ফুকুশিমা বিপর্যয়: ক্যান্সার আক্রান্ত ছয় জাপানি তরুণের মামলা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ফুকুশিমা পারমাণবিক প্ল্যান্টের অপারেটরের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন থাইরয়েড ক্যান্সার আক্রান্ত জাপানের ছয় তরুণ।

বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ১১ বছর আগে শক্তিশালী এক ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিলো জাপানের পূর্ব উপকূলে, যাতে তছনছ হয়ে যায় ফুকুশিমার পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এসময় পারমাণবিক বিকিরণের এক্সপোজার থেকে তারা ক্যান্সার আক্রান্ত হন।

ফুকুশিমা বিপর্যয়ের সময় ক্যান্সার আক্রান্ত জাপানি ছয় তরুণের বয়স ছয় থেকে ১৬ বছরের মধ্যে ছিল।

বাদীদের আইনজীবী বলেন, তাদের থাইরয়েড গ্রন্থির অংশ বা সমস্ত অংশ অপসারণের জন্য অস্ত্রোপচার করা হয়েছে।

তবে, তারা প্রমাণ করতে চেষ্টা করছেন যে বিকিরণ থেকে তারা ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন।

ক্যান্সার আক্রান্ত ছয় জাপানি তরুণ টোকিও ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানির (টেপকো) কাছ ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৫ দশমিক ৪ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করতে চাচ্ছেন বলে তাদের আইনজীবী জানিয়েছে।

এবিষয়ে টেপকোর একজন মুখপাত্র বলেছেন, কোম্পানিটি মামলার বিষয়ে জানতে পেরেছে। তারা অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত জেনে এটি সমাধান করার চেষ্টা করবে।

পারমাণবিক এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি জাপানের ফুকুশিমার ওকুমা শহরে যা দেশটির পূর্ব উপকূলীয় এলাকায় তবে রাজধানী টোকিও থেকে প্রায় ২২০ কিলোমিটার উত্তর পূর্বে।

২০১১ সালের ১১ মার্চ স্থানীয় সময় বেলা পৌনে তিনটায় ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে পুরো এলাকা। আঘাত হানার মূল জায়গাটি ছিলো ওই বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে মাত্র ৯৭ কিলোমিটার দূরে সেন্দাই শহরে।

ওদিকে সুনামি উপকূলে আঘাত হানার আগে সতর্ক হওয়ার জন্য মাত্র দশ মিনিট সময় পেয়েছিলো সেখানকার অধিবাসীরা। তবে ভূমিকম্প, সুনামি ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুর্ঘটনার কারণে সব মিলিয়ে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষকে তাদের বাড়িঘর ছাড়তে হয়েছিল।

পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বিপর্যয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কেউ মারা না গেলেও বিস্ফোরণে কেন্দ্রটির ১৬ জন কর্মী আহতে হয়েছিলো।

ফিনল্যান্ডে রুশ গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করছে রাশিয়া



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ফিনল্যান্ডে রুশ গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করছে রাশিয়া

ফিনল্যান্ডে রুশ গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করছে রাশিয়া

  • Font increase
  • Font Decrease

ফিনল্যান্ডে রুশ গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে তাদের জানিয়েছে রাশিয়ার জ্বালানি কোম্পানি গ্যাজপ্রম।

ফিনল্যান্ডের রাষ্ট্রমালিকানাধীন জ্বালানি প্রতিষ্ঠান গাসুম জানিয়েছে, শনিবার (২১ মে) স্থানীয় সময় সকাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করবে রাশিয়া।

শুক্রবার রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়ে বলা হয়, ফিনল্যান্ড রুশ মুদ্রা রুবলে গ্যাসের অর্থ পরিশোধ করতে রাজি না হওয়ায় এ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তবে এ ঘোষণা এমন সময় এল, যখন ন্যাটো জোটের সদস্যপদের জন্য আবেদন করে রাশিয়ার তোপের মুখে আছে ফিনল্যান্ড। ফিনল্যান্ডে ব্যবহৃত বেশিরভাগ গ্যাস রাশিয়া থেকে আসে। 

গাসুমের প্রধান নির্বাহী মিকা উইলজানেন এক বিবৃতিতে বলেছেন, এটি অত্যন্ত দুঃখজনক যে, আমাদের সরবরাহ চুক্তির অধীনে প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করা হবে। তবে, আমরা এই পরিস্থিতির জন্য সতর্কতার সঙ্গে প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম এবং গ্যাস ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্কে কোনো বিঘ্ন ঘটবে না। আমরা সামনের মাসগুলোতে আমাদের সব গ্রাহককে গ্যাস সরবরাহ করতে পারব।

;

রাশিয়া-ইউক্রেনের কৃষিপণ্য ফের সরবরাহের আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
রাশিয়া-ইউক্রেনের কৃষি পণ্য বিশ্ব বাজারে ফের সরবরাহের আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের

রাশিয়া-ইউক্রেনের কৃষি পণ্য বিশ্ব বাজারে ফের সরবরাহের আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতিসংঘ মহাসচিব আ্যান্তোনিও গুতেরেস বৃহস্পতিবার রাশিয়া ও ইউক্রেনের কৃষি পণ্য বিশ্ব বাজারে ফের সরবরাহে প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন। খবর সিনহুয়ার।

