গণহত্যায় জড়িত থাকায় স্কোলজের বিরুদ্ধে জার্মান আইনজীবীদের মামলা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জার্মানির আইনজীবীদের একটি দল জার্মান ফেডারেল প্রসিকিউটরের কাছে দেশটির চ্যান্সেলর ওলাফ স্কোলজসহ সিনিয়র জার্মান রাজনীতিবিদদের বিরুদ্ধে শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) একটি ফৌজদারি অভিযোগ দায়ের করছে।

জার্মানির আইনজীবীদের অভিযোগ, স্কোলজ এবং অন্যান্যরা গাজায় ইসরায়েলের দ্বারা সংঘটিত গণহত্যাকে সহায়তা ও মদত দিয়েছেন।

জার্মানির ওই আইনজীবীরা দেশটির ফেডারেল নিরাপত্তা পরিষদের বেশ কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা বরেছেন, যারা জাতীয় নিরাপত্তা নীতি নির্দেশ করেন এবং অস্ত্র রপ্তানি অনুমোদন করেন।

এই তালিকায় স্কোলজ ছাড়াও জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালেনা বেয়ারবক, অর্থনীতিমন্ত্রী রবার্ট হ্যাবেক, অর্থমন্ত্রী ক্রিশ্চিয়ান লিন্ডনার রয়েছেন বলে জানিয়েছে আল জাজিরা।

মামলার ক্ষেত্রে আইনজীবীরা গাজা উপত্যকার দুই ফিলিস্তিনি পরিবারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন বলে জানা গেছে।

জার্মানির আইনজীবীদের দলটি এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আমরা প্রবাসী ফিলিস্তিনিরা আমাদের পরিবার এবং আমাদের জনগণের বিরুদ্ধে সংঘটিত গণহত্যার পাশে দাঁড়াবো না এবং দেখব না? আমরা আমাদের নিষ্পত্তিতে সব উপায় ব্যবহার করব। আজ আমরা গাজার গণহত্যায় জড়িত থাকার জন্য জার্মান সরকারকে জবাবদিহির করাতে চাই।’

ইউরোপিয়ান লিগ্যাল সাপোর্ট সেন্টার, প্যালেস্টাইন ইনস্টিটিউট ফর পাবলিক ডিপ্লোম্যাসি এবং ইউকেভিত্তিক আইন ফর প্যালেস্টাইন এই মামলার সমর্থনকারী সুশীল সমাজ সংস্থাগুলোর মধ্যে রয়েছে।

যৌথভাবে লিখিত বিবৃতিতে তারা বলেছে, ‘জার্মান রাষ্ট্র এমন একটি দেশ যারা গাজা উপত্যকা এবং ফিলিস্তিনিদের উপর আক্রমণে ইসরায়েলকে শক্তিশালী রাজনৈতিক ও বস্তুগত সমর্থন দেখিয়েছে।’

মামলার সমর্থনকারী আইনজীবীদের একজন আলেকজান্ডার গোর্স্কি স্বীকার করেছেন যে, আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে এই মামলাটি কঠিন হবে।’

তিনি আল জাজিরাকে বলেন, ‘তবে আমরা বিশ্বাস করি যে, বিচার বিভাগে কর্মরত ব্যক্তি হিসাবে কিছু করার চেষ্টা করা আমাদের দায়িত্ব। আমরা বিশ্বজুড়ে একটি গণহত্যাকে সরাসরি সম্প্রচার করতে দেখছি এবং তা সত্ত্বেও, ইসরায়েলি সরকার এখনও অন্যান্য দেশগুলোর দ্বারা সমর্থিত হচ্ছে এবং এখনও তাদের কাছ থেকে অস্ত্র গ্রহণ করছে।’

   

ইসরায়েলের হামলা মোকাবিলায় প্রস্তুত ইরান: ইরানের সেনাবাহিনী



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসরায়েলের হামলার মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে ইরানের সামরিক বাহিনী। 

বুধবার (১৭ এপ্রিল) ইরানের সংবাদ সংস্থা ইরনার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার জাতীয় সেনা দিবস উপলক্ষে এক কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে বিমান বাহিনীর কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার হামিদ ভাহেদী বলেন, ইরানের হাতে থাকা রাশিয়ার তৈরি সুখোই-২৪ যুদ্ধবিমানসহ অন্যান্য বিমান ইসরায়েলি হামলার মোকাবিলা করার জন্য ‘‘সর্বোচ্চ প্রস্তুত অবস্থায়’’ রয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং বোমারু বিমানসহ সব ক্ষেত্রেই পূর্ণ প্রস্তুতি রয়েছে। আমরা যেকোনও ধরনের পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত রয়েছি।

