সেরা অনলাইন পারফর্মার হলেন রাজবাড়ীর শাহীন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজবাড়ী
মুহাম্মদ শাহীন আল মাসুদ

মুহাম্মদ শাহীন আল মাসুদ

  • Font increase
  • Font Decrease

শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে করোনাকালীন সময় থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত অনলাইনে পাঠদান অব্যাহত রেখে সারা দেশের মধ্যে সেরা অনলাইন পারফর্মার নির্বাচিত হয়েছেন রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মুহাম্মদ শাহীন আল মাসুদ।

জানা যায়, করোনাকালে তিনি করোনা আক্রান্ত হয়েও বিদ্যালয়ের শিশুদের অনলাইন পাঠদানে যুক্ত রাখার প্রয়াস অব্যাহত রেখেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় শিক্ষকদের সবচেয়ে বড় পোর্টাল শিক্ষক বাতায়ন তাকে এই স্বীকৃতি প্রদান করেছেন। তার এই কর্মস্পৃহা শিক্ষাক্ষেত্রকে
আরো বেগবান ও গতিশীল করবে বলে মনে করছেন শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা।

জানা যায়, মুহাম্মদ শাহীন আল মাসুদ করোনাকালে বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রথম অনলাইন স্কুল “বাংলাদেশ আলোকিত প্রাথমিক শিক্ষক” নিজ উপজেলায় “বালিয়াকান্দি অনলাইন প্রাইমারি স্কুল” এবং “রাজবাড়ী অনলাইন স্কুল”-এর তিনি এডমিন। এছাড়াও তিনি রাজবাড়ী জেলার (ICT4E) এর অ্যাম্বাসেডর হিসেবেও দায়িত্বপালন করছেন।

রাজবাড়ী জেলায় প্রাথমিক শিক্ষকদের মধ্যে তিনি প্রথম সেরা অনলাইন পারফর্মার নির্বাচিত হলেন। এর আগে ২০১৭ সালে মুহাম্মদ শাহীন আল মাসুদ সেরা কন্টেন্ট নির্মাতাও নির্বাচিত হয়েছেন। তার সেরা অনলাইন পারফর্মার নির্বাচিত হওয়ায় রাজবাড়ী জেলা তথা বালিয়াকান্দি উপজেলার শিক্ষক সমাজের গৌরব হিসেবে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বালিয়াকান্দি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চাঁদ সুলতানা বার্তা২৪.কমকে বলেন, আমার এই বিদ্যালয়ের ৭ জন শিক্ষক ডিজিটাল কন্টেন্ট এর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। যার ফলে বিদ্যালয়ে নিয়মিত মাল্টিমিডিয়া ক্লাস হয়ে থাকে। বিদ্যালয়ের আইসিটি শিক্ষক মুহাম্মদ শাহীন আল মাসুদ সেরা অনলাইন পারফর্মার নির্বাচিত হওয়ায় আমরা গর্বিত। আশা করছি ভবিষ্যতে তিনি আরো ভাল করবেন।

জেলা প্রশাসক দিলসাদ বেগমের কাছ থেকে উপজেলা পর্যায়ে সেরা পারফর্মার হিসাবে সম্মাননা সনদ ও ক্রেস্ট নিচ্ছেন শাহীন আল মাসুদ

সেরা অনলাইন পারফর্মার নির্বাচিত হওয়ায় মুহাম্মদ শাহীন আল মাসুদকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির বালিয়াকান্দি উপজেলা শাখার সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস খান টুটুল বার্তা২৪.কমকে বলেন, রাজবাড়ী জেলায় প্রাথমিক শিক্ষকদের মধ্যে তিনি প্রথম সেরা অনলাইন পারফর্মার নির্বাচিত হলেন। এজন্য আমরা খুবই গর্বিত। তার এই সাফল্যের ধারা অব্যাহত থাকুক।

শাহীন আল মাসুদ বার্তা২৪.কমকে বলেন, ২০১২ সালে তৎকালীন উপজেলা শিক্ষা অফিসার মুহাম্মদ খোরশেদ আলম স্যারের নিদের্শে অ্যাডভান্স আইসিটি কোর্সে ১২ দিনের প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করি। প্রশিক্ষণের পরই আমি নিয়মিত শিক্ষক বাতায়নে কনটেন্ট আপলোড, ডাউনলোড করি। এছাড়াও আমি ২০১৪ সাল জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) ময়মনসিংহ এ ইংরেজি বিষয়ে টেস্ট আইটেম ডেভেলপার হিসেবে কাজ করছি।

