প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ: পরীক্ষার্থীদের জন্য ১৯ নির্দেশনা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে প্রথম ধাপের পরীক্ষা হবে আগামী ২২ এপ্রিল। প্রথম ধাপে ২২ জেলায় হবে এ পরীক্ষা। দ্বিতীয় ধাপে ২০ মে এবং তৃতীয় ধাপে ৩ জুন পরীক্ষা হবে। সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে। আবেদনকারীরা নিজ নিজ জেলায় পরীক্ষা দেবেন।

শনিবার (১৬ এপ্রিল) পরীক্ষার্থীদের জন্য ১৯টি নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)।

ডিপিইর দেওয়া নির্দেশনাগুলো হলো-

১. লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য প্রবেশপত্র ও জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে আনতে হবে।

২. পরীক্ষা শুরু হওয়ার এক ঘণ্টা পূর্বে প্রার্থীকে নির্ধারিত আসন গ্রহণ করতে হবে ও পরীক্ষা সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত কক্ষ ত্যাগ করতে পারবেন না।

৩. প্রবেশপত্র ছাড়া কোনো পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হবে না। পরীক্ষা কেন্দ্রে কোনো বই, উত্তরপত্র, নোট বা অন্য কোনো কাগজপত্র, ক্যালকুলেটর, মোবাইল ফোন, ভ্যানিটিব্যাগ, পার্স, হাতঘড়ি ও যে কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস সঙ্গে নিয়ে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। যদি কোনো পরীক্ষার্থী উল্লিখিত দ্রব্যাদি সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করেন, তাহলে তাকে তাৎক্ষণিক বহিষ্কারসহ তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

৪. পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা কক্ষে অবস্থানকালে অবশ্যই উভয় কান উন্মুক্ত রাখতে হবে।

৫. আবেদনপত্রে পরীক্ষার্থীর প্রদত্ত ছবি হাজিরা শীটে থাকবে ও ইনভিজিলেটর এই ছবি দিয়ে পরীক্ষার্থীকে যাচাই করবেন। ভুয়া পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

৬. আবেদনপত্রে প্রার্থীর দেওয়া সইয়ের সঙ্গে পরীক্ষার হাজিরা শিটে ও ওএমআর শিটে দেওয়া সইসহ সব তথ্যে মিল থাকতে হবে।

৭. পরীক্ষার্থীকে উত্তরপত্রে অবশ্যই কালো বলপয়েন্ট কলম ব্যবহার করতে হবে।

৮. একজন পরীক্ষার্থীর জন্য এএমআার ফরমের সেট কোড পূর্বনির্ধারিত থাকবে, পরীক্ষার্থীর জন্য নির্ধারিত ওএমআর ফরমের সেট কোডটি এ প্রবেশপত্রে উল্লেখ করা আছে।

৯. পরীক্ষার হলে যে ওএমআর ফরমটি দেওয়া হবে, সেখানে সেট কোডের ঘরে প্রবেশপত্রে উল্লিখিত কোডটির বিপরীতে বৃত্ত ভরাট করতে হবে।

১০. পরীক্ষায় প্রশ্নপত্রের সেট কোডসমূহ ও ওএমআর ফরমের সেট কোড ভিন্ন হবে। পরীক্ষার্থীর ওএমআার সেট কোডের বিপরীতে কোনো সেট কোডের প্রশ্ন পাবেন তা পরীক্ষা শুরু হওয়ার পাঁচ মিনিট আগে কক্ষ পরিদর্শক জানিয়ে দেবেন। পরীক্ষার্থী সঠিক কোডের প্রশ্নটি পেলেন কি না তা নিয়ে নিশ্চিত হবেন।

১১. প্রবেশপত্রে নির্ধারিত এমআর’র সেট কোড ব্যতীত অন্য সেট কোডে পরীক্ষা দিলে উত্তরটি বাতিল বলে গণ্য হবে।

১২. রোল বা সেট কোডের বৃত্ত পূরণে কোনো ভুল হলে উত্তরপত্রটি বাতিল বলে গণ্য হবে।

১৩. হাজিরা শিটের সঠিক স্থানে পরীক্ষার্থীকে সই করতে হবে ও হাজিরা বৃদ্ধটি পূরণ করতে হবে। তা না হলে উত্তরপত্রটি বাতিল বলে গণ্য হবে।

১৪. ওএমআর ফরমের উপরিভাগের নির্ধারিত সব টেক্সটবক্স নির্দেশনা অনুযায়ী পূরণ করতে হবে, অন্যথায় উদ্ভবপরটি বাতিল বলে গণ্য হবে।

১৫. পরীক্ষা কেন্দ্রের ভেতরে আপনার আসন কোন কক্ষে তার তালিকা টানিয়ে দেওয়া হবে।

১৬. লিখিত পরীক্ষায় বা মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ চাকরির নিশ্চয়তা প্রদান করে না।

