বিয়ে ভেঙে গেলে নেটিজেনরা খুশি হবেন? প্রশ্ন চমকের স্বামীর!



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বিয়ের দিনে চমক ও তার স্বামী নাসির

বিয়ের দিনে চমক ও তার স্বামী নাসির

  • Font increase
  • Font Decrease

ছোটপর্দার উঠতি নায়িকা হয়েও বিয়ে নিয়ে ভালোই চমক দেখাচ্ছেন রুকাইয়া জাহান চমক! ৯০০ টাকার শাড়ি পরে মাত্র ৯ টাকা কাবিনে বিয়ে করে আলোচনায় উঠে আসার পরই তার বিয়ের ওপর নজর লেগেছে অনেকেরই। বাদ যায়নি গণমাধ্যমও। তাইতো এই বিয়ে নিয়ে বেরিয়ে আসছে একের পর এক নতুন তথ্য।

এই যেমন, গত দুইদিন ধরে চমকের স্বামীর জীবনের অতীতের চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে গণমাধ্যম। আজ আবার সেই বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে নিজের ফেসবুকে ভিডিও বার্তা প্রকাশ করে আলোচনায় উঠে এসেছেন তার স্বামী নাসির। 

‘আই অ্যাম স্যরি চমক’ ক্যাপশনে ফেসবুকে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করলেন আজমান নাসির। চমক হলেন নাসিরের তৃতীয় স্ত্রী। অভিনেত্রীর স্বামীর আগের দুটি বিয়ের সংবাদ গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পরপরই তোলপাড় শুরু হয় শোবিজে।

চমকের এই ভালোবাসার বিয়ে কী ভাঙতে বসেছে। চমকের স্বামী কী এসব ঘটনা লুকিয়েছে? নানা প্রশ্ন সামনে আসতে থাকে। ঘটনার সত্যতাও পাওয়া গেলো নাসিরের ভিডিও বার্তা থেকেই। চমকের স্বামী বলেন, সংবাদ প্রকাশের পর চমকের সামনে মুখ দেখাতে পারছি না।

বাগদানের দিনে চমক ও তার স্বামী নাসির

আজমান নাসির বলেছেন, শরিয়ত মেনেই দুটি বিয়ে করেছিলেন তিনি এবং ডিভোর্সও দিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ৯ টাকা দেনমোহরে বিয়ে ৯ দিন টিকবে না মন্তব্য ঘিরে কষ্ট পাচ্ছেন তিনি। বিয়ে ভেঙে গেলে নেটিজেনরা খুশি হবেন কি না জানতে চেয়েছেন।

তিনি বলেছেন, চমক আমার অতীত সম্পর্কে জানতেও চায়নি। আমরা ভালোবেসে বিয়ে করেছি। আমরা সারাটি জীবন সুখে শান্তিতে কাটাতে চেয়েছি। চমকের মতো মেয়েকে ভাগ্য গুণে পেয়েছেন বলেও জানান নাসির। ভিডিও বার্তায় আগের স্ত্রীরা প্রতারণা করেছেন বলেছেন। তবে কী প্রতারণা করেছেন সেটি বলেননি।

২০২৪ সালের ২১ জুন হঠাৎ করেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিয়ের ছবি প্রকাশ করেন অভিনেত্রী চমক। স্বামী আজমান নাসিরকে নিয়ে সরাসরি খোলামেলা কিছু বলেননি তিনি।

নাসিরের প্রথম বিয়ে ২০০৮ সালের ১০ জুন। বিয়ের মাস খানেক পর স্টুডেন্ট ভিসায় স্ত্রী সামান্তা ইসলামকে নিয়ে লন্ডনে পড়াশোনা করতে যান তিনি। সূত্রটি বলছে, অর্থের জোগান না থাকায় শেষ পর্যন্ত পড়াশোনার পাঠ না চুকিয়েই দেশে ফেরেন তারা। এরপর ২০১১ সালের নভেম্বরে তাদের ঘরে কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। কিন্তু দাম্পত্যকলহে ২০১৬ সালের জুন সামান্তার সঙ্গে ডিভোর্স হয় নাসিরের।

