ইসরায়েলের গোপন স্থাপনার ফুটেজ প্রকাশ করল হিজবুল্লাহ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর স্থাপনার ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সামরিক গণমাধ্যম বিভাগ। 

রোববার (২৩ জুন) প্রকাশিত এই ভিডিও ফুটেজ সম্পর্কে লেবাননের আল-মায়াদিন টেলিভিশন চ্যানেল বলছে, ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর কাছে নিরাপত্তার দিক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর স্থাপনাগুলোকে হিজবুল্লাহ চিহ্নিত করেছে।

দেশটির ক্ষমতাসীন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার যখন লেবাননের হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধের হুমকি দিচ্ছে, ঠিক তখনই এ ফুটেজ প্রকাশ করল সংগঠনটি। 

বার্তাসংস্থা ইরনার প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রকাশিত ফুটেজে যেসব গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাকে চিহ্নিত করা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে- নেগেভ মরুভূমিতে অবস্থিত ইসরায়েলের দিমোনা পরমাণু চুল্লি, তেল আবিবের বেনগুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, হাকিরিয়া কমপ্লেক্স এবং নেভাতিম বিমানঘাঁটি।

উল্লেখ্য, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হাকিরিয়া কমপ্লেক্সে রয়েছে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর জেনারেল স্টাফ এবং বহু শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তার বাসা-বাড়ি, রামাত ডেভিড বিমান ঘাঁটি এবং লেবানন উপকূলের কারিশ গ্যাসক্ষেত্র। 

এর আগে, শুক্রবার (২১ জুন) ইসরায়েলের একটি নৌঘাঁটিসহ ৬টি স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালিয়েছে হিজবুল্লাহ। এতে ওই নৌঘাঁটির একাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বহু সেনা হতাহত হয়েছে বলে দাবি করেছে সংগঠনটি। 

নারীদের জনজীবনে ফিরতে দিন- আফগান প্রতিনিধিদের প্রতি জাতিসংঘ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত, কাতারের রাজধানী দোহা সম্মেলনে উপস্থিত তালেবান প্রতিনিধি

ছবি: সংগৃহীত, কাতারের রাজধানী দোহা সম্মেলনে উপস্থিত তালেবান প্রতিনিধি

  • Font increase
  • Font Decrease

কাতারের রাজধানী দোহা সম্মেলনে প্রথমবারে মতো যোগ দেওয়া তালবান প্রতিনিধিদের প্রতি আফগানিস্তানের নারীদের সাধারণ জনজীবনে ফিরিয়ে আনতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল রোজম্যারি ডিকার্লো কাতারের দোহায় দু’দিনব্যাপী আফগানিস্তান বিষয়ে এক সাইড আলোচনায় এ আহ্বান জানান। রবি ও সোমবার এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

মঙ্গলবার (২ জুলাই) ভারতের বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এনডিটিভি এ বিষয়ে একটি খবর প্রকাশ করে।

খবরে বলা হয়, সোমবার (১ জুলাই) জাতিসংঘ আয়োজিত এ সম্মেলনের সাইড লাইনে সিভিল সোসাইটের বিভিন্ন গ্রুপের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। এ সময় তালেবান প্রতিনিধিদেরও সঙ্গেও আলোচনায় বসেন জাতিসংঘের প্রতিনিধিরা। তখন জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল রোজম্যারি ডিকার্লো তালেবান প্রতিনিধিদের প্রতি এ আহ্বান জানান।

২০২১ সালের ১৫ আগস্ট দ্বিতীয়বারের মতো আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পর এবারই প্রথম জাতিসংঘ আয়োজিত দোহা সম্মেলনে তালেবান প্রতিনিধিদের আহ্বান জানানো হয়।

তালেবান সরকার দেশটির ক্ষমতা দখলের পর নারীদের ওপর বিভিন্ন ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে এবং তাদের ঘরে থাকার নির্দেশনা জারি করে।

এদিকে, মানবাধিকারবিষয়ক সংস্থাগুলো আফগানিস্তানের নারী অধিকার প্রতিনিধিদের দোহা সম্মেলনে যোগদানে বিরত রাখায় জাতিসংঘের সমালোচনা করেছে।

