্রতিও শ্রদ্ধা থাকা উচিত বলে আমার মনে হয়।

   

স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে বাণিজ্যের আধুনিকায়ন অপরিহার্য



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

২০৪১ সালে একটি আধুনিক, সুখী-সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হলে বাণিজ্যের আধুনিকায়ন অপরিহার্য। এক্ষেত্রে বাণিজ্য হতে হবে স্মার্ট।

এফবিসিসিআই আয়োজিত ‘স্মার্ট ট্রেড ফর স্মার্ট বাংলাদেশ: ওয়ে ফরওয়ার্ড’ বিষয়ক এক সেমিনারে ব্যবসায়ীরা একথা বলেন। রোববার (৩ মার্চ) বিকেল ৪টায় এফবিসিসিআই’র বোর্ড রুমে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুখ্য সচিব বলেন, সরকার সবসময় ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে সাথে নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী। আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি হলো ব্যবসা-বাণিজ্য। তাই সরকার দেশের ব্যবসা ও বাণিজ্যের পরিবেশ উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সুষ্ঠু ব্যবসার পরিবেশ নিশ্চিতে সরকার অতীতের মতো ভবিষ্যতেও ব্যবসায়ীদের নীতি সহায়তা প্রদানে বদ্ধ পরিকর। আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ভ্যালু চেইন উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি খাতকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, বাংলাদেশ আজ বিশ্ব অর্থনীতিতে এক উদীয়মান শক্তি। এই টেকসই প্রবৃদ্ধির মূলে রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্ব ও সাহসী পদক্ষেপ। সেই সাথে ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে গত দেড় দশক ধরে আইসিটি খাতকে উৎসাহিত করার মাধ্যমেই সূচিত হয়েছে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের এক নতুন অধ্যায়।

তিনি বলেন, বিশ্বের অর্থনীতির সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাওয়ার জন্য ডিজিটাল বাংলাদেশের পর স্মার্ট বাংলাদেশের পরিকল্পনা সরকারের একটি দূরদৃষ্টিসম্পন্ন সিদ্ধান্ত, কেননা উন্নত বিশ্বের দেশগুলো ইতোমধ্যে স্মার্ট দেশে রূপান্তরিত হয়েছে, এমনকি অনেক উন্নয়নশীল দেশও স্মার্ট দেশে রূপান্তরের পথে অনেক দূর এগিয়ে গেছে। সাশ্রয়ী, টেকসই, বুদ্ধিদীপ্ত, জ্ঞান ভিত্তিক এবং উদ্ভাবনী প্রাযুক্তিগত সমাধানই হচ্ছে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’।

স্মার্ট ইকোনমি গড়ে তুলতে স্মার্ট কৃষি, স্মার্ট বাণিজ্য, স্মার্ট পরিবহন ব্যবস্থার গুরুত্বের কথা তুলে ধরে মাহবুবুল আলম আরও বলেন, কৃষিক্ষেত্রে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্য পরিবহনে স্মার্ট ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এবং এসব পণ্য সরবরাহ ও বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ই-কমার্স ও ডিজিটাল পেমেন্টের প্রচার ও প্রসারের ব্যবস্থা করতে হবে।