প্রথম সংসারে থাকাকালীন সময়েই নাসিরের জীবনে আসে এক মডেল। ওই মডেল এখন চলচ্চিত্রে নাম লিখিয়েছেন। সেই মডেল কাম নায়িকার ‘ডেডবডি’ নামে একটি সিনেমা মুক্তিও পেয়েছে। তবে সাড়া ফেলতে পারেনি। সেই প্রেম অবশ্য বেশিদিন টেকেনি। নাসিরের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো না জানার পরেই কেটে পড়েন মডেল।

বিয়ের দিনে চমক ও তার স্বামী নাসির

এর মধ্যে লামিয়া ফারহিনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান নাসির। লামিয়া সম্ভ্রান্ত পরিবারের মেয়ে। অর্থবিত্ত কোনো কিছুতেই কমতি ছিল না। নাসিরের প্রেমের ফাঁদে পড়েন তিনি। প্রেমের সম্পর্ক থেকে ২০১৮ সালের ১৮ জুলাই বিয়ে সম্পন্ন করেন তারা।

এরপর ২০২০ সালের ডিসেম্বরে এই ঘরেও আসে কন্যাসন্তান। তারপর ২০২৩ সালের অক্টোবর আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদ হয় তাদের। তার একবছর না পেরুতেই নাসিরের তৃতীয় স্ত্রী হন ছোটপর্দার অভিনেত্রী চমক।

জাস্টিনের ভারত সফরের ছবিতে প্রশংসায় ভাসছেন নেটিজেন



প্রমা কান্তা কোয়েল, বার্তা২৪.কম
জাস্টিন বিবার / ছবি: ইন্সটাগ্রাম

জাস্টিন বিবার / ছবি: ইন্সটাগ্রাম

  • Font increase
  • Font Decrease

বিখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী জাস্টিন বিবার সম্প্রতি ভারতে এসেছেন। নামকরা ধনকুবের মুকেশ আম্বানির ছোট ছেলে অনন্ত আম্বানির ছেলের বিয়েতে গান শোনাতে হাজির হন কোটি তরুণীর হার্টথ্রোব বিবার। সেই সফরের বিভিন্ন মুহূর্তই ভক্তদের সাথে ভাগাভাগি করে নিয়েছেন তিনি। বিবার তার নিজস্ব ইন্সটাগ্রাম একাউন্ট থেকে কনসার্টের কিছু ছবি এবং ভিডিও শেয়ার করেছেন। সেখানে কমেন্টে তার ভক্ত এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা, বিশেষ করে ভারতীয় এবং হিন্দি ভাষাভাষীরা মন্তব্য করছেন।  

আগামী ১২ থেকে ১৪ তারিখ আম্বানি পরিবারের এই জেনারেশনের সর্বশেষ বিয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। মুকেশ এবং নীতা আম্বানির কনিষ্ঠ পুত্র অনন্ত, তার্ই ছোটবেলোর বান্ধবী রাধিকা মার্চেন্টের সঙ্গে বিবাহ-বন্ধনে আবদ্ধ হতে চলেছেন। ভারতীয় প্রভাবশালী ব্যবসায়ী বীরেণ মার্চেন্টের কন্যা রাধিকা। এই উৎসব উপলক্ষে একত্রিত হয়েছেন সকর সুধীজন।

শুক্রবার ( ৫ জুলাই) তাদের সঙ্গীতের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পুরো বলিউড পাড়া সেখানে উপস্থিত হলেও, সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিলেন জাস্টিন বিবার। কানাডিয়ান এই সঙ্গীত শিল্পী বিশ্বব্যাপী চর্চিত নাম। বিশেষ করে অধিকাংশ তরুণীর হৃদয়ে বসবাস তার। ব্যতিক্রম নয়, ভারতীয়রাও। প্রমাণ মিললো অনন্ত-রাধিকার সঙ্গীতের দিনও।

সাদা স্যান্ডো গেঞ্জি, শুভ্র জ্যাকেট এবং কম্ফোর্টেবল কালো ট্রাউজার পড়ে গান গাইতে স্টেজে ওটেন বিবার। সঙ্গে ছিল কালো লেদার বুট জুতা, কালো ক্যাপ এবং চওড়া লাল ফ্রেমের সানগ্লাস। স্টেজের সামনে অসংখ্য তরুণীর ভীড়। সকলে চিৎকার করছে তার নাম ধরে। অনুষ্ঠানে বিবার তার বিখ্যাত সকল গানগুলো গেয়ে শোনান। ‘লাভ ইওরসেল্ফ’, ‘আই’ম দ্য ওয়ান’, ‘হোয়ার আর ইউ নাউ’ ইত্যাদি নানান গানে কণ্ঠ মিলিয়েছেন উপস্থিত বলিউড শিল্পীরা।