১৭. চূড়ান্ত ফলাফলে প্রতিটি উপজেলা/শিক্ষা থানার জন্য নিয়োগযোগ্য মেধাতালিকা ব্যতীত কোনো অপেক্ষমান তালিকা/প্যানেল প্রস্তুত করা হবে না।

১৮. লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বর প্রকাশ করা হবে না।

১৯. পরীক্ষা সব তথ্যাদি অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু ৮ ডিসেম্বর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

উচ্চ মাধ্যমিক বা একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের ভর্তির আবেদন গ্রহণ শুরু ৮ ডিসেম্বর থেকে। চলবে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

এবারও একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে। ভর্তির জন্য কোনো পরীক্ষা হবে না। অনলাইনে হবে ভর্তির কাজটি।

বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি তপন কুমার সরকার এ তথ্য জানান।

তপন কুমার বলেন, আগামী ৮ ডিসেম্বর থেকে একাদশে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হবে। যা চলবে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। শিক্ষার্থীরা সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পছন্দক্রম দিয়ে আবেদন করতে পারবে।

তপন কুমার আরও বলেন, আজ শিক্ষামন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত একাদশে ভর্তি বিষয়ক এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

গত ২৮ নভেম্বর চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ করা হয়। এ পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৮৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ, যা আগের বছর ছিল ৯৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ। এবার সাধারণ নয়টি শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৮৮ দশমিক ১০ শতাংশ। মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৮২ দশমিক ২২ শতাংশ আর কারিগরি শিক্ষাবোর্ডে ৮৯ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

;

মাইলস্টোন কলেজে পাসের হার ৯৯.৮২%



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
মাইলস্টোন কলেজে পাসের হার ৯৯.৮২%

মাইলস্টোন কলেজে পাসের হার ৯৯.৮২%

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রতি বছরের ন্যায় ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে অসাধারণ সাফল্যের ধারা বজায় রেখেছে রাজধানীর উত্তরা মডেল টাউনে অবস্থিত মাইলস্টোন কলেজ।

এবছর মাইলস্টোন কলেজ থেকে বাংলা মাধ্যম ও ইংরেজি ভার্সনে মোট ১৬৭৯ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে এবং পাস করে ১৬৭৬ জন। পাসের হার ৯৯.৮২%। পাসকৃতদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২৫০ জন শিক্ষার্থী। জিপিএ-৫ অর্জনের হার ৭৪.৫৮%।

বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১৪০০ জন শিক্ষার্থী এবং পাস করে ১৩৯৮ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৯৯.৮৬%। পাসকৃতদের মধ্যে জিপিএ-৫ অর্জন করে ১২০৩ জন। জিপিএ-৫ অর্জনের হার ৮৬.০৫%। অন্যদিকে, ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২৭৯ জন এবং পাস করে ২৭৮ জন শিক্ষার্থী। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাসের হার ৯৯.৬৪%। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে জিপিএÑ৫ অর্জন করে ৪৭ জন।

উল্লেখ্য, দেশসেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অন্যতম একটি রাজধানীর উত্তরা মডেল টাউনে অবস্থিত মাইলস্টোন কলেজ। শুরু থেকেই প্রতিষ্ঠানটি এসএসসি, এইচএসসিসহ প্রতিটি পরীক্ষায় নিয়মিতভাবে সেরা ফলাফল অর্জন করে আসছে।

ভালো ফলাফলের ধারা অব্যাহত রাখার ব্যাপারে মাইলস্টোন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. সহিদুল ইসলাম বলেন, প্রত্যাশা মতো ভালো ফলাফল করার ক্ষেত্রের আসল নিয়ামক আমাদের শিক্ষার্থীরা যারা সারাবছর শ্রেণি শিক্ষার ব্যাপারে সচেতন ও পরিশ্রমী। এখানে শিক্ষক শিক্ষিকাগণ যেমন পাঠদানে আন্তরিক তেমনি অভিভাবকদের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ এবং সহায়তামূলক। অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. সহিদুল ইসলামের মতে, মাইলস্টোন কলেজের ভালো ফলাফল শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টার ফসল তাই তিনি সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান এবং আগামীতে আরও ভালো ফলাফল লাভের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

;

রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে স্টাডি গ্রুপ উইক



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে স্টাডি গ্রুপ উইক

রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে স্টাডি গ্রুপ উইক

  • Font increase
  • Font Decrease

মেন্টরস স্টাডি অ্যাব্রোডের আয়োজনে আগামী ১৬-ই নভেম্বর থেকে একুশে নভেম্বর পর্যন্ত রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে স্টাডি গ্রুপ উইক।

উক্ত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণে আগ্রহী শিক্ষার্থীরা ইউএসএ, ইউকে এবং অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন ওয়ার্ল্ড র‌্যাঙ্কিং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি সংক্রান্ত তথ্য, স্কলারশিপ এবং যাবতীয় বিষয় নিয়ে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পাবে।

