ইসির সাথে ইইউ ইলেকশন এক্সপার্ট টিমের বৈঠক রোববার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪

ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে দুই মাসের মিশন নিয়ে গত ২৯ নভেম্বর ঢাকায় পৌঁছেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) চার সদস্যের নির্বাচনী এক্সপার্ট টিম।

ইসি সূত্রে জানা যায়, ঢাকায় আসা ইইউ ইলেকশন এক্সপার্ট টিম আগামীকাল রোববার (৩ ডিসেম্বর) আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে সকাল ১১ টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আওয়ালের নেতৃত্বাধীন কমিশনের সাথে বৈঠক করবেন।

বৈঠকে ইইউ ইলেকশন এক্সপার্ট মিশনের প্রত্যেকেই উপস্তিত থাকবেন। প্রতিনিধি দলের সদস্যরা হলেন- ডেভিড নোয়েল ওয়ার্ড (ইলেকশন এক্সপার্ট), আলেকজান্ডার ম্যাটাস (ইলেকটোরাল এনালিস্ট), সুইবেস শার্লট (ইলেকটোরাল এনালিস্ট) এবং রেবেকা কক্স (লিগ্যাল এক্সপার্ট)।

বাংলাদেশে এবারের নির্বাচনে পূর্ণাঙ্গ কোনো পর্যবেক্ষক দল পাঠাচ্ছে না ইইউ। এর আগে গত ২০ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে এ সিদ্ধান্ত জানায় ইউরোপের ২৭ দেশের এই জোট।

চিঠিতে ইইউ জানিয়েছিল, বাংলাদেশে নির্বাচনের যথাযথ পরিবেশ নেই। তাই বাংলাদেশে তারা নির্বাচন পর্যবেক্ষণে কোনো পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে না। সেই চিঠিতে বাংলাদেশে পূর্ণাঙ্গ পর্যবেক্ষক মিশন পাঠানোর মতো তহবিল না থাকার বিষয়টিও উল্লেখ করেছিল ইইউ।

এর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠানো নিয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে গত ২৯ নভেম্বর যৌথসভা করে ইইউ। বৈঠকে সংস্থাটির ১০ প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে তারা অবাধ ও সুষ্ঠু অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের তাগিদ দেয় ইসিকে। 

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ হয়েছিলো গত ৩০ নভেম্বর। সেখানে ৩০ রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলে ২৭১৩ জন মনোনয়ন পত্র জমা দেয়।

জমা দেওয়া মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই চলবে ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কমিশনে আপিল দায়ের ও নিষ্পত্তি ৫ থেকে ১৫ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রতীক বরাদ্দ করবেন ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনি প্রচার চলবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। আর ভোটগ্রহণ হবে ৭ জানুয়ারি (রোববার)।

এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারা দেশে মোট ভোটার ১১ কোটি ৯৬ লাখ ৯১ হাজার ৬৩৩ জন। গত ২ নভেম্বর সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত ভোটারসংখ্যা প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোট ভোটারের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৭ লাখ ৭১ হাজার ৫৭৯ জন। নারী ভোটার ৫ কোটি ৮৯ লাখ ১৯ হাজার ২০২ জন। আর তৃতীয় লিঙ্গের ভোটারের সংখ্যা ৮৫২।

   

উপজেলা নির্বাচনের বিধিমালা সংশোধন নিয়ে বৈঠক মঙ্গলবার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন পরিচালনা ও আচরণ বিধিমালা সংশোধনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করতে '২৮-তম কমিশন সভা' ডেকেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের সভাপতিত্বে বৈঠকটি তার সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হবে।

কমিশন সভার আলোচ্যসূচি হলো:

ক) উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা ২০১৩ এর সংশোধন সংক্রান্ত।

খ) উপজেলা পরিষদ (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা ২০১৬ এর সংশোধন সম্পর্কিত। এবং গ) বিবিধ।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ইসির সংস্থাপন শাখার উপসচিব মো. শাহ আলম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত অফিস আদেশে বিধি সংশোধনীর সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।

ইসি সূত্র থেকে জানা যায়, উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা, ২০১৩-এর সংশোধনীতে ২৬টি এবং উপজেলা প্রদত্ত পরিষদ (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা, ২০১৬-এর সংশোধনীতে ৮টি বিধান সুপারিশের প্রাথমিক খসড়া তৈরি করা হয়েছে। এগুলো নিয়ে গত ৭ ফেব্রুয়ারি ইসির আইন ও বিধিমালা সংস্কার কমিটির সভাপতি নির্বাচন কমিশনার বেগম রাশেদা সুলতানার সভাপতিত্বে একটি বৈঠক হয়। কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় পরেরদিন ৮ ফেব্রুয়ারি আবারও বৈঠকে বসে এই কমিটি। ওইদিনেও খসড়া চূড়ান্ত না হওয়ায় সংশোধনগুলি এখনো আলোচনা পর্যায়ে রয়েছে বলে জানা গেছে। খসড়া তালিকা চূড়ান্ত হলে পরে কমিশন সভায় উপস্থাপন করা হবে।

