ডিপিএস এসটিএস স্কুলে রান্না বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত



স্টাফ রিপোর্টার, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সরাসরি শ্রেণিকক্ষের পাঠগ্রহণ থেকে দূরে থাকা শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক বিকাশ অব্যাহত রাখতে অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে ডিপিএস এসটিএস স্কুল ঢাকা। রান্নায় পারদর্শী করে তুলতে একটি কর্মশালার উদ্যোগ নিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। ফলে ঘরবন্দি অলস সময়ে একঘেয়ে রুটিন থেকে যেমন স্বস্তি মিলেছে তেমনি রান্নায় দক্ষ হয়ে ওঠেছে শিক্ষার্থীরা।

ভারতের সনদধারী দক্ষ বেকার ও পেস্ট্রি শেফ ঊর্বশী জেইনের অধীনে ‘ডিপিএস এসটিএস বাটার অ্যান্ড বেক’ নামক এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালা চলাকালে বেকিং নিয়ে অংশগ্রহণকারীদের নানা টিপস প্রদান করাসহ বিশেষ চিজকেক রেসিপি দেখানো হয়। স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঘরে বসেই আগ্রহী শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবকেরাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

ডিপিএস এসটিএস স্কুল ঢাকার অধ্যক্ষ মধু ওয়াল জানান, রান্না নিয়ে নতুন নানা নিরীক্ষা করা শিক্ষার্থীদের জন্য আনন্দদায়ক। আর রান্না নিয়ে নানা অভিজ্ঞতা অর্জনে আমাদের হাতের কাছে রসুই ঘরেই সব কিছু আছে। তাই শিক্ষার্থীরা পুরো কর্মশালাই অত্যন্ত আগ্রহের সঙ্গে উপভোগ করেছে। এটি আমাদের জন্য সত্যিই আনন্দদায়ক। এ কর্মশালা তাদের জন্য বাসার ভেতর একঘেয়ে রুটিন থেকে একটু স্বস্তির মতো। এ কর্মশালায় ঊর্বশী জেইনের উপস্থিতির জন্য তার প্রতি কৃতজ্ঞ।

করোনা পরিস্থিতিতেও শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে ডিপিএস এসটিএস স্কুল দূরবর্তী শিক্ষা ও আত্মোন্নয়নের নানা পরিপ্রেক্ষিত নিয়ে গত কয়েক মাস ধরে ধারাবাহিকভাবে ওয়েবিনার এবং অনলাইন কর্মশালা সফলভাবে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আসছে। এর মধ্যে রয়েছে- সেফার ইন্টারনেট ফর চিলড্রেন, এডুকেশন ফর হিউম্যান গ্রেটনেস, ফাইন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট ডিউরিং দ্য প্যান্ডেমিক প্রভৃতি। এর মাধ্যমে শুধু শিক্ষার্থীই নয় অভিভাবদের শিক্ষাগত অভিজ্ঞতার উন্নয়নেও সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।

যশোরে এসএসসিতে অকৃতকার্য ১১ শিক্ষার্থী পেলো জিপিএ-৫



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, যশোর
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যশোর শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি পরীক্ষার পুনঃনিরীক্ষার ফলাফলে অকৃতকার্য হওয়া ১১ শিক্ষার্থী পেয়েছে জিপিএ-৫। শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) এ ফালফল প্রকাশিত হয়।

ফলাফলে উল্লেখ করা হয় এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়া ১ লাখ ৭৮ হাজার ৭৯৫ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৪৩৯ জন। এরমধ্যে পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করে ৬ হাজার ৮৬৩ পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে ৬০ জনের ফলাফল পরিবর্তন হয়েছে।

অকৃতকার্য হওয়া ১১ শিক্ষার্থী পেয়েছে জিপিএ-৫। এছাড়া অকৃতকার্য হওয়া ৪ শিক্ষার্থী পেয়েছে এ গ্রেড, ৮ শিক্ষার্থী পেয়েছে এ মাইনাস, ৮ শিক্ষার্থী বি গ্রেড, ৭ শিক্ষার্থী সি গ্রেড, ২ শিক্ষার্থী পেয়েছে ডি গ্রেড। ডি গ্রেড থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ শিক্ষার্থী।

বি থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ শিক্ষার্থী, বি থেকে এ গ্রেড পেয়েছে ১জন, এ মাইনাস পেয়েছে ৩জন, এ মাইনাস থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে চার জন, এ মাইনাস থেকে এ গ্রেড-৩ জন,এ গ্রেড থেকে জিপিএ- ৫ পেয়েছে ৬ শিক্ষার্থী।

এ ব্যাপারে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মাধব চন্দ্র রুদ্র জানান, অভিজ্ঞ পরীক্ষক দিয়ে খাতা পুনঃনিরীক্ষা করা হয়েছে। আবেদনকৃত শিক্ষার্থীদের যথাযথ মূল্যয়ন হয়েছে।

;

‘২০৪১ সালের মধ্যে দেশের অর্ধেক শিক্ষার্থীকে কারিগরিতে ভর্তি’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। ফাইল ছবি

