ওমিক্রনে আক্রান্ত হলে বুঝবেন কিভাবে?



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ‘ওমিক্রন’ নিয়ে বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকায় শনাক্ত হওয়া এই ভ্যারিয়েন্ট কেমন, আক্রান্ত হলে এর ক্ষতির দিকটায় বা কেমন তা নিয়ে ইতিমধ্যে বিজ্ঞানীরা বিস্তর গবেষণা শুরু করে দিয়েছে।

তবে দক্ষিণ আফ্রিকার এক চিকিৎসক নতুন কোভিড ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনে আক্রান্ত হলে এর লক্ষণগুলি কী কী তা প্রকাশ্যে এনেছেন।

চিকিৎসকদের মতে ওমিক্রনের কিছু লক্ষণ রয়েছে যা সম্পূর্ণ ভিন্ন। যদিও আক্রান্তদের মধ্যে ওমিক্রনের লক্ষণ হালকা এবং কিছু রোগী হাসপাতালে ভর্তি না হয়েই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার চিকিৎসক ড. এনজেলিক কোয়েটজির দাবি, ওমিক্রনের উপসর্গ খুবই মৃদু।

দক্ষিণ আফ্রিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (সামা) প্রধান ড. এনজেলিক কোয়েটজি বলেন, গত ১০ দিনে ৩০ জন রোগী করোনার নতুন রূপ ওমিক্রন সংক্রমিত হয়ে হাসপাতালে আসে। এসময় তাদের যেসব উপসর্গ দেখা গেছে, তার মধ্যে চরম ক্লান্তি, গলা ব্যথা, পেশী ব্যথা এবং শুকনো কাশির মতো সমস্যা। এছাড়া শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়।

তিনি বলেন, করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট থেকে এর লক্ষণগুলো বেশ আলাদা।

এদিকে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট থেকে ভয়ঙ্কর ওমিক্রন। এটি বেশি সংক্রামক এবং আরও দ্রুত হারে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

দক্ষিণ আফ্রিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (সামা) প্রধান বলেন, তিনি এখন পর্যন্ত যত রোগী দেখেছেন তাদের সবার টিকা নেওয়া হয়নি। তাদের ওমিক্রনের হালকা লক্ষণ ছিল। তার মতে, ইউরোপের বিপুল সংখ্যক মানুষ করোনার এই নতুন প্রজাতি দ্বারা সংক্রামিত। এখনও পর্যন্ত ওমিক্রন দ্বারা সংক্রামিত বেশিরভাগ রোগীর বয়স ৪০ বছরের কম।

সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ডেল্টা আক্রান্তদের মতো ওমিক্রন আক্রান্তদের ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত স্বাদ-গন্ধ হারিয়ে ফেলার ঘটনা ঘটেনি। এমনকী করোনা আক্রান্তের ক্ষেত্রে এতদিন সব থেকে চিন্তার বিষয় ছিল রক্তে অক্সিজেন লেভেল হঠাৎ কমে যাওয়া, নতুন ভ্যারিয়েন্টের ক্ষেত্রে তাও হয়নি।

প্রসঙ্গত, ওমিক্রন গত ২৪ নভেম্বর প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকায় শনাক্ত হয়। তারপর অন্যান্য দেশে শনাক্ত হয়েছে নতুন এই ভ্যারিয়েন্ট। করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন নিয়ে এরইমধ্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। উদ্বিগ্ন বিজ্ঞানীরাও। তারা বলছেন, করোনাভাইরাস ব্যাপকভাবে রূপান্তরিত হয়ে নতুন এই রূপ নিয়েছে। এটি মারাত্মক হুমকি তৈরি করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

মিয়ানমারে সু চির দলের সংসদ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
অং সান সু চির দল এনএলডির নেতা ও সাবেক এমপি ফিও জেয়র থা

অং সান সু চির দল এনএলডির নেতা ও সাবেক এমপি ফিও জেয়র থা

  • Font increase
  • Font Decrease

মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত নেত্রী অং সান সু চির দল এনএলডির নেতা ও সাবেক এমপি ফিও জেয়র থাও এবং গণতন্ত্রপন্থী নেতা কিয়াউ মিন ইউকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দেশটির সামরিক আদালত।

