বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে পরীক্ষা-ভর্তি বন্ধের সিদ্ধান্ত বহাল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
লোগো

লোগো

  • Font increase
  • Font Decrease

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে পরীক্ষা গ্ৰহণ, মূল্যায়ন ও ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ইউজিসির জনসংযোগ ও তথ্য অধিকার বিভাগের পরিচালক ড. শামসুল আরেফিনের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নভেল করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাব বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলে বিস্তার লাভ করেছে। ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জসহ দেশের ২৭টি জেলাকে এরইমধ্যে লকডাউন করা হয়েছে। দেশের সব শ্রেণি ও পেশার জনগণকে বাড়িতে সঙ্গরোধে থাকার বিষয়টি সরকার কর্তৃক বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ঢাকার সঙ্গে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের সব ধরনের যোগাযোগ সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শ্রেণির ক্লাস ও পরীক্ষা গ্রহণ এবং মূল্যায়নসহ সকল শিক্ষা কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য এরইমধ্যে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

এ অবস্থায় বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অনলাইনে পরীক্ষা গ্রহণ, মূল্যায়ন ও শিক্ষার্থী ভর্তির কার্যক্রম বন্ধ রাখতে ইউজিসির আহ্বান পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে।

উদ্ভূত পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটলে কমিশন কর্তৃক বর্ণিত বিষয়ে পরবর্তীতে পরামর্শ/নির্দেশনা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রেরণ করা হবে। নভেল করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ও ব্যাপক বিস্তার রোধকল্পে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও সরকার কর্তৃক জারিকৃত নির্দেশনা যথাযথভাবে প্রতিপালন ও অনুসরণ করার জন্য উচ্চশিক্ষা পরিবারের সকলকে পুনরায় অনুরোধ জানানো হলো।

শিক্ষা খাতে বাজেটের ২৫ শতাংশ বরাদ্দের দাবি



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় বাজেটে শিক্ষা খাতে ২৫ শতাংশ বরাদ্দ রাখার দাবি জানিয়েছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট। মঙ্গলবার সংগঠনটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে এক ছাত্র সমাবেশে তারা এ দাবি জানায়।

সমাবেশে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মুক্তা বাড়ের সভাপতিত্বে ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শোভন রহমানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি রাজীব কান্তি রায়, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট ঢাকা নগর শাখার সভাপতি অনিক কুমার দাস, কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক সুলতানা আক্তার, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সুস্মিতা মরিয়ম। এসময় সংগঠনের সভাপতি মুক্তা বাড়ৈ অর্থমন্ত্রী বরাবর খোলা চিঠি পেশ করেন।

সমাবেশে ছাত্র নেতারা বলেন, জুন মাসের ৯ তারিখে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট জতীয় সংসদে উত্থাপিত হবে। বিগত বছরগুলোর অভিজ্ঞতা বলে— প্রতিবছরই বাজেটের আকার বৃদ্ধি পেলেও সামরিক খাতের মতো অনুৎপাদনশীল খাতগুলোতে বরাদ্দের পরিমাণ বাড়ছে। এর বিপরীতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষির মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে বরাদ্দ দিন দিন কমছে। শিক্ষা খাতের সঙ্গে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, তথ্য ও যোগাযোগ খাত এবং সামাজিক সুরক্ষা খাতের সঙ্গে সরকারের সুদ, সরকারি কর্মজীবীদের পেনশন ও কৃষিতে ভর্তুকি যোগ করে শিক্ষা খাতে বরাদ্দের পরিমাণ ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে দেখানোর অপচেষ্টা শুরু হয়েছে সাম্প্রতিক সময়ে। দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষা খাতে বাজেটের ২৫ শতাংশ ও জাতীয় আয়ের ৮ শতাংশ বরাদ্দের যে দাবি ছাত্র সমাজ উত্থাপন করে আসছে, তা বরাবরই উপেক্ষিত হচ্ছে।