তিনি বলেন, ২০২৬ সালে বাংলাদেশ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডাব্লিউটিও) এলডিসি থেকে উত্তরণের পর যে ধরনের চ্যালেঞ্জে পড়তে পারে তা মোকাবিলায় অন্যতম হাতিয়ার হবে জিআই পণ্য ও প্যাটেন্ট। পণ্যের জিআই সার্টিফিকেট দেবার অন্যতম উদ্দেশ্য হল এর রফতানি বাড়ানো। তাই ক্রস বর্ডার ট্রেড বাড়াতে জিআই পণ্যগুলো অনেক বেশি ভূমিকা রাখবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ বলেন, পণ্য আমদানি ও রফতানিতে এলসি খোলার ক্ষেত্রে এখন বর্তমানে যথেষ্ট শিথিলতা অবলম্বন করা হচ্ছে। আমাদের এখন সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো নিয়ে কাজ করতে হবে। এসময় বিভিন্ন খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা ও কমপ্লায়েন্স নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট অ্যাসোসিয়েশনগুলোকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানা বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে স্থিতিশীল উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগের কোন বিকল্প নেই। কৃষকরা যেন সহজে ও ঝামেলামুক্তভাবে প্রয়োজনীয় সার পান সেজন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ‘স্মার্ট ফার্টিলাইজার ডিস্ট্রিবিউশন’ অ্যাপ বাস্তবায়নের চেষ্টা করছি আমরা। এটি কার্যকর করতে পারলে একদিকে যেমন কৃষকের হয়রানি কমবে অন্যদিকে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে। চতুর্থ শিল্প বিল্পবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অনগ্রসর এলাকায় শিল্প কারখানা স্থাপনে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা করবে। পাশাপাশি ব্যবসার জন্য বাধা সৃষ্টি করে এমন কোন নীতিমালা করবে না সরকার।

এফবিসিসিআই’র সহ-সভাপতি ও ইক্যাব সভাপতি শমী কায়সার বলেন, স্মার্ট অর্থনীতি গড়ে তুলতে পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে পণ্য পরিবহন খরচ কমাতে হবে। পণ্য পরিবহন খরচ বেশি হওয়ায় পণ্যের দাম বেড়ে যাচ্ছে। পণ্য মূল্য বেড়ে যাওয়ার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

দেশের নারী উদ্যোক্তা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাত এখনও অনেক পিছিয়ে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই খাতগুলোর সমৃদ্ধির জন্য গবেষণা ও উন্নয়নে আরও বেশি গুরুত্ব দিতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এফবিসিসিআই’র সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আমিন হেলালী বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশে প্রযুক্তি ব্যবহারে প্রত্যেকটি নাগরিক হবে দক্ষ। অর্থনীতি পরিচালিত হবে প্রযুক্তির মাধ্যমে। সরকারের সকল কার্যক্রম এবং সমস্ত সমাজ ব্যবস্থাই স্মার্টভাবে পরিচালিত হবে। কাজেই স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে স্মার্ট বাণিজ্যের কোন বিকল্প নেই।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ই-ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল ওয়াহেদ তমাল। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন এফবিসিসিআই’র প্যানেল উপদেষ্টা পলিসি এক্সচেঞ্জ অফ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. এম মাশরুর রিয়াজ, ড. অনন্য রায়হান প্রমুখ। এসময় অন্যান্যের মধ্যে এফবিসিসিআইয়ের সহ-সভাপতি মো. খায়রুল হুদা চপল, রাশেদুল হোসেন চৌধুরী (রনি), মো. মুনির হোসেন, এফবিসিসিআই পরিচালকবৃন্দ এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

;

প্রবাসী আয়ে আশার আলো, ৮ মাসে সর্বোচ্চ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রবাসীদের পাঠানো আয় বা রেমিট্যান্স আলো দেখাচ্ছে। সদ্য সমাপ্ত ফেব্রুয়া‌রি‌তে দেশে এসেছে ২১৬ কো‌টি ৬০ লাখ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা, যা গত আট মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। বাংলাদেশি মুদ্রায় এ অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ২৩ হাজার ৮০০ কো‌টি টাকায়। এর আগে গত জুন মা‌সে রে‌মি‌ট‌্যান্স এসে‌ছিল ২২০ কো‌টি ডলার।

রোববার (৩ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।  

উল্লেখ্য, এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ২১০ কোটি মার্কিন ডলার।