ইসির একাধিক কর্মকর্তা সাথে কথা বলে জানা যায়, বিধিমালা সংশোধনী ৮টি বিধান সুপারিশের প্রাথমিক খসড়া নিয়ে ইতোমধ্যে কয়েক দফা বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আগামীকাল কমিশন সভায় বিধিমালা সংশোধনের বিষয়ে নিষ্পত্তি হবে।

বিধিমালায় একগুচ্ছ বিষয় সংযোজন করার প্রস্তাব এসেছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে জনসভা ও মিছিলের সুযোগ সৃষ্টি, প্রতি ইউনিয়নে একটি ও পৌরসভার প্রতি তিন ওয়ার্ডের জন্য একটি নির্বাচনী ক্যাম্প স্থাপন, নির্বাচনী ক্যাম্পের আয়তন ৬০০ বর্গফুটে উন্নীত করা, পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানের সুযোগ সৃষ্টি, একাধিক পদে মনোনয়নপত্র দাখিলের সুযোগ না রাখা, ফলাফল গেজেট আকারের প্রকাশের ১৫ দিন পর্যন্ত ভোটের কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারিদের প্রত্যাহার না করা, নির্বাচনী মনিটরিং কমিটি গঠন ও কমিটির সুপারিশে বিধি ভঙ্গের অভিযোগ এক লাখ টাকা জরিমানার বিধান, প্রার্থী আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র, নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্তদের বা পর্যবেক্ষক বা গণমাধ্যমকর্মীদের হুমকি-ভীতি প্রদর্শন বা বাধা প্রদানকে অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্তকরণ, ব্যালট পেপারের মুড়িতে প্রিজাইডিং কর্মকর্তার স্বাক্ষরযুক্ত করার বিধান ও ভোট বন্ধ করতে প্রিজাইডিং কর্মকর্তার হাতে ক্ষমতা প্রদান।

আবার ভোটগ্রহণের পূর্বে কোনো বৈধ প্রার্থীর মৃত্যু হলে অন্য প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধানের কথা বলা হয়েছে। তবে একজন প্রার্থী থাকলে নির্বাচনী কার্যক্রম বাতিল করে ফের কার্যক্রম গ্রহণের বিষয়টি ভাবা হচ্ছে। আর কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ভোটের ১০দিন পূর্বে মারা গেলে সেই দলকে অন্য এক প্রার্থী দেওয়ার সুযোগ রাখার কথাও প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে। সেই সাথে নির্বাচনী প্রচারণায় প্লাস্টিকের ব্যবহার রোধের পক্ষে থাকলেও তা প্রার্থীদের মানাতে পারছে না নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ফলে এবার আইন করেই সেই পথটি রোধ করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সংস্থাটি।

সংসদ নির্বাচনের মতো ভোটের কোনো পর্যায়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন, বল প্রয়োগ বা কারসাজির কারণে নির্বাচনের ফলাফল পক্ষপাত দুষ্ট হয়েছে মর্মে কমিশনের কাছে প্রতীয়মান হলে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের নির্বাচন বাতিল করে পুনরায় ভোটগ্রহণ করার বিধান যুক্ত করার প্রস্তাব এসেছে।

ইতিমধ্যে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রথম ধাপে ৪ মে, দ্বিতীয় ধাপে ১১ মে, তৃতীয় ধাপে ১৮মে ও চতুর্থ ধাপে ২৫ মে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম ধাপে ১৫৩টি, দ্বিতীয় ধাপে ১৬৫টি, তৃতীয় ধাপে ১১১টি ও চতুর্থ ধাপে ৫২টিসহ মোট ৪৮১টি উপজেলা ভোটের সময় ঘোষণা করেছে ইসি। দেশে বর্তমানে উপজেলা রয়েছে ৪৯৫টি।

;

সংরক্ষিত নারী আসনের সব প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪. কম
সংরক্ষিত নারী আসনের সব প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা

সংরক্ষিত নারী আসনের সব প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা

  • Font increase
  • Font Decrease

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের ৫০ টি সংরক্ষিত নারী আসনে জমা দেওয়া মনোনয়ন যাচাই বাছাই শেষে সব কয়টি মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা করেছে রির্টানিং কর্মকর্তা মুনিরুজ্জামান তালুকদার ।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে প্রার্থীদের উপস্থিতিতে যাচাই বাচাই শেষে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে জোটভুক্ত আওয়ামী লীগের ৪৮ টি ও জাতীয় পার্টির ২ টি মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