এ বিষয়ে জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি রোজম্যারি ডিকার্লো এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, কর্তৃপক্ষ আফগানিস্তানের সিভিল সোসাইটির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কোনো বৈঠকে বসেনি এটা ঠিক, তবে আফগানিস্তানের সাধারণের জনজীবনে নারীদের ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে জাতিসংঘ।

জাতিসংঘ আয়োজিত দোহা সম্মেলন রবি ও সোমবার অনুষ্ঠিত হয়। এক বছরের ব্যবধানে তৃতীয়বারের মতো এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ২০২১ সালের পর এইবারই প্রথম তালেবান প্রতিনিধিদের এ সম্মেলনে যোগদানের জন্য আহ্বান জানানো হয়।

এদিকে, আফগানিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নে আরো আলোচনা হবে বলে জানানো হয়েছে সভায়। আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক সংকট ও সে দেশে মাদক তৈরির পপিফুলের চাষাবাদ বন্ধ করতে আরো আলোচনা করা হবে বলে প্রকাশিত সংবাদে জানানো হয়।

২০২১ সালে তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতায় আসার পর কোনো দেশ তাদের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়নি। তবে অনানুষ্ঠানিকভাবে অনেক দেশই তাদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে। এদের মধ্যে রাশিয়া অন্যতম।

;

ভারতে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পদদলিত হয়ে শিশুসহ নিহত ২৭



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: এনডিটিভি

ছবি: এনডিটিভি

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পদদলিত হয়ে নারী ও তিন শিশুসহ অন্তত ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (২ জুলাই) দেশটির উত্তর প্রদেশের হাথরাসে এ ঘটনা ঘটেছে বলে কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

এনডিটিভি জানায়, প্রার্থনা সভা (সৎসঙ্গ) চলাকালীন পদদলিত হয়। কমিউনিটি হেলথ সেন্টারের ভিজ্যুয়ালে দেখা গেছে, কান্নারত স্বজনদের উপস্থিতিতে বাস ও টেম্পোতে বেশ কিছু মরদেহ সেখানে আনা হচ্ছে।

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ঘটনার তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করার নির্দেশে দিয়েছেন।

উত্তর প্রদেশের ইটাহের চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. উমেশ কুমার ত্রিপাঠী বলেছেন, আমরা ২৭টি মরদেহ পেয়েছি, যার মধ্যে ২৫ জন মহিলা এবং দু'জন পুরুষ। কিছু আহতকেও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আমরা শুনেছি একটি ''সৎসঙ্গ'' চলাকালীন পদদলিত হয়েছিল।

ইটাহের সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ রাজেশ কুমার বলেছেন, হাথরাসের সিকান্দ্রা রাও থানা এলাকায় একটি গ্রামে পদদলিত হয়ে নিহতদের মধ্যে তিন জন শিশু রয়েছে।

;

ইউক্রেনের পাঁচ যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি রাশিয়ার



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ইউক্রেনের বিমান ঘাঁটিতে হামলা

ইউক্রেনের বিমান ঘাঁটিতে হামলা

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিমান ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে রাশিয়া।

মঙ্গলবার (২ জুলাই) রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বলেছেন, তারা পোলতাভা অঞ্চলের ইউক্রেনের একটি বিমানঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে পাঁচটি এসইউ-২৭ যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে। যদিও ইউক্রেন মস্কোর ওই দাবিকে অতিরঞ্জিত বলে ব্যাখ্যা করেছে।

বার্তাসংস্থা রয়টার্স এর প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। 

এতে বলা হয়, রাশিয়ার হামলার সময় বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শোনা যায়। এবং ইউক্রেনের বিমানঘাঁটি থেকে ধোঁয়া ও আগুনের শিখা উঠতে দেখা যায়। সামরিক বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র নির্মিত এফ-১৬ যুদ্ধবিমান হাতে পাওয়ার আগেই কিয়েভের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা দুর্বল করতে বিমানঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে রাশিয়া।

আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যাবস্থার দিক দিয়ে কিয়েভ মস্কোর তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে। রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের জাস্টিন ব্রঙ্ক বলেছেন, বিমান-প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীতে গোলাবারুদের সংকট রয়েছে। রাশিয়ার হামলা আরও জোরালো হওয়ার শঙ্কায় ইতোমধ্যেই তারা তাদের মূল্যবান আকাশযানগুলোকে এয়ারফিল্ড থেকে নিরাপদে সরিয়ে নিচ্ছে। তিনি বলেছেন, যদি রাশিয়া তাদের হামলায় সফল হয় তাহলে ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটিগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

