ঈদে বৈশাখী টেলিভিশনে ৩০ নাটক!



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
৭ পর্বের ধারাবাহিক ‘ক্ষমা করে দিও’তে জাহিদ হাসান ও ভাবনা, ‘গানে গানে ঈদ আনন্দ’ অনুষ্ঠানে সালমা

৭ পর্বের ধারাবাহিক ‘ক্ষমা করে দিও’তে জাহিদ হাসান ও ভাবনা, ‘গানে গানে ঈদ আনন্দ’ অনুষ্ঠানে সালমা

  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদুল আজহা উপলক্ষে বৈশাখী টেলিভিশনের আয়োজনে থাকছে ৩০টি নাটক, ৭টি সিনেমা ও জনপ্রিয় শিল্পীদের পরিবেশনায় সংগীতানুষ্ঠান, কমেডি শোসহ নানা আয়োজন।

নাটকগুলোর মধ্যে ১৬টি একক, ৭ পর্বের ৫টি ধারাবাহিক এবং ৭টি মেগা ধারাবাহিক। একক নাটকগুলো প্রচার হবে প্রতিদিন রাত ৮টা ১০ মিনিটে এবং ৯টা ৫০ মিনিটে। এর বাইরে ঈদের দিন সকাল ৯টায় প্রচার হবে আল হাজেনের পরিচালনায় একক নাটক ‘বধূ কোন আলো লাগলো চোখে’। অভিনয় করেছেন- তানজিকা আমিন, রহমতউল্লাহ, ইশতিয়াক আহমেদ রুমেল প্রমুখ। সকাল ১০ টায় ‘সেম সেম বাট ডিফরেন্ট’। রাজিবুল ইসলাম রাজিবের রচনায় ও মেহেদী রনির পরিচালনায় এতে অভিনয় করেছেন- মোশারফ করিম, শাকিলা পারভিন, প্রণব সরকার অপু প্রমুখ।

ঈদের দিন সকাল ৯টায় প্রচার হবে আল হাজেনের পরিচালনায় একক নাটক ‘বধূ কোন আলো লাগলো চোখে’। অভিনয় করেছেন তানজিকা আমিন

বাকি ১৪টি একক নাটকের মধ্যে মোশারফ করিম-তাসনুভা তিশার ‘ধরা’, রাশেদ সীমান্ত-অহনার ‘প্রেম পরীক্ষা’, ‘নিলয়-হিমির ‘আত্মীয়’, মোশারফ করিম-রোবেনা রেজা জুঁইয়ের ‘ভাড়ায় বিয়ে’, রাশেদ সীমান্ত-অহনার ‘পুত্রবধূ’, মোশারফ করিম-জুঁইয়ের ‘বিক্রিত জিনিস ফেরত নহে’, জোভান-কেয়া পায়েলের ‘বন্ধুত্ব নাকি প্রেম’, খায়রুল বাসার-তানজিন তিশার ‘মানুষ মানুষ খেলা’, নিলয়- হিমির ‘আমরা বিবাহিত’, তৌসিফ-কেয়া পায়েলের ‘সামার ব্রেক’, মুশফিক ফারহান-মাহি’র ‘শুধু তোমার জন্য’, নিলয়-সাফা কবিরের ‘জান আমার’, জোভান-কেয়া পায়েলের ‘এ হৃদয়’ এবং মোশরফ করিম-নীঞ্জনা নীলার ‘প্রেমের কোনো বয়স নাই’।

ঈদের ৫টি ৭ পর্বের ধারাবাহিক হলো আশরাফী মিঠুর পরিচালনায় জাহের আলভী-জেবা জান্নাত অভিনীত ‘বিবাহ অভিযান’, সরদার রোকনের পরিচালনায় এ্যালেন শুভ্র-সারিকা অভিনীত ‘বিউটি এখন নায়িকা’, জামাল মল্লিকের পরিচালনায় খায়রুল বাসার-নাজিয়া অর্ষা অভিনীত ‘সোনাভান, এস আই সোহেলের পরিচালনায় মীর সাব্বির-ফারহানা মিলি অভিনীত ‘বাপকা বেটা’ এবং হানিফ খানের পরিচালনায় জাহিদ হাসান-আশনা হাবিব ভাবনা অভিনীত ‘ক্ষমা করে দিও’।

