পর্যবেক্ষকদের ‘ভুলে’ পরীক্ষা শুরু হলো দেরিতে, দাবির মুখে পুনরায় পরীক্ষা



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম ব্যুরো
দায়িত্বে অবহেলা করায় দুই পর্যবেক্ষককে শোকজ

দায়িত্বে অবহেলা করায় দুই পর্যবেক্ষককে শোকজ

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামে এসএসসি পরীক্ষার প্রথমদিনে অপ্রীতিকর পরিস্থিতির শিকার হয়েছে ৪০ জন পরীক্ষার্থী। চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের একটি কক্ষে আধাঘণ্টা দেরিতে প্রশ্নপত্র দেওয়া হলেও উত্তরপত্র নিয়ে নেওয়া হয় ঠিক সময়েই। এর ফলে ওই শিক্ষার্থীরা সব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেনি। পরে এ নিয়ে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা বিষয়টি প্রধান শিক্ষককে জানালে তিনি ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের আধাঘণ্টা সময় বাড়িয়ে দিয়ে পুনরায় পরীক্ষা নেন। দায়িত্ব অবহেলা করায় ওই কক্ষে দায়িত্ব পালন করা দুজন পর্যবেক্ষককে কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এসএসসি পরীক্ষার প্রথমদিন বাংলা প্রথম পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ১০টায় পরীক্ষা শুরুর প্রথমেই শিক্ষার্থীদের বহুনির্বাচনী উত্তরপত্র দেওয়া হয়। এটির জন্য ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ ছিল। বহুনির্বাচনী পরীক্ষা শেষ হতেই পরে সৃজনশীল বা রচনামূলক পরীক্ষা হয়। দুটি পরীক্ষার মাঝখানে কোনো বিরতি না থাকলেও কলেজিয়েট স্কুলের ওই কক্ষে দুজন পর্যবেক্ষক বহুনির্বাচনী পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীদের রচনামূলক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সরবরাহ করেননি। এভাবে এক-দু মিনিট করে গড়িয়ে যায় ৩২ মিনিট। শিক্ষার্থীরা বারবার তাদের কাছে জানতে চাইলেও তারা চুপ থাকেন। পরে পাশের আরেকটি কক্ষে গিয়ে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা দিতে দেখে বেলা ১১টা ২ মিনিটে শিক্ষার্থীদের রচনামূলক প্রশ্নপত্র সরবরাহ করলেও আবার ঠিক বেলা ১টায় উত্তরপত্র নিয়ে ফেলেন। আধাঘণ্টা দেরিতে পরীক্ষা শুরু হলেও ঠিক সময়ে নিয়ে ফেলায় অনেক শিক্ষার্থীই সব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেনি।

পরে পরীক্ষার হল থেকে বেরিয়ে শিক্ষার্থীরা বিষয়টি তাদের অভিভাবকদের জানালে সবাই চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলামের দপ্তরে যান। প্রধান শিক্ষক ওই কক্ষে পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পালন করা একই স্কুলের শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ এবং আলকরণ নূর আহমদ সিটি কর্পোরেশন উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক রেজাউল করিমকে ডেকে পাঠান। তখন ওই দুই পর্যবেক্ষক আধাঘণ্টা দেরিতে রচনামূলকের প্রশ্নপত্র সরবরাহ করার বিষয়টি স্বীকার করেন। এরপর প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের আধাঘণ্টা সময় বাড়িয়ে দিয়ে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করেন।

জানতে চাইলে কলেজিয়েট স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আমার কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে ১ হাজার ৩১৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১ হাজার ৩০৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। এত পরীক্ষার্থীর মধ্যেও অন্য কোনো কক্ষে সমস্যা হয়নি। শুধু একটি কক্ষে দুই পর্যবেক্ষকের ভুলে ৪০ জন পরীক্ষার্থীকে দেরিতে প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়। আমি বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে ওই শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন যাতে কোনো ব্যাঘাত না ঘটে সেই উদ্যোগ নিই। তাদের আধাঘণ্টা সময় বাড়িয়ে দিই। তারা ঠিকঠাকভাবে পরীক্ষা শেষ করেন।’