সংগঠনের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, শিক্ষা খাতে আয় কমিয়ে অভ্যন্তরীণ আয় বৃদ্ধির কথা বলে প্রতিনিয়ত নামে-বেনামে বিভিন্ন ধরনের ফি’র বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে শিক্ষার্থীদের ওপর। ফলে সাধারণ খেটে খাওয়া নিম্নআয়ের মানুষদের জন্য শিক্ষার দ্বার ক্রমশ রুদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শিক্ষাখাতে বরাদ্দের পরিমাণের দিক দিয়ে সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে বাংলাদেশ। নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য শিক্ষার দ্বার ক্রমশ রুদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। পর্যাপ্ত ক্লাসরুম-শিক্ষক নেই, আবাসন ব্যবস্থা ও পরিবহন ব্যবস্থা অপ্রতুল, স্বাস্থ্যসম্মত সাশ্রয়ী খাদ্যের অধিকার থেকে শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছে।

বক্তারা আরো বলেন, সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশীয় অস্ত্র, বন্দুক হাতে ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ ছাত্রদলের ওপর অব্যাহত হামলা চালিয়েছে। ভিন্ন মত ও সংগঠনকে বলপূর্বক দমন করাই আজ তাদের একমাত্র কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই জোর জবরদস্তি ও ভয়ের রাজত্ব ভাঙতে ছাত্র সমাজকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

জাতীয় বাজেটের ২৫ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দ করা এবং শিক্ষা সংকোচন ও বাণিজ্যিকীকরণে শাসক শ্রেণির পরিকল্পনা প্রতিহত করার পাশাপাশি অবিলম্বে সন্ত্রাস-দখলদারিত্বমুক্ত শিক্ষার গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য ছাত্র সমাজকে আহ্বান জানান সংগঠনের নেতারা।

;

মির্জা নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহীর মির্জা নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছেন। অতিরিক্ত ফি আদায়ের প্রতিবাদ এবং ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস করানোর দাবিতে নগরীর তেরোখাদিয়া স্টেডিয়াম মোড়ে বেসরকারি এই কলেজের সামনে শনিবার (২৮ মে) সকাল ১০টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। এতে বিএসসি ইন নার্সিংয়ের চারটি ব্যাচের প্রায় ১৫০ শিক্ষার্থী অংশ নেন।

শিক্ষার্থীরা জানান, অন্যান্য কলেজে ফরম পূরণের ফি সর্বোচ্চ আড়াই হাজার টাকা। কিন্তু তাদের কলেজে ফি পাঁচ হাজার। নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে ফি আদায় করছে। এছাড়া নিজস্ব হাসপাতাল না থাকায় তাদের ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস করা হয় না। এতে তারা প্র্যাকটিক্যাল শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই তাদের এ কর্মসূচি।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে মির্জা নার্সিং কলেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মির্জা ফারুক অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, মূলত ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস করানো যাচ্ছে না বলে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছেন। এটা দ্রুত করতে আমরা চেষ্টা করছি।

;

শিক্ষাব্যবস্থাকে ডিজিটালাইজড করার প্রকল্পে অনিয়ম



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ডিজিটালাইজড করার সবচেয়ে সম্ভাবনাময় প্রকল্প নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) একটি প্রকল্পে সরকারের সুস্পষ্ট নির্দেশনা এড়িয়ে নির্দিষ্ট একটি প্রতিষ্ঠানকে সুযোগ দিয়ে টেন্ডার দেয়া হয়েছে।

২৩ বছরের পুরনো ডস বেইস সফটওয়্যার দিয়ে চলছে দেশের শিক্ষাবোর্ডের সামগ্রিক কার্যক্রম। এ অবস্থার উত্তরণের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইন্টিগ্রেটেড এডুকেশনাল ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (আইইআইএমএস) শীর্ষক যুগোপযোগী এক উদ্যোগ গ্রহণ করে। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে শিক্ষার্থীদের ভর্তি, রেজিস্ট্রেশন, পরীক্ষার ফলাফলসহ সকল তথ্য সরকারের নিরাপদ তথ্য ভান্ডারে সুরক্ষিত থাকবে। এ প্রকল্পের মেয়াদ জুলাই ২০১৮ থেকে জুন ২০২২ পর্যন্ত। এখন মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৩ পর্যন্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) দেশের ১১ টি শিক্ষাবোর্ডের জন্য ইন্টিগ্রেটেড এডুকেশনাল ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (আইইআইএমএস) প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সার্ভার, রাউটার, ফায়ারওয়াল, কানেক্টিভিটি সুইচ, র‌্যাক, ইউপিএস, এভিআর, ডিজেল জেনারেটর, ইলেক্ট্রিক ও সিভিল ওয়ার্ক প্রভৃতি ক্রয়ের জন্য গত ০৬ এবং ০৭ এপ্রিল দু’টি পৃথক দরপত্র প্রকাশ করে।