মোশরফ করিম-নীঞ্জনা নীলার একক নাটক ‘প্রেমের কোনো বয়স নাই’

ঈদ অনুষ্ঠানমালায় প্রতিদিন রাত ১১টা ৩৫ মিনিট থেকে প্রচার হবে ৭টি মেগা নাটক। নাটকগুলো হলো- আজিজুল হাকিম-দিলারা জামান-মীর সাব্বির অভিনীত ‘কোরবানীর বিরাট হাট’, ইরফান সাজ্জাদ-নাবিলা ইসলাম অভিনীত ‘সাহেব বিবি গোলাম’, আরফান আহমেদ-মৌটুসী বিশ্বাস অভিনীত ‘আমি মানুষ’, সজল- নাদিয়া মিম অভিনীত ‘হৃদয়ে তুমি’, মাসুদ রানা মিঠু-ফাজানা আহসান মিহি অভিনীত ‘পাঁচ টন’, আঁচল-হাসান জাহাঙ্গীর অভিনীত ‘বডিগার্ড’ এবং মুকিত জাকারিয়া-উর্মিলা অভিনীত ‘পরিপূর্ণ ভালোবাসা’।

বিশেষ সংগীতানুষ্ঠানগুলোর মধ্যে ঈদের ৭দিন সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে প্রচার হবে ‘বৈশাখীর সকালের গান’। লিটু সোলায়মানের প্রযোজনায় অংশ নেবেন প্রিয়াংকা বিশ্বাস, নাসির, চম্পা বনিক, অনুপমা মুক্তি, সাব্বির, রুমানা ইসলাম ও শবনম প্রিয়াংকা।

 ‘গানে গানে ঈদ আনন্দ’ অনুষ্ঠানে কর্ণিয়া

ঈদের ৭দিন সকাল ১১ টায় প্রচার হবে বিশেষ সংগীতানুষ্ঠান ‘গানে গানে ঈদ আনন্দ’। এ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন কণ্ঠশিল্পী সালমা, সাগর দেওয়ান ও অংকন ইয়াসমিন, কর্ণিয়া, ফকির শাহাবুদ্দীন ও ইসরাত জাহান জুঁই, অপু আনাম ও নদী, খায়রুল ওয়াসী ও মিতু, রাবেয়া সেতু ও জেসি মোশাররফ। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করবেন আইনুন পুতুল, তাসনুভা মোহনা, তাবাসসুম প্রিয়াংকা ও তমা রসিদ।
নিকোলাস হীরার প্রযোজনায় এবং চিত্রনায়িকা বৃষ্টি ইসলামের উপস্থাপনায় ঈদের ৭ দিন দুপুর ১ টায় প্রচার হবে চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় গান নিয়ে অনুষ্ঠান ‘শুধু সিনেমার গান’। ঈদের দিন দুপুর ১২.৩০ মিনিটে প্রচার হবে কমেডি শো ‘ফানি মোমেন্ট’। দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে প্রচার হবে বৈশাখী টিভিতে প্রচারিত বিভিন্ন নাটকে ব্যবহৃত গান নিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠান নাটকের গান।

ঈদের তৃতীয় দিন প্রচার হবে রিয়াজ-পূর্ণিমা অভিনীত ‘হৃদয়ের কথা’

ঈদের ৭দিন দুপুর ২টা ৩০ মিনিট থেকে প্রচার হবে ৭টি সিনেমা। ঈদের দিন প্রচার হবে ‘খায়রুন সুন্দরী’। একে সোহেলের পরিচালনায় এ ছবিতে অভিনয় করেছেন মৌসুমী, ফেরদৌস, এটিএম শামসুজ্জামান প্রমুখ। ঈদের দ্বিতীয় দিন প্রচার হবে ‘কথা দাও সাথী হবে’। অভিনয় করেছেন- শাকিব খান, অপু বিশ্বাস, মিশা সওদাগর প্রমুখ। পরিচালনা সোহানুর রহমান সোহান। ঈদের তৃতীয় দিন প্রচার হবে ‘হৃদয়ের কথা’। এসএ হক অলিকের পরিচালনায় এতে অভিনয় করেছেন রিয়াজ, পূর্ণিমা, মৌসুমী প্রমুখ। ঈদের চতুর্থ দিন রয়েছে ‘আমি জেল থেকে বলছি’। মালেক আফসারীর পরিচালনায় এতে অভিনয় করেছেন মান্না, মৌসুমী, নদী, ওমর সানী প্রমুখ। ঈদের ৫ম দিন রয়েছে ‘জীবন মরণের সাথী’। শাহাদৎ হোসেন লিটনের পরিচালনায় এতে অভিনয় করেছেন শাকিব খান, অপু বিশ্বাস, আলমগীর, মিশা সওদাগর প্রমুখ। ঈদের ৬ষ্ঠ দিন প্রচার হবে ‘মনের সাথে যুদ্ধ’। আহমেদ নাসিরের পরিচালনায় এতে অভিনয় করেছেন মান্না, পূর্ণিমা, বাপ্পারাজ প্রমুখ। ঈদের ৭ম দিন প্রচার হবে ‘মিয়া বাড়ির চাকর’। শাহাদৎ হোসেন লিটনের পরিচালনায় এতে অভিনয় করেছেন- শাকিব খান, অপু বিশ্বাস, রাজ্জাক, ফরীদি প্রমুখ।