দুই পর্যবেক্ষকের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এমন প্রশ্নে মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমি ঠিক সময়ে প্রশ্নপত্র সরবরাহ করেছি, ঠিক সময়ে বেলও বাজানো হয়েছে। একই বেলে যদি পুরো কেন্দ্র চলে তাহলে একটি কক্ষে কেন সমস্যা হবে? ওই দুই শিক্ষককে তাৎক্ষণিকভাবে শোকজ করা হয়েছে। শোকজের জবাব দেওয়ার পরপরই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

কেন দেরিতে প্রশ্নপত্র সরবরাহ করেছেন সেটি জানতে চাইলে আবুল কালাম আজাদ এবং রেজাউল করিম বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আমরা মনে করেছি রচনামূলক প্রশ্নপত্র দেওয়ার আগে ঘণ্টা দেওয়া হবে। সেটির জন্য আমরা অপেক্ষা করছিলাম। ঘণ্টা কেন পড়ছে না সেটি জানতে পাশের রুমে গিয়ে দেখি পরীক্ষা চলছে। তখন আমরা প্রশ্নপত্র দিয়ে দিই। আমরা জানতাম না যে মাঝখানে ঘণ্টা দেওয়া হয় না। এই কারণে প্রশ্নপত্র দিতে একটু দেরি হয়ে যায়।’

পুনরায় ৩০ মিনিট সময় বাড়িয়ে দেওয়া হলেও এমন অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের অনেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। তাদের অবস্থা দেখে অভিভাবকদের কেউ কেউ কান্নাকাটি করতে থাকেন।

আকতার হোসেন নামের একজন অভিভাবক বলেন, ‘এটা শিক্ষার্থীদের প্রথম পরীক্ষা ছিল। প্রথম দিনেই তারা এমন অপ্রীতিকর পরিস্থিতির শিকার হলো, যেটার আঘাত বাকি পরীক্ষাগুলোতেও পড়তে পারে। প্রধান শিক্ষক মহোদয় যথেষ্ট আন্তরিকতা দেখিয়েছেন। পুরো ভুলটা মূলত দুই পর্যবেক্ষকের। শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।’

ওই কক্ষে হাজী মুহাম্মদ মহসিন সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের ২০ জন এবং মেরন সান স্কুলের ২০ জন শিক্ষার্থী ছিল। অভিভাবকেরা জানিয়েছেন পরেরবার পরীক্ষা নেওয়ার সময় ৩৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। বাকি একজন চলে গিয়েছিল। তবে প্রধান শিক্ষক জানিয়েছেন সব শিক্ষার্থীই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল।

 

 

   

এ মাসেই ৪৬তম বিসিএস, মানতে হবে যেসব নির্দেশনা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

চলতি মাসের ২৬ তারিখ অনুষ্ঠিত হবে ৪৬তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। ওইদিন ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ কেন্দ্রে একযোগে হবে এ পরীক্ষা।

এ নিয়ে পরীক্ষার্থীদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।

শনিবার (৬ এপ্রিল) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানায় পিএসসি।

এতে বলা হয়েছে, প্রিলিমিনারি পরীক্ষাকেন্দ্রে বইপুস্তক, সব ধরনের ঘড়ি, মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটর, সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস, ব্যাংক বা ক্রেডিট কার্ডসদৃশ কোনো ডিভাইস, গহনা, ব্রেসলেট ও ব্যাগ আনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এসব সামগ্রীসহ কোনো প্রার্থী পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢুকতে পারবেন না।

পরীক্ষাকেন্দ্রের গেটে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট-পুলিশের উপস্থিতিতে প্রবেশপত্র এবং মেটাল ডিটেক্টরের সাহায্যে মোবাইল ফোন, ঘড়ি, ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ নিষিদ্ধসামগ্রী তল্লাশির মধ্যদিয়ে প্রার্থীদের পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢুকতে হবে।

পরীক্ষার দিন উল্লিখিত নিষিদ্ধ সামগ্রী সঙ্গে না আনার জন্য সব প্রার্থীর মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠানো হবে। এসএমএসের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। পরীক্ষার সময় প্রার্থীদের কান খোলা রাখতে হবে। কানে কোনো ধরনের হিয়ারিং এইড ব্যবহারের প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শপত্রসহ আগেই কমিশনের অনুমতি নিতে হবে।