নির্বাচনের কমিশনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও কমিশনের যুগ্ম সচিব মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার বলেন, বাছাইয়ে কারো নাম বাদ না পড়লেও বৈধ মনোনয়নপত্রের বিরুদ্ধে কেউ চাইলে আপিল করতে পারবেন। আর ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আপিল নিস্পত্তির জন্য ২৪ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে। ২৫ ফেব্রুয়ারি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষদিন রাখা হয়েছে। এরপর কেউ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করলে বৈধ প্রার্থীদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে।

;

মসিক নির্বাচন: মেয়র পদে ৭ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ময়মনসিংহ
মসিক নির্বাচন: মেয়র পদে ৭ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল

মসিক নির্বাচন: মেয়র পদে ৭ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল

  • Font increase
  • Font Decrease

উৎসবমুখর পরিবেশে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে (মসিক) মেয়র পদে ৭ প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেছেন। এর মাঝে একজন জাতীয় পার্টির ও ৬ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী। স্বতন্ত্র ৬ প্রার্থী জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা।

মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে বিকাল পৌনে ৪টায় আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয়ে প্রার্থীরা মনোনয়ন দাখিল করেন।

একই সাথে ৩৩ ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৬৪ জন এবং ১১ সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে মনোনয়ন দাখিল করেছেন ৬৯ জন।

ময়মনসিংহ আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন চৌধুরী বার্তা২৪.কমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, সকাল থেকে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। মেয়র পদে ৭ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৬৪ জন এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৬৯ জন মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, মেয়র পদে মনোনয়ন দাখিল করা প্রার্থীরা হলেন, সদ্য সাবেক সিটি মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. ইকরামুল হক টিটু, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এহতেশামুল আলম, শহর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সাদেকুল হক খান (টজু), মহানগরের সহ-সভাপতি অধ্যাপক গোলম ফেরদৌস জিলু, প্রয়াত পৌর মেয়র মাহমুদ আল নূর তারেকের ছেলে অ্যাড. ফারমার্জ আল নূর রাজীব, জাতীয় পার্টির প্রার্থী শহীদুল ইসলাম (স্বপন মন্ডল) এবং কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের সাবেক সদস্য কৃষিবিদ ড. রেজাউল হক।

সাধারণ কাউন্সিলর পদে; নগরীর ১ নম্বরে ৫ জন, ২ নম্বরে ৪, ৩ নম্বরে ৩, ৪ নম্বরে ৬ জন, ৫ নম্বরে ৬ জন, ৬ নম্বরে ৬ জন, ৭ নম্বরে ৫ জন, ৮ নম্বরে ৪ জন, ৯ নম্বরে ৯ জন, ১০ নম্বরে ৪ জন, ১১ নম্বরে ২ জন, ১২ নম্বরে ৪ জন, ১৩ নম্বরে ৮ জন, ১৪ নম্বরে ৬ জন, ১৫ নম্বরে ৬ জন, ১৬ নম্বরে ২ জন, ১৭ নম্বরে ২ জন, ১৮ নম্বরে ৫ জন, ১৯ নম্বরে ৭ জন, ২০ নম্বরে ৩ জন, ২১ নম্বরে ৪ জন, ২২ নম্বরে ৭ জন, ২৩ নম্বরে ৪ জন, ২৪ নম্বরে ৯ জন, ২৫ নম্বরে ৫ জন, ২৬ নম্বরে ৩ জন, ২৭ নম্বরে ৩ জন, ২৮ নম্বরে ৫ জন, ২৯ নম্বরে ৮ জন, ৩০ নম্বরে ৫ জন, ৩১ নম্বরে ৪ জন, ৩২ নম্বরে ৬ জন, ৩৩ নম্বরে ৪ জনসহ মোট ১৬৪ জন।

সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ওয়ার্ড; ১ নম্বরে ১০ জন, ২ নম্বরে ৭ জন, ৩ নম্বরে ৪ জন, ৪ নম্বরে ৫ জন, ৫ নম্বরে ৫ জন, ৬ নম্বরে ৭ জন, ৭ নম্বরে ৪ জন, ৮ নম্বরে ৬ জন, ৯ নম্বরে ৭ জন, ১০ নম্বরে ৬ জন, ১১ নম্বরে ৮ জনসহ মোট ৬৯ জন।

সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ওয়ার্ড; ১ নম্বরে ১০ জন, ২ নম্বরে ৭ জন, ৩ নম্বরে ৪ জন, ৪ নম্বরে ৫ জন, ৫ নম্বরে ৫ জন, ৬ নম্বরে ৭ জন, ৭ নম্বরে ৪ জন, ৮ নম্বরে ৬ জন, ৯ নম্বরে ৭ জন, ১০ নম্বরে ৬ জন, ১১ নম্বরে ৮ জনসহ মোট ৬৯ জন।

দুপুরে জেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের একাংশ নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে সদ্য সাবেক মেয়র মো. ইকরামুল হক টিটু বলেন, বিগত পাঁচটি বছর জনগণের পাশে থেকে কাজ করেছি। চেষ্টা করেছি নগরীকে সুন্দরভাবে সাজানোর জন্য। কিন্তু কোভিড ও ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের কারণে প্রত্যাশিত উন্নয়ন করতে পারিনি। প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে আমাদের উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। গত নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলাম। এবার অনেকেই প্রার্থী হয়েছেন। যার কারণে ভোট উৎসবমুখর হবে। আশা করি জনগণ আগামী ৯ মার্চ আমার কাজের মূল্যায়ন ভোটের মাধ্যমে করবেন।

মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে মেয়র প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এহতেশামূল আলম বলেন, বিগত পাঁচ বছরে নগরীতে মানুষের আশা- আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেনি। যার কারণে মানুষ পরিবর্তন চাচ্ছে। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে আমি মেয়র প্রার্থী হয়েছি। মেয়র নির্বাচিত হলে নগরীতে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ যানজট, জলাবদ্ধতা এবং ধুলাবালুমুক্ত নগরী গড়ে তুলবো।

শহর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও মেয়র প্রার্থী অ্যাড. সাদেক খান মিল্কি টজু বলেন, নির্দিষ্ট প্রতীক না থাকলেও আওয়ামী লীগের অধিকাংশ নেতাকর্মী আমার সঙ্গে রয়েছে। নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার আমার বড় শক্তি ইমেজ। শহরে আমার ভালো একটি ইমেজ রয়েছে। এবার পরিবর্তনের হাওয়া লেগেছে। আশা করি সাধারণ ভোটাররা আমাকে মূল্যায়ন করবে।

জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও মেয়র প্রার্থী শহীদুল ইসলাম স্বপন মন্ডল বলেন, ময়মনসিংহে জাতীয় পার্টির একটি ভোট ব্যাংক রয়েছে। যেহেতু এখানে আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থী রয়েছে সেহেতু মানুষের জাতীয় পার্টিকেই বেছে নেবে। তবে যদি সুষ্ঠু নির্বাচন হয় তাহলে আমি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। জয়ী হলে অবহেলিত ময়মনসিংহ নগরীকে ঢেলে সাজাবো সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে।

১৫৭ বছরের পুরোনো ময়মনসিংহ পৌরসভা ২০১৮ সালের ১৪ অক্টোবর সিটি করপোরেশনে উন্নীত হলে ২০১৯ সালের ৫ মে প্রথম সিটির ভোট গ্রহণ হয়। তখন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ইকরামুল হক টিটু মেয়র নির্বাচিত হলে সাধারণ কাউন্সিলর এবং সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ভোট হয়েছিল।

সূত্রমতে, ৯১ দশমিক ৩১৫ বর্গকিলোমিটারের আয়তনের এই নগরীতে ৩৩টি সাধারণ ওয়ার্ড ও ১১টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে মোট ভোটার রয়েছে ৩ লাখ ৩৬ হাজার ৪৯০ জন। এর মধ্যে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮৭১ জন পুরুষ এবং ১ লাখ ৭২ হাজার ৬১০ জন নারী। এছাড়াও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছে ৯ জন। এতে মোট ভোটে কেন্দ্র রয়েছে ১২৮টি। ভোট গ্রহণ হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)।

;

হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের উপ-নির্বাচনে ৪ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, হবিগঞ্জ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানপদে উপ-নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন পত্র দাখিলের শেষ দিন ৪ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন।

মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা পর্যন্ত তারা মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন।

প্রার্থীরা হলেন- হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আলমগীর চৌধুরী, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলেয়া আক্তার, অ্যাডভোকেট মো. নুরুল হক ও মো. ফরিদ আহমেদ তালুকদার।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. সাইদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন ৪ জন প্রার্থী। সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করতে ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী মনোনয়ন বাছাই ১৫ বরাদ্দয়ারি, আপিল নিষ্পত্তি ১৯ ও ২০ ফেব্রুয়ারি, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২২ ফেব্রুয়ারি ও প্রতীক বরাদ্দ দেয়া ২৩ ফেব্রুয়ারি। আর ভোট গ্রহণ হবে ৯ মার্চ। ভোট হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) এ।

;