তবে, অভিযোগ উঠেছে এ প্রকল্প বাস্তবায়নে যে টেন্ডার প্রকাশ করা হয়েছে তা কোনভাবেই সার্বজনীন নয়। বিশেষ করে, নেটওয়ার্কিং পণ্য যেমন: রাউটার, সুইচ ফায়ারওয়াল ও অন্যান্য নিরাপত্তা সামগ্রী ক্রয়ের ক্ষেত্রে সুযোগ দেয়া হয়েছে কেবল একটি মাত্র নির্দিষ্ট ব্র্যান্ড ও তাদের নির্দিষ্ট মডেলের পণ্যকে। একপেশে এই টেন্ডারের নথিতে সেই কোম্পানি বাদে অন্য কোন প্রতিষ্ঠান এই প্রকল্পে অংশ নিতে পারবে না। অন্যদিকে, সরকারের পাবলিক প্রকিউরমেন্ট-২০০৬ ধারা ১৫(১) এবং পিপিআর ২০০৮ নিয়ম ২৯, অনুযায়ী সিপিটিইউ (সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিট) দ্বারা অনুমোদিত যে, কোন ক্রেতা এমন কোন স্পেসিফিকেশন প্রস্তুত করতে পারবে না যেখানে কোন নির্দিষ্ট ওইএম (OEM) এর ট্রেডমার্ক, পেটেন্ট বা নকশা থাকে বা উৎপত্তির দেশ বা উৎপাদনের ধারায় দেশের নাম উল্লেখ করতে পারবে না। কিন্তু, এই ইন্টিগ্রেটেড এডুকেশনাল ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (আইইআইএমএস) প্রকল্পের স্পেসিফিকেশনে প্রতিটি পণ্যের ব্র্যান্ডের নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যাতে শুধুমাত্র একটি ওইএম (OEM) অংশ নিতে পারে।

এরকম ঘটনা আগেও ঘটেছে বলে সরকার এ ধরনের অসম প্রতিযোগিতা ও নির্দিষ্ট একটি প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দেয়ার জন্য একপেশে টেন্ডার প্রকাশের বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেয়। সরকারের সর্বশেষ বিবৃতি অনুযায়ী, অর্ডার মেমো নং: ২১, ০০, ০০০০, ৩৬৪, ২২, ০২০, ২১-৮৭ তারিখ ১৩ জুন ২০২১ (সংযুক্ত), যেখানে বলা হয়েছে যে, সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি সম্পৃক্ত কতিপয় অংশীজনের নিকট হতে এরূপ পাওয়া গেছে যে, দরপত্র আহ্বানের ক্ষেত্রে কোন কোন ক্রয়কারী আবশ্যকীয় পণ্যের ব্র্যান্ড নাম বা মডেল এবং নির্দিষ্ট দেশ বা অঞ্চলের নাম উল্লেখ করছে। অধিকন্তু, কোন কোন ক্রয়কারী সংস্থার বিভাগীয় দর – তফসিলে আবশ্যকীয় পণ্যের ব্র্যান্ড নাম বা সুনির্দিষ্ট দেশ/ অঞ্চলের নাম উল্লেখ করা হচ্ছে যা পিপিএ/পিপিআর এর উপযুক্ত বিধানের পরিপন্থী। দরপত্র দলিল বা রেট সিডিউলে পণ্যের ব্র্যান্ড/ দেশের নাম নির্দিষ্ট করে দেয়ার ফলে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো দরপত্রে অংশগ্রহণ করতে পারে না, অবাধ প্রতিযোগিতার সুযোগ হ্রাস পায়, সকল দরদাতার প্রতি সমআচরণের অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় এবং ক্ষেত্র বিশেষে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব তৈরি করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের পক্ষপাতমূলক টেন্ডার এ খাতে অসম প্রতিযোগিতার তৈরি করবে; যার ফলে কেবল জনগণের অর্থ অপচয় হবে। তারা আরো মনে করেন, ইন্টারফেস প্রয়োজনীয়তাগুলো টপোলজির সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ যা কর্মক্ষমতায় বাধা সৃষ্টি করবে এবং ভবিষ্যতে ব্যবসার প্রয়োজনীয়তা পূরণ করতেও অক্ষম হবে।