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

২০৪১ সালের মধ্যে দেশের ৫০ শতাংশ অর্থাৎ অর্ধেক শিক্ষার্থীকে কারিগরি শিক্ষায় যুক্ত করতে সেখানে ভর্তি নিশ্চিত করার পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। শিক্ষিত ডিগ্রিধারীদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে এই কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। এসময় কারিগরি শিক্ষায় এনরোলমেন্ট বৃদ্ধির এই মহাপরিকল্পনা করায় সরকারের ভুয়সী প্রশংসা করেন ইইউ প্রতিনিধি।

ইইউ প্রতিনিধিদের শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতা যাওয়ার আগে ২০০৯ সালে কারিগরিতে এনরোলমেন্ট ছিলো ১ শতাংশ। ক্ষমতায় আসার পর টার্গেট নেয়া হয়েছিল ২০২০ সালের ২০ শতাংশ নিশ্চিত করার। তখন এটাকে উচ্চাভিলাষী মনে করেছিলেন অনেকেই। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে এনরোলমেন্ট হয়েছে ১৭ শতাংশের বেশি। আমরা চাই ২০৪১ সালের মধ্যে কারিগরিত ৫০ শতাংশ এনরোলমেন্ট করতে।

ইইউ প্রতিনিধি দলকে শিক্ষামন্ত্রী জানান, দেশের প্রতিটি উপজেলায় কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করা হচ্ছে। মাইন্ডসেট চেঞ্জ করে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের আগ্রহী করে তুলতে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। অনেকে মনে করে কারিগরিতে কম মেধাবীরা পড়াশোনা করে। তাই মাইন্ডসেট পরিবর্তন করতে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘সারা দেশে ১৬টি শতবর্ষী অনার্স কলেজ রয়েছে। আরও কিছু প্রতিষ্ঠান রয়েছে দেড়শ বছরেরও পুরাতন। এসব প্রতিষ্ঠানগুলোয় অনার্স-মাস্টার্স চালু রেখে অন্যান্য কলেজগুলোতে ডিগ্রি কোর্স করানো হবে। ডিগ্রি কোর্সের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কারিগরি ট্রেড পড়ানো হবে। এতে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। অনেকে মনে করছেন শিক্ষকদের চাকরি থাকবে না। আসলে তা নয়, কর্মরত শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে শিক্ষার্থীদের ট্রেড কোর্স পাড়ানো হবে। শিক্ষার্থীরা ডিগ্রি কলেজগুলোতে পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমাও করতে পারবে।’

শিক্ষামন্ত্রী প্রতিনিধি দলকে জানান, নতুন জাতীয় করিকুলাম করা হচ্ছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে পাইলটিং শুরু হচ্ছে। ২০২৩ সাল থেকে ২৫ সাল পর্যন্ত (মাধ্যমিক) কারিকুলাম বাস্তবায়ন করা হবে।

;

আপাতত বন্ধ হচ্ছে না শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ওমিক্রন ধরনসহ করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় আপাতত বন্ধ হচ্ছে না শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীদের সশরীরে ক্লাসে পাঠদান করানো হবে। রোববার (৯ জানুয়ারি) রাতে কোভিড-১৯ জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীর বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সভা সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে যেভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান করানো হচ্ছে সেভাবে পাঠদান অব্যাহত থাকবে। ওমিক্রন পরিস্থিতি বিস্তার হলেও আপাতত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হবে না।

জানা গেছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রেখে শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিনেশনের প্রতি জোর দেওয়া হবে। যারা টিকা নিয়েছে তারা সশরীরে ক্লাসে উপস্থিত হবে। যারা এখনো টিকা নিতে পারেনি তারা বাসায় বসে অনলাইনে ক্লাসে যুক্ত হবে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় আনা সম্ভব না হলেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে আপাতত তাদের ক্লাস করানো হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে সে ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে।

রোববার রাত সাড়ে ৯টায় এই সভা শুরু হয়। ওমিক্রন পরিস্থিতি নিয়ে দেড় ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এ সময় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সদস্যরা নানা ধরনের পরামর্শ প্রদান করেন। আগামীকাল (সোমবার) বেলা ১১টায় শিক্ষামন্ত্রী প্রেস ব্রিফিং করে বৈঠকের সব সিদ্ধান্ত তুলে ধরবেন বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে।

;

রংপুরে এবারও শীর্ষে ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে এবারও সবচেয়ে বেশি জিপিএ-৫ পেয়ে শীর্ষে রয়েছে ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ। এ বছর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ, রংপুর থেকে ৪৯৪ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪৩১ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। পাসের হার শতভাগ।  

রংপুরের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রংপুর জিলা স্কুল এবারও ভালো ফলাফল করেছে। এ বছর ২৩৭ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৯২ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। পাসের হার শতভাগ।

রংপুর জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক এ আর মিজানুর রহমান বলেন, রংপুর জিলা স্কুলের ভালো ফলাফলে আমরা সন্তুষ্ট।

রংপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৬১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮৬ জন । এর মধ্যে একজনের ফলাফল স্থগিত রয়েছে।

রংপুর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফরিদা পারভিন বলেন, অন্য বছরের মতো এবারও ভালো ফলাফল হয়েছে।

এছাড়া নগরীর দ্য মিলিনিয়াম স্টারস স্কুল ও কলেজ থেকে ১৩৩ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। মোট শিক্ষার্থী  ছিল ১৪৩ জন। 

;