কাশ্মিরে হাইওয়ে থেকে বাস খাদে পড়ে ১০ জনের মৃত্যু



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারত-শাসিত জম্মু-কাশ্মিরে সড়ক দুর্ঘটনায় ১০ জন নিহত হয়েছেন। নিহতরা সবাই অভিবাসী শ্রমিক। তারা শ্রীনগরে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে তাদের বহনকারী গাড়িটি হাইওয়য়ে থেকে ৩০০ ফুট গভীরে একটি খাদে পড়ে গেলে প্রাণহানির এই ঘটনা ঘটে।

শুক্রবার (২৯ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাশ্মিরের শ্রীনগর-জম্মু মহাসড়কে একটি যাত্রীবাহী গাড়ি গভীর খাদে পড়ে যাওয়ার পরে দশ জনের মৃত্যু হয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাত দেড়টার দিকে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে এবং গাড়িটি রামবান জেলার ব্যাটারি চেশমা ​​নামক স্থানে ৩০০ ফুট গভীর খাদে পড়ে যায়।

এনডিটিভি বলছে, নিহতরা অভিবাসী শ্রমিক এবং তারা শ্রীনগরের দিকে যাচ্ছিলেন। প্রবল বৃষ্টির মধ্যে মৃতদেহ উদ্ধারের জন্য কাশ্মিরের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মীদের পাশাপাশি পুলিশও সেখানে উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে।

লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা এই প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, নিহতদের পরিবারকে সকল সহায়তা দেওয়া হবে।

   

ইসরায়েল- যুক্তরাষ্ট্রকে আগাম তথ্য দিয়েছিল সৌদি ও আরব আমিরাত



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসরায়েলের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ইরানের পরিচালিত তিন শতাধিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আগেই ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গোয়েন্দা তথ্য দিয়েছিল সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ আরব।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, এই হামলার দুই দিন আগে ইরানের কর্মকর্তারা সৌদি আরব ও অন্যান্য উপসাগরীয় দেশগুলোকে হামলার সম্ভাব্য রূপরেখা ও সময় জানিয়েছিল, যাতে তারা তাদের আকাশসীমা রক্ষা করতে পারে। পরে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত সেই তথ্য আমেরিকা ও ইসরায়েলের কাছে পাঠায়।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, দামেস্কে ইরানের কনস্যুলেট ভবনে ভবনে ইসরায়েলের হামলার পর থেকে মার্কিন কর্মকর্তারা ইসরায়েলের ওপর ইরানের পরিকল্পিত হামলার বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য জানানোর জন্য আরব সরকারগুলোর ওপর চাপ দিতে থাকে। এর ফলশ্রুতিতে ইরানের হামলার তথ্য প্রকাশ প্রাথমিকভাবে সৌদি ও আরব আমিরাত নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেয়। পরে তারা যুক্তরাষ্ট্রকেও এ তথ্য জানায়।

একই সময়ে জর্ডান জানায়, তারা যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য দেশের যুদ্ধবিমানকে তার আকাশসীমা ব্যবহার করার অনুমতি দেবে। পাশাপাশি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোনকে বাধা দিতে সহায়তা করার জন্য তার যুদ্ধবিমান ব্যবহার করতে দেবে।

একজন ইসরায়েলি কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে বলেন, ‘আরব দেশগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে হোয়াইট হাউস পেন্টাগনকে যুদ্ধবিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে পুনঃস্থাপনের নির্দেশ দেয়।’

ইসরায়েলি ওই কর্মকর্তা আরও জানান, ইরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করার পরপরই কাতারে মার্কিন অপারেশন সেন্টারের সঙ্গে যুক্ত পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোতে প্রাথমিক সতর্কতা রাডারের মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়েছিল। এরপরই মার্কিন অপারেশন সেন্টার ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র-প্রতিরক্ষা সেন্টারে তথ্য পাঠায়।

এদিকে সোমবার (১৫ এপ্রিল) ইসরায়েলের সামরিক চিফ অফ স্টাফ হারজি হালেভি বলেছেন, ‘ইসরায়েলের ভূখণ্ডে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র, ক্রুজ মিসাইল ও ড্রোন হামলার জবাব দেওয়া হবে।’

উল্লেখ্য,১ এপ্রিল সিরিয়ার দামেস্কে ইরানের কনস্যুলেটে হামলা চালিয়ে একজন কমান্ডারসহ ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কর্পসের সাত কর্মকর্তাকে হত্যা করে ইসরায়েল। এ হামলার জবাবে গত রোববার ভোরে ইসরায়েলের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে তিন শতাধিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান।