কার গয়না পরে বিয়ে করলেন রাধিকা, জানলে অবাক হবেন



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
রাধিকা মার্চেন্ট

রাধিকা মার্চেন্ট

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও এশিয়ার অন্যতম শীর্ষ ধনী মুকেশ আম্বানির ছোট ছেলে অনন্ত আম্বানি এবং রাধিকা মার্চেন্টের বিয়ের ধুম যেন কিছুতেই শেষ হচ্ছে না। আম্বানিদের এই মেগাবাজেটের বিয়ের লাল গালিচায় শুক্রবার সন্ধ্যা থেকেই পা ফেলেছে হলিউড-বলিউডের সব রথী মহারথীরা। বিভিন্ন সাজ, পোশাক-আশাকে বিয়েতে আসা অতিথিদের চমকে দেন তারা।


তবে যাদের জন্য এই মহা আয়োজন সেই আম্বানি পরিবারের ছোট পুত্রবধূ রাধিকা মার্চেন্ট এর সাজও ছিল নজরকারা, চোখ ধাঁধানো। তবে রাধিকা বিয়েতে যে গয়না পড়েছেন তার কাহিনী হয়তো অনেকেই জানেন না।

বিয়েতে বিখ্যাত ডিজাইনার আবু জানি সন্দীপ খোসলার লেহেঙ্গা পড়লেও রাধিকার বিয়ের গয়নাতে সবার চোখ আটকে যায়। কারণ বিয়ের দিন রাধিকা কোন ডিজাইনারের গয়না নয় বরং তার বোন অঞ্জলি মার্চেন্টের গয়না পরেছিলেন। মার্চেন্ট পরিবারে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে নিজেদের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া এসব গয়না দিয়েই তারা বিয়েতে সাজেন। এটাই তাদের পরিবারের রীতি। রাধিকাও তাই নিজেকে পারিবারিক সূত্রে পাওয়া গয়নাতেই নিজেই সজ্জিত করেছেন।


বিয়েতে রাধিকার গলায় একটি চোকার নেকলেস দেখা যায় । তার সঙ্গে পোলকি কানের দুল, টিকলি এবং ম্যাচিং হাতের ফুল। এগুলো ছাড়াও রাধিকা একটি চোখ ধাঁধানো হিরা এবং পান্নার নেকলেস, কড়া, চুড়ি এবং কালীরা পরেছিলেন।

জানা যায়, রাধিকা যে নেকলেসটি পরেছেন সেটি ২০২০ সালে বিয়েতে তার বোন অঞ্জলি মার্চেন্টও পড়েছিলেন। এমনকি এই গয়নাগুলো তাদের মা এবং তাদের নানীও পড়েছিলেন তাদের বিয়ের সময়।

;

অনন্ত-রাধিকার বিয়ের অনুষ্ঠান যেন বলিউডের 'রিইউনিয়ন'



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বিয়ের অনুষ্ঠানে আম্বানি পরিবার/ছবি: সংগৃহীত

বিয়ের অনুষ্ঠানে আম্বানি পরিবার/ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও এশিয়ার অন্যতম শীর্ষ ধনী মুকেশ আম্বানির ছোট ছেলে অনন্ত আম্বানি এবং রাধিকা মার্চেন্টের বিয়ের ধুম যেন কিছুতেই শেষ হচ্ছে না। 