২০২৩ সালের শেষ মাস ডিসেম্বরে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ১৯৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছে ১৯৫ কোটি ৮৮ লাখ ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ১৫৬ কোটি ডলার, মার্চে ২০২ কোটি, এপ্রিলে ১৬৮ কোটি, মে মাসে ১৬৯ কোটি, জুনে ২২০ কোটি, জুলাইয়ে ১৯৭ কোটি, আগস্টে ১৫৯ কোটি ৯৪ লাখ, সেপ্টেম্বর মাসে ১৩৩ কোটি, অক্টোবরে ১৯৭ কোটি, নভেম্বরে ১৯৩ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ১৬১ কোটি ৭ লাখ মার্কিন ডলার। আগের ২০২১-২০২২ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ১০৩ কোটি ১৭ লাখ মার্কিন ডলার। ২০২০-২১ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ মার্কিন ডলার। যা সর্বোচ্চ পরিমাণ রেমিট্যান্স।

;

ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক নিয়ে এলো নতুন সেবাপণ্য



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক নিয়ে এলো নতুন সেবাপণ্য ‘এসআইবিএল ফ্রিল্যান্সার সলিউশন’।

দেশের তরুণ সমাজ যারা ফ্রিল্যান্সিং করেন তাদেকে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা সহজে দেশে আনার সুযোগ করে দিতে, তথ্য প্রযুক্তি খাতের সৃজনশীল উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকাকে আরও গতিশীল করতে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ‘এসআইবিএল ফ্রিল্যান্সার সলিউশন’ নামে নতুন এই সেবাপণ্য চালু করলো।

রোববার (০৩ মার্চ) প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী জাফর আলম নতুন এই সেবাপণ্যটি উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে ব্যাংকের উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ ফোরকানুল্লাহ, আব্দুল হান্নান খান ও মোহাম্মদ হাবীবুর রহমান এবং ফাইন্যান্সিয়াল এডমিনিস্ট্রেশন ডিভিশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট কামাল হোসাইন বক্তব্য রাখেন। অন্যান্যের মধ্যে ব্যাংকের বিভিন্ন বিভাগের প্রধানসহ ঊর্ধ্বতন নির্বাহীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও ব্যাংকের আঞ্চলিক প্রধানগণ, শাখা ব্যবস্থাপকবৃন্দ ও উপশাখার ইনচার্জগণ ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাফর আলম বলেন, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ইতিমধ্যে গণমানুষের ব্যাংক হিসেবে সকলের কাছে পরিচিতি লাভ করেছে। গণমানুষের এই ব্যাংক সবসময় মানুষের চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তার কথা বিবেচনায় রেখেই সেবাপণ্য প্রবর্তন করে। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা এবার ফ্রিল্যান্সিং পেশায় যুক্তদের জন্য চালু করছি ‘এসআইবিএল ফ্রিল্যান্সার সলিউশন’।

এই হিসাবধারী অন্যান্য হিসাবের তুলনায় ০.৫০ শতাংশ বেশি মুনাফা পাবেন এবং আয়ের ৩৫ শতাংশ হিসাবধারীর এক্সপোর্টারস রিটেনশন কোটা (ইআরকিউ) অ্যাকাউন্টে জমা রাখতে পারবেন। আইটি সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ক্রয় করার জন্য ব্যাংক থেকে তিনি ইআরকিউ অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্সের সর্বোচ্চ ৯০ শতাংশ পর্যন্ত বিনিয়োগ সুবিধা নিতে পারবেন।

;

কমবে ডিজেল-পেট্রোল-অকটেনের দাম!



