মাধ্যমিকে বার্ষিক পরীক্ষা হচ্ছে না, ৩০ দিনের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রণয়ন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ভার্চুয়াল প্রেস কনফারেন্সে শিক্ষামন্ত্রী ডা.দীপু মনি

ভার্চুয়াল প্রেস কনফারেন্সে শিক্ষামন্ত্রী ডা.দীপু মনি

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে চলতি বছর মাধ্যমিকের বার্ষিক পরীক্ষা হচ্ছে না। সেই সঙ্গে মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের জন্য ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে শেষ করা যায় এমন সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রণয়ন করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

তিনি বলেছেন, এবার মাধ্যমিকে বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না। শিক্ষার্থীদের প্রতি সপ্তাহে একটি অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হবে। এরজন্য একটা অ্যাসাইনমেন্ট আমরা ডিজাইন করা হয়েছে। এক সপ্তাহের মধ্যে সেই অ্যসাইনমেন্ট সম্পন্ন করে শিক্ষার্থীরা জমা দিবেন। খুব দ্রুত এ সিলেবাস শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠানো হবে।

মাধ্যমিকের বার্ষিক পরীক্ষার বিষয়ে বুধবার (২১ অক্টোবর) শিক্ষামন্ত্রী ডা.দীপু মনি ভার্চুয়াল প্রেস কনফারেন্সে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, এবারের যে পরিস্থিতি সেই পরিস্থিতির জন্য কোন পরীক্ষা নয়। এই মূল্যায়নে যাতে শিক্ষার্থীদের কোন চাপ সৃষ্টি না হয় সেটি দেখছি। এটি শুধু আমাদের বুঝার জন্য শিক্ষার্থীদের কোথায় কোথায় দুর্বলতা আছে, তাহলে পরবর্তী ক্লাসে তাদের কিভাবে অতিরিক্ত ক্লাস করানো হবে, বা কিভাবে বোঝাবার চেষ্টা করব সেই ব্যবস্থা নেবো। তবে এবার কোন বার্ষিক পরীক্ষা হচ্ছে না।

তিনি বলেন, আমরা মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের একটি মূল্যায়নের পরিকল্পনা করেছি। এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন অ্যাসাইনমেন্ট দিয়ে মূল্যায়ন করা হবে। এজন্য ৩০ কর্মদিবসে সম্পন্ন করা যায় এমন সিলেবাস প্রণয়ন করেছে এনসিটিবি। আমরা লক্ষ্য রাখছি যাতে তাদের শারিরিক মানসিক ক্ষতি না হয়। এবং শিক্ষার্থীরাও তাদের দুর্বলতাগুলো বুঝতে পারে। শিক্ষার্থীদের পরের ক্লাসে যাওয়ার জন্য যতটুকু জানা প্রয়োজন সেটি বিবেচনায়ই এ সিলেবাস তৈরি করা হয়েছে। এই সিলেবাসের মধ্যেই প্রত্যেক সপ্তাহের জন্য একটি অ্যাসাইমেন্ট ডিজাইন করা হয়েছে।

পরবর্তী ক্লাসে উঠতে এ মূল্যায়ন পদ্ধাতি কোন প্রভাব ফেলবে না বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

এ সময় শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মোঃ মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।