মিয়ানমার জান্তা সরকার বলেছে, নভেম্বরে গ্রেফতার হওয়া ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির সদস্য ফিও জেয়ার থাওকে 'সন্ত্রাস বিরোধী আইনে আজ শুক্রবার মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। এর সঙ্গে কিয়াউ মিন ইউকেও একই সাজা দেওয়া হয়েছে।

বিবৃতির সঙ্গে ফিয়াউ জেয়ার থাও এবং কিয়াউ মিন ইউর হাতকড়া পরা ছবিও প্রকাশ করে মিয়ানমারের সামরিক সরকারের মিডিয়া টিম।

মিয়ানমার জান্তা ভিন্নমতের বিরুদ্ধে দমন-পীড়নের অংশ হিসেবে কয়েক ডজন অভ্যুত্থানবিরোধী কর্মীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। কিন্তু মিয়ানমারে কয়েক দশক ধরে কোন মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়নি।

এর আগে গত নভেম্বরে ইয়াঙ্গুনের একটি ফ্ল্যাট থেকে দুটি পিস্তল, একটি বন্দুক ও বেশকিছু গুলিসহ এনএলডি নেতা ও জনপ্রিয় হিপহপ সংগীতশিল্পী ফিও জেয়ার থাওকে গ্রেফতারের কথা জানায় জান্তা সরকার।

২০১৫ সালে সু চির দল এনএলডির হয়ে এমপি নির্বাচিত হন ফিও জেয়ার থাও। সেবারই বেসামরিক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় ফিরে আসে মিয়ানমার। এর আগেও সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে গাওয়া তার হিপহপ সংগীত ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। ২০০৮ অবৈধ সংগঠনে জড়িত থাকা এবং বিদেশি মুদ্রা রাখার দায়ে কারাদণ্ড ভোগ করেন তিনি।এ ছাড়া সম্প্রতি অং সান সু চিকেও ৬ বছরের কারাদণ্ড দেন মিয়ানমারের সামরিক আদালত।

গত ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী দেশটির  নেত্রী অং সান সুচিকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করে বন্দী করে। এরপর থেকে সেখানে চলছে জান্তাবিরোধী রক্তক্ষয়ী প্রতিবাদ-বিক্ষোভ। এ বিক্ষোভে  এখন পর্যন্ত এক হাজার ৪০০ জনের বেশি আন্দোলনকারীকে হত্যা করা হয়।

;

ইয়েমেনে কারাগারে হামলার নিন্দা জাতিসংঘের



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইয়েমেনের কারাগারে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান হামলায় ৭০ জনের অধিক মানুষ নিহতের ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেসের এ হামলার তদন্ত চেয়েছেন।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) ইয়েমেনের সাদা শহরে বিমান হামলা চালায় সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন বাহিনী। বিদ্রোহী হুতিদের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি হিসেবে বিবেচনা করা হয় এই শহরটিকে। হুতিদের দমনে ২০১৫ সাল থেকে লড়াই চালিয়ে আসছে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন বাহিনী।

এ হামলা প্রসঙ্গে জাতিসংঘের মহাসচিব বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে যেভাবে উত্তেজনা বাড়ছে, তা অবশ্যই কমাতে করতে হবে। এ ছাড়া হামলার পর সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন বাহিনী ও হুতিদের মধ্যে উত্তেজনা হ্রাসের আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনও।

শনিবার এক বিবৃতিতে, সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট দেশটিতে হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে বিমান হামলা চালানোর কথা অস্বীকার করেছে।

সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী ২০১৫ সাল থেকে হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। ফলস্বরূপ ১০ হাজারের বেশি শিশুসহ কয়েক হাজার বেসামরিক লোক নিহত বা আহত হয়েছে। লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং জনসংখ্যার বেশিরভাগই দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে।

;