করোনাকালীন সময়ে আমি নিয়মিত অনলাইনে পাঠদান করেছি। গুগল মিটে ক্লাস নিয়েছি। আমি মনে করেছি যদি একজন শিক্ষার্থীও উপকৃত হয় তাহলেই আমার পরিশ্রম সার্থক। এ সময় তিনি তার অভিব্যক্তি প্রকাশ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (এটুআই) এই পুরস্কার আমার আগামী দিনের কাজকে আরও বেশি উৎসাহ যোগাবে।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী শিক্ষক বাতায়নে ২০২১ সালের মধ্যে ৯ লাখ শিক্ষক অন্তর্ভুক্ত হবেন। ইতিমধ্যে স্কুল, কলেজ ও মাদরাসা মিলিয়ে প্রায় ৬ লাখ শিক্ষক অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। যারা নিয়মিত অনলাইনে ক্লাস নিয়েছেন তাদের ক্লাসগুলো বাতায়নে প্রতিদিন আপলোড হয়ে থাকে। আপলোডকৃত কন্টেন্ট থেকে কনটেন্ট এর মান অনুযায়ী সেরা অনলাইন পারফর্মার নির্বাচন করা হয়।

এসএসসির খাতা মূল্যায়নে ভুল, নিষিদ্ধ ১৯ পরীক্ষক



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, যশোর
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

এসএসসি পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে ভুল করার মাসুল দিতে যাচ্ছে যশোর শিক্ষা বোর্ডের ১৯ পরীক্ষককে। তারা দুই বছর পরীক্ষক হতে পারবে না। এসব পরীক্ষকের ভুলের কারণে ৬০ শিক্ষার্থীর ফলাফল পরিবর্তন করতে হয়েছে। এমনকি ফেল করা শিক্ষার্থীরাও পুনঃমূল্যায়নের পর জিপিএ ৫ পেয়েছে।

তিনটি বিষয়ে পরীক্ষা গ্রহণ ও জেএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে গত ৩০ ডিসেম্বর শিক্ষা বোর্ড এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করে। প্রকাশিত ফলাফলে উল্লেখ করা হয় এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়া ১ লাখ ৭৮ হাজার ৭৯৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৪৩৯ জন।

পাস করা শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে কাঙ্খিত ফলাফল না পাওয়ায় ১২টি বিষয় পুনঃনিরীক্ষার জন্য আবেদন করে ৬ হাজার ৮৬৩ পরীক্ষার্থী। তারা ৩১ জানুয়ারি থেকে ৬ জানুয়ারির মধ্যে আবেদন করে।

আবেদনকারী পরীক্ষার্থীদের মধ্য থেকে থেকে খাতা পুনঃনিরীক্ষা করে শিক্ষা বোর্ড থেকে ৬০ জনের ফলাফল পরিবর্তন করে। এই পরিবর্তনের ফলে অকৃতকার্য হওয়া ৪০ জন পরীক্ষার্থী পাস করেছে। এর মধ্যে ফেল করা থেকে ১১ জন শিক্ষার্থী পেয়েছে জিপিএ-৫।

এছাড়া ৪৯ পরীক্ষার্থী বিভিন্ন গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। এর আগে যেসব পরীক্ষক খাতা দেখায় ভুল করেছিলেন। তাদেরকে দুই বছর পরীক্ষার খাতা দেখা থেকে বিরত রাখা হয়েছে বলে বোর্ডের একটি সূত্র জানিয়েছে।

এ ব্যাপারে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মাধব চন্দ্র রুদ্র জানান, অভিজ্ঞ পরীক্ষক দিয়ে খাতা পুনঃনিরীক্ষা করা হয়েছে। যে সব পরীক্ষক খাতা দেখতে ভুল করেছেন তাদের শান্তির আওতায় আনা হচ্ছে। পরীক্ষা কমিটির সভায় নিয়ম অনুযায়ী তাদের ২ বছর খাতা দেখা থেকে বিরত রাখা হবে।

;

যশোরে এসএসসিতে অকৃতকার্য ১১ শিক্ষার্থী পেলো জিপিএ-৫



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, যশোর
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যশোর শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি পরীক্ষার পুনঃনিরীক্ষার ফলাফলে অকৃতকার্য হওয়া ১১ শিক্ষার্থী পেয়েছে জিপিএ-৫। শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) এ ফালফল প্রকাশিত হয়।

ফলাফলে উল্লেখ করা হয় এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়া ১ লাখ ৭৮ হাজার ৭৯৫ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৪৩৯ জন। এরমধ্যে পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করে ৬ হাজার ৮৬৩ পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে ৬০ জনের ফলাফল পরিবর্তন হয়েছে।

অকৃতকার্য হওয়া ১১ শিক্ষার্থী পেয়েছে জিপিএ-৫। এছাড়া অকৃতকার্য হওয়া ৪ শিক্ষার্থী পেয়েছে এ গ্রেড, ৮ শিক্ষার্থী পেয়েছে এ মাইনাস, ৮ শিক্ষার্থী বি গ্রেড, ৭ শিক্ষার্থী সি গ্রেড, ২ শিক্ষার্থী পেয়েছে ডি গ্রেড। ডি গ্রেড থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ শিক্ষার্থী।

বি থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ শিক্ষার্থী, বি থেকে এ গ্রেড পেয়েছে ১জন, এ মাইনাস পেয়েছে ৩জন, এ মাইনাস থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে চার জন, এ মাইনাস থেকে এ গ্রেড-৩ জন,এ গ্রেড থেকে জিপিএ- ৫ পেয়েছে ৬ শিক্ষার্থী।

