বিশ্বে একদিনে আক্রান্ত প্রায় ৬ লাখ, মৃত্যু ৮ শতাধিক



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৫২ কোটি ৭২ লাখ ৩৩ ছাড়িয়েছে। অন্যদিকে মৃত মানুষের সংখ্যা ৬২ লাখ ৯৯ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।

পরিসংখ্যান নিয়ে কাজ করা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারের সর্বশেষ তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আট শতাধিক মানুষ। একই সময়ে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ৬ লাখ।

ওয়ার্ল্ডোমিটারের সর্বশেষ তথ্য বলছে, এখন পর্যন্ত বিশ্বে করোনা থেকে সেরে ওঠা মানুষের সংখ্যা ৪৯ কোটি ৭১ লাখের বেশি মানুষ।

বিশ্বে করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৮ কোটি ৪৯ লাখ ৮৪ হাজার ৪৫৯ জন। দেশটিতে করোনায় মারা গেছেন ১০ লাখ ২৮ হাজার ৯০২ জন।

ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় ভারতের অবস্থান দ্বিতীয়। ভারতে করোনায় সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৪ কোটি ৩১ লাখ ৩৬ হাজার ৩৪০ জন। দেশটিতে করোনায় মারা গেছেন ৫ লাখ ২৪ হাজার ৩৪৮ জন।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে উত্তর কোরিয়ায়। এই সময়ের মধ্যে দেশটিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ১৯ হাজার ৩০ জন এবং মারা গেছেন ১ জন। পূর্ব এশিয়ার এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত ২৪ লাখ ৬০ হাজার ৬৪০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ৬৬ জন মারা গেছেন।

অন্যদিকে দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে রাশিয়া। গত ২৪ ঘণ্টায় এই দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১০২ জন এবং নতুন করে ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন ৫ হাজার ৩৪ জন। এছাড়া মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১ কোটি ৮২ লাখ ৮৮ হাজার ৭৪০ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ৭৮ হাজার ২৭০ জনের।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। চীনে করোনায় প্রথম কোনো রোগীর মৃত্যু হয় ২০২০ সালের ৯ জানুয়ারি। তবে তার ঘোষণা আসে ওই বছরের ১১ জানুয়ারি।

২০২০ সালের ১৩ জানুয়ারি চীনের বাইরে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় থাইল্যান্ডে। পরে বিভিন্ন দেশে করোনা ছড়িয়ে পড়ে। করোনার প্রাদুর্ভাবের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২০ সালের ৩০ জানুয়ারি বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

২০২০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি চীনের বাইরে করোনায় প্রথম কোনো রোগীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে ফিলিপাইনে। ১১ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনাভাইরাস থেকে সৃষ্ট রোগের নামকরণ করে 'কোভিড-১৯'।

২০২০ সালের ১১ মার্চ করোনাকে বৈশ্বিক মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

কানাডায় ব্যাংকে গুলিবিনিময়ের ঘটনায় নিহত ২, আহত ৬



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়া প্রদেশে একটি ব্যাংকে গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই বন্দুকধারী নিহত হয়েছেন। এছাড়া এঘটনায় আরও ৬ পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৮ জুন) ব্রিটিশ কলাম্বিয়া প্রদেশের ভ্যাঙ্কুভার দ্বীপের সানিচ শহরের ব্যাংক অব মন্ট্রিলে হতাহতের এই ঘটনা ঘটে।

বুধবার (২৯ জুন) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। কানডীয় পুলিশের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ঘটনাস্থলে একটি সম্ভাব্য বিস্ফোরক ডিভাইস খুঁজে পাওয়ার পর বিস্ফোরণের আশঙ্কায় পার্শ্ববর্তী বাড়িগুলো খালি করে দেওয়া হয়েছে।

কানাডার আইন প্রয়োগকারী সংস্থা জানিয়েছে, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন রাজ্যের সীমান্তের কাছাকাছি ভ্যাঙ্কুভার দ্বীপের সানিচ শহরের ব্যাংক অব মন্ট্রিলে পৌঁছায় জরুরি বিভাগের কর্মীরা।

সানিচ শহরের পুলিশ তাদের ওয়েবসাইটে বলেছে, ওই এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশের উপস্থিতি রয়েছে। সন্দেহভাজনদের সঙ্গে যুক্ত একটি গাড়িতে সম্ভাব্য বিস্ফোরক ডিভাইস থাকার কারণে ঘটনাস্থলের কাছাকাছি বাড়ি এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো খালি করা হয়েছে।