ঐতিহ্যবাহী হিন্দু বৈদিক রীতিনীতি মেনে শুক্রবার (১২ জুলাই) সম্পন্ন হয়েছে আম্বানি পরিবারের ছোট ছেলের বিয়ে।

অনন্ত আম্বানি এবং রাধিকা মার্চেন্ট/ছবি: রয়টার্স

হাজার হাজার কোটি রুপি হাওয়ায় ওড়ানো এই বিয়ের মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে আজ। আম্বানি পরিবারের ঐতিহ্যের সঙ্গে মেলবন্ধন ঘটিয়ে বিবাহ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে চলেছেন ব্যবসা, রাজনীতি এবং শিল্প ক্ষেত্রের ভিভিআইপি-রা।

বলিউড বাদশা শাহরুখ খান ও গৌরী/ছবি: রয়টার্স

এ আয়োজনে যোগ দিতে অতিথি হিসেবে হাজির হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের রিয়েলিটি শো তারকা কিম কার্দাশিয়ান এবং যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার। উপস্থিত হয়েছেন বলিউডের নামি-দামি তারকারা। সবাইকে একত্রে দেখে মনে হচ্ছে, এ যেন বিয়ের অনুষ্ঠান নয়, বলিউডের 'রিইউনিয়ন'।

টাইগার সালমান/ছবি: এপি

মুম্বইয়ের বান্দ্রা কুরলা সেন্টার (বিকেসি) এর জিও ওয়ার্ল্ড সেন্টারে অনুষ্ঠিত হচ্ছে জমকালো এ বিয়ের অনুষ্ঠান। 

গত মার্চ মাস থেকেই বিয়ে উপলক্ষে উৎসব চলছে। আজ বিয়ের অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছেন বলিউড বাদশা শাহরুখ খান। সবুজ ঘেঁষা শেরওয়ানি পরেছিলেন তিনি। আর গৌরীর পরনে ছিল সোনালী আনারকলি সালওয়ার। 

ক্যাটরিনা এসেছেন মোহনীয় লাল শাড়ি পরে। আর ভিকির পরনে শেরওয়ানি।

অন্যদিকে জমকালো স্যুটে দেখা মিলেছে ‘টাইগার’ সলমন খানের। ক্যাটরিনা এসেছেন মোহনীয় লাল শাড়ি পরে। আর ভিকির পরনে শেরওয়ানি।

রণবীর কাপুর ও আলিয়া ভাট/ছবি: সংগৃহীত

বিয়েতে নজর কাড়লেন রণবীর কাপুর-আলিয়া ভাট। রণবীর পরেছিলেন অফহোয়াইট কুর্তা। কানে চকচক করছে হীরের দুল। আলিয়া ভাটের পরনে ছিল দুধে আলতা শাড়ি, জরির কাজের পাড়। সঙ্গে মানানসই গহনা। 


সঞ্জয় দত্ত এসেছিলেন নীল কুর্তা আর পাজামা পরে। 


শনিবার (১৩ জুলাই) শুভ আশীর্বাদের মধ্য দিয়ে উৎসব উদযাপন হবে। আর রোববার (১৪ জুলাই) হবে রিসেপশন পার্টি।

;

সব ধরনের গঠনমূলক কমেন্ট গ্রহণ করতে প্রস্তুত: ইমি



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
শাবনাজ সাদিয়া ইমি / ছবি : ইএন নাঈম

শাবনাজ সাদিয়া ইমি / ছবি : ইএন নাঈম

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের শীর্ষ র‌্যাম্প মডেল শাবনাজ সাদিয়া ইমি। দুই দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে দাপটের সঙ্গে কাজ করছেন তিনি। মাঝেমধ্যে নাটকে অভিনয়ও করতে দেখা গেছে তাকে। আজ শবনম ফেরদৌসী পরিচালিত ‘আজব কারখানা’ চলচ্চিত্রে কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের বিপরীতে বড়পর্দায় অভিষেক হয়েছে ইমির। সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে বার্তা২৪.কমের সঙ্গে কথা বলেছেন এই তারকা। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মাসিদ রণ

শাবনাজ সাদিয়া ইমি / ছবি : ইএন নাঈম

আজ সিনেমা হলে প্রথমবার নিজেকে দেখলেন। অনুভূতি কেমন?