এ ব্যাপারে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মাধব চন্দ্র রুদ্র জানান, অভিজ্ঞ পরীক্ষক দিয়ে খাতা পুনঃনিরীক্ষা করা হয়েছে। আবেদনকৃত শিক্ষার্থীদের যথাযথ মূল্যয়ন হয়েছে।

;

‘২০৪১ সালের মধ্যে দেশের অর্ধেক শিক্ষার্থীকে কারিগরিতে ভর্তি’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। ফাইল ছবি

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

২০৪১ সালের মধ্যে দেশের ৫০ শতাংশ অর্থাৎ অর্ধেক শিক্ষার্থীকে কারিগরি শিক্ষায় যুক্ত করতে সেখানে ভর্তি নিশ্চিত করার পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। শিক্ষিত ডিগ্রিধারীদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে এই কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। এসময় কারিগরি শিক্ষায় এনরোলমেন্ট বৃদ্ধির এই মহাপরিকল্পনা করায় সরকারের ভুয়সী প্রশংসা করেন ইইউ প্রতিনিধি।

ইইউ প্রতিনিধিদের শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতা যাওয়ার আগে ২০০৯ সালে কারিগরিতে এনরোলমেন্ট ছিলো ১ শতাংশ। ক্ষমতায় আসার পর টার্গেট নেয়া হয়েছিল ২০২০ সালের ২০ শতাংশ নিশ্চিত করার। তখন এটাকে উচ্চাভিলাষী মনে করেছিলেন অনেকেই। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে এনরোলমেন্ট হয়েছে ১৭ শতাংশের বেশি। আমরা চাই ২০৪১ সালের মধ্যে কারিগরিত ৫০ শতাংশ এনরোলমেন্ট করতে।

ইইউ প্রতিনিধি দলকে শিক্ষামন্ত্রী জানান, দেশের প্রতিটি উপজেলায় কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করা হচ্ছে। মাইন্ডসেট চেঞ্জ করে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের আগ্রহী করে তুলতে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। অনেকে মনে করে কারিগরিতে কম মেধাবীরা পড়াশোনা করে। তাই মাইন্ডসেট পরিবর্তন করতে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘সারা দেশে ১৬টি শতবর্ষী অনার্স কলেজ রয়েছে। আরও কিছু প্রতিষ্ঠান রয়েছে দেড়শ বছরেরও পুরাতন। এসব প্রতিষ্ঠানগুলোয় অনার্স-মাস্টার্স চালু রেখে অন্যান্য কলেজগুলোতে ডিগ্রি কোর্স করানো হবে। ডিগ্রি কোর্সের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কারিগরি ট্রেড পড়ানো হবে। এতে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। অনেকে মনে করছেন শিক্ষকদের চাকরি থাকবে না। আসলে তা নয়, কর্মরত শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে শিক্ষার্থীদের ট্রেড কোর্স পাড়ানো হবে। শিক্ষার্থীরা ডিগ্রি কলেজগুলোতে পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমাও করতে পারবে।’

শিক্ষামন্ত্রী প্রতিনিধি দলকে জানান, নতুন জাতীয় করিকুলাম করা হচ্ছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে পাইলটিং শুরু হচ্ছে। ২০২৩ সাল থেকে ২৫ সাল পর্যন্ত (মাধ্যমিক) কারিকুলাম বাস্তবায়ন করা হবে।

;

আপাতত বন্ধ হচ্ছে না শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ওমিক্রন ধরনসহ করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় আপাতত বন্ধ হচ্ছে না শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীদের সশরীরে ক্লাসে পাঠদান করানো হবে। রোববার (৯ জানুয়ারি) রাতে কোভিড-১৯ জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীর বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সভা সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে যেভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান করানো হচ্ছে সেভাবে পাঠদান অব্যাহত থাকবে। ওমিক্রন পরিস্থিতি বিস্তার হলেও আপাতত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হবে না।

জানা গেছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রেখে শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিনেশনের প্রতি জোর দেওয়া হবে। যারা টিকা নিয়েছে তারা সশরীরে ক্লাসে উপস্থিত হবে। যারা এখনো টিকা নিতে পারেনি তারা বাসায় বসে অনলাইনে ক্লাসে যুক্ত হবে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় আনা সম্ভব না হলেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে আপাতত তাদের ক্লাস করানো হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে সে ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে।

রোববার রাত সাড়ে ৯টায় এই সভা শুরু হয়। ওমিক্রন পরিস্থিতি নিয়ে দেড় ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এ সময় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সদস্যরা নানা ধরনের পরামর্শ প্রদান করেন। আগামীকাল (সোমবার) বেলা ১১টায় শিক্ষামন্ত্রী প্রেস ব্রিফিং করে বৈঠকের সব সিদ্ধান্ত তুলে ধরবেন বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে।

;