দোনেতস্কের ফ্রন্টলাইনের ৪১০ সেনা হারিয়েছে ইউক্রেন : রাশিয়া



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউক্রেনের দোনেতস্ক এলাকায় ফ্রন্টলাইনে অবস্থান জোরদার করেছে রাশিয়ার ব্যাটলগ্রুপ সাউথের ইউনিটগুলো।

অবস্থান জোরদার করার লড়াইয়ে ইউক্রেনের ৪১০ জন সেনাকে হত্যার দাবি করেছে মস্কো। ব্যাটলগ্রুপের মুখপাত্র ভাদিম আস্তাফিয়েভ বার্তা সংস্থা তাসকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘বিমান হামলা এবং গোলন্দাজ বাহিনীর সহায়াতায় ব্যাটলগ্রুপ সাউথের ইউনিটগুলো তাদের ফ্রন্টলাইনের অবস্থান জোরদার করেছে। এতে নভোয়ে, বোগদানভকা, আন্দ্রেয়েভকা এবং কুর্দিউমোভকার কাছে ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর ২৪তম মেকানাইজড ব্রিগেড এবং তৃতীয় ও ৯২তম অ্যাসল্ট ব্রিগেডের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। ওই হামলায় ৪১০ জন পর্যন্ত শত্রু সেনা নিহত বা আহত হয়েছে। অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল সিস্টেম এবং ড্রোন থেকে ইউক্রেনের দুটি সাঁজোয়া যান এবং ১২টি মোটরযানে হামলা চালানো হয়েছে।’

মুখপাত্র বলেছেন, পাল্টা হামলায় রাশিয়ার দুটি ১৫২ মিলিমিটার এমস্টা-বি হাউইৎজার এবং একটি ১৫২ মিলিমিটার গভোজডিকা হাউইৎজার ধ্বংস হয়ে গেছে।

এদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইউক্রেনের খারকিভ এবং ওডেসা অঞ্চলে শুক্রবার রাতে রুশ বিমান হামলায় কমপক্ষে ২ জন নিহত হয়েছে।

ওদেসার কর্মকর্তারা জানান, বন্দর নগরীটিতে রাশিয়ার এক ড্রোন হামলায় বেশ কয়েকটি উঁচু ভবনের ক্ষতি হয়েছে। এতে এক যুবক প্রাণ হারিয়েছে এবং তিন বছরের এক শিশুসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।

আঞ্চলিক গভর্ণর ওলেগ কিপার বলেন, ‘তিন বছরের শিশুটি পায়ে আঘাত পেয়েছে এবং তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’

রাশিয়ার এ হামলায় প্রাপ্তবয়স্ক ৬ জন আহত হয়েছে বলেও তিনি জানান।

অন্যদিকে পুলিশ জানিয়েছে, ইউক্রেনের উত্তর-পূর্ব খারকিভ অঞ্চলে ভেলিকি বুরলুক গ্রামের একটি বাড়িতে রাশিয়ার ড্রোন হামলায় এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। হামলায় বাড়িটিতে আগুন ধরে যায়।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, ৭৬ বছর বয়সি বাড়ির মালিককে ধ্বংসস্তুপের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। বাড়িটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।

   

উত্তর কোরিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিতে নতুন পথ খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: আল জাজিরা

ছবি: আল জাজিরা

  • Font increase
  • Font Decrease

উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিতে নতুন করে বিকল্প পথ খুঁজছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে জাতিসংঘের মার্কিন রাষ্ট্রদূত লিন্ডা থমাস-গ্রিনফিল্ড বলেছেন, ওয়াশিংটন জাতিসংঘের ভেতরে এবং বাইরে বিকল্পগুলি দেখছে। রাশিয়া গত মাসে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি প্রস্তাবে ভেটো দিয়েছে। এতে পিয়ংইয়ং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা থেকে বেঁচে যায়।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিকল্প বিষয়ে মিত্র দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান এবং অন্যান্য সমমনা দেশগুলোর সাথে যুক্ত হতে চাইছে।

লিন্ডা থমাস-গ্রিনফিল্ড বলেন, প্রায় ২০ বছর আগে পারমাণবিক অস্ত্র এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির উপর আরোপিত জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞার সাথে উত্তর কোরিয়ার সম্মতির পর প্রতিষ্ঠিত শাসন ব্যবস্থা মস্কোর ভেটোর কারণে কার্যকরভাবে বাতিল হয়েছে।

