অগ্নুৎপাতের পর টোঙ্গায় সুনামি সতর্কতা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপদেশ টোঙ্গায় সাগরতলে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের পর দেশটিতে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় শনিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেল ৫টা ২৬ মিনিটে এই অগ্নুৎপাতের ঘটনা ঘটে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত ফুটেজে দেখা গেছে, সাগরতলে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের পর একটি গির্জা ও কয়েকটি বাড়িতে পানি উঠে গেছে।

নিউজিল্যান্ডের জাতীয় দৈনিক নিউজিল্যান্ড হেরাল্ড জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সক্রিয় হয়েছে দেশটির আগ্নেয় পর্বত হুঙ্গা টোঙ্গা-হুঙ্গা হাপাই। অগ্ন্যুৎপাতের প্রভাবে সাগরে বড় বড় ঢেউ দেখা দিয়েছে।

এছাড়া আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ থেকে নির্গত ছাই, গ্যাস ও ধোঁয়া সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২০ কিলোমিটার পর্যন্ত উঁচুতে উঠেছে। রাজধানী নুকুয়ালোফায় দুই দিন ধরে বৃষ্টির মতো ঝরে পড়ছে আগ্নেয়গিরির ছাই।

রাজধানীসহ টোঙ্গাজুড়ে জারি করা হয়েছে সুনামির সতর্কতা। দেশটির পুলিশ বাহিনী ইতিমধ্যে রাজধানীবাসীকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

আট মিনিটের এই অগ্ন্যুৎপাত এত বড় ছিল যে ফিজিতেও বিকট শব্দ শোনা গেছে। যা ৮০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এমনকি ২ হাজার ৩০০ কিলোমিটার দূরে নিউ জিল্যান্ডেও ঝড়ের সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

টোঙ্গার এক বাসিন্দা মেরে তাউফা জানান, পরিবার নিয়ে তিনি যখন নৈশভোজের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তখন অগ্ন্যুৎপাতের শব্দ শুনতে পান। তিনি ও তার ছোট ভাই মনে করেছিলেন কোথাও বোমা বিস্ফোরিত হয়েছে।

তিনি বলেন, আমার প্রথম প্রতিক্রিয়া ছিল টেবিলের নিচে যাওয়া। আমি আমার ছোট বোনকে ধরে রেখেছিলাম, মা-বাবা ও বাড়ির অন্যদের চিৎকার করে টেবিলের নিচে যেতে বলি।

তাউফা জানান, এরপর দেখতে পান বাড়িতে পানি ঢুকছে।

টোঙ্গার ভূতাত্ত্বিক পরিষেবাগুলি জানিয়েছে, অগ্ন্যুৎপাতের গ্যাস, ধোঁয়া ও ছাই আকাশে ২০ কিলোমিটার পর্যন্ত উচ্চতা ছুঁয়েছে।

ফুকুশিমা বিপর্যয়: ক্যান্সার আক্রান্ত ছয় জাপানি তরুণের মামলা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ফুকুশিমা পারমাণবিক প্ল্যান্টের অপারেটরের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন থাইরয়েড ক্যান্সার আক্রান্ত জাপানের ছয় তরুণ।

বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ১১ বছর আগে শক্তিশালী এক ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিলো জাপানের পূর্ব উপকূলে, যাতে তছনছ হয়ে যায় ফুকুশিমার পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এসময় পারমাণবিক বিকিরণের এক্সপোজার থেকে তারা ক্যান্সার আক্রান্ত হন।

ফুকুশিমা বিপর্যয়ের সময় ক্যান্সার আক্রান্ত জাপানি ছয় তরুণের বয়স ছয় থেকে ১৬ বছরের মধ্যে ছিল।

বাদীদের আইনজীবী বলেন, তাদের থাইরয়েড গ্রন্থির অংশ বা সমস্ত অংশ অপসারণের জন্য অস্ত্রোপচার করা হয়েছে।

তবে, তারা প্রমাণ করতে চেষ্টা করছেন যে বিকিরণ থেকে তারা ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন।

ক্যান্সার আক্রান্ত ছয় জাপানি তরুণ টোকিও ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানির (টেপকো) কাছ ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৫ দশমিক ৪ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করতে চাচ্ছেন বলে তাদের আইনজীবী জানিয়েছে।