;

পরাজয় মেনে নিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট 



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দক্ষিণ কোরিয়ার সংসদীয় নির্বাচনে লজ্জানক হারের পর পরাজয় মেনে নিয়ে প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল বলেছেন, ‘নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ যে মত প্রকাশ করেছে, তা আমাদের অবশ্যই বিনীতভাবে মেনে নিতে হবে।’

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, গত সপ্তাহে দক্ষিণ কোরিয়ায় সংসদীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ নির্বাচনে ইউন সুক ইওলের দল পিপল পাওয়ার পার্টি পরাজিত হলেও প্রেসিডেন্ট হিসেবে ইউনের মেয়াদ শেষ হতে এখনও তিন বছর বাকি রয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার ৩০০ আসনের এক কক্ষবিশিষ্ট পার্লামেন্টে রক্ষণশীল পিপল পাওয়ার পার্টি পেয়েছে ১০৮টি আসন। বিপরীতে প্রগতিশীল হিসেবে পরিচিত ডেমোক্র্যাটিক পার্টি পেয়েছে ১৯২টি আসন। এমন পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট ইউন তাঁর সরকারকে সংশোধন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। 

এদিকে ইয়োনহাপ নিউজসহ অন্যান্য স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগগুলো জানিয়েছে, নির্বাচনে ধাক্কা খেয়ে প্রধানমন্ত্রী, চিফ অফ স্টাফ এবং অনেক জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী এরইমধ্যে প্রেসিডেন্টের কাছে পদত্যাগপত্র দিয়েছেন।

প্রেসিডেন্ট ইউন বলেন, ‘শ্রম, শিক্ষা, পেনশন ব্যবস্থা ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে কাঠামোগত সংস্কারের অগ্রগতির চেষ্টা করা হবে। আমরা সংসদকে আরও ঘনিষ্ঠভাবে সহযোগিতা করতে চাই।’

ইউন বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। এদিকে উত্তর কোরিয়া বরবরের মতো উসকানি দিচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে দক্ষিণ কোরিয়ার নিরাপত্তার ব্যাপারে আমাদের আরও দৃঢ়ভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে।’

;

পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার সক্ষমতা ইরানের আছে: চীন



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর ইরানকে সরাসরি সমর্থন না জানালেও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে ইরানের। এই অঞ্চলে বিশৃঙ্খলা যাতে না হয়, তারা সেটি দেখার সক্ষমতা ইরানের আছে।

বার্তাসংস্থা রয়টার্স এর প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার (১৪ এপ্রিল) ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুসেইন আমির আবদুল্লাহিয়ানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। এ সময় ওয়াং ই বলেন, ইরান নিজেদের প্রতিরক্ষা ও সার্বভৌমত্বের চিন্তা করে হামলা করেছে বলে জানিয়েছে। সিরিয়ায় ইরানি দূতাবাসে হামলার তীব্র নিন্দা জানান তিনি।  

এ নিয়ে মঙ্গলবার প্রকাশিত চীনের বার্তা সংস্থা শিনহুয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতিবেশি ও আঞ্চলিক দেশগুলোতে হামলা না করার দিকে যেভাবে ইরান জোর দিয়েছে তাতে সমর্থন দিয়েছেন চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী। 

এ সময় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুসেইন আমির আবদুল্লাহিয়ান ওয়াং ইকে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা নিয়ে ইরানও চিন্তিত। এ নিয়ে তারা পরিকল্পনা করছে। এই উত্তেজনা যাতে আর না বাড়ে সেজন্য তারা সব করতে রাজি। 

ইরানের হামলার পর সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফাহিয়ান আল সৌদের সঙ্গেও কথা বলেন ওয়াং ই। মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে রিয়াদের সঙ্গে কাজ করতে বেইজিং প্রস্তুত বলে জানান তিনি। এমনকি গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়েও কাজ করবে চীন।

গত ১ এপ্রিল সিরিয়ার দামেস্কে ইরানের কনস্যুলেটে হামলা চালিয়ে একজন কমান্ডারসহ ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কর্পসের সাত কর্মকর্তাকে হত্যা করে ইসরায়েল। এ হামলার জবাবে রোববার ভোরে ইসরায়েলের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে তিন শতাধিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান।

