আত্মশুদ্ধির চেষ্টা পূর্ণতা পায় জাকাত আদায়ের মাধ্যমে: রোজিনা



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
অভিনেত্রী রেনু রোজিনা

অভিনেত্রী রেনু রোজিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢালিউডের কিংবদন্তীতূল্য অভিনেত্রী রেনু রোজিনা। পেয়েছেন সেরা অভিনেত্রীর জাতীয় চলচ্চিত্রপুরস্কারসহ আজীবন সম্মাননা। এখনো চলচ্চিত্রঅঙ্গনে সরব তিনি। নিজেকে নিত্য নতুন আবেশে উপস্থাপন করে তরুণ প্রজন্মের কাছেও সমান জনপ্রিয়তা পেয়েছেন তিনি। আসছে ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে বিশেষ সাক্ষাৎকার দিয়েছেন বার্তা২৪.কমকে। কথা বলেছেন সিনিয়র নিউজরুম এডিটর মাসিদ রণ-

মাসিদ রণ : এবারের ঈদের দিনটা কিভাবে কাটানোর পরিকল্পনা?
রোজিনা : ঈদ মানেই তো উৎসব, ঈদ মানেই আনন্দ। সারা বছর আমরা ঈদের জন্য অপেক্ষা করি। টানা একমাস সিয়াম সাধনার পরে ঈদের দিনটি পাই আমরা। ঈদের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠেই নামাজ আদায় করে মিষ্টিমুখ করাটা আমাদের বাড়ির রেওয়াজ। আমার মনে হয়, ঈদের দিন যে আনন্দ হয় তার সঙ্গে অন্য কোন দিনের তুলনা হয় না। সারা বছর তো আমারা কতো ধরনের খাবার খাই, কিন্তু ঈদের দিন কোন খাবার রান্না করতে গেলে, খেতে কিংবা খাওয়াতে যে আনন্দ ও তৃপ্তি আসে তা অন্য সময় পাওয়া যায় না। ঈদে আমি কিছু না রান্না করলেও দু এক পদ রেজার্ড আইটেম করবই। আজও করেছি।

অভিনেত্রী রেনু রোজিনা

মাসিদ রণ : ঈদের সবচেয়ে বিশেষত্ব কোথায় বলে মনে করেন?

রোজিনা : দেখুন, ঈদে খাওয়া দাওয়া, নতুন পোশাক, সবার সঙ্গে দেখা করা, ঘুরতে যাওয়া, সিনেমা দেখা এসব তো আছেই। কিš‘ আমার সবচেয়ে ভালো লাগে জাকাতের বিষয়টি। পবিত্র রমযানে আমরা যে আত্মশুদ্ধির চেষ্টা করি সেটি পূর্ণতা পায় জাকাত আদায়ের মাধ্যমে। আশেপাশে দরিদ্র মানুষও যাতে ঈদের আনন্দ পরিপূর্ণভাবে উপভোগ করতে পারে এজন্য তাদেরকে কিছু অর্থ কিংবা নতুন পোশাক জাকাত হিসেবে দেওয়া যেতে পারে। জাকাত আদায়ের পর যে আত্মতৃপ্তি আসে তা আর কিছুতেই পাইনি। এবার আমার জাকাত আদায় শেষ করেছি আলহামদুলিল্লাহ। রাজবাড়ির গোয়ালন্দে আমার গ্রামের বাড়ি, সেখানকার আশেপাশের দরিদ্র মানুষ থেকে শুরু করে আমার উত্তরার বাড়ির আশেপাশের যতো ভিক্ষুক, কেয়ারটেকার, হেল্পিং হ্যান্ড সবাইকে নতুন পোশাক উপহার দিয়েছি। নিজের বাসার বাজার নিজেই করি, নিয়মিত বাজারে যেতে যেতে কিছু দোকানির সঙ্গে পরিচয় হয়েছে। তাদেরকেও উপহার দিয়েছি। নিকট আত্মীয়-স্বজনদের কথা তো আর বলার দরকার নেই। সবাইকে দিয়ে সবশেষে নিজের জন্য কিনি।

অভিনেত্রী রেনু রোজিনা

মাসিদ রণ : এবার ঈদে কী পোশাক পরবেন?

