বোল্টনের লেখা বইতে ফাঁস হতে পারে ট্রাম্পের যত ‘কীর্তি’!



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন। গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে ডোনাল্ড ট্রাম্প বহিষ্কার করেন এই কর্মকর্তাকে। তবে হোয়াইট হাউসে দায়িত্বে থাকার সময়েই তিনি ‘দ্য রুম হয়্যার ইট হ্যাপেনড’ শিরোনামে একটি বই লেখেন।

গত বছর শেষে বইয়ের একটি পাণ্ডুলিপিও ফাঁস হয়। যা ট্রাম্পের অভিশংসন বিচারেও বেকায়দায় ফেলে। এখন প্রশ্ন কী আছে এ বইতে যার জন্য স্বয়ং ট্রাম্প ও তার দল রিপাবলিকান আপত্তি আর বিপত্তির মুখে পড়েছেন।


> ২০১৫ সালে ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি
> ২০২০ সালের নির্বাচনে দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়া নিশ্চিত করা
> চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাহায্য চাওয়া
> মার্কিন আগ্রাসী পররাষ্ট্রনীতি


এর বাইরেও ট্রাম্প ও তার দলের বেশ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আছে এ বইতে। ইতোমধ্যে বইটির প্রকাশ আটকে দিতে আদালতে মামলাও করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানায়, আসছে ২৩ জুন বইটি প্রকাশ হওয়ার কথা। আর বইয়ের এ প্রকাশনা আটকে দিতেই ট্রাম্পের এই প্রচেষ্টা।


মঙ্গলবার (১৬ জুন) প্রকাশিত হবার জন্য ‘দ্য রুম হয়্যার ইট হ্যাপেনড’ বইটির কয়েক হাজার অনুলিপি ইতোমধ্যে বই বিক্রয়কারীদের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে। বিচারক বিভাগের আইনজীবীরা ওয়াশিংটন জেলা আদালতে একটি উত্থাপিত লড়াইয়ের মুখোমুখি হতে পারেন। এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প টুইটারে এটিকে ‘মিথ্যা ও রচিত গল্পের সংকলন’ বলে নিন্দা করেছেন। বোল্টনকে ‘পাগল’ সম্বোধন করে উড়িয়ে দিয়েছেন।

বইটির প্রকাশ বন্ধ করতে মামলায় বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউস ও দেশের গুরুত্বপূর্ণ গোপন তথ্য দিয়ে বইটি লিখেছেন বোল্টন। বইটির প্রকাশ হলে দেশের জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির সম্মুখীন হবে। এর আগে গত ১৫ জুন ট্রাম্প রীতিমতো হুমকিও দেন বোল্টনকে। তাকে অপরাধমূলক ‘ক্রিমিনাল প্রবলেমস’ এ পড়তে হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন ট্রাম্প। রাষ্ট্রীয় গোপন তথ্য দিয়ে বই প্রকাশ করলে সেটি আইন ভঙ্গ করা হবে বলেও সাফ জানিয়ে দেন ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্রের সিভিল লিবার্টিস ইউনিয়ন জানায়, বোল্টনের বইয়ের প্রকাশ বন্ধ করতে পারবেন না ট্রাম্প। তার দলের সমস্ত প্রচেষ্টাই ব্যর্থ হবে।

   

অস্ট্রেলিয়ায় শপিং মলে হামলা: প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য লোমহর্ষক বর্ণনা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের রাজধানী সিডনির একটি শপিং মলে ছুরি হামলায় এখন পর্যন্ত সাতজনের নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এতে আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। ওই ঘটনার সময় উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীদের দেওয়া বক্তব্য উঠে এসেছে সেই লোমহর্ষক ঘটনার চিত্র। 

শনিবার (১৩ এপ্রিল) স্থানীয় সময় বিকেল ৪টার কিছু আগে বন্ডি জাংশন শপিং সেন্টারে এই হামলার ঘটনা ঘটে। ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে প্রত্যক্ষদর্শীদের চোখে হামলার ভয়াবহ সব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষদর্শী সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজকে বলেন, যখন এই হামলা করা হয় তখন তিনি ও তার দুই ছোট বাচ্চা ঘটনাস্থলেই ছিলেন। হঠাৎ এক ব্যক্তি ওই শপিং মলে ঢুকে নির্বিচারে মানুষকে ছুরিকাঘাত করতে শুরু করে।