এই অনুভূতি আমি ঠিক বোঝাতে পারবো না! এতো জিনিস একসঙ্গে মাথা আর মনে খেলছে যে ঠিক কোন অনুভূতির কথা বলবো সেটাই বুঝতে পারছি না। আজ আমার বাবা থাকলে হয়তো খুব খুশি হতেন। কারণ তিনি একজন মঞ্চ অভিনেতা ছিলেন। তিনি বুঝতেন একজন শিল্পীর প্রথমবার বড়পর্দায় নিজেকে দেখার অভিজ্ঞতা কেমন! আমি দীর্ঘকাল এই দিনটির জন্য অপক্ষো করেছি। আজ একটা স্বপ্ন সত্য হলো।

শাবনাজ সাদিয়া ইমি / ছবি : ইএন নাঈম

প্রথমদিনে দর্শকের কেমন সাড়া পেলেন?


আজ আমার পরিচিতি-অপরিচিত অনেক দর্শকের সঙ্গে দেখা হয়েছে সিনেমা হলে। যারা দেখতে এসেছেন তারা ভালোটাই বলেছেন। তবে আমি যদি কোন ভুল করি বা আমার কোন খামতি থাকে সেটা শুনতেও প্রস্তুত। কারণ অভিষেক সিনেমাতেই শতভাগ পারফেক্ট হবো না এটা খুব ভালো করেই মাথায় আছে। ফলে সব ধরনের গঠনমূলক কমেন্টই আমি গ্রহণ করবো। যা ভবিষ্যতে আমার কাজের ক্ষেত্রে সহায়ক হবে বলে মনে করি।

শাবনাজ সাদিয়া ইমি / ছবি : ইএন নাঈম

ছবিটি বেশ অল্প সংখ্যক হলে মুক্তি পেয়েছে। এর কারণ কী?


ছবিটি কতো সংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছালো কিংবা সিনেমাটি কতোখানি ব্যবসা করলো সেটি আমার কাছে মূখ্য নয়। আমার কাজ ছিলো, নিজের চরিত্রটি সুচারুরূপে ফুটিয়ে তোলা। সেটি একদম না পারলে ডিরেক্টর নিশ্চয়ই শট ওকে করতেন না। আর ব্যবসার দিকটি প্রযোজক-পরিচালকের ডিপার্টমেন্ট। যদিও আমার প্রযোজক-পরিচালক এরইমধ্যে বিষয়টি স্পষ্ট করে বলেছেন যে, এই ছবি একেবারে সিঙ্গেলস্ক্রিন পূর্ণ হওয়ার মতো ছবি নয়। কারণ প্রতিটি ছবি আলাদা উদ্দেশে নির্মিত হয়। এই ছবিটির উদ্দেশ্যই ছিলো আমাদের বাংলার ফোকগানের সমৃদ্ধ ভাণ্ডারকে সিনেমার মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের মানুষের সামনে তুলে ধরা। সেটি অনেকটাই করতে পেরেছেন নির্মাতারা। ছবিটি এরইমধ্যে ঢাকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে, প্রশংসা কুড়িয়েছে। তাছাড়া নির্মাতা এও বলেছেন যে, এখনই সারাদেশের অনেক বেশি সিনেমা হলে ছবিটি মুক্তি দিতে চান না তারা। কারণ এই কাজে যে পরিমাণ লোকবল দরকার তা আপাতত আমাদের নেই।

শাবনাজ সাদিয়া ইমি / ছবি : ইএন নাঈম

প্রথম ছবি হিসেবে ‘আজব কারখানা’কে বেছে নেওয়ার কারণ কী?