সংঘাত ও খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে জাতিসংঘ প্রধান বলেন, বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তার অনিশ্চয়তায় যুদ্ধ চলা সত্ত্বেও ইউক্রেনের কৃষি পণ্য  এবং রাশিয়া ও বেলারুশের খাদ্য পণ্য ও সার বিশ্ব বাজারে ফের সরবরাহ করা জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গুতেরেস বলেন, এতে ‘সংশ্লিষ্ট সকল দেশের সুনাম’ হবে।

নাইজার, মালি, শাদ ও বুরকিনা ফাসোতে জরুরি খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি চাহিদা মেটাতে মহাসচিব সেন্ট্রাল ইমার্জেন্সি রেজপন্স  ফান্ড (সিইআরএফ) থেকে তিন কোটি মার্কিন ডলার ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘এনিয়ে চলতি বছরের শুরু থকে সাহিল অঞ্চলে সিইআরএফের মাধ্যমে প্রায় সাড়ে ৯ কোটি ডলার অর্থায়ন করা হলো।’

মহাসচিব বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতের রাজনৈতিক সমাধানের মাধ্যমে  টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা হচ্ছে খাদ্য নিরাপত্তার অনিশ্চয়তা মোকাবেলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

;

প্রথমবারের মতো ঋণখেলাপি হলো শ্রীলঙ্কা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আর্থিক সংকটে পড়া শ্রীলঙ্কা ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ঋণখেলাপি হয়ে পড়েছে। ঋণ পরিশোধে ৩০ দিনের অতিরিক্ত সময় দেওয়া হলেও বুধবার সেই সময় পার হয়ে গেছে। অপরিশোধিত থেকেছে ৭৮ মিলিয়ন ডলারের ঋণ।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর বলছেন তার দেশ এখন ‘প্রি-এমটিভ ডিফল্ট’ হয়ে পড়েছে। পরে বৃহস্পতিবার বিশ্বের শীর্ষ দুই ঋণ রেটিং সংস্থাও জানিয়েছে, শ্রীলঙ্কা ঋণখেলাপি হয়ে পড়েছে।

শ্রীলঙ্কা খেলাপি হয়ে পড়েছে কিনা জানতে চাইলে বৃহস্পতিবার দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর পি নন্দলাল বীরসিংহে বলেন, ‘আমাদের অবস্থান স্পষ্ট, আমরা বলেছি যতক্ষণ তারা (ঋণ) পুনর্গঠনের আওতায় আসবে না, ততক্ষণ আমরা পরিশোধ করতে সক্ষম হবো না। সে কারণে যেটা হচ্ছে সেটারেক প্রি-এমটিভ ডিফল্ট বলা যেতে পারে।’

নন্দলাল বীরসিংহে বলেন, ‘টেকনিক্যাল ব্যাখ্যাও দেওয়া যেতে পারে... তাদের দিক থেকে তারা এটাকে খেলাপি বিবেচনা করতে পারে। আমাদের অবস্থান খুবই স্পষ্ট, যতক্ষণ ঋণ পুনর্গঠন হচ্ছে না, ততক্ষণ আমরা পরিশোধ করতে পারবো না।’

;

ইন্দোনেশিয়ার পামওয়েল রফতানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ইন্দোনেশিয়ার পামওয়েল রফতানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

ইন্দোনেশিয়ার পামওয়েল রফতানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

  • Font increase
  • Font Decrease

ইন্দোনেশিয়া পামওয়েল রফতানি নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে। সোমবার (২৩ মে) থেকে এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার কার্যকর হবে। 

দেশটির প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো বৃহস্পতিবার এ ঘোষণা দিয়েছেন বলে বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে।

বিশ্বের শীর্ষ পামওয়েল রফতানিকারক দেশ ইন্দোনেশিয়া। দেশটির ১ কোটি ৬৪ লাখ হেক্টর জমিতে চাষ হয় এই পামওয়েল। তাদের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তিও এই খাত।

প্রতিমাসে আড়াইশো থেকে তিনশো কোটি ডলারের পামওয়েল রফতানি করে দেশটি। তবে, সম্প্রতি স্থানীয় বাজারে ঘাটতি আর দাম কমাতে রফতানি বন্ধের ঘোষণা দেয় দেশটির সরকার। এর পরপরই ইন্দোনেশিয়ার বাজারে পামওয়েল ও এর কাঁচামালের দাম কমেছে, যা বিপাকে ফেলেছে চাষিদের।

বিশ্বজুড়ে ভোজ্যতেল হিসেবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় পামওয়েল। আর বিশ্বের প্রায় অর্ধেক পামওয়েল যোগান দেয় ইন্দোনেশিয়া। তারা রফতানি বন্ধ করায় এর প্রভাব পড়েছে বিভিন্ন দেশে। তাই ইন্দোনেশিয়ায় কমলেও অনেক জায়গায়ই বেড়েছে ভোজ্যতেলের দাম। যার ফলে বেড়েছে অনেক খাবারের দামও।

;