এর বাইরে হবু দম্পতির সঙ্গে একান্তে সময় কাটিয়েছেন বিবার। অনন্ত এবং রাধিকার সঙ্গেও ঘনিষ্ট  বন্ধুত্বপূর্ণ সময় কাটানোর দৃশ্য তিনি তুলে ধরেছেন। ভারতের বাইরের বিভিন্ন ভক্তও তাদের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন সেসব ছবিগুলোর নিচে।

কনসার্ট চলাকালে গান গাওয়া এবং ভক্তদের সঙ্গে সুর মেলানোর ২ টি ভিডিওসহ আরও অনেক ছবি মিলিয়ে প্রায় ১০ টি পোস্ট করেছেন বিবার। সেখানে অনুষ্ঠানে যাওয়ার আগে-পরে এবং চলাকালের বিভিন্ন মুহূ্র্ত ধরা দিয়েছে ভক্তদের কাছে।          

চলতি বছর জুড়েই চর্চায় ছিল অনন্ত আম্বানি এবং রাধিকা মার্চেন্টের বিয়ে। প্রি-ওয়েডিং থেকে শুরু হয়েছে নানারকম আনন্দ উৎসব। বলিউড সংশ্লিষ্ট সকলে তো রয়েছেনই; এছাড়াও রিয়ান্না, বিল গেটস, মার্ক জুকারবার্গ অনেকেই হবু দম্পতিকে শুভ কামনা জানাতে প্রি-ওয়েডিংয়ে হাজির হন। এখন চলছে বিয়ের অনুষ্ঠান। সামনে আসতে চলেছে আরও বড় বড় চমক। 

;

সঙ্গীতে সোনায় মোড়ানো অনন্ত আম্বানি, ঝলমলে বলি তারকারা



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
জাস্টিন বিবার, আলিয়া ভাট, অনন্ত-রাধিকা ও দীপিকা পাড়ুকোন

জাস্টিন বিবার, আলিয়া ভাট, অনন্ত-রাধিকা ও দীপিকা পাড়ুকোন

  • Font increase
  • Font Decrease

নীতা মুকেশ আম্বানি কালচারাল সেন্টারে গতকাল শুক্রবার রাতে বসেছিলো আম্বানি পরিবারের ছোট ছেলে অনন্ত আম্বানি আর রাধিকা মার্চেন্টের গ্র্যান্ড সংগীতের আসর। হবু বউয়ের হাত ধরে যখন অনন্ত আম্বানি গ্র্যান্ড এন্ট্রি নিলেন, উপস্থিত অতিথিরা তখন কাকে ছেড়ে কাকে দেখবেন দ্বিধায় পড়ে গিয়েছিলেন। অনন্ত-রাধিকার চোখ ধাঁধানো লুক মুগ্ধ করেছে সবাইকে।

বরাবরের মতো নীতা আম্বানির সাজে স্পষ্ট কতো বড় ধনকুবেরের ঘরনী তিনি! গোলাপী পোশাক আর গ্রীণ ডায়মণ্ডের গয়নার তিনি ছিলেন অনুষ্ঠানের মধ্যমণি

এ অনুষ্ঠানে অনন্ত আম্বানি যে কালো-সোনালী পোশাকটি পড়েছিলেন, সেটা খাঁটি সোনায় মোড়ানো! পোশাকের জরি এমব্রয়ডারিতে ব্যবহৃত সমস্ত উপাদানই খাটি সোনার তৈরি। গলা বন্ধ ম্যান্ডারিন কলারের পোশাকটিতে ফুলেল নকশা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে সোনা দিয়ে। সাথে অনন্ত পরেছেন কালো কুর্তা শার্ট এবং প্যান্ট। জুতাও ছিল কালো। চুল পনিটেল করে বেঁধে রেখেছেন তিনি। তার পোশাকটি ডিজাইন করেছেন আবু জানি সন্দীপ খোসলা।