এর আগে ওই অনুষ্ঠানে দেশটির প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি বলেছেন, ‌‌‘‘আমাদের মাটিতে ইহুদিবাদী ইসরায়েলের যে কোনও ধরনের হামলার কঠোর জবাব দেওয়া হবে।’’

গত ১ এপ্রিল সিরিয়ার দামেস্কে ইরানের কনস্যুলেটে হামলা চালিয়ে একজন কমান্ডারসহ ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কর্পসের সাত কর্মকর্তাকে হত্যা করে ইসরায়েল। এ হামলার জবাবে রোববার ভোরে ইসরায়েলের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে তিন শতাধিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান।

;

প্রেমিকের আত্মহত্যার জন্য প্রেমিকাকে দায়ী করা যায় না- দিল্লি হাইকোর্ট



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রেমে ব্যর্থতায় প্রেমিকের আত্মহত্যার জন্য প্রেমিকাকে দায়ী করা যায় না বলে এক পর্যবেক্ষণে জানিয়েছেন দিল্লির হাইকোর্ট।

ছেলের প্রেমিকা ও তাদের বন্ধুর বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ এনে বাবার মামলা দায়েরের পর অভিযুক্তদের আগাম জামিন শুনানিতে দিল্লির হাইকোর্ট এ মন্তব্য করেন।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) ভারতের এক সংবাদমাধ্যম মুনসেফ ডেইলি এ বিষয়ে একটি খবর প্রকাশ করে।

খবরে বলা হয়, উচ্চ আদালত বলেছেন, মানসিকভাবে দুর্বল বা ভঙ্গুর চিন্তার একজন মানুষের ভুল সিদ্ধান্তের জন্য আরেকজনকে দায়ী করা যায় না।

দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি অমিত মহাজন বলেন, প্রেমের ব্যর্থতার জন্য কাউকে, মামলা খারিজের জন্য আইনজীবী কিংবা পরীক্ষায় ফেল করে আত্মহত্যা করলে নারী-পরীক্ষককে দায়ী করা যায় না।

২০২৩ সালে প্রেমে ব্যর্থতার জন্য আত্মহত্যাকারী প্রেমিক একটি সুইসাইড নোট লিখে রেখে যান। সেই নোটে তার নারী-বন্ধু ও অপর এক বন্ধুকে দায়ী করেন। এরপর প্রেমিকের বাবা ওই দুইজনকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন। মামলায় বলা হয়, তার ছেলের সঙ্গে মেয়েটির আবেগের সম্পর্ক ছিল। অভিযুক্ত অপর সিনিয়র একজন আইনজীবী মনিন্দর সিং ছেলে ও মেয়েটির বন্ধু ছিলেন।

প্রেমিকের বাবা অভিযোগে আরো বলেন, তার ছেলের সঙ্গে মেয়েটির শারীরিক সম্পর্ক ছিল এবং তারা খুব শিগগিরই বিয়ে করবে বলে জানিয়েছিল। পরে মায়ের ঘরে ঢুকে ছেলে আত্মহত্যা করে।

আদালত বলেন, এটা ঠিক যে, প্রেমিকের সুইসাইড নোটে অভিযুক্ত দুইজনের নাম উল্লেখ করা আছে। কিন্তু সেই নোটে এমন কিছু লেখা নেই যে, তারা তাকে হুমকি দিয়েছিল। এটি ছিল আত্মহত্যার একটি সাধারণ নোট।

আদালত বলেন, প্রেমিক ও প্রেমিকার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটিং দেখে জানা গেছে, প্রেমিক ছিলেন খুব ‘সেনসেটিভ মাইন্ডের’ (খুবই অনুভূতিশীল মানসিকতার)। সেখানে প্রেমিক লিখেছেন, মেয়েটি যদি তার সঙ্গে কথা না বলে, তাহলে সে আত্মহত্যা করবে।

আদালত পরে অভিযুক্ত দুজনের অন্তর্বর্তীকালীন আগাম জামিন মঞ্জুর করেন। অভিযুক্তদের হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদের দরকার নেই বলে জানান এবং এ অভিযোগের জন্য তাদের সাজা দেওয়া যায় না বলে মন্তব্য করেন।

আদালত অভিযোগকারীকে তদন্ত কাজে সহযোগিতা করার নির্দেশনা দেন।

;

উত্তর কোরিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিতে নতুন পথ খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: আল জাজিরা

ছবি: আল জাজিরা

  • Font increase
  • Font Decrease

উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিতে নতুন করে বিকল্প পথ খুঁজছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে জাতিসংঘের মার্কিন রাষ্ট্রদূত লিন্ডা থমাস-গ্রিনফিল্ড বলেছেন, ওয়াশিংটন জাতিসংঘের ভেতরে এবং বাইরে বিকল্পগুলি দেখছে। রাশিয়া গত মাসে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি প্রস্তাবে ভেটো দিয়েছে। এতে পিয়ংইয়ং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা থেকে বেঁচে যায়।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিকল্প বিষয়ে মিত্র দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান এবং অন্যান্য সমমনা দেশগুলোর সাথে যুক্ত হতে চাইছে।