টেন্ডার অনুযায়ী, এ প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ১০০ কোটি টাকা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতের একজন বিশেষজ্ঞ এর মতে, “নেটওয়ার্কিং, কম্পিউটিং এবং স্টোরেজ ডিজাইনের সর্বোচ্চ মানদণ্ড অনুসরণ করলে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ জনগণের অর্থ সাশ্রয় হবে।”
প্রকল্প বাস্তবায়নে টেন্ডারে উল্লিখিত যে সব নিরাপত্তা সামগ্রীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে তা দিয়ে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন সম্ভব নয় বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন এ খাতের সাথে সংশ্লিষ্ট অনেকেই।

সরকারের সুস্পষ্ট নির্দেশনা না মেনে এ ধরনের পক্ষপাত ও অসম প্রতিযোগিতা বিরাজমান থাকলে আমাদের দেশের শিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে আইসিটি অবকাঠামো সরবরাহকারী দক্ষ আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণের সম্ভাবনা কমে যাবে বলে মনে করেন এ খাতের সাথে সংশ্লিষ্টরা।

;

স্থায়ী ক্যাম্পাসে যেতে ২৩ বিশ্ববিদ্যালয়কে ফের চিঠি দিচ্ছে ইউজিসি



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের ২৩ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্থানান্তরের সময় ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এ সময়ের মধ্যে নিজস্ব ক্যাম্পাসে না গেলে শিক্ষার্থী ভর্তিসহ অস্থায়ী ক্যাম্পাসের সব কার্যক্রম অবৈধ বলে বিবেচিত হবে। পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চলতি সপ্তাহের মধ্যেই এসব বিশ্ববিদ্যালয়েকে চিঠি দেবে ইউজিসি।

ইউজিসি সূত্রে জানা গেছে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী ১২ বছর পূর্ণ হলেও এখনও দেশের ২৩টি বিশ্ববিদ্যালয় পুরোপুরিভাবে স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্থানান্তর হয়নি। কেউ আংশিকভাবে কেউবা নির্মাণাধীন কাজ দেখিয়ে বছরের পর বছর আউটার ক্যাম্পাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। বিগত সময়ে নানাভাবে আলটিমেটাম দিলেও এখনো তারা প্রধান ক্যাম্পাসে যায়নি। সে কারণে ইউজিসি থেকে এসব বিশ্ববিদ্যালয়কে শোকজ করা হয়েছে। অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ই শোকজের জবাবে নতুন করে আরও সময় বাড়ানোর অনুরোধ জানায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের পর ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে স্থায়ী ক্যাম্পাস ছাড়া অস্থায়ী সব ভবনে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম অবৈধ করে বিবেচিত হবে। সেখানে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হবে। এ নির্দেশনা অমান্য করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো-রাজধানী বনানীর সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি, ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি, মোহাম্মদপুরে দি পিপল’স ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, গুলশানের মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, মোহাম্মদপুরে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি, মোহাম্মদপুর সাতমসজিদ রোডে ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অলটারনেটিভ, ধানমন্ডিতে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি, ধানমন্ডির কলাবাগানে স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, শান্ত মরিয়ম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজির লালমাটিয়া ও উত্তরায় অস্থায়ী ক্যাম্পাস, রাজারবাগে দি মিলেনিয়াম ইউনিভার্সিটি, গুলশানে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি, বনানীতে ইউনিভার্সিটি অব সাউথ এশিয়া, উত্তরা মডেল টাউনে উত্তরা ইউনিভার্সিটি, পান্থপথে ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, বনানীতে প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটি, একই এলাকায় রয়েল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকা, ধানমন্ডিতে ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ ও শ্যামলীর আশা ইউনিভার্সিটি রয়েছে।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক ইউজিজির এক শীর্ষ কর্মরোকর্তবা জানান, গতকাল রোববার এ সিদ্ধান্ত এবিষয়ে ইউজিসি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি বিষয়গুরোকে অনুমোদন ও দেয়া হয়েছে। দু একদিনের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের চিঠি দিয়ে জানয়ে দেয়া হবে।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, অবশিষ্ট ৫১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৬টি স্থায়ী ক্যাম্পাসে কার্যক্রম শুরু করেছে। বাকিদের মধ্যে কেউ কেউ আংশিক ক্যাম্পাস নির্মাণ করেছে। জমি কিনেছে কিছু প্রতিষ্ঠান। আবার কিছু বিশ্ববিদ্যালয় কোনো ধরনের পদক্ষেপই নেয়নি।

;