মুম্বাইয়ে বহুতল ভবনে আগুন, নিহত ৭



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
মুম্বাইয়ে বহুতল ভবনে আগুন

মুম্বাইয়ে বহুতল ভবনে আগুন

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের মুম্বইযের নানা চকে একটি বহুতল বাসভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলেই দুই জন মারা যান। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে আরও পাঁচজন মারা যান। আহত হয়েছেন আরও ১৫ জন।

শনিবার (২২ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে সাতটার দিকে মুম্বাইয়ের তারদেও এলাকার গান্ধী হাসপাতালের বিপরীতে ২০ তলা বিশিষ্ট ‘কমলা’ ভবনে এই আগুন লাগে। ১৮ তলা থেকে আগুনের সূত্রপাত।অগ্নিকাণ্ডের মাত্রা ‘লেভেল ৪’ বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

মুম্বাইয়ের মেয়র কিশোরী পেডনেকর সংবাদমাধ্যমকে জানান, ফায়ার সার্ভিসের ৩১টি ইউনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে এখনো প্রচুর ধোঁয়া বের হচ্ছে ভবনটি থেকে।

হিন্দুস্থান টাইমসের প্রতিবেদনে জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি গাড়ি ও সাতটি জাম্বো ট্যাঙ্কার কাজ করছে। অগ্নিকাণ্ডে আহতদের ভাটিয়া ও নায়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।  নায়ার হাসপাতালে পাঁচজন মৃত্যুবরণ করেন। আহতদের মধ্যে ছয় জন বৃদ্ধ রয়েছেন। ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে এই ছয় বৃদ্ধকে অক্সিজেন সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে। আপাতত আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ধোঁয়ায় ছেয়ে গেছে পুরো এলাকা।

;

আইএস’র হামলায় প্রাণ গেল ১১ ঘুমন্ত ইরাকি সেনার



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইরাকি নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, দিয়ালা প্রদেশের একটি ইরাকি সেনা ব্যারাকে সন্দেহভাজন আইএসআইএল (আইএসআইএস) বন্দুকধারীরা হামলা চালিয়ে ১১ জন সেনাকে ঘুমন্ত অবস্থায় হত্যা করেছে।

শুক্রবার ভোরে রাজধানী বাগদাদ থেকে ১২০ কিলোমিটার (৭৫ মাইল) উত্তরে অবস্থিত একটি পার্বত্য এলাকা আল-আজিম জেলায় এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে বার্তা সংস্থা আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইরাক সেনার এক পদস্থকর্তা এই খবর দিয়েছেন। হামলার খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। জঙ্গিদের খুঁজতে শুরু হয়েছে তল্লাশি।

সরকারি সূত্রে পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, হামলা হয় শুক্রবার ভোর সাড়ে তিনটে নাগাদ। সেনাবাহিনীর একটি কনভয় বাকুবা প্রদেশের ওপর দিয়ে যাচ্ছিল। জঙ্গলে লুকিয়ে থাকা আইএস জঙ্গিদের একটি দল সেই কনভয় লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে। ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান ঘুমন্ত ১১জন ইরাক সেনা। হামলায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাদের নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গত অক্টোবরেও আইএস একটি গ্রামে হামলা চালিয়ে ১১জন নাগরিককে খুন করে। হামলায় বেশ কয়েকজন গ্রামবাসী আহত হন। জানা গিয়েছে, এই হামলার নেপথ্যে রয়েছে অপহরণ। আইএস বেশ কয়েকজন গ্রামবাসীকে অপহরণ করে। দাবি করে মুক্তিপণের। গ্রামবাসী মুক্তিপণ দিতে অস্বীকার করলে আইএস জঙ্গিরা সেখানে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। আর তাতেই মৃত্যু হয় ১১জন গ্রামবাসীর।

ইরাক সেনার অভিযান চালিয়ে সেখানকার বহু আইএস ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে। যদিও এই সংগঠনের স্লিপার সেল এখনও কিছুটা হলেও সক্রিয়। তবে শুক্রবারের হামলার পর ইরাক সেনার তরফ থেকে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি।

;