রোজিনা : আমার শাড়ী সবচেয়ে পছন্দ। ঈদের মেইন পোশাক শাড়ীই থাকবে। কোথাও বেড়াতে গেলে শাড়ীই পরব। তবে ঈদের দিন সকালে সালোয়ার কামিজ পরতে আরামবোধ করি। আজও তাই করেছি। কারণ এই সময় একটু কাজ করতে হয়, সালোয়ার-কামিজে কম্ফোর্টেবল লাগে। আমার প্রিয় রঙ কালো। কালো পোশাকতো কিনেছিই, এছাড়া গোলাপী, মাল্টিকালারসহ কয়েকটি পোশাক কিনেছি। এবার তো ঈদে গরম পড়েছে, ফলে আমি একটু কটন কিংবা কটন মিক্স কোন পোশাক বেছে নিয়েছি। গরমে হালকা রঙের পোশাক পরলে ভালো লাগে।

অভিনেত্রী রেনু রোজিনা

মাসিদ রণ : ঈদের সালামির বিষয়টা কতোটা উপভোগ করেন?

রোজিনা : আমার তো ভীষণ ভালো লাগে। শুধু আমার কেন? সালামি পেতে কার না ভালো লাগে? তবে এখন সালামি পাওয়ার চেয়ে দিতে হয় বেশি। এই সময়ে এসে সালামি দিতেই বেশি আনন্দ পাই। আর ছোটবেলায় আমাকে সবাই সালামি দিতেন। ঈদের সকাল থেকেই বাবা-মা, ভাই-বোন, চাচা-মামা সবাইকে সালাম করা শুরু করতাম (হাহাহা)। এমনকি বাড়ির পাশের রাস্তা দিয়ে কেউ গেলে তাকেও সালাম করতাম, যদি টাকা পাই! ছোট মানুষের মন বলে কথা।

অভিনেত্রী রেনু রোজিনা

মাসিদ রণ : ছোটবেলা কথা বললেন। সে সময়ের ঈদের কোন স্মৃতিগুলো বেশি মনে পড়ে?

রোজিনা : ছোটবেলার ঈদ মানেই নতুন জামা আর সালামি। রোযা আসলেই আমার নতুন জামার বায়না শুরু হতো। তার সঙ্গে ম্যাচিং জুতো, চুড়ি, কানের দুল, চুলের ফিতা, লিপস্টিক। এসবের প্রতি ছোটবেলা থেকেই আমার খুব আগ্রহ ছিল। আরেকটি মজার বিষয় ছিল, আমার জামা-জুতা ঘরের এক কোনে এমন জায়গায় লুকিয়ে রাখতাম যাতে কোন বন্ধু বান্ধব দেখতে না পারে! কী রঙের জামা কিনেছি সেটা পর্যন্ত কাউকে বলতাম না। ঈদের আগের রাতে উত্তেজনায় ঘুমই হতো না। অপেক্ষা করতাম কখন রাত পোহাবে আর নতুন ড্রেসটা পরব! ঘুম থেকে উঠেই কাঁচা হলুদ গায়ে মেখে গোসল করে একদম সেজেগুজে সালামি সংগ্রহ করে ঈদগাহে ছুটতাম!

অভিনেত্রী রেনু রোজিনা

মাসিদ রণ : একটা সময় ঈদে আপনার একাধিক সিনেমা মুক্তি পেত। তখনকার ঈদ কেমন ছিল?

রোজিনা : সে তো স্বর্ণালী অতীত। সিনেমা হল ছিল সারা দেশে প্রায় দুই হাজারের মতো। ঈদে এক ডজনের বেশি ছবি মুক্তি পেত। তারমধ্যে আমার একাধিক ছবি থাকতো। তখন আসলে সিনেমা ফ্লপ হতোই না খুব একটা। তাই ওসব নিয়ে চিন্তাও ছিল না। কারণ, সিনেমা যেমন ভালো হতো, তেমনি দর্শকও পরিবার নিয়ে হলে ছবি দেখতে যেতেন। একই ছবি একজন দর্শক ১০-১২ বারও দেখে ফেলতেন। আমি আমার সব ছবি হলে গিয়ে দেখতাম। ঈদের দিন না পারলেও দু-একদিন পরে বোরখা পরে দর্শকের মধ্যে বসেই ছবি দেখতাম। দর্শকের প্রতিক্রিয়া কাছ থেকে দেখার সেই অনুভূতি বলে বোঝানো যাবে না। এছাড়া নিজের ছবি হলে গিয়ে দেখলে অনেক ভুল ভ্রান্তি চোখে পড়ত। পরবর্তী ছবিতে সেই ভুলগুলো শুধরে নিতাম। আমি অন্য নায়িকাদের ছবিও দেখতাম। তারচেয়ে আরও ভালো করতে হবে সেই চিন্তা থেকেই দেখতাম।

