শিক্ষকের ভুলে এসএসসি পরীক্ষায় বসতে পারেনি ১৪ পরীক্ষার্থী



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ময়মনসিংহ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানা এলাকার শিক্ষকদের ভুলে প্রবেশপত্র না পেয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি ১৪ শিক্ষার্থী। তবে, ভুল স্বীকার করে যে কোনো শাস্তি মাথা পেতে নিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন শিক্ষকরা।

বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হতে যাওয়া এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে অন্য শিক্ষার্থীদের সাথে ওই ২২ পরীক্ষার্থী ফরম পূরণে ভুল করেন। পরে বুধবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিদ্যালয়ে গিয়ে ওই পরীক্ষার্থীরা জানতে পারেন তাদের প্রবেশপত্র আসেনি।

গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানা এলাকার মুখী পল্লিসেবক বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে। সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হান্নান নিজেই এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এরপর পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের চাপে প্রবেশপত্র আসবে বলে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পরীক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করে। তবে, শেষ পর্যন্ত ২২ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৮ জন প্রবেশপত্র পেয়ে পরীক্ষা অংশ নিয়েছেন। বাকি ১৪ জন পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি।

এমন পরিস্থিতিতে ওই ১৪ জন পরীক্ষার্থী বুধবার গফরগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রবেশপত্র না পাওয়া ২২ শিক্ষার্থী যথাসময়ে তাদের রেজিস্ট্রেশন ফি ও পরে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে ফরম পূরণের টাকা পরিশোধ করেন। সে সময় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের ফরম ফিলাপ হয়েছে বলে তাদরে অবগত করে। কিন্তু বুধবার বিদ্যালয়ে গিয়ে পরীক্ষার্থীরা জানতে পারে তাদের রেলস্টেশনেই হয়নি। ফলে তাদের প্রবেশপত্র আসেনি। যেখানে রেজিস্ট্রেশন হয়নি সেখানে এসএসসি পরীক্ষার ফরম ফিলাপের জন্য কর্তৃপক্ষ কীভাবে টাকা নিলেন এমন প্রশ্ন এখন সবার মনে।

 শিক্ষার্থীরা জানান, রেজিস্ট্রেশন ফি দিয়েছি, তাহলে কেনো আমাদের রেজিস্ট্রেশন হয়নি। আর রেজিস্ট্রেশন না হলে আমাদের কাছ থেকে কর্তৃপক্ষ কেনো ফরম ফিলাপের টাকা নিলেন।

এবিষয়ে পরীক্ষার্থী জিহাদ আল আবিদের বাবা আব্দুল জলিল বলেন, গত মঙ্গলবার বিকালে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানান আপনার ছেলের ফরম ফিলাপ হয়নি। কারণ কারণ হিসেবে আমাকে বলা হয় তার রেজিস্ট্রেশন হয়নি, যে কারণে তার ফরম ফিলাপ হয়নি।

তিনি আরও বলেন, রেজিস্ট্রেশন যদি হয়ে না থাকে তাহলে রেজিস্ট্রেশন ফি কেন নেয়া হয়েছিল। শুধু রেজিস্ট্রেশন ফি নিয়েই কর্তৃপক্ষ ক্ষান্ত দেননি, ফরম ফিলাপের জন্যও ফি নিয়েছেন। শিক্ষার্থীদের সাথে এমন প্রতারণা মেনে নেয়ার মতো নয়। তিনি এই ঘটনায় দায়ীদের শাস্তি দাবি করেন।

শিক্ষার্থী মেঘলা পারভীন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমাদের প্রধান শিক্ষকসহ অন্যরা আমাদের সাথে প্রতারণা করছেন। রেজিস্ট্রেশন ও ফরম পূরণের জন্য ফি নিয়েছেন। এখন বলা হচ্ছে আমাদের রেজিস্ট্রেশনেই হয়নি। তাহলে প্রবেশপত্র আসবে কোথা থেকে। তাদের প্রতারণার কারণে আমাদের জীবন থেকে একটি বছর হারিয়ে যাবে তা মেনে নিতে পারছি না।