অনন্ত-রাধিকার চোখ ধাঁধানো লুক মুগ্ধ করেছে সবাইকে

রাধিকার পোশাকটিও আবু জানি সন্দীপ খোসলার নকশা করা। পুরো লেহেঙ্গা জুড়ে করা হয়েছে মূল্যবান সোয়ারভস্কি ক্রিস্টালের কাজ। বেইজ ও গোল্ড রঙের অফ শোল্ডার ব্লাউজের সাথে এ-লাইন লেহেঙ্গায় দারুণ লাগছিল রাধিকাকে। গলায় পরেছিলেন হীরার নেকলেস, সাথে পান্নাও ছিল। একটি ব্রেসলেট, কানের দুলের সাথে উইংড আই-লাইনারে হালকা সাজে সেজেছেন রাধিকা।

মুকেশ আম্বানি ও নিতা আম্বানির কন্যা ঈষা আম্বানি

এছাড়া বলিউডের প্রখ্যাত তারকারা এসেছিলেন ঝলমলে পোশাক পরে। ছবিতে দেখুন তাদের সাজ পোশাক-

বলিউডের শীর্ষ অভিনেত্রী আলিয়া ভাট পরেছিলেন কালো ক্ল্যাসি ডিজাইনের ল্যাহেঙ্গা। ট্যালেন্টেড অভিনেত্রীর গ্ল্যামার যেন উপচে পড়ছে!
অনন্ত-রাধিকার সঙ্গীত অনুষ্ঠানের সবচেয়ে বড় চমক ছিলেন হলিউডের বিখ্যাত পপ তারকা জাস্টিন বিবার। তার এই ইন্ডিয়ান লুক এখন সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল!
সুপারস্টার দীপিকা পাড়ুকোন গর্ভবতী অবস্থায় এসেছিলেন অনুষ্ঠানে। বেগুণী শাড়িতে তার দিক থেকে যেন চোখ ফেরানো দায়!
সোনালি হেভি কাজ করা নেটের শাড়িতে চিরতরুণ মাধুরী দিক্ষিত
মুকেশ আম্বানি ও নিতা আম্বানির বড় পুত্রবধূ
দারুন মানিয়েছে শাহেদ কাপুর ও মিরা রাজপুত দম্পতিকে
আবেদনময়ী অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর পরে এসেছিলেন ময়ূরের মোটিফের এক্সক্লুসিভ ল্যাহেঙ্গা
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা ভিকি কৌশল
তরুণ প্রজন্মের হার্টথ্রব অনন্যা পাণ্ডে
বলিউড তারকা সারা আলী খান
ক্রিকেটার রোহিত শর্মার সঙ্গে জনপ্রিয় অভিনেতা বারুন ধাওয়ান
বলিউড ডিভা মালাইকা আরোরা
বলিউডের ‘ডাবাং গার্ল’ সোনাক্ষী সিনহা
সাইফ আলী খান ও অমৃতা সিংয়ের পুত্র ইব্রাহিম আলী খান
শ্রীদেবীর ছোটকন্যা খুশি কাপুর
খুশি কাপুরের অভিষেক সিনেমা ‘আর্চিস’-এর সহঅভিনেতা ও কথিত প্রেমিক ভেদাং রায়না
বলিউড অভিনেত্রী ও মডেল শর্বরী
অনন্ত ও রাধিকার সঙ্গীত অনুষ্ঠানে আলিয়া ও রণবীর কাপুর দম্পতি, সঙ্গে আলিয়ার বোন শাহিন ও জনপ্রিয় অভিনেতা আদিত্য রয় কাপুর

মুকেশ ও নীতা আম্বানির ছোট ছেলে অনন্ত আম্বানি ও শিল্পপতি বীরেন মার্চেন্টের মেয়ে রাধিকা মার্চেন্টের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা চলছে বেশ কয়েক মাস ধরেই। তাদের প্রাক্–বিবাহের প্রথম ও দ্বিতীয় অনুষ্ঠানে রীতিমতো তারার মেলা বসেছিল। ১২ থেকে ১৪ জুলাই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিয়ের মূল আনুষ্ঠানিকতা। মুম্বাইতে হতে যাওয়া এ অনুষ্ঠানেও বসবে তারার মেলা।

;

কেমোথেরাপি নিয়েই জিমে হিনা খান!