এমন ঘটনাকে তিনি 'হত্যাকাণ্ড' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

অন্য এক প্রত্যক্ষদর্শী নারী মল থেকে বেরোতে বেরোতে হতবিহ্বল অবস্থায় বলছিলেন, এটা পুরোই পাগলামি।

এদিকে, কী কারণে এ হামলা করা হয়েছে তা এখনো পরিষ্কার নয় পুলিশের কাছে। অবশ্য এ হামলার অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই ঘটনার সময় পাশেই ডিউটিরত অবস্থায় ছিলেন এক নারী পুলিশ। হামলার কথা শুনে তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছান। সেখানে তাকেও হামলা করতে যান ওই ব্যক্তি। পরে সে তাকে গুলি করলে হামলাকারী মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।

জেসন ডকসন নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, এমন হামলা দেখে উপস্থিত সবাই চিৎকার এবং দৌঁড়াতে শুরু করে। পরে ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে দেখে সবাই নিরাপত্তার জন্য তার পিছনে গিয়ে সমবেত হয়।

তিনি আরও বলেন, ওই সময় যদি তিনি হামলাকারীকে গুলি না করতেন তাহলে আরও অনেকের মৃত্যু হতে পারতো।

ওই পুলিশ কর্মকর্তার এমন কাজের প্রশংসা করে তাকে 'নায়ক' হিসেবে আখ্যা দিয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজ বলেন, কোন সন্দেহ নেই যে তিনি তার অর্পিত দায়িত্বের মাধ্যমে এতোগুলো মানুষের জীবন বাঁচিয়েছেন। 

'এ ঘটনায় সবাই হতবাক হয়ে গিয়েছিলেন'

অস্ট্রেলিয়ার সিডনি শহরের ওয়েস্টফিল্ড মলে এ হামলা চালানো হয়েছে। মলটি দেশটির বিখ্যাত বন্ডি বিচের পাশেই অবস্থিত। এটি অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম বৃহত্তম একটি শপিং সেন্টার এবং অন্যান্য দিনের মতো এদিনও মানুষের ভিড়ে পরিপূর্ণ ছিল মলটি। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই ছিল শিশু-কিশোর।

হামলার সময় মলে থাকা জনি (৩৩) নামে এক ক্রেতা জানান, কেনাকাটার একপর্যায়ে সবাইকে চিৎকার করতে এবং দৌড়াদৌড়ি করতে দেখেন। তিনি এক নারীসহ তার শিশুর ওপর হামলা করতে দেখেন। 

তিনি আরও জানান, ওই সময় সবাই হতবাক হয়ে দেখছিল। তখন আসলে কেউ বুঝতে পারছিল না কী করা উচিত।

আরেক প্রত্যক্ষদর্শী বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘দেখতে পেলাম যে সবাই আমাদের দিকে ছুটে আসছেন। এরপর একটি গুলির শব্দ শুনলাম। আমার স্বামী আমাদের নিয়ে একটি দোকানে ঢুকে পড়েছিলেন। সেখানে থাকা এক নারী দোকানের দরজাগুলো বন্ধ করার চেষ্টা করছিলেন। তবে সামনের দরজাটি বন্ধ করতে পারেননি। তাই আমরা দোকানের ভেতর অফিসকক্ষে ঢুকে পড়লাম। সেটি চারদিক দিয়ে বন্ধ ছিল। পরে পুলিশ এসে আমাদের সেখান থেকে বের করে।’

;

ইসরায়েলের জাহাজ জব্দ করেছে ইরান, উত্তেজনা চরমে



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত ও গুরুত্বপূর্ণ নৌরুট হরমুজ প্রণালী থেকে ইসরায়েলের একটি কন্টেইনারবাহী জাহাজ জব্দ করেছে ইরানের আধাসামরিক বাহিনী বিপ্লবী গার্ডের নৌ-কমান্ডরা।

শনিবার (১৩ এপ্রিল) বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা 'ইরনার' প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায়, দেশটির বিপ্লবী গার্ডের নৌ কমান্ডরা জাহাজটিতে অভিযান পরিচালনা করেছে। এমএসসি এআরআইইএস নামের জাহাজটি জব্দ করেন বিপ্লবী গার্ডের সেনারা।