রয়টার্স বলছে, রাশিয়া ইউক্রেনের বিমানঘাঁটিগুলোকে এমন এক সময়ে লক্ষ্যবস্তু করছে যখন যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি অত্যাধুনিক এফ-১৬ যুদ্ধবিমান হাতে পাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে কিয়েভ। যদিও মার্কিন এসব যুদ্ধবিমান ধ্বংস করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে রাশিয়া।

;

উচ্ছেদ আদেশের পর দক্ষিণ গাজায় ইসরায়েলি হামলা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: আল-জাজিরা

ছবি: আল-জাজিরা

  • Font increase
  • Font Decrease

উত্তর গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের শিকার হয়ে দক্ষিণ গাজার আশ্রয় নিচ্ছিলেন লাখ লাখ ফিলিস্তিনি। তবে এবার দক্ষিণ গাজার বৃহত্তম শহর খান ইউনুসের বেশিরভাগ এলাকা জুড়ে উচ্ছেদ আদেশ জারি করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। এই আদেশ জারি করার পর দক্ষিণ গাজায় নতুন করে হামলাও চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় আটজন নিহত ও ৩০ জনের বেশি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। হামলার শিকার হয়ে শত শত ফিলিস্তিনি ওই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।

মঙ্গলবার (২ জুলাই) কাতার ভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা আল জাজিরাকে জানায়, শহরসহ আশেপাশের একাধিক জায়গায় হামলা করা হয়েছে। ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মতে, আটজন নিহত এবং ৩০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন।

উচ্ছেদ আদেশের খান ইউনুস ছেড়ে যাচ্ছেন নারীরা/ছবি এএফপি

এর আগে গত সোমবার ফিলিস্তিন থেকে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে অভিনব রকেট হামলা করা হয়েছিল। সেই হামলার জবাব দিতে খান ইউনুসে বোমা হামলা করে ইসরাইল। ইসরাইলে রকেট হামলার কথা স্বীকার করেছে ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদ (পিআইজে)। গত বছরের অক্টোবর থেকে গাজায় শুরু হওয়া ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে হামাসের পাশাপাশি লড়াই করছে ফিলিস্তিনী ইসলামিক জিহাদ (পিআইজে)।

রকেটগুলো গাজা সীমান্তের কাছে ইসরায়েলি সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে ছোঁড়া হয়েছিল। পিআইজে-এর সশস্ত্র শাখা আল-কুদস ব্রিগেড বলেছে, ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিশোধ হিসেবে এই হামলা করা হয়েছে।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বলেছে , খান ইউনুস থেকে ২০টি গোলাবারুদ ছো্ঁড়া হয়েছিল। যার বেশিরভাগই তারা ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে তারা।
এমতবস্থায় ফিলিস্তিনি জনগণের মধ্যে ভয় ছড়িয়ে পড়েছে। তারা মনে করছেন, খুব শিগগিরই খান ইউনুসের অন্যান্য এলাকাসহ আল-কারারা, বনি সহেলা অংশে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হতে পারে। বছরের শুরুতে এই শহরটিতে হামাস সৈন্যদের নির্মূল করার দাবি করে এলাকা ছাড়ে ইসরায়েলি সেনারা। তবে উচ্ছেদ আদেশ জারি করে শহরটিতে পুনরায় আত্রুমণের ইঙ্গিত দিলো ইসরায়েল।

আল-মাওয়াসিতে সরে যাচ্ছে ফিলিস্তিনিরা/ ছবি এপি 

বনী সুহেলার বাসিন্দা আহমেদ নাজ্জার বলেন, ‘উচ্ছেদের আদেশের পর এখানের জনগণ ভয়ের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। বাসিন্দাদের বড় একটি অংশ অন্য জায়গা থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে এখানে আশ্রয় নিয়েছিল।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজার ২.৩ মিলিয়ন জনসংখ্যার বেশিরভাগই তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছে। আবার অনেকে একাধিকবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ইসরায়েলি লড়াই, বিধিনিষেধ ও অবরোধের জন্য মানবিক সহায়তা থেকে বঞ্চিত যুদ্ধ বিধ্বস্ত জনসাধারণ। ফলে গাজায় তৈরি হয়েছে তীব্র ক্ষুধা ও দুর্ভিক্ষ।

;