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
এখন এবং আগের হিনা খান

এখন এবং আগের হিনা খান

  • Font increase
  • Font Decrease

‘এ রিশতা ক্যায়া ক্যাহেলাতা হে’ সিরিয়ালের নায়িকা চরিত্রে অভিনয় করে ভারতবর্ষজুড়ে পরিচিতি পেয়েছিলেন হিনা খান। বাংলাদেশেও তার এই নাটকের ভক্ত কম নেই।

লম্বা অভিনয় ক্যারিয়ারে নানা ধরনের চরিত্রে অভিনয়, অসংখ্য ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপনের মডেল, মিউজিক ভিডিও, উপস্থাপনা, নাচ এবং বিগ বস প্রতিযোগীয় অংশ নিয়ে হিনা খান হয়ে উঠেছেন ভারতীয় টিভি ইন্ডাস্ট্রির সুপারস্টার।

ভারতের ছোটপর্দার সুপারস্টার হিনা খান

কান চলচ্চিত্র উৎসবেও দেখা গেছে তাকে একাধিকবার। এই তারকা এখন স্তন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছেন। এই খবর গত কয়েকদিন ধরে বলিউডের আলোচিত বিষয়।

এরইমধ্যে হিনা তার কেমোথেরাপি শুরু করেছেন। গত সপ্তাহেই প্রথম কেমোথেরাপি নিয়েছেন এই জনপ্রিয় তারকা। হাসপাতালের ভিডিও ভক্তদের সঙ্গে শেয়ারও করেছেন। একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে হিনার লম্বা দীঘল চুল বয় কাট করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাতেও হিনার মুখের চিরচেনা হাসি মুছে যায়নি। তিনি বরং বলছেন, নিজের ছোট চুলের কাটিংয়েও তাকে খারাপ দেখাচ্ছে না।

কেমোথেরাপী নিয়েই জিমে হিনা খান

এবার নিজের ইন্সটাগ্রাম আইডিতে নতুন কিছু ছবি পোস্ট করেছেন এই অভিনেত্রী। গোলাপী স্যান্ডো গেঞ্জি পরা ছবিগুলোতেও হিনাকে বয় কাট হেয়ারে দেখা যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, হিনার শরীরে কেমোথেরাপীর কালচে ক্ষত স্পষ্ট। ছবিগুলোর ক্যাপশনে অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘ছবিগুলোতে আপনারা কি দেখছেন? আমার শরীরের ক্ষত নাকি আমার চোখের আশা? ক্ষতগুলো আমার, আর তা আমি ভালোবাসার সঙ্গে গ্রহণ করেছি কারণ এগুলো আমার ভালোর দিকে যাওয়ার প্রথম চিহ্ন!’

সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, কেমোথেরাপী নেওয়ার দুদিন পরেই জিমে যেতে শুরু করেছেন হিনা। ছবিগুলো জিম থেকেই তোলা।

ভারতের ছোটপর্দার সুপারস্টার হিনা খান

প্রিয় অভিনেত্রীর ছবিগুলো ও তার মনের জোর দেখে একইসঙ্গে বিস্মিত এবং আপ্লুত নেটিজেনরা। হিনার এই মনেবলের প্রশংসা করছেন সবাই। একইসঙ্গে কমেন্ট বক্সে তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন।

;

স্টেজে উঠলে দর্শক বসে থাকতে পারে না: মিলা



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
মিলা / ছবি : শেখ সাদী

মিলা / ছবি : শেখ সাদী

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের পপ গানের উজ্জ্বল নক্ষত্র মিলা ইসলাম। মাঝে সঙ্গীত ক্যারিয়ারে ছন্দপতন হলেও আবার মনোযোগী হয়েছেন গানে। করছেন স্টেজ শো, কদিন আগে প্রকাশ করেছেন নতুন মিউজিক ভিডিও। সম্প্রতি বার্তা২৪.কমের সঙ্গে লম্বা আলাপচারিতায় মিলা কথা বলেছেন নানা বিষয়ে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মাসিদ রণ

মিলা / ছবি : শেখ সাদী

ব্যস্ততা কি নিয়ে?