ইসরায়েল দাবি করেছে, ইরানের হামলায় খুব সামান্যই ক্ষতি হয়েছে। বেশির ভাগ ক্ষেপণাস্ত্রই আয়রন ডোম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়েছে। এতে আমেরিকা, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জর্ডান সহায়তা করেছে।

ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে ইসরায়েল কী করে, তা দেখতে উদগ্রীব পুরো বিশ্ব। তবে, এখনই ইসরায়েলকে কিছু না করার পরামর্শ দিয়েছে পশ্চিমা মিত্র দেশগুলো। উত্তেজনা না বাড়ানোর জন্য সোমবার ইসরায়েলের পশ্চিমা মিত্রগুলো আহ্বান জানিয়েছে। 

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, আমেরিকা, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র নীতিবিষয়ক প্রধান ও জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসও ইসরায়েলকে সংযত থাকতে বলেছেন। 

;

ইরানি হামলা প্রতিরোধে ইসরায়েলের ব্যয় ১৩৫ কোটি ডলার 



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সম্প্রতি ইসরায়েলে সংগঠিত ইরানি হামলার ঘটনায় শত শত ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা প্রতিরোধ করতে দেশটিকে ব্যয় করতে হয়েছে প্রায় ১৩৫ কোটি ডলার। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে তুর্কি সংবাদ মাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড।

দৈনিক ইয়েদিওথ আহরনোথ ব্রিগেডিয়ার মো. ইসরায়েলি চিফ অব স্টাফের সাবেক আর্থিক উপদেষ্টা জেনারেল রাম আমিনাচ এই প্রসঙ্গে বলেন, শনিবার রাতে ১৩৫ কোটি ডলার প্রতিরক্ষা ব্যয় গুনতে হয়েছে। 

তিনি বলেন, ‘অ্যারো ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে একটি ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রকে আটকাতে প্রায় ৩৫ লাখ ডলার গুনতে হয়। যেখানে একটি ‘ম্যাজিক ওয়ান্ড’ ক্ষেপণাস্ত্রের দামও ১০ লাখ ডলার। এছাড়া ইরানি ড্রোনগুলো আটকাতে বিভিন্ন ধরনের ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান অংশ নিয়েছে। সেসব খরচ বাদ দিয়েই শুধু ইরানি হামলা মোকাবিলায় এই অর্থ খরচ হয়েছে।’

তেল আবিবের একটি থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্টাডিজের একজন সিনিয়র গবেষক ইহোশুয়া ক্যালিস্কি বলেন, শনিবার ইসরায়েলের ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ব্যারেজ আটকানোর খরচ আনুমানিক ২ দশমিক ১ বিলিয়ন ইসরায়েলি শেকেল বা ৫৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি। ডেভিড'স স্লিং এয়ার ব্যবহারসহ ইরানের অর্ধেক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন আটকানোর সাথে সম্পর্কিত ব্যয়কে বিবেচনা করে তিনি এই  অনুমান করেন। এতে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, এবং জ্বালানি ও অস্ত্রসহ ১০০টি ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানকে ছয় ঘণ্টা বাতাসে রাখার খরচও বিবেচনা করা হয়েছে।

দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

কালিস্কি বলেন, এই হামলার ব্যয় ১৯৭৩ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের খরচের সাথে তুলনীয়। তবে শনিবারের ইরানি হামলা প্রতিরোধের এই খরচ ইসরায়েলের অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে না।

এর আগে রোববার ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজ ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র দানিয়েল হাগারির উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছিল, ইরান থেকে ইসরায়েলে প্রায় ৩৫০টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা করা হয়েছিল, যার বেশিরভাগই আকাশেই নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।

তিনি নিশ্চিত করেন, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বিয়ারশেবারের নেভাতিম বিমানঘাঁটিতে সামান্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ৯৯ শতাংশ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকিয়ে দেওয়া হয়েছে।

দানিয়েল হাগারি আরও বলেন, ‘৩০টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে ২৫টি ধ্বংস করা হয়েছে এবং ১২০ টিরও বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে মাত্র কয়েকটি ইসরায়েলের আকাশে প্রবেশ করতে পেরেছে। সেসব নেভাতিম বিমান ঘাঁটিতে পড়েছে।’ 

হাগারি উল্লেখ করেছেন, ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর সক্ষমতা ধ্বংস করতে ইরানের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে এবং নেভাতিম ঘাঁটি কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, শনিবার রাতে ইরানের পাশাপাশি লেবানন, ইরাক ও ইয়েমেনের ভূখণ্ড থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়েছে।

 

;