মিয়ানমারে জরুরি অবস্থার মেয়াদ বাড়ছে আরও ৬ মাস



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মিয়ানমারের সেনা সরকারের (জান্তা) প্রধান মিন অং হ্লাইং দেশটিতে চলমান জরুরি অবস্থার মেয়ার আরও ছয় মাস বাড়াতে যাচ্ছেন।

সোমবার (১ আগস্ট) দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, জাতীয় প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা পরিষদ ‘সর্বসম্মতভাবে সমর্থন’ করার ফলে জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইং জরুরি অবস্থার মেয়াদ বাড়াবেন।

গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারের কাছ থেকে ক্ষমতা দখলের পর জান্তা প্রথম জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে।

জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইং বলেন, আমাদের দেশে, আমাদের অবশ্যই অকৃত্রিম এবং সুশৃঙ্খল বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে, যা জনগণের চাওয়া।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং জরুরি অবস্থাও ২০২৩ সালের আগস্টের মধ্যে তুলে নেওয়া হবে। তবে আদৌ নির্বাচন হবে কিনা তা নিয়ে দেশটিতে সংশয় দেখা দিয়েছে।

সেনাবাহিনী ২০২০ সালের নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ করেছে। যে নির্বাচনে সু চির ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) জিতেছিল। তবে, সে সময় নির্বাচন পর্যবেক্ষণকারী দলগুলো জালিয়াতির কোনো প্রমাণ পায়নি।

অভ্যুত্থানের পর থেকে সু চিকে আটক করে রাখা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

কাবুলে মসজিদে বিস্ফোরণ, বহু হতাহতের শঙ্কা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের একটি মসজিদে প্রচণ্ড বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বহু হতাহতের আশঙ্কা করছে পুলিশ। খবর বিবিসির।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যার নামাজ চলাকালে কাবুলের ওই মসজিদে হামলার ঘটনা ঘটে। ইমারজেন্সি নামের একটি বেসরকারি সংস্থা জানিয়েছে, মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত তিনজন প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও কয়েক ডজন মানুষ।

তালেবানের কাবুল পুলিশের মুখপাত্র খালিদ জাদরানকে উদ্ধৃত করে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, রাজধানীর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একটি মসজিদে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। খবরে বলা হয়েছে, নিহতদের মধ্যে সিদ্দিকী মসজিদের ইমামও রয়েছেন।

তবে কারা হামলা করেছে এখনো তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এক সপ্তাহ আগে কাবুলে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণে তালেবানপন্থী একজন বিশিষ্ট আলেম নিহত হন। তখন ওই হামলার দায় স্বীকার করে ইসলামিক স্টেট (আইএস) গোষ্ঠী।

পুলিশের মুখপাত্র খালিদ জাদরান বলেন, রাজধানীর অদূরে ওই বিস্ফোরণস্থলে ইতিমধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের পাঠানো হয়েছে।

কাবুলে কার্যক্রম পরিচালনাকারী ইতালিভিত্তিক সংস্থা ইমারজেন্সি বলেছে, এখন পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা গেছে। বেসরকারি সংস্থাটি জানিয়েছে, বিস্ফোরণে ২৭ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে পাঁচটি শিশু রয়েছে। যার মধ্যে একজনের বয়স সাত বছর।

তালেবানের গোয়েন্দা বিভাগের একজন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, বিস্ফোরণে ৩৫ জন আহত অথবা নিহত হয়েছে। এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, শক্তিশালী একটি বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন তারা। এসময় আশেপাশের ভবনগুলোর জানালার কাঁচ ভেঙে যায়।

;

থাইল্যান্ডে একযোগে ১৭ স্থানে বিস্ফোরণ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
থাইল্যান্ডে একযোগে ১৭ স্থানে বিস্ফোরণ

থাইল্যান্ডে একযোগে ১৭ স্থানে বিস্ফোরণ

  • Font increase
  • Font Decrease

থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলের অন্তত ১৭টি স্থানে একযোগে বিস্ফোরণ ও আগুনের ঘটনা ঘটেছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, দৃশ্যত এটি একটি সমন্বিত হামলা। এতে অন্তত সাত জন আহত হয়েছেন।

পুলিশ ও সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, পাত্তানি, ইয়ালা, নারাথিওয়াতে মঙ্গলবার মধ্যরাতের পর তিনটি প্রদেশের নিত্যপণ্যের দোকান ও গ্যাস স্টেশন লক্ষ্য করে এসব বোমা ও আগুন হামলা চালানো হয়। এসব হামলা বুধবার ভোর পর্যন্ত চলে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, এখন পর্যন্ত কোনও সংগঠন এসব হামলার দায় স্বীকার করেনি।

ইন্টারনাল সিকিউরিটি অপারেশনস কমান্ড (আইএসওসি) অঞ্চল ৪ অনুসারে হামলাকরীর লক্ষ্য ছিল এই অঞ্চলের অর্থনীতিকে ব্যাহত করা।

আইসোক অঞ্চল ৪ -এর উপ-পরিচালক মেজর জেনারেল প্রমোট প্রম-ইন বলেন, পাত্তানিতে দুটি, ইয়ালায় ছয়টি এবং নারাথিওয়াতে নয়টি হামলা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে পাত্তানির নং চিকের। সেখানে একটি ব্যাং চাক পেট্রোল স্টেশন পুড়ে গেছে।

থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে মালয়েশিয়া সীমান্তবর্তী প্রদেশগুলোতে দীর্ঘদিন ধরেই কম মাত্রার বিদ্রোহী তৎপরতা চলছে। মূলত মুসলিম অধ্যুষিত পাত্তানি, ইয়ালা, নারাথিওয়াত এবং শঙ্খলা প্রদেশের অংশবিশেষে স্বাধীনতার দাবির বিরুদ্ধে লড়াই করছে থাই সরকার।

২০০৪ সাল থেকে শুরু হওয়া এ সংঘাতে সাত হাজার তিনশ’রও বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে বলে জানিয়েছে সহিংসতা পর্যবেক্ষণকারী গ্রুপ ডিপ সাউথ ওয়াচ। এ সংঘাত নিরসনে ২০১৩ সালে শান্তি আলোচনা শুরু হলেও বারবার তা বিঘ্নিত হয়েছে।

পিইউএলও এর নেতা কস্তুরি মাখোতা হামলা প্রসঙ্গে বলেছেন এর সঙ্গে তাদের সংগঠনের কোনও সম্পৃক্ততা নেই।

;

বৃহস্পতিবার ইউক্রেন যাচ্ছেন জাতিসংঘ মহাসচিবসহ এরদোয়ান



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে দেখা করতে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসসহ ইউক্রেনে যাচ্ছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। আগামী বৃহস্পতিবার লিভিভ শহরে ইউক্রেনের জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করবেন তাঁরা।

মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) জাতিসংঘ মহাসচিবের একজন মুখপাত্র এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর আল–জাজিরার।

গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফানি দুজারিখ বলেছেন, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণে বৃহস্পতিবার লিভিভে ইউক্রেনের রাষ্ট্রপ্রধান ও প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সঙ্গে ত্রীপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেবেন জাতিসংঘ মহাসচিব।’

দুজারিখ বলেন, তারা তিনজন শুক্রবার ওডেসার কৃষ্ণ সাগর বন্দর পরিদর্শন করবেন। জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় হওয়া একটি চুক্তির আওতায় সেখান থেকে পুনরায় খাদ্যশস্য রফতানি শুরু হয়েছে।

গত ২২ জুলাই রাশিয়া এবং ইউক্রেন বিশ্বব্যাপী খাদ্য সংকটে যাতে লাখ লাখ ক্ষুধার সম্মুখীন না হয় তা কমানোর প্রয়াসে শস্যের চালান পুনরায় শুরু করার বিষয়ে জাতিসংঘ এবং তুরস্কের সঙ্গে একটি যুগান্তকারী চুক্তি স্বাক্ষর করে।

ইউক্রেন থেকে শস্যদানা রফতানি নিয়ে গত ২২ জুলাই জাতিসংঘ এবং তুরস্কের সঙ্গে একটি যুগান্তকারী চুক্তি স্বাক্ষর করে রাশিয়া ও ইউক্রেন। যুদ্ধের কারণে বিশ্বের অন্যতম প্রধান শস্যদানা রফতানিকারী দেশ ইউক্রেন থেকে শস্য রফতানি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এতে করে বিশ্বে খাদ্যসংকট দেখা দেয়। কোটি কোটি মানুষ অনাহারের ঝুঁকিতে পড়ে। এই সংকট কাটাতেই দেশ দুটির মধ্যে এই চুক্তি হয়েছে।

দুজারিখ আরও বলেন, গুতেরেস পশ্চিম ইউক্রেনের লভিভে জেলেনস্কির সঙ্গে দেখা করবেন। জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করবেন এবং রাজনৈতিক সমাধানের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা করবেন।

;

ভারতের আপত্তি উপেক্ষা করে শ্রীলঙ্কায় চীনা গুপ্তচর জাহাজ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের তীব্র আপত্তি উপেক্ষা করেই শ্রীলঙ্কার হাম্বানটোটা বন্দরে পৌঁছেছে চীনের একটি বিতর্কিত গবেষণা জাহাজ।

মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) সকালে চীনা এই জাহাজটি হাম্বানটোটা বন্দরে পৌঁছায়। এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি।

এর আগে, ভারতের চাপের মুখে চীনের এই সামরিক জাহাজের পরিকল্পিত সফর অনির্দিষ্টকালের জন্য বিলম্বিত করতে বলেছিল শ্রীলঙ্কা। চীনা জাহাজের বিতর্কিত সফরটি আগের পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোবে না বলে আশ্বস্ত করেছিলেন লঙ্কান প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংহে নিজেই। তবে এ ঘোষণার পর সপ্তাহ পার না হতেই সুর বদলে ওই জাহাজটিকে শ্রীলঙ্কায় প্রবেশের অনুমতি দেয় কলম্বো।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন এক সময় চীনের সামরিক এ জাহাজটি শ্রীলঙ্কায় পাঠানো হলো, যখন সাত দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটের মুখে রয়েছে দেশটি।

ভারত সরকার চীনের জাহাজটির শ্রীলঙ্কার বন্দরে প্রবেশ করার বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ভারতের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, জাহাজটি দিয়ে নয়াদিল্লির সামরিক অবকাঠামোগুলোয় নজরদারি চালানো হতে পারে। শুধু উদ্বেগ নয়, ভারত সরকার এ নিয়ে কলম্বোর কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দিয়েছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, দিল্লির নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বার্থের ওপর এ ধরনের যেকোনো নজরদারির বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করবে তারা এবং নিজেদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে।

;