 

   

হীরামান্ডির ‘আলমজেব’-এর পাশে দাঁড়ালেন রিচা



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
হীরামন্ডি সিরিজে রিচা চাড্ডা ও শারমিন সেহগাল

হীরামন্ডি সিরিজে রিচা চাড্ডা ও শারমিন সেহগাল

  • Font increase
  • Font Decrease

বড়পর্দার রূপালী মায়া কাটিয়ে ওটিটি জগতে এলেন খ্যাতিমান নির্মাতা সঞ্জয়লীলা বানসালি। তার প্রথম ওয়েব সিরিজ ‘হীরামান্ডি : দ্য ডায়মন্ড বাজার’ মুক্তির পর থেকেই আলোচনায়। বিশাল আয়োজনে নির্মিত এই সিরিজ দর্শকের মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাচ্ছে। তবে নেটফ্লিক্সে এটি বিপুল সাড়া পাচ্ছে।

‘হীরামান্ডি’র যে দিকটি নিয়ে সবচেয়ে বেশি সমালোচনা-নিন্দা হচ্ছে, তা হলো আলমজেব চরিত্র। এই চরিত্রে শারমিন সেহগালের অভিনয় দর্শকের মন জয় করতে ব্যর্থ হয়েছে। শারমিনের অভিনয় নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল সমালোচনা হচ্ছে। এমনকি তাকে কাস্ট করার কারণে বানসালির বিরুদ্ধে ‘স্বজনপোষণ’র অভিযোগও তুলছে নেটিজেনরা। কারণ তিনি শারমিনের মামা।

মামা-ভাগ্নি সঞ্জয়লীলা বানসালি ও শারমিন সেহগাল

এবার নিন্দায় বিপর্যস্ত শারমিনের পাশে দাঁড়ালেন এই সিরিজেরই সহ-অভিনেত্রী রিচা চাড্ডা। ‘হীরামান্ডি’তে রিচার অভিনয় দারুণ প্রশংসা কুড়াচ্ছে। এমন সময় সাধারনত তারকারা এদিক সেদিক তাকান না। নিজের সফলতা উপভোগ করেন। বিপাকে জড়িয়ে নিজের দিকে সমালোচনার তীর আসুক সেটা তারা একেবারেই চান না। তবে রিচা বরাবরই আলাদা। তিনি স্পষ্ট ভাষায় কথা বলতে পছন্দ করেন। নিজের অনুভূতি কোন কিছুর চাপে দমিয়ে রাখার পাত্রী তিনি নন। এর আগেও রিচা তার ‘সর্বজিৎ’ সিনেমার কো আর্টিস্ট ঐশ্বরিয়া রাইয়ের সমালোচনার মোক্ষম জবাব দিয়েছিলেন। তার সেই জবাব রীতিমতো ভাইরাল হয়।

 হীরামন্ডি সিরিজে লাজ্জো চরিত্রে অনবদ্য অভিনয় ও নাচ পরিবেশন করেছেন রিচা

এবার হীরামন্ডি সিরিজের ‘আলমজেব’ চরিত্রের শারমিককে নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে রিচা বলেন, ‘সত্যি বলতে, এটা (সমালোচনা করা) দর্শকের অধিকার। তারা সিরিজটি পছন্দ করতে পারে, অপছন্দও করতে পারে। কারও অভিনয় ভালো লাগবে, আবার কারও কাজ ভালো লাগবে না। কিন্তু এই সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে মানুষ যেভাবে ট্রল করে, মিম বানায়, নিন্দা করে; আমার মতে এটা সবার জন্যই ক্ষতিকর। কারও প্রতি নির্দয় হওয়া উচিত নয়, কারণ আগামীকাল এমন কিছু আপনার সঙ্গেও ঘটতে পারে। এবং হ্যাঁ, প্রত্যেকেই মানুষ।’

মা হতে যাচ্ছেন রিচা। তার স্বামী বলিউড অভিনেতা আলী ফজল

‘হীরামান্ডি’ নির্মিত হয়েছে ১৯৪০-এর দশকের প্রেক্ষাপটে। তখন লাহোরে হীরামান্ডি নামের এলাকায় বাইজিপাড়া ছিল। সেখানকার ছয় বাইজিকে ঘিরেই এগিয়েছে সিরিজের গল্প। এর মধ্য দিয়ে উঠে এসেছে ভারতের ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের প্রসঙ্গ। সিরিজটিতে আরও আছেন মনীষা কৈরালা, সোনাক্ষী সিনহা, অদিতি রাও হায়দারি, সানজিদা শেখ, ফারদিন খান, শেখর সুমন, ফরিদা জালার প্রমুখ।