সানিচের পুলিশ প্রধান ডিন ডুথি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সন্দেহভাজনরা ভারী অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত ছিল এবং প্রাথমিকভাবে জানা গেছে তারা নিজেদের শরীরে বর্ম পরিধান করছিল।

ডুথি আরও বলেন, বন্দুকের গুলিতে আহত ছয় কর্মকর্তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে শিগগিরই ছেড়ে দেওয়া হবে কিন্তু অন্যরা ‘খুব গুরুতর আহত হয়েছে এবং তাদের অস্ত্রোপচার করা হয়েছে।

এ ঘটনায় কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো টুইটারে লিখেছেন, তিনি সহিংসতায় মর্মাহত ও দুঃখিত।

ট্রুডো আরও লিখেছেন, গুলিতে আহত পুলিশ অফিসারদের এবং তাদের সহকর্মীরা যারা মানুষকে নিরাপদ রাখতে বিপদের দিকে ছুটে গিয়েছিলেন - তাদের আমি স্মরণ করছি।

;

সিরিয়া যুদ্ধে ৩ লাখের বেশি বেসামরিক নাগরিক নিহত: জাতিসংঘ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সিরিয়া যুদ্ধের প্রথম ১০ বছরে ৩ লাখের বেশি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। একই সময়ে সিরিয়ার একটি শিবিরে ১০০ জনেরও বেশি বন্দী নিহত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয়ের সিরিয়া যুদ্ধ বিষয়ক নতুন প্রতিবেদনে এ তথ্য এসেছে। এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থা বলেছে, বেসামরিক হতাহতের তথ্যের কঠোর মূল্যায়ন ও পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিরিয়ায় যুদ্ধের কারণে ২০১১ সালের ১ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত ৩ লাখ ৬ হাজার ৮৮৭ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে।

সুইজারল্যান্ডের রাজধানী জেনেভায় সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের প্রধান মিশেলে ব্যাশেলেট বলেন, এই প্রতিবেদনে সংঘাত-সম্পর্কিত হতাহতের পরিসংখ্যানগুলো কেবল বিমূর্ত সংখ্যার একটি সেট নয়। এতে কেবল সিরিয়া যুদ্ধের ব্যাপ্তি ও ভয়াবহতা স্পষ্টতই উপলব্ধি করা যায়।

তিনি আরও বলেন, এই যুদ্ধে ৩ লাখ ৬ হাজার ৮৮৭ বেসামরিক নাগরিক হত্যার প্রভাব তাদের প্রত্যেক পরিবার এবং সম্প্রদায়ের ওপর প্রভাব ফেলবে'।

জাতিসংঘ কর্তৃক প্রকাশিত পরিসংখ্যানে যুদ্ধের প্রভাবে খাবার, পানি কিংবা স্বাস্থ্যসেবা না পেয়ে যাদের পরোক্ষ মৃত্যু হয়েছে তাদেরকে ধরা হয়নি। এই পরিসংখ্যানে নিহত সেনা ও পুলিশ সদস্যেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। যাদের নিহতের সংখ্যা হবে কয়েক হাজার। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবগতি না করেই যাদের কবর দেওয়া হয়েছে তাদেরকেও এই তালিকায় রাখা হয়নি।

;

ফিনল্যান্ড-সুইডেনের ন্যাটো সদস্যপদে সমর্থন দিতে সম্মত তুরস্ক

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বের সর্ববৃহৎ সামরিক জোট ন্যাটোতে যোগদানে ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের সদস্যপদ আবেদনে সমর্থন দিতে সম্মত হয়েছে তুরস্ক।

বুধবার (২৯ জুন) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবরে এ তথ্য জানানো হয়।

এবিষয়ে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, মাদ্রিদে ন্যাটো সম্মেলনে বৈঠকের পর তিনটি দেশ একটি যৌথ স্মারক স্বাক্ষরের পর এই অগ্রগতি এসেছে।

ইউক্রেনে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রুশ হামলা শুরুর পর নিরাপত্তা শঙ্কা থেকে যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্য হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে ফিনল্যান্ড ও সুইডেন। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ ন্যাটো জোটের অনেক সদস্যদেশ এ উদ্যোগকে স্বাগত জানায়। তবে তুরস্ক বলে আসছিল, ফিনল্যান্ড-সুইডেনের ন্যাটোতে যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়ায় তাদের আপত্তি রয়েছে। এ উদ্যোগে বাধা দেবে আঙ্কারা।

কারণ কুর্দি জঙ্গিদের আতিথেয়তা করার ইচ্ছা দেখে ক্ষুব্ধ হয়েছিল তুরস্ক। আর তুরস্কের সমর্থন ছাড়া সুইডেন ও ফিনল্যান্ড ন্যাটোতে যোগ দিতে পারত না।

