‘ডিএসই’র এমডি নিয়োগ স্বচ্ছ না হলে মামলা করেন’

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
অধ্যাপক আবুল হাসেম

অধ্যাপক আবুল হাসেম

  • Font increase
  • Font Decrease

কাজী সানাউল হককে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে বুধবার অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

ঠিক একদিন পর বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ সভাতে বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক হয়েছে। কাজী সানাউল হককে এমডি করায় পর্ষদের একটি অংশ ক্ষোভ প্রকাশ করে।

অপরদিকে তাকে এমডি নিয়োগের বিষয়ে সাফাই গেয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবুল হাসেম।

পর্ষদ সভায় চেয়ারম্যান বলেন, স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই ডিএসইর এমডি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যদি কারও মনে হয় এমডি নিয়োগে স্বচ্ছ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি তাহলে তিনি মামলা করতে পারেন।

সানাউল হককে এর আগে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ’র (আইসিবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ছিলেন।

একাধিক পরিচালক বলেন, পর্ষদ সদস্যদের একটি অংশের পাশাপাশি ডিএসইর আরও ২০-২৫ জন সদস্য আজ পর্ষদের কাছে কাজী সানাউল হককে এমডি করায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন। কিন্তু কারও কোন কথা চেয়ারম্যান আমলে নেননি। উল্টো তিনি সানাউলের পক্ষ নিয়েছেন।

তারা জানান, বৈঠকে পরিচালকদের একটি অংশের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় কাজী সানাউল হককে এমডি করার বিষয়ে স্বচ্ছ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। এ বিষয়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।

এর ভিত্তিতে চেয়ারম্যান বলেন, এর আগে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় কে এ এম মাজেদুর রহমানকে এমডি করার জন্য বিএসইসি আবেদন করা হয়েছিল। সেই আবেদন বিএসইসি নাকচ করে দিয়েছেন। এখন সানাউল হকের প্রস্তাব বিএসইসি অনুমোদন দিয়েছেন। যদি এমডি নিয়োগে স্বচ্ছ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করা হয় তাহলে মামলা করেন।

বৈঠক শেষে ডিএসইর একজন পরিচালক বলেন, ডিএসইর এমডি নিয়োগ নিয়ে যা হয়েছে তা পুঁজিবাজারের মোটেই ভালো হয়নি। ডিএসইর জন্য এটি খুবই খারাপ উদাহরণ হয়ে থাকবে। এর জন্য হয় তো পুরো পুঁজিবাজারকেই ভূগতে হতে পারে।

তিনি বলেন, ডিএসইর যে স্বতন্ত্র পরিচালকরা আছেন তাদের মেয়াদ বেশি দিন নেই। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহেই তাদের মেয়াদ শেষ হবে। মেয়াদের শেষ পর্যায়ে তারা বাজারের জন্য ক্ষতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে দিয়ে গেলেন। তাছাড়া বাজার এখন একটি ক্রিটিক্যার অবস্থার মধ্যে রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে একজন স্বচ্ছ ব্যক্তিকে ডিএসইর এমডি করা উচিত ছিল।

পর্ষদ সভা শেষে ডিএসইর কার্যলয়ে সাংবাদিকরা ডিএসইর চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবুল হাসেমের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তিনি পাশকাটিয়ে যান। ব্যস্ততা দেখিয়ে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেননি।

আপনার মতামত লিখুন :