এবিষয়ে টেপকোর একজন মুখপাত্র বলেছেন, কোম্পানিটি মামলার বিষয়ে জানতে পেরেছে। তারা অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত জেনে এটি সমাধান করার চেষ্টা করবে।

পারমাণবিক এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি জাপানের ফুকুশিমার ওকুমা শহরে যা দেশটির পূর্ব উপকূলীয় এলাকায় তবে রাজধানী টোকিও থেকে প্রায় ২২০ কিলোমিটার উত্তর পূর্বে।

২০১১ সালের ১১ মার্চ স্থানীয় সময় বেলা পৌনে তিনটায় ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে পুরো এলাকা। আঘাত হানার মূল জায়গাটি ছিলো ওই বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে মাত্র ৯৭ কিলোমিটার দূরে সেন্দাই শহরে।

ওদিকে সুনামি উপকূলে আঘাত হানার আগে সতর্ক হওয়ার জন্য মাত্র দশ মিনিট সময় পেয়েছিলো সেখানকার অধিবাসীরা। তবে ভূমিকম্প, সুনামি ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুর্ঘটনার কারণে সব মিলিয়ে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষকে তাদের বাড়িঘর ছাড়তে হয়েছিল।

পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বিপর্যয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কেউ মারা না গেলেও বিস্ফোরণে কেন্দ্রটির ১৬ জন কর্মী আহতে হয়েছিলো।

;

আবারও শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল টোঙ্গা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপদেশ টোঙ্গায় আবারও শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ২।

চলতি মাসেই সাগরতলে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের পর দেশটিতে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়। এই বিপর্যয় কাটিয়ে না উঠতেই আবারও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কবলে দেশটি।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএজিএস) জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) টোঙ্গার পাঙ্গাই থেকে প্রায় ২১৯ কিলোমিটার পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিমে ৬ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্প আঘান হেনেছে। গভীরতা ছিল ১৪.২ কিলোমিটার। ফলে প্রাণহানি এবং অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতির আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

তবে ভূমিকম্প উৎপত্তিস্থল থেকে ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে জনবসতি না থাকায় ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা কম বলে ধারণা করা হচ্ছে।

;

স্পার্ম ডোনেশনে ১২৯ সন্তানের জনক ক্লাইভ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ক্লাইভ জোন্স

ক্লাইভ জোন্স

  • Font increase
  • Font Decrease

যুক্তরাজ্যের একজন অবসরপ্রাপ্ত গণিত শিক্ষক ক্লাইভ জোন্স নিজেকে "বিশ্বের সবচেয়ে সফল শুক্রাণু দাতা" দাবি করে জানিয়েছেন যে তিনি ১২৯টি সন্তানের জনক। আরও নয়টি সন্তান খুব শিঘ্রই পৃথিবীতে আসবে।

এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৬৬ বছর বয়সী জোন্স প্রায় এক দশক ধরে ফেসবুক ব্যবহার করে শুক্রাণু দান করে আসছেন। আর এরই জের ধরে এ পর্যন্ত ১২৯ সন্তানের জৈবিক পিতা হয়েছেন এবং শীঘ্রই আরও ৯ সন্তানের জন্ম হতে চলেছে, যার ফলে তিনি মোট ১৩৮ সন্তানের পিতা হবেন।

ক্লাইভ বলেছেন যে ১৫০ সন্তানের জনক হওয়ার পর তিনি এই কাজ আর করবেন না।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, ক্লাইভ আইনগতভাবে শুক্রাণু দাতা হতে পারেন না, কারণ আমেরিকায় শুক্রাণু দাতা হওয়ার সর্বোচ্চ বয়স ৪৫ বছর। এ কারণে যারা স্পার্ম গ্রহণ করতে চান তারা সরাসরি ফেসবুকের মাধ্যমে ক্লাইভের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং তাদের চাহিদা পূরণ করার কথা জানান।

ক্লাইভের এই কাণ্ড সামনে আসার পর সতর্কতা জারি করেছে হিউম্যান ফার্টিলাইজেশন অ্যান্ড এমব্রায়োলজি অথরিটি। প্রকৃতপক্ষে, ক্লাইভ তার ভ্যান থেকে শুক্রাণু দানের কাজ চালান কিন্তু প্রশাসনের কঠোর নির্দেশ রয়েছে যে, যারাই শুক্রাণু দানের কাজ করবেন তারা শুধুমাত্র আমেরিকায় লাইসেন্সপ্রাপ্ত ক্লিনিকের মাধ্যমে তা বিক্রি বা ক্রয় করতে পারবেন। সন্তানের জন্ম দেবেন। 

