বাধা উপেক্ষা করে নির্বাচনী প্রচারণা অব্যাহত রেখেছেন বিএনপি প্রার্থী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপি প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ।

নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপি প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ।

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রতিপক্ষের নানা বাধা উপেক্ষা করে নির্বাচনী প্রচারণা অব্যাহত রেখেছেন ঢাকা-৫ উপনির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ। প্রতিদিনই বিশাল কর্মী বাহিনী নিয়ে ভোটারদের দ্বারে ঘুরছেন তিনি।

বাণিজ্যিক এলাকার দোকানপাট-ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে আবাসিক এলাকা ও নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসস্থল বস্তিবাসীর কাছেও যাচ্ছেন বিএনপি প্রার্থী। তিনি যেখানেই যাচ্ছেন বিপুলসংখ্যক মানুষ নেমে আসছে তার নির্বাচনী প্রচারণায়।

এ সময় গৃহবধূ, শিক্ষার্থী ও শিশুরা হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানায় বিএনপি প্রার্থীকে। প্রতিউত্তরে সালাহউদ্দিন আহমেদও হাত নেড়ে জবাব দেন।

শনিবার (১০ অক্টোবর) বিএনপি প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ যাত্রাবাড়ী এলাকার ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডের আর কে চৌধুরী কলেজ গলি, ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডের সুতি খালপাড় ও ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের ১২ নম্বর গলিতে গণসংযোগকালে এসব কথা জানান।

এ সময় কয়েক কিলোমিটার পায়ে হেঁটে ভোটারদের কাছে যান বিএনপি প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ।

সরকার দলীয় প্রার্থীর এক বক্তব্যের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, মনু সব সময় এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী ও টেন্ডারবাজদের দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকেন। এমনকি নির্বাচনকে সামনে রেখে কারাগারে আটক কয়েকজন সন্ত্রাসীকে মুক্ত করে আনা হয়েছে ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানোর জন্য। সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী প্রার্থী এলাকার শিল্পপতিসহ নানাজনের কাছে চাঁদা দাবি করেছে বলে অনেকেই আমাকে জানিয়েছেন।’

এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি প্রার্থী বলেন, নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করছে না। আমাদের অভিযোগগুলো আমলে নিচ্ছে না। নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা কিছু ম্যাজিস্ট্রেট বিনা কারণে আমাদের কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করছে।

তাদের উদ্দেশে সালাহউদ্দিন বলেন, আপনারা জনগণের ট্যাক্সে লালিত-পালিত। তাই জনগণের পক্ষে থাকুন। তা থাকতে ব্যর্থ হলে ও ঢাকা-৫ উপনির্বাচন সুষ্ঠু না হলে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন সালাহউদ্দিন আহমেদ।

নির্বাচনী প্রচারণা ও গণসংযোগকালে অন্যান্যের মাঝে আরও উপস্থিত ছিলেন- মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তানভীর আহমেদ রবিন, যাত্রাবাড়ী বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান ভাণ্ডারী, সহসভাপতি আনোয়ার হোসেন সরদার, যুগ্ম সম্পাদক মাসুম দেওয়ান, যাত্রাবাড়ী যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি মজিবুর রহমান মধু, যাত্রাবাড়ী থানা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শান্ত ইসলাম, জুম্মন, যাত্রাবাড়ী থানা জাসাসের আহ্বায়ক ইব্রাহিম খলিল, স্বেচ্ছাসেবকদলের থানা আহ্বায়ক আলাউদ্দিন মানিক ও নারীদের থানা সভানেত্রী মাসুদা খান লতাসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।