ইউক্রেনের যুদ্ধে পিয়ংইয়ং মস্কোকে অস্ত্র সরবরাহ করছে বলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া এবং অন্যদের অভিযোগের পর রাশিয়া এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

তবে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে থমাস-গ্রিনফিল্ড বিস্তারিত কিছু জানাননি। বিশেষ করে, বিকল্প পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থায় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের মাধ্যমে বা সম্পূর্ণরূপে জাতিসংঘের বাইরে গিয়ে কাজ করবে এ বিষয়ে তিনি কিছু বলেননি।

তিনি দাবি করেন, রাশিয়া এবং চীনসহ যারা উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে যারা জাতিসংঘের প্রস্তাবে ভোট দেওয়া থেকে বিরত ছিল কিংবা ভেটো দিয়েছিল তারা আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টাকে বন্ধ করার চেষ্টা চালিয়ে যাবে।

থমাস-গ্রিনফিল্ড বলেন, নিষেধাজ্ঞার অন্য পথ খুঁজে বের করার জন্য যে কোনো প্রচেষ্টায় তারা সহযোগিতা করবে বা একমত হবে এমন আশা কনি না। তবে এটি আমাদের সেই পথ খুঁজে পেতে বাধা দেবে না।

২০০৬ সালে উত্তর কোরিয়ার প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষা বিস্ফোরণের পর জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ (ইউএনএসসি) নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। তাদের তহবিল বন্ধ করতে এবং পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে রোধ করতে ব্যর্থ হয়েছে। মোট ১০টি রেজোলিউশনে বছরের পর বছর ধরে তাদের কঠোর করে তুলছে।

২০১৭ সালের ডিসেম্বরে কাউন্সিল দ্বারা সর্বশেষ নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব গৃহীত হয়েছিল।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ নিষেধাজ্ঞাগুলো নিরীক্ষণের জন্য একটি কমিটি গঠন করেছে। আইনের লঙ্ঘনগুলো তদন্ত করার জন্য বিশেষজ্ঞদের প্যানেলের আদেশ ১৪ বছরের জন্য পুনর্নবীকরণ করা হয়েছে।

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন সম্প্রতি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার একটি কর্মসূচি তদারকি করেছেন এবং যুদ্ধের জন্য উচ্চতর প্রস্তুতির নির্দেশ দিয়েছেন।

;

কারাগার থেকে গৃহবন্দি অং সান সু চি



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
অং সান সু চি

অং সান সু চি

  • Font increase
  • Font Decrease

মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চিকে কারাগারে থেকে সরিয়ে গৃহবন্দি করা হয়েছে। দেশটির জান্তা সরকারের এক মুখপাত্র এ তথ্য জানিয়েছেন।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে জানানো হয়, তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে অং সান সু চিকে কারাগার থেকে গৃহবন্দি হিসেবে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এছাড়াও দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টকেও কারাগার থেকে গৃহবন্দি করা হয়েছে।

জান্তার এক মুখপাত্র জাও মিন তুন এএফপিকে বলেছেন, গরম আবহাওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষ এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা দুজন ছাড়াও বেশ কিছু প্রবীণ বন্দিদের ক্ষেত্রেও এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এদিকে দেশটির রাজধানী নেপিডোতে আজ তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলে জানিয়েছে মিয়ানমারের আবহাওয়া সংস্থা। আগামী সপ্তাহে তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে বলেও আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।

২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ৭৮ বছর বয়সী সু চির সরকারকে উৎখাত করা হয় এবং এরপর থেকে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী তাকে আটক করে রেখেছে। রাষ্ট্রদ্রোহ এবং ঘুষ থেকে শুরু করে টেলিকমিউনিকেশন আইন লঙ্ঘন পর্যন্ত অপরাধের দায়ে নোবেলজয়ী এই নেত্রীকে ২৭ বছরের কারাদণ্ডের সম্মুখীন হতে হয়েছে। যদিও এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।

;

মোদিকে নিষিদ্ধ করার দাবিতে দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ভোটপ্রচারে প্রধানমন্ত্রী ভগবান ও উপাসনার স্থানের নামে ভোট চাইছেন, এই অভিযোগকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গের মামলা দায়ের করা হয়েছে দিল্লি হাইকোর্টে। আনন্দ এস জোনধালে নামে একজন আইনজীবী আবেদনটি দায়ের করেন।

মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) দ্য ইকনমিক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের আসন্ন লোকসভা নির্বাচন কে সামনে রেখে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও বিজেপির কাণ্ডারি নরেন্দ্র মোদিকে নির্বাচনী লড়াই থেকে নিষিদ্ধ করতে আদালতে আবেদন করেছেন আনন্দ এস জোনধালে নামের এক আইনজীবী।