পরীক্ষাকেন্দ্রে কোনো প্রার্থীর কাছে এসব নিষিদ্ধ সামগ্রী পাওয়া গেলে তা বাজেয়াপ্তসহ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বয়স, যোগ্যতা ও সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা ২০১৪-এর বিধিভঙ্গের কারণে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলসহ ভবিষ্যতে কর্ম কমিশনের নিয়োগ পরীক্ষার জন্য ওই প্রার্থী অযোগ্য ঘোষিত হবেন।

২৬ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ২০০ নম্বরের এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার্থীদের সকাল ৯টা ৩০ মিনিটের মধ্যে আসনগ্রহণ করতে হবে। এরপর পরীক্ষাকেন্দ্রের ফটক বন্ধ করে দেওয়া হবে।

;

আন্তর্জাতিক মানব মহাকাশ উড্ডয়ন দিবসে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা



ডেস্ক রিপোর্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আন্তর্জাতিক মানব মহাকাশ ফ্লাইট দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (বিএএ)এর সহযোগিতায় ঢাকায় রাশিয়ান হাউসের উদ্যোগে ঢাকায় ‘ইউরি গ্যাগারিন: দ্য ফার্স্ট ম্যান ইন স্পেস’ শীর্ষক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন অফিস চত্বরে বৃহস্পতিবার এই চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন ঢাকাস্থ রাশিয়ান হাউজের পরিচালক পাভেল দভয়চেনকভ।

চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অতিথিদের সঙ্গে পুরষ্কারপ্রাপ্তরা

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি ইউরি গাগারিনের শৈশব, পেশাগত জীবন এবং তার ঐতিহাসিক মহাকাশ উড্ডয়নের পাশাপাশি রাশিয়ান মহাকাশ কর্মসূচির ইতিহাস এবং বৈজ্ঞানিক কার্যক্রম এবং এই ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী অগ্রগতির উপর তাদের প্রভাব সম্পর্কে কথা বলেন।

চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সরকারি ল্যাবরেটরি হাই স্কুল, স্কলাস্টিকা স্কুলসহ ঢাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।

ছবি আঁকতে ব্যস্ত শিশুরা

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর, ঢাকা এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটারের নির্বাহী সদস্য ছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিযোগিতা শেষে ঢাকায় রাশিয়ান হাউসের পরিচালক বিজয়ীদের মাঝে স্মারক সুভ্যেনির ও সনদপত্র বিতরণ করেন।

;

নাটোরের শ্রুতিকটু ৫৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
নাটোরের শ্রুতিকটু ৫৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন

নাটোরের শ্রুতিকটু ৫৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন

  • Font increase
  • Font Decrease

লেংগুড়িয়া, মাটিকোপা-২, ঠেংগামারা, নেংটাদহ, পাওধোয়াসহ বিভিন্ন রকমের শ্রুতিকটু ও নেতিবাচক নাম থাকায় নাটোরের ৫৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করেছে সরকার।

বুধবার (০৩ এপ্রিল) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করে নাম পরিবর্তনের কথা জানিয়েছে। এতে স্বাক্ষর করেন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ কবির উদ্দীন।

প্রজ্ঞাপনে দেখা যায়, নাটোরের লেংগুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- আনন্দ ভুবন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাটিকোপা-২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- মাতৃছায়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বলদখাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- স্বপ্নসিঁড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাটিকোপা-১ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- অক্ষরমালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মদনহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- শিশু কানন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাটাশকোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- কাঁঠালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খাকসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- বনলতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কচুগাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- মাধবীলতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, থানাইখাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- চকপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, লক্ষ্মীচামারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- লক্ষ্মীনিকেতন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চামটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- পদ্মপুকুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নেংটাদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- শাপলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- পাবনাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাকুপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- জাগরণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

ঠেংগামারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- অঙ্কুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, করমদোষী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- কলমিলতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পোয়ালশুরা পাটপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- ধানসিঁড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দড়িহাঁসমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- তিতাস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পোয়ালশুরা দড়িপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- দড়িপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চামটিয়া ভাটপাড়া সরকারি প্রাথমিকবিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- সবুজছায়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোদাগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- সালামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঢুষপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- আলোর দিশারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

চোষডাংগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- বড়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চিকাদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- আত্রাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাগড়াগাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- দিগন্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চামটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- তিলকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ধনকোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- অপরাজিতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বুড়িরভাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- নয়নতারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মদনহাট পাবনাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- হাসনাহেনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বামনগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- মাধবীলতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোয়ালঘাট বামনগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- অলকানন্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পুরুষোত্তম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- উদয়পদ্ম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাংগালখলসী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- জ্ঞানপ্রদীপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রামশার কাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- আমতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাউয়াটিকরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- পায়রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুঞ্চি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- কাঁঠালবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুস্তা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- পলাশবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুমগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- হৈমন্তী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সিকিচোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- বিলাসী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চামারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- পদ্ম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। 

গুনাইখাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- চন্দ্রমল্লিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভাগনাগরকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- পুষ্পবিথী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পুঠিমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে দৌলনচাপা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভুলবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- কৃষ্ণচূড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পাওধোয়া ত্রিমোহনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- ত্রিমোহনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গুনাইখাড়া পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- শিশু কানন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, থেলকুড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- কুসুমকলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভোগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- ডালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চক লাডুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- মাধবীলতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আগলাডুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- সবুজসাথী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব ভেংড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- ভৈরব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

গুনাইখাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- চন্দ্রমল্লিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভাগনাগরকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- পুষ্পবিথী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পুঠিমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- দৌলনচাপা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভুলবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- কৃষ্ণচূড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পাওধোয়া ত্রিমোহনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- ত্রিমোহনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গুনাইখাড়া পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- শিশু কানন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খেলকুড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- কুসুমকলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভোগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- ডালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চক লাডুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- মাধবীলতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আগলাডুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- সবুজসাথী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব ভেংড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে- ভৈরব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

;

শ্রুতিকটু ২৪৭ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

খাসিটানা, পাটাচোরা মতো বিভিন্ন রকমের শ্রুতিকটু ও নেতিবাচক নাম থাকা দেশের ২৪৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করেছে সরকার।

বুধবার (৩ এপ্রিল) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করে নাম পরিবর্তনের কথা জানিয়েছে। এতে স্বাক্ষর করেন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ কবির উদ্দীন।

প্রজ্ঞাপনে দেখা যায়, খুলনার কয়রার খাসিটানা উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে করা হয়েছে উদয়ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা পাটাচোরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে করা হয়েছে ছায়াবিথী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মুন্সিগঞ্জের সিরাজদীখান চোরমর্দ্দন বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নাম জ্ঞানপ্রদীপ চোরমর্দ্দন বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চোরমর্দ্দন বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম জমিদারবাড়ি চোরমর্দ্দন বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নাটোরের লালপুর উপজেলার গোদাগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে সালামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার চোরমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে মাতৃছায়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একই উপজেলার চুলধরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে ফুলছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার ভন্ডগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে বর্ণমালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ এখাবে শ্রুতিকটু ও নেতিবাচক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে

গত বছরের ১৯ জানুয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামকরণ ও বিদ্যমান নাম পরিবর্তন নীতিমালা-২০২৩ জারি করে মন্ত্রণালয়। ওই সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব ফরিদ আহাম্মদ বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে অনেকগুলোর নাম শ্রুতিকটু ও নেতিবাচক ভাবার্থ সম্বলিত। যা শিশুর রুচি, মনন, বোধ ও পরিশীলিতভাবে বেড়ে ওঠার অন্তরায়।

এ জন্য মন্ত্রণালয় এসব বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে সুন্দর, রুচিশীল, শ্রুতিমধুর এবং স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তি, বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ স্থানীয় ইতিহাস, সংস্কৃতির সঙ্গে মানানসই নামকরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশব্যাপী এরকম নেতিবাচক ভাবার্থ সম্বলিত নাম পরিবর্তন করা হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদনের তথ্যমতে, দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে ৬৫ হাজার ৫৬৫ টি। এগুলোয় শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২ কোটি ৫ লাখ ৪৬ হাজার ৯১ জন। শিক্ষক আছেন ৩ লাখ ৬২ হাজার ৭০৯ জন।

;