আয়োজনটি ১৬-১৯ নভেম্বর যথাক্রমে মেন্টরস মৌচাক ব্রাঞ্চ, বনানী ব্রাঞ্চ ও কলাবাগান ব্রাঞ্চে দুপুর ৩টা থেকে এবং ২০ শে নভেম্বর সকাল ১১টায় মিরপুর এবং দুপুর ৩ টা ৩০ মিনিটে মেন্টরস উত্তরা ক্যাম্পাস টু তে আয়োজনটি করা হচ্ছে।

আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য প্রবেশ ফি ফ্রি রাখা হয়েছে।

আরও তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৭১৩২৪৩৪০৯, ০১৭১৩২৪৩৪১৩,
০১৭১৩২৪৩৪২৭, ০১৭১৩২৪৩৪৩৭, ০১৭১৩২৪৩৪১৫

;

শিক্ষা খাতে বাজেটের ২৫ শতাংশ বরাদ্দের দাবি



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় বাজেটে শিক্ষা খাতে ২৫ শতাংশ বরাদ্দ রাখার দাবি জানিয়েছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট। মঙ্গলবার সংগঠনটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে এক ছাত্র সমাবেশে তারা এ দাবি জানায়।

সমাবেশে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মুক্তা বাড়ের সভাপতিত্বে ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শোভন রহমানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি রাজীব কান্তি রায়, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট ঢাকা নগর শাখার সভাপতি অনিক কুমার দাস, কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক সুলতানা আক্তার, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সুস্মিতা মরিয়ম। এসময় সংগঠনের সভাপতি মুক্তা বাড়ৈ অর্থমন্ত্রী বরাবর খোলা চিঠি পেশ করেন।

সমাবেশে ছাত্র নেতারা বলেন, জুন মাসের ৯ তারিখে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট জতীয় সংসদে উত্থাপিত হবে। বিগত বছরগুলোর অভিজ্ঞতা বলে— প্রতিবছরই বাজেটের আকার বৃদ্ধি পেলেও সামরিক খাতের মতো অনুৎপাদনশীল খাতগুলোতে বরাদ্দের পরিমাণ বাড়ছে। এর বিপরীতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষির মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে বরাদ্দ দিন দিন কমছে। শিক্ষা খাতের সঙ্গে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, তথ্য ও যোগাযোগ খাত এবং সামাজিক সুরক্ষা খাতের সঙ্গে সরকারের সুদ, সরকারি কর্মজীবীদের পেনশন ও কৃষিতে ভর্তুকি যোগ করে শিক্ষা খাতে বরাদ্দের পরিমাণ ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে দেখানোর অপচেষ্টা শুরু হয়েছে সাম্প্রতিক সময়ে। দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষা খাতে বাজেটের ২৫ শতাংশ ও জাতীয় আয়ের ৮ শতাংশ বরাদ্দের যে দাবি ছাত্র সমাজ উত্থাপন করে আসছে, তা বরাবরই উপেক্ষিত হচ্ছে।

সংগঠনের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, শিক্ষা খাতে আয় কমিয়ে অভ্যন্তরীণ আয় বৃদ্ধির কথা বলে প্রতিনিয়ত নামে-বেনামে বিভিন্ন ধরনের ফি’র বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে শিক্ষার্থীদের ওপর। ফলে সাধারণ খেটে খাওয়া নিম্নআয়ের মানুষদের জন্য শিক্ষার দ্বার ক্রমশ রুদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শিক্ষাখাতে বরাদ্দের পরিমাণের দিক দিয়ে সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে বাংলাদেশ। নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য শিক্ষার দ্বার ক্রমশ রুদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। পর্যাপ্ত ক্লাসরুম-শিক্ষক নেই, আবাসন ব্যবস্থা ও পরিবহন ব্যবস্থা অপ্রতুল, স্বাস্থ্যসম্মত সাশ্রয়ী খাদ্যের অধিকার থেকে শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছে।

বক্তারা আরো বলেন, সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশীয় অস্ত্র, বন্দুক হাতে ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ ছাত্রদলের ওপর অব্যাহত হামলা চালিয়েছে। ভিন্ন মত ও সংগঠনকে বলপূর্বক দমন করাই আজ তাদের একমাত্র কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই জোর জবরদস্তি ও ভয়ের রাজত্ব ভাঙতে ছাত্র সমাজকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

জাতীয় বাজেটের ২৫ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দ করা এবং শিক্ষা সংকোচন ও বাণিজ্যিকীকরণে শাসক শ্রেণির পরিকল্পনা প্রতিহত করার পাশাপাশি অবিলম্বে সন্ত্রাস-দখলদারিত্বমুক্ত শিক্ষার গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য ছাত্র সমাজকে আহ্বান জানান সংগঠনের নেতারা।

;