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের দাম কমানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। নতুন দর প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। যে কোনো সময় গেজেট আসতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।

রোববার (৩ মার্চ) বিকেলে সচিবালয়ের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এমন তথ্য জানান।

দাম কমছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কিছুটা সাশ্রয় হবে বলে আশা করছি। দেখি কী অনুমোদন আসে। তারপর চূড়ান্তভাবে বলা সম্ভব হবে। আমরা আধুনিক প্রাইসিংয়ে যাচ্ছি। এখন থেকে প্রতিমাসে দাম সমন্বয় করা হবে। আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়লে বেড়ে যাবে, আবার কমলে কমে যাবে।

আগে সাধারণভাবে অভিযোগ থাকতো, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলে দেশে কমানো হয় না। এখন সেই অভিযোগ আর থাকার সুযোগ নেই। ফর্মূলা রয়েছে। সে অনুযায়ী দাম কমবেশি হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

দাম কমলে গাড়ি ভাড়া কমবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার মনে হয় কমে যাওয়া উচিত। এখানে যেসব প্রতিষ্ঠান কাজ করছে, আমরা তাদের সঙ্গে বসার পরিকল্পনা নিয়েছি।

সর্বশেষ, ২০২২ সালের ৩০ আগস্ট জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা হয়। ওইদিন ডিজেল ও কেরোসিন ১১৪ টাকা থেকে কমিয়ে ১০৯ টাকা লিটার, পেট্রোল ১৩৫ থেকে কমিয়ে ১৩০ টাকা এবং অকটেন ১৩৫ টাকা থেকে কমিয়ে ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এরপর নজিরবিহীন দাম বাড়ানো হয়, ২০২২ সালের ৫ আগস্ট রাতে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) জারি করা আদেশে ডিজেল ও কেরোসিন লিটার প্রতি ৩৪ টাকা এবং পেট্রোল ও অকটেনে ৪৬ টাকা দাম বাড়ানো হয়েছিল। তখন ডিজেল ও কেরোসিনের দাম ১১৪ টাকা লিটার, পেট্রোল ১৩৫ টাকা এবং অকটেন ১৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। ওই দাম বৃদ্ধির পর গণপরিবহনের ভাড়া বেড়েছিল সর্বোচ্চ ২২ শতাংশ। তার আগে ২০২১ সালের নভেম্বরে প্রতি লিটার ডিজেল ও কেরোসিনের মূল্য ৬৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮০ টাকায় করা হয়। ওই সময়েও পরিবহন ভাড়া বাড়ানো হয় প্রায় ২৭ শতাংশ।

সরকার জ্বালানি তেলের দামে ভর্তূকি দেওয়া থেকে বের হয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখানে আইএমএফের চাপও রয়েছে। ‘জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ নির্দেশিকা’ প্রজ্ঞাপন ২৯ ফেব্রুয়ারি রাতে প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বাস্তবতার নিরিখে দেশে ব্যবহৃত অকটেন ও পেট্রোল ব্যক্তিগত যানবাহনে বেশি পরিমাণে ব্যবহৃত হয় বিধায় এর মূল্য বিলাস দ্রব্য (লাক্সারি আইটেম) হিসেবে সব সময় ডিজেলের চেয়ে বেশি রাখা হয়। বর্তমানে ডিজেল ও অকটেনের খুচরা বিক্রয় মূল্য পার্থক্য লিটার প্রতি ২১ টাকা। ফর্মূলা অনুযায়ী অকটেনের মূল্য নির্ধারণকালে ডিজেলের সঙ্গে পার্থক্য লিটার প্রতি ন্যূনতম ১০ টাকা যেন থাকে, সেজন্য প্রাইসিং ফর্মুলায় ‘α’ ফ্যাক্টর বিবেচিত হবে।

পেট্রোলিয়াম পণ্য ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রোলসহ সরকার যে সব গ্রেডের জ্বালানি তেলের বিক্রয় মূল্য নির্ধারণ করে থাকে, সেগুলোর জন্য এই স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে। তবে সরকার/বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) প্রয়োজন মনে করলে অন্যান্য পেট্রোলিয়াম পণ্যের ক্ষেত্রেও শর্ত সাপেক্ষে উক্ত নির্দেশনা প্রয়োগ করতে পারবে। স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে প্রাথমিকভাবে প্রতিমাসে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি মার্চ ২০২৪ থেকে কার্যকর হবে।

;