অবাক করা হলেও সত্য এর জন্য কোন টাকা নেন না ক্লাইভ।

তিনি জানান, কারো সংসার গুছিয়ে তিনি মানসিক শান্তি পান। ১০ বছর আগে সংবাদপত্রে একটি প্রতিবেদন থেকে তিনি এই ধারণাটি পেয়েছিলেন। সেখানে  তিনি দেখেছিলেন সন্তানহীনতার কারণে মানুষকে কত মানসিক যন্ত্রণা ভোগ করতে হয়।

তবে কাজটি যে মোটেও সহজ নয় সেটাও স্বীকার করেছেন ব্রিটিশ এই গণিতের শিক্ষক।

;

মিল্কিওয়েতে ‘ভয়ংকর’ ঘূর্ণায়মান বস্তু দেখলেন বিজ্ঞানীরা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
মিল্কিওয়েতে অজানা ঘূর্ণায়মান বস্তুটি

মিল্কিওয়েতে অজানা ঘূর্ণায়মান বস্তুটি

  • Font increase
  • Font Decrease

অস্ট্রেলিয়ান বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, তারা মিল্কিওয়েতে এমন একটি অজানা ঘূর্ণায়মান বস্তুর সন্ধান পেয়েছেন যা এর আগে কখনো দেখা যায়নি।

কার্টিন ইউনিভার্সিটি অনার্সের ছাত্র টাইরন ও'ডোহার্টি ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ান আউটব্যাকের একটি অঞ্চলে টেলিস্কোপ এবং তার তৈরি করা একটি নতুন কৌশল ব্যবহার করে ঘূর্ণায়মান বস্তুটি প্রথম শনাক্ত করেন।

ঘুড়তে থাকা বস্তুটিকে প্রতি ১৮ মিনিটে একটি সম্পূর্ণ মিনিটের জন্য রেডিও শক্তির একটি বিশাল বিস্ফোরণ প্রকাশ করতে দেখা গেছে।

মহাবিশ্বে যেসব বস্তুতে শক্তি স্পন্দিত হয়, সেগুলো প্রায়ই নথিভুক্ত করা হয়। তবে এ বস্তুটি ভিন্ন রকম। গবেষক দল বিষয়টি আরও বোঝার জন্য কাজ করছে।

ও’ডোহার্টি, যিনি কাজ করছেন ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর রেডিও অ্যাস্ট্রোনমি রিসার্চ (আইসিআরএআর) এর কার্টিন ইউনিভার্সিটি নোড থেকে জ্যোতির্পদার্থবিদ ড. নাতাশা হার্লি-ওয়াকারের নেতৃত্বে একটি দলে।

তিনি বলছেন, পর্যবেক্ষণের সময় কয়েক ঘণ্টার মধ্যে প্রদর্শিত এবং অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছিল বস্তুটি। তাকে আইসিআরএআর থেকে একটি মিডিয়া রিলিজে উদ্ধৃত করে নথিভুক্ত করেছে।

আইসিআরএআর-কার্টিন জ্যোতির্পদার্থবিদ ডক্টর জেমা অ্যান্ডারসন বলেন, ঘূর্ণায়মান বস্তুটি যা পুরো এক মিনিটের মত দেখা গিয়েছে এটা "সত্যিই অদ্ভুত,"

আইসিআরএআর যোগ করেছে যে, বিগত ইতিহাস ঘেটে যা মনে হয় তা হল বস্তুটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৪ হাজার আলোকবর্ষ দূরে আছে। আর এটি অবিশ্বাস্য উজ্জ্বল এবং অত্যন্ত শক্তিশালী চৌম্বকীয় শক্তি সম্পন্ন।

বলা হচ্ছে, বস্তুটি সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত ছিল। কারণ এটি একজন জ্যোতির্বিজ্ঞানীর জন্য এক ধরণের ভীতিকর ছিল। মহাবিশ্বে যে বস্তুগুলো চালু এবং বন্ধ হয় তা জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের কাছে নতুন নয়। এসব বস্তুগুলোকে ক্ষণস্থায়ী বলা হয়। কিন্তু নতুন আবিষ্কৃত বস্তুটি সেরকম নয়।

সূত্র- বিবিসি

;