এবিষয়ে বিদ্যালয়ের আইসিটি শিক্ষক রেজাউল হক বলেন, ১৪ শিক্ষার্থীয় অংশ না নেয়ার মূল কারণ আমাদের ভুল। আমাদের ভুলের কারণে তারা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি। আমরা অভিভাবক ও শিক্ষার্থীর বুঝানোর চেষ্টা করছি। অনেক অভিভাবক আমাদের বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছেন। যেহেতু ভুল করেছি, যে কোন শাস্তি মেনে নেব।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হান্নান নিজেদের ভুল স্বীকার করে তিনি বলেন, বিদ্যালয়ের আইসিটি শিক্ষক মো. রেজাউল খুবই দক্ষ। কিন্তু রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে এমন ভুল কেমনে করলেন বুঝতে পারছি না। ওই ১৪ শিক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন না হওয়ায় তারা আর পরীক্ষা দিতে পারবে না। বাকি ৮ জনের ছবি ও গ্রুপের ভুল ছিল তা সমাধান হয়ে গেছে। তারা প্রবেশপত্র পেয়ে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। বাকি ১৪ পরীক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন না হওয়ার পরেও ফরম ফিলাপের জন্য কেনো টাকা নেয়া হয়েছে? এমন প্রশ্নে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রথমে ২২ পরীক্ষার্থী প্রবেশপত্র পায়নি বলে জেনেছি। সর্বশেষ জানতে পেরেছি ১৪ জন প্রবেশপত্র পায়নি। তাদের কারোর রেজিস্ট্রেশন ছিল না বলে আমাকে জানানো হয়েছে। এ অবস্থায় কর্তৃপক্ষ ফরম ফিলাপের জন্য কেনো টাকা নিয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শফিকুল ইসলামের মোবাইলে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

   

এ মাসেই ৪৬তম বিসিএস, মানতে হবে যেসব নির্দেশনা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

চলতি মাসের ২৬ তারিখ অনুষ্ঠিত হবে ৪৬তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। ওইদিন ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ কেন্দ্রে একযোগে হবে এ পরীক্ষা।

এ নিয়ে পরীক্ষার্থীদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।

শনিবার (৬ এপ্রিল) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানায় পিএসসি।

এতে বলা হয়েছে, প্রিলিমিনারি পরীক্ষাকেন্দ্রে বইপুস্তক, সব ধরনের ঘড়ি, মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটর, সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস, ব্যাংক বা ক্রেডিট কার্ডসদৃশ কোনো ডিভাইস, গহনা, ব্রেসলেট ও ব্যাগ আনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এসব সামগ্রীসহ কোনো প্রার্থী পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢুকতে পারবেন না।

পরীক্ষাকেন্দ্রের গেটে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট-পুলিশের উপস্থিতিতে প্রবেশপত্র এবং মেটাল ডিটেক্টরের সাহায্যে মোবাইল ফোন, ঘড়ি, ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ নিষিদ্ধসামগ্রী তল্লাশির মধ্যদিয়ে প্রার্থীদের পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢুকতে হবে।

পরীক্ষার দিন উল্লিখিত নিষিদ্ধ সামগ্রী সঙ্গে না আনার জন্য সব প্রার্থীর মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠানো হবে। এসএমএসের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। পরীক্ষার সময় প্রার্থীদের কান খোলা রাখতে হবে। কানে কোনো ধরনের হিয়ারিং এইড ব্যবহারের প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শপত্রসহ আগেই কমিশনের অনুমতি নিতে হবে।

পরীক্ষাকেন্দ্রে কোনো প্রার্থীর কাছে এসব নিষিদ্ধ সামগ্রী পাওয়া গেলে তা বাজেয়াপ্তসহ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বয়স, যোগ্যতা ও সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা ২০১৪-এর বিধিভঙ্গের কারণে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলসহ ভবিষ্যতে কর্ম কমিশনের নিয়োগ পরীক্ষার জন্য ওই প্রার্থী অযোগ্য ঘোষিত হবেন।

