নবী মুহাম্মদ সা. ছিলেন বিশ্ব শান্তির পথ প্রদর্শক: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী



ইসলাম ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

‘প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন বিশ্ব শান্তি, মানবতা ও কল্যাণের পথ প্রদর্শক। তার আগমনে বঞ্চিত, নিপীড়িত ও লাঞ্ছিত মানবতা খুঁজে পেয়েছিল মুক্তির দিশা। তার মাধ্যমে সুমহান ইসলাম লাভ করেছে পরিপূর্ণতা।’

মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) বাদ মাগরিব বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পূর্ব সাহানে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ১৪৪৩ হিজরি উদযাপন উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন আয়োজিত পক্ষকালব্যাপী অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান এমপি এসব কথা বলেন।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে প্রধান অতিথি হিসেবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিলের শুভ উদ্বোধন করে নবী করিম (সা.)-এর আদর্শ প্রচার-প্রসার ও দ্বীনী খেদমতের এক নবদিগন্তের দ্বার উন্মোচন করেন। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে জাতীয় পর্যায়ে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হয়ে আসছে।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও সচিবের দায়িত্বরত মু. আ. আউয়াল হাওলাদার।

অনুষ্ঠানে আলোচক অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শোলাকিয়া ঈদগাহের গ্র্যান্ড ইমাম মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসউদ ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরসের গভর্নর মুফতি রুহুল আমীন ও ড. মাওলানা মুহাম্মদ কাফিলুদ্দীন সরকার সালেহী।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ড. মো. মুশফিকুর রহমান।

মিলাদুন্নবীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালকবৃন্দ ও সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ চত্বরে আয়োজিত পক্ষকালব্যাপী ইসলামি বইমেলারও উদ্বোধন করেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত পক্ষকালব্যাপী অনুষ্ঠানমালার মধ্যে রয়েছে, গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার সমাধি কমপ্লেক্সে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ১৪৪৩ হিজরি উদযাপন, ১৫ দিনব্যাপী ওয়াজ মাহফিল, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল, বাংলাদেশ বেতারের সঙ্গে যৌথ প্রযোজনায় সেমিনার, ইসলামি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, ইসলামি বইমেলার আয়োজন, কেরাত মাহফিল, হামদ-নাত ও স্বরচিত কবিতা পাঠের মাহফিল ইত্যাদি।

এ ছাড়া ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সকল বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, ৫০টি ইসলামিক মিশন ও ৭টি ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমিতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে।