সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের নতুন ৫ এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট উদ্বোধন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের ৫টি নতুন এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার (১২ জুন) প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী জাফর আলম এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটগুলো উদ্বোধন করেন।

ব্যাংকের উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ ফোরকানুল্লাহ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল হান্নান খান ও মোহাম্মদ হাবীবুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন এজেন্ট ব্যাংকিং ডিভিশনের প্রধান মোঃ মশিউর রহমান। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ব্রাঞ্চেস কন্ট্রোল ডিভিশনের প্রধান জয়নাল আবেদীনসহ ঊর্ধ্বতন নির্বাহীবৃন্দ। অনুষ্ঠানে ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক প্রধান, শাখা ব্যবস্থাপক, আউটলেটগুলোর এজেন্টসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।

নতুন এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটগুলো হচ্ছে- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ধরমন্ডল সড়ক বাজার, কুমিল্লার বুড়িচংয়ে পূর্ণমতি বাজার, জামালপুরের মেলান্দহে ঝাউগড়া বাজার, কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরের রামদীতে আগরপুর বাস স্ট্যান্ড এবং ভোলার চরফ্যাশনে আঞ্জুরহাট বাজার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাফর আলম বলেন, আমরা সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংককে গণমানুষের ব্যাংক হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছি। দেশের সকল অঞ্চলের মানুষ যাতে ব্যাংকিং সেবা পায় সে লক্ষ্যেই দেশব্যাপী শাখা-উপশাখার পাশাপাশি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটগুলো কাজ করছে। তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংকিং একটি কল্যাণকর ব্যবস্থা। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ এই সুবিধা পাচ্ছেন। তিনি এসব এলাকার মানুষকে এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট থেকে ব্যাংকিং সেবা গ্রহণের আহ্বান জানান।

সেপ্টেম্বরে শুরু হচ্ছে রিহ্যাব শারজাহ ফেয়ার ২০২৪



নিউজ ডেস্ক
সেপ্টেম্বরে শুরু হচ্ছে রিহ্যাব শারজাহ ফেয়ার ২০২৪

সেপ্টেম্বরে শুরু হচ্ছে রিহ্যাব শারজাহ ফেয়ার ২০২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

‘প্রবাসে উপার্জন স্বদেশে আবাসন’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে সংযুক্ত আরব আমিরাত এর শারজাহতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে রিহ্যাব হাউজিং এ্যান্ড রেমিটেন্স ফেয়ার-২০২৪।

আগামী সেপ্টেম্বর মাসের ৬, ৭ ও ৮ তারিখ শারজাহর এক্সপো সেন্টারে এই ফেয়ার অনুষ্ঠিত হবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আবু জাফর মেলার উদ্বোধন করবেন। মেলা উপলক্ষে শারজাহতে বাংলাদেশী প্রবাসীদের মাঝে এখন থেকেই প্রচার প্রচারণা শুরু হয়েছে। এই বছরের মেলায় প্রবাসীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মেলায় এখনও অংশ গ্রহণের সুযোগ রয়েছে।

রিয়েল এস্টেট এ্যান্ড হাউজিং এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) এর উদ্যোগে এই ফেয়ার অনুষ্ঠিত হবে। দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক, প্রবাসীদের জন্য হোম লোন ব্যবস্থা সহজ করায় মেলা থেকে লোন নেওয়ার ব্যবস্থাও থাকছে এ বছর।

শারজাহতে রিহ্যাবের এই মেলায় রিহ্যাব সদস্য প্রতিষ্ঠান ছাড়াও বেশ কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। মেলায় অংশগ্রহণকারী রিহ্যাব সদস্যদের মাঝেও ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

ইতোমধ্যে রিহ্যাব ইন্টারন্যাশনাল ফেয়ার স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলিম উল্ল্যাহ এবং কো চেয়ারম্যান মোঃ ইমদাদুল হক বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আবু জাফর এর সাথে সংযুক্ত আরব আমিরাত এর আবুধাবিস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে গিয়ে সাক্ষাত করে এসেছেন। সাক্ষাতে রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আবু জাফর বলেছেন, রিহ্যাব হাউজিং এ্যান্ড রেমিটেন্স ফেয়ার ২০২৪ সফলভাবে সম্পন্ন করতে তাদের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে। 

;

কিস্তি পরিশোধে দেরি হলে জরিমানা করবে না ব্যাংক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংক

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকে ঘিরে সহিংসতাকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী কারফিউ ও ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় অনেকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ক্রেডিট কার্ডের বিল, ঋণের বকেয়া ও বিভিন্ন সঞ্চয়ী স্কিম দিতে পারেননি। তবে এই বিলম্বের জন্য গ্রাহকের কাছ থেকে জরিমানা আদায় না করতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বুধবার (২৪ জুলাই) পৃথক দুই প্রজ্ঞাপনে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই নির্দেশনা দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে অনেক ঋণগ্রহীতা ও ক্রেডিট কার্ড গ্রাহক ব্যাংকে তাদের বকেয়া অর্থ নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ করতে সক্ষম হননি। এ ছাড়া অনেক আমানতকারী ডিপোজিট পেনশন স্কিমসহ (ডিপিএস) বিভিন্ন সঞ্চয়ী স্কিমের কিস্তি নির্ধারিত সময়ে জমা দিতে পারেননি। এমন প্রেক্ষাপটে ১৮ থেকে ২৫ জুলাই পর্যন্ত পরিশোধযোগ্য ঋণের বকেয়া অর্থ পরিশোধ, ক্রেডিট কার্ডের বিল এবং ডিপিএসসহ বিভিন্ন সঞ্চয়ী স্কিমের কিস্তি গ্রহণের ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশনা কার্যকর হবে।

আরও বলা হয়েছে, ঋণ এবং ক্রেডিট কার্ডের পরিশোধযোগ্য অর্থ ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে পরিশোধ করা হলে এই বকেয়া অর্থের ওপর কোনো প্রকারের সুদ বা মুনাফা এবং দণ্ড সুদ, অতিরিক্ত সুদ, অতিরিক্ত মুনাফা, বিলম্ব ফি কিংবা জরিমানা (যে নামেই অভিহিত করা হোক না কেন) আদায় বা আরোপ করা যাবে না। ডিপিএসসহ বিভিন্ন সঞ্চয়ী স্কিমের কিস্তি গ্রাহক কর্তৃক ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে পরিশোধ করা হলে এর ওপর কোনো ধরনের বিলম্ব ফি বা জরিমানা আদায়/আরোপ করা যাবে না।

নির্দেশনায় বলা হয়, এই সময়ে কোনো সঞ্চয়ী স্কিমের কিস্তি পরিশোধে গ্রাহক ব্যর্থ হলে তা বন্ধ বা বাতিল করা যাবে না এবং পূর্বঘোষিত হারের তুলনায় কম সুদ অথবা মুনাফা প্রদান করা যাবে না। এ ছাড়া ইতিমধ্যে কোনো ঋণ বা ক্রেডিট কার্ডের ওপর সুদ বা মুনাফা ও দণ্ড সুদ বা বিলম্ব ফি এবং ডিপিএসসহ বিভিন্ন সঞ্চয়ী স্কিমের ওপর কোনো প্রকারের বিলম্ব ফি বা জরিমানা আদায় অথবা আরোপ করা হয়ে থাকলে, তা ফেরত দিতে অথবা সমন্বয় করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, এই সময়ে অনেকে ব্যাংকে টাকা জমা দিতে চাইলেও পরিস্থিতির কারণে পারেননি। ফলে এই সময়ের দায় কোনোভাবে তাঁদের ওপর পড়তে পারে না। এ জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

;

জরুরি পরিস্থিতিতে সেবা নিশ্চিত করেছে নগদ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
নগদের লগো, ছবি: সংগৃহীত

নগদের লগো, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের জরুরি পরিস্থিতিতে প্রায় সব ধরনের আর্থিক সেবা যখন বিঘ্নিত হচ্ছে, তখন একমাত্র নগদ তার গ্রাহকদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করেছে। অধিকাংশ আর্থিক সেবা যখন কাজ বন্ধ রেখেছে, তখন একমাত্র ভরসা হয়ে ছিল নগদ। ইন্টারনেট না থাকায় অ্যাপ কাজ করেনি। কিন্তু *১৬৭# ডায়াল করে বিল পেমেন্ট, মোবাইল রিচার্জ, ক্যাশ-আউট, ক্যাশ-ইনসহ অন্যান্য সকল লেনদেনের সেবা নিয়েছেন কয়েক কোটি গ্রাহক। অন্যদিকে ইন্টারনেট সংযোগ চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অ্যাপের লেনদেন শুরু হয়েছে। সেখানেও স্বাচ্ছন্দ্যে লেনদেন করতে শুরু করেছেন গ্রাহক।

ইন্টারনেট সেবায় বিঘ্ন ঘটায় ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। প্রচলিত ব্যাংকিং সেবা বিঘ্নিত হয়েছে, ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় মোবাইল রিচার্জ করার পদ্ধতিও বন্ধ ছিল। এ অবস্থায় মোবাইল রিচার্জ, বিল পেমেন্ট ও টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছিল নগদ।

মহল্লায় মহল্লায় এ সময়ে নজিরবিহীন দৃশ্য দেখা গেছে। নগদ উদ্যোক্তা পয়েন্টের সামনে দীর্ঘ লাইন ধরে মানুষ ক্যাশ ইন, ক্যাশ আউট এবং বিল পেমেন্টের জন্য অপেক্ষা করেছেন। নগদে ক্যাশ ইন করে সেখান থেকে মোবাইল রিচার্জ করেছেন লোকেরা।

এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও বিশেষ তৎপরতা চালিয়ে প্রয়োজনীয় সকল সেবা চালু রাখতে পেরেছে নগদ। অ্যাপ ছাড়াই ইউএসএসডির মাধ্যমে বিল পেমেন্ট, মোবাইল রিচার্জ, সেন্ড মানিসহ প্রয়োজনীয় সকল সেবা সচল রাখতে দিনরাত নিরলস কাজ করে যাচ্ছে নগদের টেকনোলজি টিম। কারফিউর মধ্যেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই রাতদিন ২৪ ঘণ্টা কাজ করেছে নগদের টেকনোলজি টিমের সদস্যরা। এক মুহূর্তের জন্যও তারা নগদের সেবা বন্ধ হতে দেননি।
যার ফলে এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও নগদের তিন লাখ উদ্যোক্তা পয়েন্ট ছাড়াও শনিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত চারদিনে চার কোটি অ্যাকাউন্ট থেকে কোটি কোটি গ্রাহক নগদের সেবা গ্রহণ করেছেন।

প্রতিকূল সময়েও এক মিনিটের জন্যও যেন গ্রাহকের সেবায় বিঘœ না ঘটে সেটি নিশ্চিত করা হয় বলে জানান, নগদের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর এ মিশুক। তিনি বলেন, “এমন পরিস্থিতিতে গ্রাহকের জরুরি প্রয়োজনে পাশে থাকাটাকেই অগ্রাধিকার দিয়েছিল নগদ। আমরা নিশ্চিত করেছি যে, একটা সেকেন্ডের জন্যও যেন নগদের সেবা বন্ধ না থাকে। কারণ আমরা মানুষকে আতঙ্কের মধ্যে থাকতে দিতে চাইনি। তারা নগদ থেকে মোবাইল রিচার্জ করে ফোনে কথা বলেছেন। বিল পেমেন্ট করে নানান নিত্যদিনের নানান প্রয়োজীয় সেবাকে চালু রেখেছেন। এসব নিশ্চিত করার জন্য আমাদের কর্মীরা নিরলস কাজ করেছেন।”

;

ব্যাংকে গ্রাহকদের উপচেপড়া ভিড়



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
টানা কয়েকদিন বন্ধ থাকার পর চালু হয়েছে ব্যাংকিং সেবা, ছবি: বার্তা২৪.কম

টানা কয়েকদিন বন্ধ থাকার পর চালু হয়েছে ব্যাংকিং সেবা, ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

টানা কয়েকদিন বন্ধ থাকার পর চালু হয়েছে ব্যাংকিং সেবা। কারফিউ জারি শিথিল থাকা অবস্থায় বেলা ১১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত চলছে লেনদেন।

বুধবার (২৪ জুলাই) সকাল থেকেই ব্যাংকগুলোর সামনে দেখা গেছে উপচেপড়া ভিড়। এদিন সকাল সাড়ে ১০টায় ইউনাইটেড কর্মাশিয়াল ব্যাংক লিমিটেড (ইউসিবি) এর ধানমন্ডি শাখার সামনে গ্রাহক ও ব্যাংক স্টাফদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

নতুন ব্যাংকিং আওয়ার শুরু হওয়ার আগেই সাতমসজিদ রোড, মিরপুর রোড়ে অবস্থিত বিভিন্ন ব্যাংকের সামনে ভিড় দেখা গেছে। নিরাপত্তার কারণে গেট খুলে না দেওয়ায় রাস্তার গ্রাহকদের অপেক্ষা করতে দেখা যায়।

কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সারাদেশে কমপ্লিট শাটডাউন (সবকিছু বন্ধ) কর্মসূচির ডাক দেয়। ওই দিন থেকেই ব্যাংকিং সেবা ব্যাহত হতে শুরু করে। এরপর শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় অনেকেই রোববার কর্ম দিবসের অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু তার আগেই পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে সরকার সারাদেশে কারফিউ জারি করে।

এতে করে জরুরি প্রয়োজনে একমাত্র ভরসা ছিল এটিএম বুথ। কিন্তু ইন্টারনেট সেবা বন্ধ থাকা ও সামগ্রিক পরিস্থিতির কারণে সেখানেও হতাশ হতে হয় অনেককে। বেশিরভাগ এটিএম বুথই ছিল সেবার বাইরে। এতে করে মানুষের মধ্যে এক ধরনের উদ্বেগ সৃষ্টি হয়। তাই আজকে সুযোগ পেয়ে ব্যাংক আওয়ার শুরুর আগেই ব্যাংকের সামনে ভিড় করছেন গ্রাহকরা।

;