২৬ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ২০০ নম্বরের এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার্থীদের সকাল ৯টা ৩০ মিনিটের মধ্যে আসনগ্রহণ করতে হবে। এরপর পরীক্ষাকেন্দ্রের ফটক বন্ধ করে দেওয়া হবে।

;

আন্তর্জাতিক মানব মহাকাশ উড্ডয়ন দিবসে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা



ডেস্ক রিপোর্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আন্তর্জাতিক মানব মহাকাশ ফ্লাইট দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (বিএএ)এর সহযোগিতায় ঢাকায় রাশিয়ান হাউসের উদ্যোগে ঢাকায় ‘ইউরি গ্যাগারিন: দ্য ফার্স্ট ম্যান ইন স্পেস’ শীর্ষক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন অফিস চত্বরে বৃহস্পতিবার এই চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন ঢাকাস্থ রাশিয়ান হাউজের পরিচালক পাভেল দভয়চেনকভ।

চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অতিথিদের সঙ্গে পুরষ্কারপ্রাপ্তরা

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি ইউরি গাগারিনের শৈশব, পেশাগত জীবন এবং তার ঐতিহাসিক মহাকাশ উড্ডয়নের পাশাপাশি রাশিয়ান মহাকাশ কর্মসূচির ইতিহাস এবং বৈজ্ঞানিক কার্যক্রম এবং এই ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী অগ্রগতির উপর তাদের প্রভাব সম্পর্কে কথা বলেন।

চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সরকারি ল্যাবরেটরি হাই স্কুল, স্কলাস্টিকা স্কুলসহ ঢাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।

ছবি আঁকতে ব্যস্ত শিশুরা

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর, ঢাকা এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটারের নির্বাহী সদস্য ছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিযোগিতা শেষে ঢাকায় রাশিয়ান হাউসের পরিচালক বিজয়ীদের মাঝে স্মারক সুভ্যেনির ও সনদপত্র বিতরণ করেন।

;

নাটোরের শ্রুতিকটু ৫৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
নাটোরের শ্রুতিকটু ৫৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন

নাটোরের শ্রুতিকটু ৫৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন

  • Font increase
  • Font Decrease

লেংগুড়িয়া, মাটিকোপা-২, ঠেংগামারা, নেংটাদহ, পাওধোয়াসহ বিভিন্ন রকমের শ্রুতিকটু ও নেতিবাচক নাম থাকায় নাটোরের ৫৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করেছে সরকার।

বুধবার (০৩ এপ্রিল) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করে নাম পরিবর্তনের কথা জানিয়েছে। এতে স্বাক্ষর করেন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ কবির উদ্দীন।

প্রজ্ঞাপনে দেখা যায়, নাটোরের লেংগুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- আনন্দ ভুবন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাটিকোপা-২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- মাতৃছায়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বলদখাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- স্বপ্নসিঁড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাটিকোপা-১ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- অক্ষরমালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মদনহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- শিশু কানন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাটাশকোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- কাঁঠালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খাকসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- বনলতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কচুগাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- মাধবীলতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, থানাইখাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- চকপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, লক্ষ্মীচামারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- লক্ষ্মীনিকেতন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চামটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- পদ্মপুকুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নেংটাদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- শাপলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- পাবনাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাকুপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- জাগরণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

ঠেংগামারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- অঙ্কুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, করমদোষী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- কলমিলতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পোয়ালশুরা পাটপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- ধানসিঁড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দড়িহাঁসমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- তিতাস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পোয়ালশুরা দড়িপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- দড়িপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চামটিয়া ভাটপাড়া সরকারি প্রাথমিকবিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- সবুজছায়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোদাগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- সালামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঢুষপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- আলোর দিশারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

চোষডাংগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- বড়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চিকাদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- আত্রাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাগড়াগাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- দিগন্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চামটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- তিলকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ধনকোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- অপরাজিতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বুড়িরভাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- নয়নতারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মদনহাট পাবনাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- হাসনাহেনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বামনগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- মাধবীলতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোয়ালঘাট বামনগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- অলকানন্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পুরুষোত্তম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- উদয়পদ্ম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাংগালখলসী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- জ্ঞানপ্রদীপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রামশার কাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- আমতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাউয়াটিকরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- পায়রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুঞ্চি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- কাঁঠালবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুস্তা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- পলাশবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুমগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- হৈমন্তী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সিকিচোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- বিলাসী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চামারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- পদ্ম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। 

গুনাইখাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- চন্দ্রমল্লিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভাগনাগরকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- পুষ্পবিথী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পুঠিমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে দৌলনচাপা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভুলবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- কৃষ্ণচূড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পাওধোয়া ত্রিমোহনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- ত্রিমোহনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গুনাইখাড়া পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- শিশু কানন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, থেলকুড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- কুসুমকলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভোগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- ডালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চক লাডুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- মাধবীলতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আগলাডুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- সবুজসাথী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব ভেংড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- ভৈরব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

গুনাইখাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- চন্দ্রমল্লিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভাগনাগরকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- পুষ্পবিথী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পুঠিমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- দৌলনচাপা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভুলবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- কৃষ্ণচূড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পাওধোয়া ত্রিমোহনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- ত্রিমোহনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গুনাইখাড়া পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- শিশু কানন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খেলকুড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- কুসুমকলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভোগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- ডালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চক লাডুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- মাধবীলতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আগলাডুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- সবুজসাথী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব ভেংড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- ভৈরব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

;

শ্রুতিকটু ২৪৭ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

খাসিটানা, পাটাচোরা মতো বিভিন্ন রকমের শ্রুতিকটু ও নেতিবাচক নাম থাকা দেশের ২৪৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করেছে সরকার।

বুধবার (৩ এপ্রিল) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করে নাম পরিবর্তনের কথা জানিয়েছে। এতে স্বাক্ষর করেন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ কবির উদ্দীন।

প্রজ্ঞাপনে দেখা যায়, খুলনার কয়রার খাসিটানা উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে করা হয়েছে উদয়ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা পাটাচোরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে করা হয়েছে ছায়াবিথী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মুন্সিগঞ্জের সিরাজদীখান চোরমর্দ্দন বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নাম জ্ঞানপ্রদীপ চোরমর্দ্দন বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চোরমর্দ্দন বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম জমিদারবাড়ি চোরমর্দ্দন বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নাটোরের লালপুর উপজেলার গোদাগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে সালামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার চোরমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে মাতৃছায়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একই উপজেলার চুলধরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে ফুলছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার ভন্ডগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে বর্ণমালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ এখাবে শ্রুতিকটু ও নেতিবাচক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে

গত বছরের ১৯ জানুয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামকরণ ও বিদ্যমান নাম পরিবর্তন নীতিমালা-২০২৩ জারি করে মন্ত্রণালয়। ওই সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব ফরিদ আহাম্মদ বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে অনেকগুলোর নাম শ্রুতিকটু ও নেতিবাচক ভাবার্থ সম্বলিত। যা শিশুর রুচি, মনন, বোধ ও পরিশীলিতভাবে বেড়ে ওঠার অন্তরায়।

এ জন্য মন্ত্রণালয় এসব বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে সুন্দর, রুচিশীল, শ্রুতিমধুর এবং স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তি, বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ স্থানীয় ইতিহাস, সংস্কৃতির সঙ্গে মানানসই নামকরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশব্যাপী এরকম নেতিবাচক ভাবার্থ সম্বলিত নাম পরিবর্তন করা হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদনের তথ্যমতে, দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে ৬৫ হাজার ৫৬৫ টি। এগুলোয় শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২ কোটি ৫ লাখ ৪৬ হাজার ৯১ জন। শিক্ষক আছেন ৩ লাখ ৬২ হাজার ৭০৯ জন।

;