যেহেতু অনেক বছর ধরে ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছি, তাই এরমধ্যে সিনেমার একেবারেই প্রস্তাব যে পাইনি তাতো নয়! বেশকিছু ছবির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছি নানা কারণে। কিছু ছবির গল্প, নির্মাতা কিংবা সহশিল্পী পছন্দ হয়নি বলে করিনি। একটা সময় আমাদের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির অবস্থাও যা ছিলো তাতে আমার মতো মানসিকতার মেয়ের ছবি করার সুযোগ ছিলো না। তাছাড়া একটা সময় নিজেকে অভিনয়ের জন্য প্রস্তুতও মনে করতাম না। কারণ আমার বাবা অভিনয়ের জন্য কি পরিমাণ ডেডিকেটেড ছিলেন সেটা নিজের চোখে দেখেছি। আমিও চাইতাম অভিনয় করতে হলে অবশ্যই একটু শিখে পড়েই আসবো। এজন্য কিছু নাটকে অভিনয় করে এবং নিজস্ব চর্চার মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করেছি। এরপর আমার কাজ ছিলো একটি ভালো গল্প, ভালো নির্মাতা ও ভালো সহশিল্পীর সঙ্গে কাজ করা। সেটি আমি ‘আজব কারখানা’তেই পেয়েছি। নির্মাতা শবনম ফেরদৌসী আমাকে আগ্রহ করে ছবিতে নিয়েছেন। সহশিল্পী হিসেবে কলকাতার পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়কে পাওয়াটাও কম সৌভাগ্যের কথা নয়। সব মিলিয়ে রাজী হওয়া।

শাবনাজ সাদিয়া ইমি / ছবি : ইএন নাঈম

প্রথম ছবিতে অভিনয়, তাও পরমব্রত’র মতো তারকার সঙ্গে বেশিরভাগ দৃশ্য। কাজের অভিজ্ঞতা কেমন ছিলো?


এক কথায় বলতে গেলে ভালো ছিলো। কারণ অভিনয়টা আরাম করে করার মতো একটি পরিবেশ পেয়েছি। নির্মাতা বেশ ধরে ধরে আমার অংশের কাজটুকু করেছেন। তাছাড়া চরিত্রটিও ছিলো আমার বাস্তব জীবনের সঙ্গে অনেকটাই মিল। এখানে আমি একজন নামকরা মডেলের চরিত্রেই অভিনয় করেছি। এজন্য কাজটি করা আমার জন্য অতো কঠিন ছিলো না। তবে যতোই চেনাজানা চরিত্র করি না কেন, পরমব্রত’র মতো পাকা অভিনেতার সঙ্গে প্রথম সিনেমায় কাজ করতে গেলে কিছুটা ভয় থেকেই যায়। সেটি আমাকে কাটিয়ে উঠতে তিনি বেশ সাহায্য করেছেন। যার ফলে তার সঙ্গে রোমান্টিক দৃশ্যগুলো করতেও আমার খুব একটা অসুবিধা হয়নি।

শাবনাজ সাদিয়া ইমি / ছবি : ইএন নাঈম

আাগামীর কাজের পরিকল্পনা কী?


‘আজব কারখানা’র শুটিং শেষ করেছিলাম কোভিডের আগেই। তখন থেকেই আমি অপেক্ষা করছিলাম এই ছবিতে আমার অভিনয় দর্শক কিভাবে নেয় সেটা দেখার। এই ছবির ফলাফলের ওপর ভিত্তি করেই আমার আগামীর অভিনয়ক্যারিয়ার নির্ভর করবে বলে মনে হয়েছে। এজন্য এরমধ্যে আর কোন সিনেমায় কাজ করিনি। দেখা যাক দর্শক কিভাবে নেয় আমাকে। ভালোভাবে নিলে নিশ্চয়ই ভালো নির্মাতাদের ভালো ভালো ছবিতে কাজের প্রস্তাব পাবো। আর সিনেমার বাইরে মডেলিং তো চলবেই। সম্প্রতি বলিউড তারকা আর্জুন রামপালের সঙ্গে ঢাকাতেই একটা ফ্যাশন শো করলাম। তিনি আমার পছন্দের তারকাদের একজন। সেই অভিজ্ঞতাও মনে রাখার মতো।

শাবনাজ সাদিয়া ইমি / ছবি : ইএন নাঈম

;

মায়ের লেখা গল্পে জনপ্রিয় সিরিজের নতুন কিস্তি নিয়ে নুহাশ



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
মায়ের সঙ্গে নুহাশ হুমায়ূন

মায়ের সঙ্গে নুহাশ হুমায়ূন

  • Font increase
  • Font Decrease

চরকি অরিজিনাল সিরিজ ‘পেট কাটা ষ’ নির্মাণ করে দারুণ সাড়া ফেলেন এ সময়ের মেধাবী নির্মাতা নুহাশ হুমায়ূন। গ্রাম বাংলায় প্রচলিত দেশি ভূতের গল্প নিয়ে সিরিজটি নির্মাণ করেছিলেন নুহাশ। এবার সেই সিরিজের দ্বিতীয় কিস্তি নিয়ে হাজির হচ্ছেন এই নির্মাতা। সবচেয়ে আকর্ষনীয় বিষয় হলো, সিরিজটির গল্প লিখেছেন নুহাশের মা কবি গুলতেকিন খান!