ন্যাটো প্রধান জেনস স্টলটেনবার্গ বলেছেন, ন্যাটো নেতারা বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে ফিনল্যান্ড এবং সুইডেনকে জোটে যোগ দিতে আমন্ত্রণ জানাবেন।

তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা একটি যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন যা তুরস্কের উদ্বেগের সমাধান করেছে।

ন্যাটো প্রধান বলেন, দুই নর্ডিক দেশ তুরস্কের কাছে অস্ত্র বিক্রির ওপর থেকে তাদের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে।

সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসন বলেছেন, এটি ন্যাটোর জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের কার্যালয় জানিয়েছে, তারা সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের কাছ থেকে যা চেয়েছিল তা পেয়েছে।

এদিকে, মাদ্রিদে শীর্ষ সম্মেলনে বিশ্ব নেতারা উচ্চ সতর্কতায় সৈন্য সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা অনুমোদন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। জার্মানিতে পৃথক শীর্ষ সম্মেলনের সময় জি-৭ নেতারা রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেছেন।

;

শ্রীলঙ্কায় জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধ!



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শ্রীলঙ্কা কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ অর্থনৈতিক সংকটের মুখোমুখি। দেশটিতে ব্যাপক সংকট জ্বালানি তেলেরও। এমন পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করল শ্রীলঙ্কা সরকার।

শুধু আপৎকালীন পরিষেবায় যুক্ত গাড়িগুলো পেট্রল, ডিজেল পাবে। সে কারণেই সমস্ত বেসরকারি কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছে দেশটির সরকার।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

দেশটির সরকার বলেছে, আজ মঙ্গলবার (২৮ জুন) থেকে আগামী দুই সপ্তাহের জন্য শুধুমাত্র বাস, ট্রেন, চিকিৎসা সেবা এবং খাদ্য পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত যানবাহনে জ্বালানি ভরতে দেওয়া হবে। এই নির্দেশ আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

এদিকে গত সপ্তাহেই সমস্ত সরকারি স্কুল বন্ধের নির্দেশ জারি করা হয়েছে। কিছু অফিস স্বল্প সংখ্যক কর্মী দিয়ে চলছে। এদিকে রোববারই সরকার জানিয়েছিল জ্বালানি তেল চাইলেই পাওয়া যাবে না। তবে এবার একেবারে তেল দেওয়াই বন্ধ করে দিচ্ছে সরকার।

সরকারি মুখপাত্র বান্দুলা গুনাওয়ারদানা জানিয়েছেন, শ্রীলঙ্কার ইতিহাসে এত বড় অর্থনৈতিক সংকটের মুখোমুখি এর আগে আর কখনও হয়নি।

এদিকে বিভিন্ন পেট্রল পাম্পের সামনে ইতিমধ্যেই গাড়ির লম্বা লাইন পড়ে গিয়েছে। মারাত্মক দুশ্চিন্তার মধ্যে পড়েছেন বাসিন্দারা। জাতিসংঘ ইতিমধ্যেই জানিয়েছে শ্রীলঙ্কা মারাত্মক সমস্যায় পড়েছে। পাঁচজনের মধ্যে চারজন একবেলা খেয়ে থাকছেন। একেবারে মানবিক সংকট শুরু হয়ে গিয়েছে।

এবার তার সঙ্গে যুক্ত হল জ্বালানি তেলের ভয়াবহ সংকট। সেক্ষেত্রে কাল থেকে কার্যত রাস্তা গাড়ি শূন্য হয়ে যেতে পারে।

দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী দিনে প্রয়োজনীয় পরিষেবাগুলোতে জ্বালানি দেওয়ার জন্য দেশে মাত্র ৯ হাজার টন ডিজেল ও ৬ হাজার টন পেট্রোল রয়েছে। যা দিয়ে এক সপ্তাহেরও কম সময় চলবে।

শ্রীলঙ্কার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী কাঞ্চনা উইজেসেকেরা বলেছেন, আমরা জ্বালানি তেলের মজুত বাড়ানোর জন্য কাজ করে যাচ্ছি। তবে, বলতে পারছি না কবে নাগাদ মজুত বাড়ানো সম্ভব হবে।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র অর্থনীতিবিদ অ্যালেক্স হোমস বিবিসিকে বলেছেন, রাশিয়ার জ্বালানি নিষেধাজ্ঞা শ্রীলঙ্কার ক্রমবর্ধমান সংকটের আরেকটি ছোট লক্ষণ।

;