গান নিয়েই আবার ব্যস্ততা শুরু হয়ে গেছে। এরমধ্যে দেশে বিদেশে অনেকগুলো স্টেজ শো করেছি। নতুন গান এসেছে, সামনে আরও কিছু গান আসবে। গানের অঙ্গনে ফিরে খুব ভালো লাগছে। সবচেয়ে বড় কথা এখন গান করতে আবার আগের মতোই জোশ কাজ করছে।

অনেকদিন গানের বাইরে ছিলাম, ভক্ত শ্রোতারা সব সময় বলতেন আমি যেন আবার ফিরে আসি। কিন্তু নিজের ভেতর থেকে ফিরে আসার তাগিদ অনুভব করছিলাম না। জীবনের নানা অনুভূতি, অভিজ্ঞতা ও সংগ্রামকে পাশে ফেলে নতুন উদ্যমে শুরু করতে কিছুটা সময় তো লাগেই। আমিও সেই সময়টা নিয়েছি। অবশেষে নিজের ভেতর থেকেই নতুন গান করার এবং আগের মতো স্টেজে হাজার হাজার দর্শকের সামনে পারফর্ম করার ইচ্ছে জাগলো। তাই আর দেরী করলাম না, ফিরে এলাম।


নতুন গান ‘টোনাটুনি’র সাড়া কেমন পেলেন?


যে পরিমাণ সাড়া পেয়েছে অতোটা আশা করিনি। কারণ এতোদিন পর নতুন গান প্রকাশ করছি, দর্শক শ্রোতা কিভাবে নেয় সেটি একটা চিন্তার বিষয় ছিলো। কিন্তু ভক্তরা আমাকে অবাক করে দিয়েছেন! তারা দারুণসব কমেন্ট করেছেন ভিডিওটি দেখে। আমি খুব ভাগ্যবান যে ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই এমন অকৃত্রিম ভালোবাসা পেয়ে আসছি। এখনো আমি স্টেজে উঠলে দর্শক চুপ করে বসে থাকতে পারে না। আমার গানগুলোই এমন যে সবাই নেচে ওঠে। ভক্তদের ভালোবাসার জন্যই আবার গানে ফেরা। আবারও তাদের নতুন নতুন গানে মাতাতে চাই।

মিলা / ছবি : শেখ সাদী

‘টোনাটুনি’ মিউজিক ভিডিওটি দেখে মনে হচ্ছে বেশ আগে করা। আসল ঘটনাটি কি?


ঠিকই বলেছেন। গানটি আসলেই বেশ আগে করেছিলাম। এটি মূলতো আমার অডিও অ্যালবাম ‘রিডিফাইন’-এর গান। ২০১৩ সালে অ্যালবামটি প্রকাশিত হয়েছিল জি সিরিজ থেকে। তখন যে অ্যালবামটি প্রকাশ হয়েছিল ওটা ছিল ‘র’ ফাইল। গানের মাস্টারিং তখনো বাকী। আমি বিদেশে ব্যস্ত ছিলাম শো নিয়ে। এই ফাঁকে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান বুঝতে না পেরে ওই ‘র’ ফাইলটাই অডিও অ্যালবাম আকারে প্রকাশ করে দেয়।

আমি তো বিষয়টি জানতে পেরে অবাক! বলতে পারেন রাগও হয়েছিলো প্রচন্ড। কারণ গানগুলো অনেক যত্ন করে বানিয়েছিলাম। ইচ্ছে ছিলো প্রতিটি গানের মিউজিক ভিডিও করে তারপর প্রকাশ করবো। ‘টোনাটুনি’সহ আরও দুই-একটা গানের ভিডিও’র শুটিংও আমি করে রেখেছিলাম। কিন্তু সেই পরিকল্পনা নষ্ট হয়ে যায় অডিও অ্যালবাম আকারে গানগুলো প্রকাশের পর। তাই ওই ভিডিওগুলো তখন আর প্রকাশ করিনি।

ভিডিও দেখলে বুঝতে পারবেন এখনকার আমি আর ভিডিও’র আমি বেশ আলাদা। অনেকে এটা নিয়ে একটু কনফিউজড যে, ভিডিওটি এআই দিয়ে করেছ কি না (হাহাহা)! শুধু এই গানটিই নয়, বেশ আগে আরও কিছু গান করা আছে আমার কাছে।

মিলা / ছবি : শেখ সাদী

এতোদিন পর ভিডিওটি কেন প্রকাশ করলেন?