প্রথমবারের মতো ওয়েব সিরিজের গল্প লিখলেন গুলতেকিন। শৈশবে নুহাশ তারা বাবা হুমায়ূন আহমেদকে (প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক) খুব একটা কাছে পাননি, ফলে মা’ই ছিলেন তার জীবনের সবচেয়ে ভরসার জায়গা। মায়ের কাছেই বাংলা, ইংরেজি পড়ে, অঙ্ক কষে শৈশব কেটেছে তার। বহু বছর পর সেই হোমওয়ার্কের স্মৃতিকাতর দিনে ফিরেছেন মা ও ছেলে। আবারও হোমওয়ার্ক করতে বসেছেন তারা। দুজন মিলে হিসাব কষে গল্প লিখেছেন।

মায়ের সঙ্গে কিশোর নুহাশ

মা ও ছেলে মিলে ‘পেট কাটা ষ’ সিরিজের দ্বিতীয় মৌসুমের চারটি গল্পের মধ্যে তিনটি গল্প লিখেছেন। এই কাজ নয়, নুহাশের প্রতিটি চিত্রনাট্যের সঙ্গেই মিশে আছেন গুলতেকিন খান। কীভাবে? নুহাশ বললেন, ‘যখনই কোনো চিত্রনাট্য লিখি, সেটা প্রিন্ট করে মা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পড়েন। চিত্রনাট্যের ভালো-মন্দ নিয়ে আমরা আলোচনা করি। আমার চিত্রনাট্যের সঙ্গে মা ভীষণভাবে জড়িয়ে থাকেন।’ নুহাশ আরও বলেন, ‘‘সৃজনশীল ক্ষেত্রে কাজ করলে অনেককে পরিবার বুঝতে চায় না। কিন্তু আমার পরিবার শুধু বুঝছেই না, আমার সঙ্গে কাজও করছে। এটা আমার জন্য গর্বের ব্যাপার, আমি ভীষণ সৌভাগ্যবান।’

চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেদওয়ান রনি গণমাধ্যমকে জানান, ‘পেট কাটা ষ’ সিরিজের দ্বিতীয় মৌসুমের দৃশ্যধারণ শেষের পথে। এ বছরের শেষের দিকে সিরিজটি মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে। আগের মৌসুমের তুলনায় এই মৌসুমের চিত্রনাট্য ভীষণ পরিণত। বিশেষ করে গুলতেকিন ম্যামের (খান) ইনপুট সিরিজটাকে অনেক সমৃদ্ধ করেছে।

‘পেট কাটা ষ’ সিরিজের প্রথম সিজনের পোস্টার

গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হুলুতে মুক্তি পেয়েছে নুহাশের স্বল্পদৈর্ঘ্য ‘ফরেনারস অনলি’। এ বছর ‘পেট কাটা ষ’ ছাড়াও একাধিক আন্তর্জাতিক কাজ করেছেন তিনি। নির্মাতা নুহাশকে নিয়ে গুলতেকিন খান বললেন, ‘ও যখন যেটা করে, খুব মনোযোগ আর নিষ্ঠার সঙ্গে করে। মা হিসেবে বলছি না, দর্শক হিসেবে বলছি, নুহাশের নির্মাণ আমার খুব ভালো লাগে।’

প্রথমবার কোনো সিরিজের গল্প লেখার অভিজ্ঞতা নিয়ে গুলতেকিন বলেন, ‘‘এটা আমার জন্য অদ্ভুত সুন্দর একটি অভিজ্ঞতা ছিল। প্রথমে ভয় পেয়েছিলাম। কিন্তু নুহাশ যখন বলল সে পছন্দ করেছে, তখন মনে হলো, আমাকে খুশি করার জন্য ও ‘ভালো’ বলবে না। গল্পটা ভালো না হলে ও বলত, ‘এখানে একটু ভালো করতে হবে।’ দুজন মিলে গল্পটা লিখেছি।’’

মায়ের সঙ্গে নুহাশ হুমায়ূন
;