আবেদনে মামলাকারী বলেছেন, গত ৯ এপ্রিল উত্তরপ্রদেশের পিলিভিটে বিজেপির নির্বাচনী জনসভায় মোদির বক্তৃতার উল্লেখ করে তিনি এই আর্জি জানিয়েছেন।

তার বক্তব্য, ‘মোদি ভাষণে সেদিন বলেছিলেন যে তিনি রামমন্দির তৈরি করে দিয়েছেন এবং কর্তারপুর সাহিব করিডর তৈরি করে দিয়েছেন। গুরুদ্বারে লঙ্গরের রান্নার জন্য ব্যবহৃত জিনিসপত্রের ওপর থেকে জিএসটি তুলে দিয়েছেন। তিনি আরও দাবি করেন, তিনি আফগানিস্তান থেকে গুরু গ্রন্থসাহিব নিয়ে এসেছেন।’

আনন্দের আরও দাবি, বক্তৃতার সময় প্রধানমন্ত্রী ভোটারদের কাছে হিন্দু ও শিখ দেবতা এবং হিন্দু উপাসনালয়ের নামে বিজেপিকে ভোট দেয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন। ধর্মের নামে ভোট চেয়ে আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন মোদি।

 

 

 

;

ইউক্রেন যুদ্ধে ৫০ হাজারের বেশি রুশ সেনা নিহত, দাবি বিবিসির



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর ৫০ হাজারের বেশি সদস্য নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।

দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলমান এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই মৃত সেনাদের তথ্য সংগ্রহ করে আসছে বিবিসি’র প্রতিবেদকরা। তাদের সংগ্রহ করা এসব তথ্যের ওপর ভিত্তিতে করে একটি সমীক্ষা প্রকাশ করা হয়েছে। ওই সমীক্ষায় এমন দাবি করেছে বিবিসি। তাদের দাবি, নিহত সেনার প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, তাদের পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দেখা গেছে, যুদ্ধক্ষেত্রের সম্মুখভাগে প্রথম বছরের তুলনায় পরবর্তী ১২ মাসে মৃত রুশ সেনাদের সংখ্যা প্রায় ২৫ শতাংশ বেড়েছে।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই রুশ সেনাদের মৃত্যুর সংখ্যা গণনা করে আসছে বিবিসির রুশ স্বাধীন মিডিয়া গ্রুপ মিডিয়াজোনা এবং স্বেচ্ছাসেবীরা। তথ্য সংগ্রহের বিষয়ে বিবিসি বলছে, কবরস্থানে পাওয়া নতুন কবর থেকেও অনেক সেনার নাম সংগ্রহ করেছেন তারা।

এছাড়া, সরকারি প্রতিবেদন, সংবাদপত্র এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মতো উন্মুক্ত উৎস থেকেও তথ্য সংগ্রহ করছে দায়িত্বরত দলগুলো।

বিবিসির তথ্যানুসন্ধানে দেখা যায়, যুদ্ধের দ্বিতীয় বছরে ২৭ হাজার ৩০০ জনেরও বেশি রুশ সেনা নিহত হন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছে রুশ কর্তৃপক্ষ।

বিবিসি দাবি করছে, তাদের সমীক্ষায় পাওয়া নিহত রুশ সেনার সংখ্যা ৫০ হাজারেরও বেশি যা ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে রাশিয়ার সরকারের প্রকাশ করা মৃত্যুর সংখ্যার আট গুণ।

এমন ভাবনার কারণ হিসেবে বিবিসি জানিয়েছে, তাদের বিশ্লেষণে পূর্ব ইউক্রেনে রুশ-অধিকৃতে ডোনেস্ক এবং লুহানস্কে নিহত হওয়া মিলিশিয়া বা যোদ্ধাদের সংখ্যা অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এগুলো যুক্ত করা হলে মৃত রুশ সেনার সংখ্যা আরও বেশি হবে।

এদিকে, যুদ্ধক্ষেত্রের প্রাণহানির সংখ্যা নিয়ে খুব কমই মন্তব্য করে থাকে ইউক্রেন। ফেব্রুয়ারিতে দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছিলেন, যুদ্ধে ৩১ হাজার ইউক্রেনীয় সৈন্য নিহত হয়েছেন। তবে মার্কিন গোয়েন্দাদের তথ্যানুযায়ী এই সংখ্যা আরও অনেক বেশির ইঙ্গিত দেয়।

;