তথ্যসূত্র : বলিউড হাঙ্গামা

;

জয়িতার টেগর’স টেল-এ বুঁদ সাধারণ থেকে তারকা



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
একক সংগীতানুষ্ঠান ‘‘টেগর’স টেল’’-এ গাইছেন জয়িতা

একক সংগীতানুষ্ঠান ‘‘টেগর’স টেল’’-এ গাইছেন জয়িতা

  • Font increase
  • Font Decrease

একজন স্কুল জীবনের বন্ধুর অনুভূতি দিয়ে শুরু করা যাক। মারুফা আজিজ উপমা লিখেছেন, ‘সেই স্কুল জীবন থেকে তোর গান শুনে আসছি, কিন্তু এবারের গান অন্যরকম ভালো লাগার। কারণ এবার তোর একক সংগীত সন্ধ্যায় ছিলাম আমরা। প্রতিটা মুহূর্তে আন্টিকে (প্রখ্যাত রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী শিল্পী মিতা হক) মিস করেছি, মাঝে মাঝে দেখে মনে হচ্ছিল আন্টিই গাইছেন। গর্বিত বাবা-মায়ের গর্বিত সন্তান।’

কথাগুলো যাকে নিয়ে লেখা হয়েছে তিনি ফারহিন খান জয়িতা। তরুণ প্রজন্মের রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী। যাকে এ প্রজন্মের অন্যতম মেধাবী রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী বলে মনে করেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফা!

ফারহিন খান জয়িতা

জয়িতার আরেকটি পরিচয় আছে। তিনি একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রয়াত রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী ও শিক্ষক মিতা হক এবং মঞ্চ নাটকের যুবরাজ’খ্যাত খালেদ খানের একমাত্র কন্যা।

গত ১৭ মে ছুটির দিনে রাত ৮টা থেকে বনানীর যাত্রা বিরতির নতুন ঠিকানায় জয়িতার একক সংগীত সন্ধ্যা ‘টেগর’স টেলস’। সেই অনুষ্ঠান দেখতে টিকেট কেটে হাজির হন অনেকেই। তারমধ্যে শোবিজ তারকারাও ছিলেন।

এক ঘন্টা ৪৫ মিনিট জয়িতা একে একে গেয়ে গেলেন বাল্মীকি প্রতিভা, মায়ার খেলা, প্রেম পর্যায়ের গানগুলো।

অনুষ্ঠানে এক ফ্রেমে জয়িতা, তার স্বামী শাহিদ মুস্তাফিজ, অভিনেত্রী নাজনিন হাসান চুমকী, নাদিয়া আহমেদ ও তার মা

গান শুনতে গিয়েছিলেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী নাজনিন হাসান চুমকী। নিজের অনুভূতির কথা সোশ্যাল লিখেছেন এভাবে, ‘গত সন্ধ্যায় জয়িতার কণ্ঠে রবীন্দ্র সংগীতে বুঁদ হয়ে ছিলাম। জয়িতা সোনা, তোমার কণ্ঠে মধু আছে। আর উচ্চারণ, তোমার কাছ থেকে অনেক শেখার আছে। তুমি অতুলনীয়। তোমার জন্য শুভকামনা সকল সময়।’

জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী নাদিয়া আহমেদ অনুষ্ঠান শেষে ছোট ছোট কিছু ভিডিও ক্লিপিং শেয়ার করে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘আমাদের জয়িতা। মিতা আপার সুযোগ্য কন্যা জয়িতা। ওকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেবার কিংবা ওকে নিয়ে বলবার কিছু নেই। শুধু বলবো, আজকে গান থেকে শুরু করে কয়েক লাইন আবৃত্তি এক অসাধারন মুগ্ধতার সন্ধ্যা কাটলো। যারা রবীন্দ্রপ্রেমী তাদের জন্য একটু শেয়ার করলাম। জয়িতা তুই একটা ভালবাসা।’

