২৫ অক্টোবর থেকে বন্ধ থাকবে কোচিং সেন্টার

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, ঢাকা
জেএসসি পরীক্ষা উপলক্ষে গঠিত জাতীয় মনিটরিং এবং আইন-শৃঙ্খলা কমিটি বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি | ছবি: শাহরিয়ার তামিম

জেএসসি পরীক্ষা উপলক্ষে গঠিত জাতীয় মনিটরিং এবং আইন-শৃঙ্খলা কমিটি বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি | ছবি: শাহরিয়ার তামিম

  • Font increase
  • Font Decrease

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, আসন্ন জেএসসি পরীক্ষা-২০১৯ সামনে রেখে আগামী ২৫ অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত সব পর্যায়ের সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে।

রোববার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর সেগুন বাগিচায় জেএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু, নকলমুক্ত ও ইতিবাচক পরিবেশে সম্পন্নের লক্ষ্যে গঠিত জাতীয় মনিটরিং এবং আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মিটিং শেষে এ কথা জানান তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু বলেন, জেএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর ও নকলমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, কোচিং বন্ধ থাকার ফলে হয়তো অন্যান্য শিক্ষার্থীদের কিছুটা সমস্যা হতে পারে। যেহেতু আমরা কোচিং ব্যবসার লাগাম পুরোপুরি টেনে ধরতে পারিনি তাই সাময়িক বন্ধ রাখতে হচ্ছে। একই সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে কোন অপরাধীচক্র যেন প্রশ্নফাঁস করতে না পারে সে ব্যাপারে আমাদের তীক্ষ্ণ গোয়েন্দা নজরদারি রয়েছে এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অত্যন্ত সতর্কতার সাথে কাজ করছে।

অভিভাবকদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কোনভাবে অনৈতিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে অভিভাবকরা যুক্ত হবেন না। কারণ, আপনাদে সন্তানের ভবিষ্যৎ এটার ওপরে নির্ভর করে। প্রশ্নফাঁসের ব্যাপারে সরকারের তরফ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে।

প্রশ্নফাঁসকারীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে দীপু মনি বলেন, প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।

জেএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার আশা ব্যক্ত করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এবং সবার সহযোগিতায় যেমন এ বছর এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষা প্রশ্নফাঁস ও নকলমুক্তভাবে নিতে পেরেছি, ঠিক একইভাবে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা সম্পন্ন করতে পারব।


জেএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো হলো-
জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট পূর্বে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে।

অনিবার্য কারণে কোন শিক্ষার্থী দেরি করে কেন্দ্রে গেলে রেজিস্ট্রারে নাম, ক্রমিক নম্বর ও বিলম্বের কারণ উল্লেখ করতে হবে। বিলম্বে আসা পরীক্ষার্থীদের তালিকা অবশ্যই সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র সচিবকে জানাতে হবে।

কেন্দ্র সচিব ছাড়া অন্য কোনও ব্যক্তি/পর্রীক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে এবং ব্যবহার করতে পারবেন না।

ট্রেজারি বা নিরাপত্তা হেফাজত থেকে পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে প্রশ্নের সব সেটই নিতে হবে। সেট কোড পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে জানিয়ে দেওয়া হবে।

নির্বাহী কর্মকর্তা বা ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতি ছাড়া প্রশ্ন বের করা যাবে না।

এছাড়া পরীক্ষার কেন্দ্রে পরীক্ষা চলাকালে ও এর আগে বা পরে পরীক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ছাড়া অন্যদের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

আপনার মতামত লিখুন :