এর আগে যুক্তরাজ্যের সেনাবাহিনী জানিয়েছিল, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দরের কাছে হরমুজ প্রণালীতে একটি জাহাজের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে অজ্ঞাত একটি দল।

এদিকে ইসরায়েলের সামরিক মুখপাত্র ড্যানিয়েল হাগারি এক বিবৃতিতে বলেছেন, এ ঘটনার পর ইসরায়েল-ইরানের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ অবস্থায় পৌঁছাবে।

ইরানের সংবাদমাধ্যমগুলোতে বলা হয়েছে, জাহাজটি জোডিয়াক মেরিটাইম শিপিং কোম্পানির। এই কোম্পানিটির মালিক হলেন দখলদার ইসরায়েলের ধনকুবের ইয়াল ওফার। জাহাজটি পর্তুগালের পতাকাবাহী ছিল বলেও জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমগুলো।

হরমুজ প্রণালী থেকে জব্দ করার পর জাহাজটি এখন ইরানের সমুদ্রসীমায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

;

ইসরায়েলে যেকোন সময় হামলা, প্রস্তুত করা হচ্ছে ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসরায়েলে হামলা করার জন্য গত সপ্তাহেই ১০০টির বেশি ক্রুজ প্রস্তুত করে রেখেছে ইরান- এমন দাবি করে যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা গণমাধ্যম সিবিএসকে জানায়। 

শনিবার (১৩ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের আরেক সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, মার্কিন কর্মকর্তারা লক্ষ্য করেছেন, ইরানে সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ইরানি সেনারা ড্রোন ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নিয়ে যাচ্ছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব তৎপরতার মাধ্যমে মূলত ইরান থেকে ইসরায়েলে সরাসরি হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে তেহরান। মার্কিন কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছেন যে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলার মাধ্যমে ইসরায়েলে আক্রমণ করতে প্রস্তুত হতে পারে।

এর আগে ওই কর্মকর্তারা জানান, ইরান সম্ভাব্য হামলার জন্য বিপুল সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র প্রস্তুত করেছে। এসব ড্রোন ইসরায়েলে হামলায় ব্যবহার করা যেতে পারে। তাদের মতামত, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যেন ইরানে কোনো হামলা চালানোর সাহস দেখাতে না পারে সেজন্য এসব মারণাস্ত্র প্রস্তুত করা হতে পারে।

উল্লেখ্য, ১ এপ্রিল সিরিয়ায় ইরানি কনস্যুলেটে হামলা চালায় ইসরায়েল। ওই হামলায় ১৩ জন নিহত হন। কনস্যুলেটে হামলায় বেশ কয়েকজন সামরিক কর্মকর্তা প্রাণ হারান। তাদের মধ্যে কুদস্ ফোর্সের একজন সিনিয়র কমান্ডার ছিলেন। সিরিয়া ও লেবাননে বাহিনীর কার্যক্রম দেখভাল করতেন তিনি। ইরান এর প্রতিশোধ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। 

;

সিডনিতে শপিং মলে ছুরি হামলায় নিহত ৫



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের রাজধানী সিডনির একটি শপিং মলে ছুরি হামলায় ৫ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো অনেকে। তাদের বেশিরভাগের অবস্থা আশঙ্কাজনক। খবর- সিডনি মর্নিং হেরাল্ড।

শনিবার (১৩ এপ্রিল) স্থানীয় সময় বিকেল ৪টার কিছু আগে বন্ডি জাংশন শপিং সেন্টারে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

হামলাকারী একজন পুরুষ এবং তাকে থামাতে পুলিশকে গুলি করতে হয়েছে। তিনি এখনো বেঁচে আছে কি না নিশ্চিত নয়।

শপিং মলটির অবস্থান সিডনির ওয়েস্টফিল্ড এলাকায়। হামলা ঘটার পর পুলিশ মলটির আশপাশের এলাকায় যান চলাচল সীমিত রাখার পদক্ষেপ নিয়েছে।

এ ইস্যুতে আরো তথ্য জানতে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম। কিন্তু পুলিশ কর্মকর্তারা বলেছেন, ‘আমাদের তদন্ত চলছে। এখন এ ব্যাপারে আর বেশি কিছু বলার সুযোগ নেই।’



;