লিন্ডা থমাস-গ্রিনফিল্ড বলেন, প্রায় ২০ বছর আগে পারমাণবিক অস্ত্র এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির উপর আরোপিত জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞার সাথে উত্তর কোরিয়ার সম্মতির পর প্রতিষ্ঠিত শাসন ব্যবস্থা মস্কোর ভেটোর কারণে কার্যকরভাবে বাতিল হয়েছে।

ইউক্রেনের যুদ্ধে পিয়ংইয়ং মস্কোকে অস্ত্র সরবরাহ করছে বলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া এবং অন্যদের অভিযোগের পর রাশিয়া এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

তবে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে থমাস-গ্রিনফিল্ড বিস্তারিত কিছু জানাননি। বিশেষ করে, বিকল্প পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থায় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের মাধ্যমে বা সম্পূর্ণরূপে জাতিসংঘের বাইরে গিয়ে কাজ করবে এ বিষয়ে তিনি কিছু বলেননি।

তিনি দাবি করেন, রাশিয়া এবং চীনসহ যারা উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে যারা জাতিসংঘের প্রস্তাবে ভোট দেওয়া থেকে বিরত ছিল কিংবা ভেটো দিয়েছিল তারা আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টাকে বন্ধ করার চেষ্টা চালিয়ে যাবে।

থমাস-গ্রিনফিল্ড বলেন, নিষেধাজ্ঞার অন্য পথ খুঁজে বের করার জন্য যে কোনো প্রচেষ্টায় তারা সহযোগিতা করবে বা একমত হবে এমন আশা কনি না। তবে এটি আমাদের সেই পথ খুঁজে পেতে বাধা দেবে না।

২০০৬ সালে উত্তর কোরিয়ার প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষা বিস্ফোরণের পর জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ (ইউএনএসসি) নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। তাদের তহবিল বন্ধ করতে এবং পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে রোধ করতে ব্যর্থ হয়েছে। মোট ১০টি রেজোলিউশনে বছরের পর বছর ধরে তাদের কঠোর করে তুলছে।

২০১৭ সালের ডিসেম্বরে কাউন্সিল দ্বারা সর্বশেষ নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব গৃহীত হয়েছিল।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ নিষেধাজ্ঞাগুলো নিরীক্ষণের জন্য একটি কমিটি গঠন করেছে। আইনের লঙ্ঘনগুলো তদন্ত করার জন্য বিশেষজ্ঞদের প্যানেলের আদেশ ১৪ বছরের জন্য পুনর্নবীকরণ করা হয়েছে।

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন সম্প্রতি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার একটি কর্মসূচি তদারকি করেছেন এবং যুদ্ধের জন্য উচ্চতর প্রস্তুতির নির্দেশ দিয়েছেন।

;

কারাগার থেকে গৃহবন্দি অং সান সু চি



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
অং সান সু চি

অং সান সু চি

  • Font increase
  • Font Decrease

মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চিকে কারাগারে থেকে সরিয়ে গৃহবন্দি করা হয়েছে। দেশটির জান্তা সরকারের এক মুখপাত্র এ তথ্য জানিয়েছেন।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে জানানো হয়, তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে অং সান সু চিকে কারাগার থেকে গৃহবন্দি হিসেবে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এছাড়াও দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টকেও কারাগার থেকে গৃহবন্দি করা হয়েছে।

জান্তার এক মুখপাত্র জাও মিন তুন এএফপিকে বলেছেন, গরম আবহাওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষ এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা দুজন ছাড়াও বেশ কিছু প্রবীণ বন্দিদের ক্ষেত্রেও এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এদিকে দেশটির রাজধানী নেপিডোতে আজ তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলে জানিয়েছে মিয়ানমারের আবহাওয়া সংস্থা। আগামী সপ্তাহে তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে বলেও আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।

২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ৭৮ বছর বয়সী সু চির সরকারকে উৎখাত করা হয় এবং এরপর থেকে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী তাকে আটক করে রেখেছে। রাষ্ট্রদ্রোহ এবং ঘুষ থেকে শুরু করে টেলিকমিউনিকেশন আইন লঙ্ঘন পর্যন্ত অপরাধের দায়ে নোবেলজয়ী এই নেত্রীকে ২৭ বছরের কারাদণ্ডের সম্মুখীন হতে হয়েছে। যদিও এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।

;