গানে যেহেতু ফিরেছি তাই দর্শকদের নতুন গান উপহার দেওয়ার একটা তাগিদ ছিলো। কিন্তু ঈদের আগে এতো অল্প সময়ে একেবারে ব্রান্ড নিউ গান করে ভিডিও করার সময় ছিল না। তাই ভাবলাম, কষ্ট করে যেহেতু এই গানটি করেছিলাম, তখন আর সেটি অপ্রকাশিত রাখব কেন? তারচেয়ে বরং ভক্তদের মাঝে দিলে তারাও খুশি হবে। কারণ, আমি যেখানেই যাই সেখানে ভক্তরা বলে থাকে, আপু ‘রূপবান’-এর মতো আরেকটি আইটেম ধাচের গান করেন। এই গানটিও তো ‘রূপবান’-এর মতোই। গানের কথা নিজেই লিখেছিলাম। সবমিলিয়ে গানটি ছেড়ে দিলাম। তবে ছাড়ার আগে আবার ভয়েস দিয়েছি, মিউজিক মাস্টারিং ঠিক করেছি। ফলে ২০১৩ সালের গানটি আর নতুন গানটির মধ্যে কিন্তু কোয়ালিটিতে পার্থক্য আছে। গায়কীতেও নতুনত্ব রয়েছে।

মিলা / ছবি : শেখ সাদী

আপনি নাকি আর আইটেম গান করবেন না? কথাটি কী সত্যি?


কথাটি সত্যি, তবে পুরোপুরি সত্যি না। আমি একটি সাক্ষাৎকারে বলেছি, নিজের অ্যালবাম বা সিঙ্গেল হিসেবে আর আইটেম ধাচের গান করবো না। মানে আমি আর নতুন কোন আইটেম গানে পারফর্ম করবো না। কিন্তু সিনেমায় যদি কোন ভালো আইটেম গানের প্রস্তাব আসে সেগুলো করবো। কারণ, আমার কণ্ঠশৈলীই এমন যে আইটেম ধাচের গান খুব ভালো মানিয়ে যায়। আমি চাই, সিনেমায় আমার কণ্ঠে অন্য নায়িকারা দারুণ দারুণ পারফর্ম করবেন। যেমন সম্প্রতি কনার গাওয়া ‘দুষ্টু কোকিল’ গানে পারফর্ম করেছেন মিমি চক্রবর্তী।

মিলা / ছবি : শেখ সাদী

আপনাকে প্লেব্যাকে খুব একটা পাওয়া যায়নি কেন?


আপনারা জানেন, বিরতির আগে আমার জনপ্রিয়তা কিংবা চাহিদা কেমন ছিল? কিন্তু ওই সময়টায় অনেক প্লেব্যাকের প্রস্তাব পেলেও আমি সচেতনভাবেই সিনেমায় কম গান করেছি। কারণ তখন সিনেমায় যে ধাচের গান হতো বা দৃশ্যায়ন যেভাবে হতো সেগুলো আমার মনোঃপুত হতো না। কিন্তু এখন দৃশ্যপট বদলেছে। এখন নায়িকারাও আগের চেয়ে দারুণভাবে নিজেদের প্রেজেন্ট করেন পর্দায়। সবমিলিয়ে এখন সিনেমায় নিয়মিত গাইতে চাই।

মিলা / ছবি : শেখ সাদী

ফুয়াদ আল মুক্তাদিরের সঙ্গে আপনার জুটি ভীষণ সফল। এই জুটি এবং আবার একসঙ্গে কাজ করার সম্ভাবনা নিয়ে জানতে চাই?


অবশ্যই আমি আর ফুয়াদ ভাই একসঙ্গে খুব ভালো ভালো গান উপহার দিয়েছি। আমরা দুজনই দুজনের ক্যারিয়ারের শুরুতে একে অন্যের জন্য দারুণ প্রোডাক্টিভ ছিলাম। উনি এরপর আরও অনেকের সঙ্গে কাজ করেছেন, কিন্তু আমাদের জুটির মতো অতো জনপ্রিয় গান আর হয়নি। আবার আমিও অনেক গান করেছি কিন্তু ওই মাপের হয়নি। ফলে তাকে আমি ভীষণ পছন্দ করি। আমাদের যোগাযোগও রয়েছে। আমি চাই আবার একসঙ্গে কাজ করতে। তবে একসঙ্গে ফিরলে এমন কিছু নিয়ে আসবো যা আবারও পুরো দেশ মাতিয়ে দেবে।

;