জয়িতার সঙ্গে সেমন্তী মঞ্জুরী ও তার স্বামী

নিজে রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী হয়ে আরেকজন রবীন্দ্র সংগীতশিল্পীকে নিয়ে সেমন্তী মঞ্জুরী লিখেছেন, ‘অনেকদিন পর দিদির এতগুলো গান শুনলাম! আনন্দঘন সময় কাটলো। গান তো ভালো বলতেই হয়। তবে আবৃত্তি শুনে বার বার মামার (জয়িতার বাবা অভিনেতা খালেন খান) চেহারাটা চোখের সামনে ভেসে উঠছিল। লাভ ইউ জয়িতা দিদি।’

মেধাবী নির্মাতা কৃষ্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায় লিখেছেন, ‘কি অনবদ্য এক ঘন্টা পয়তাল্লিশ মিনিট কাটালাম! জয়িতা দোস্ত, তুমি সবার হৃদয় হরণ করেছ। তোমার গায়কী এবং গান নির্বাচন ছিলো এক কথায় পারফেক্ট। তুমি তো বটেই, তোমার যন্ত্রশিল্পীরাও অসাধারন পারফরমেন্স করেছেন গত রাতে। গান, নাচ, কবিতা সব মিলিয়ে অদ্ভূত সুন্দর একটা আবহ তৈরী হয়েছিলো। প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করেছি আমি। এ ধরনের পরিবেশনা তোমার আরও বেশি বেশি করা উচিত।’

একক সংগীতানুষ্ঠান ‘‘টেগর’স টেল’’-এ অনবদ্য পরিবেশনা ছিল জয়িতার

শুধু এই তারকারাই নন, জয়িতার ফেসবুক জুড়ে আরও নানা পেশা, নানা বয়সের দর্শকের প্রশংসা বার্তা ছড়িয়ে আছে। টিকেট শেষ হয়ে যাওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করে জয়িতা আগের দিনই জানিয়েছেন, শিগগির আবার ফিরবেন এরকম আয়োজন নিয়ে।

;

ডিএ তায়েবকে তীক্ষ্ণ জবাব নিপুণের, নেবেন আইনি ব্যবস্থাও!



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
নিপুণ ও ডিএ তায়েব

নিপুণ ও ডিএ তায়েব

  • Font increase
  • Font Decrease

এবারের চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে শেষ হয়েছে এমনটাই মনে করছিলেন সবাই। অল্প কিছু ভোটে জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা নিপুণ হেরে যান খল নায়ক ডিপজলের কাছে। তখন তিনি বলেছিলেন, আমার অনেকগুলো ভোট নষ্ট হয়েছে। নয়ত ফলাফল ভিন্ন হতে পারতো। তারপরও নিপুণ পরাজয় মেনে নিয়ে মিশ-ডিপজল প্যানেলকে বিজয়ের মালা দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

তবে সেই নির্বাচনে এক মাস যেতে না যেতেই বর্তমান কমিটির বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে আদালতে রিট করেন নিপুণ আক্তার। নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ এনে এই ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠনের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে রিটে। পাশাপাশি নতুন করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। এরপরই শুরু হয় পক্ষে বিপক্ষে তর্ক-বিতর্ক।

শিল্পী সমিতির সহ-সভাপতি পদে জয়ী হওয়ায় ডিএ তায়েবকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নেন এক সহকর্মী

এরমধ্যে গেল বৃহস্পতিবার সমিতির কার্যকরী সভা শেষে বর্তমান কমিটির সহ-সভাপতি চিত্রনায়ক ডিএ তায়েব জানান, নিপুণের সদস্য পদ বাতিল হতে পারে। গণমাধ্যমে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদককে নিয়ে বাজে মন্তব্য করেছেন তিনি। তার সদস্যপদ কেন বাতিল করা হবে না, সেটি জানতে চেয়ে চিঠি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বর্তমান কমিটি।

নিপুণ এখন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। তার একমাত্র কন্যার কনভোকেশনে অংশ নিতে দেখা গেছে এই নায়িকাকে। তবে নিজের সদস্য পদ বাতিল হতে পারে এমন খবর ঠিকই তার কানে গেছে। আর তা শুনে মুখও খুললেন নিপুণ। তিনি বলেন, সদস্যপদের সঙ্গে কোর্টের কোনো সম্পর্ক নেই। রিট যেহেতু করেছি, ওনাদের কোর্টে আসতেই হবে। আর তিনি যদি সদস্যপদ খারিজ করতেই চায়, তাহলে সেটার জন্যও কোর্ট রয়েছে। দেশে তো আইন রয়েছে।

একমাত্র কন্যার কনভোকেশনে অংশ নিতে নিপুণ এখন যুক্তরাষ্ট্রে

ডিএ তায়েবের মন্তব্যের জবাবে নিপুণ বলেন, ডিএ তায়েবের মতো একদমই ফ্রি লোক না আমি। তিনি কি অভিনেতা? একজন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা? তার কোনো সিনেমা ব্লকবাস্টার? তিনি কি বাংলাদেশি চলচ্চিত্র অঙ্গনে নিজের নাম নক্ষত্রের সঙ্গে লিখেছেন? তার কাছে আমার প্রশ্ন রইল। আর তিনি আমাকে নিয়ে বলেছেন, আমার নাকি মানসিক সমস্যা রয়েছে। সেটার জন্য আমি দেশে আসার পর তার নামে সাইবার ক্রাইমে মামলা করব।

;

কানের রেড কার্পেটে এবার চার নায়িকাকে নিয়ে হাজির ভাবনা!



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
কান চলচ্চিত্র উৎসবে ভাবনা

কান চলচ্চিত্র উৎসবে ভাবনা

  • Font increase
  • Font Decrease

অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী আশনা হাবিব ভাবনা জানেন কিভাবে তার প্রথম কান যাত্রা অর্থবহ করা যায়। তাই সিনেমা দেখা, বিশ্বের বিভন্ন দেশের চলচ্চিত্রকার ও তারকাদের সঙ্গে কথা বলাসহ নিজের পোশাকেও রেখেছেন বুদ্ধিদীপ্ততা।

কান চলচ্চিত্র উৎসবে ভাবনা / ছবি : ফেসবুক

তার প্রতিদিনের পোশাক আলাদা আলাদা কারণে স্পেশ্যাল হয়ে উঠেছে। প্রথম দিন তিনি হাজির হন আন্তর্জাতিক তারকাদের মতো লম্বা টেলওয়ালা গাউনে। এর পরদিন ঢাকার কাক’কে পোশাকে উপস্থাপন করেন। তৃতীয় ঢাকাই জামদানির সঙ্গে রিকশা পেইন্টের মোটিফে তৈরী ব্লাউজ পরে নজর কাড়েন। এর পরদিন তিনি বেছে নেন দেশিয় বেনারসি শাড়ি কেটে তৈরী ভিন্নধর্মী গাউন।

কান চলচ্চিত্র উৎসবে ভাবনা / ছবি : ফেসবুক

আর আজ প্রকাশ হয়েছে ভাবনার কান উৎসবের পঞ্চম দিনের সাজ। এটিও একটি বিশেষ কারণে নেটিজেনদের আগ্রহ কেড়ে নিয়েছে। ভাবনা এবার কালো অলসোল্ডার গাউনে হাজির হয়েছেন রেড কার্পেটে। পোশাকের কাটিং-প্যাটার্ণে আলাদা স্বকীয়তা না থাকলে নজর কেড়েছে পোশাকের দামান অংশের কাজ।

কান চলচ্চিত্র উৎসবে ভাবনা / ছবি : ফেসবুক

সেখানে ফুলেল নকশার মাঝে মাঝে স্টোন দিয়ে কিছু লেখা চোখে পড়ছে। একটু ভালো করে খেয়াল করলেই দেখা যাবে তাতে লেখা চারটি নাম- ববিতা, সুর্বণা (সুবর্ণা মুস্তাফা), মেরিল স্ট্রিপ ও অড্রে হেপবার্ন।

কান চলচ্চিত্র উৎসবে ভাবনা / ছবি : ফেসবুক

এই নাম চারটি নিয়ে আলাদা করে বুঝিয়ে বলার কিছুই নেই। সিনেমাপ্রেমী প্রত্যেকে এই চারটি নামের সঙ্গে বহুকাল ধরে পরিচিতি। এমনকি চারজনই সবার প্রিয় নারী তারকা। দুজন বাংলাদেশের, দুজন হলিউডের।

কান চলচ্চিত্র উৎসবে ভাবনা / ছবি : ফেসবুক

এই চারজন ভাবনারও খুব প্রিয় অভিনেত্রী। তাই তাদের সম্মান দেখানোর জন্যই কানের মতো প্রসিদ্ধ মঞ্চে ভাবনা তার পোশাকে নামগুলো খোদাই করেছেন। পোশাকটি ডিজাইন করে দিয়েছেন তার ছোট বোন অদিতি।

;