ছোট গোনাহ থেকেও সতর্ক থাকা



মাওলানা সাদিকুর রহমান, অতিথি লেখক, ইসলাম
   ছবি : ‘তোমরা খেজুরের একটি অংশ দিয়ে হলেও জাহান্নাম থেকে আত্মরক্ষা করো, আর তাও যদি না পারো তাহলে ভালো কথা দিয়ে’

  ছবি : ‘তোমরা খেজুরের একটি অংশ দিয়ে হলেও জাহান্নাম থেকে আত্মরক্ষা করো, আর তাও যদি না পারো তাহলে ভালো কথা দিয়ে’

  • Font increase
  • Font Decrease

নেক কাজ বলতে আমরা যা বুঝি, তা আমলের প্রতি সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি নয়। আমরা মনে করি, নেক কাজ মানে আলাদা কিছু, যা মসজিদে করতে হবে, অজুর সঙ্গে পালন করতে হবে, কিংবা এক জায়গায় বসে নীরবে পালন করতে হবে। কিন্তু ব্যাপারটি সার্বিকভাবে তা নয়। ফরজ বিধান ও অল্প কিছু নফল এবং তাসবিহাত আদায়ের ক্ষেত্রে এগুলো প্রযোজ্য। বরং একজন মুমিনের পুরো জীবনটাই হতে পারে নেক আমল। আসলে নেক আমল করা যতটুকু প্রয়োজন, তার চেয়ে প্রয়োজন আমলকে নেক করা। অর্থাৎ জীবনের প্রতিটি কাজকে আল্লাহর সন্তুষ্টি অন্বেষণের নিমিত্তে সুন্নাহর নির্দেশনা অনুযাায়ী পালন করা। বস্তুত মুমিনের প্রকৃত জীবন বৃত্তান্ত তো এই যে, ‘আমার দৈহিক ইবাদত, আমার আর্থিক কর্মসম্পাদন, আমার জীবন আমার মৃত্যু- সব কিছুই রাব্বুল আলামিন আল্লাহর জন্য নিবেদিত।’

আসলে যেকোনো কাজকে বাহ্য দৃষ্টিতে বিবেচনা না করে তার অন্তর্নিহিত তাৎপর্য অনুধাবন করতে হবে। আমরা জানি না, কোন্ নেক কাজ, যা হয়তো দেখতে সামান্য, কিন্তু আল্লাহতায়ালার কাছে কবুল হয়ে গেলে তা জাহান্নাম থেকে নাজাতের কারণ হয়ে যাবে। এমনকি খেজুরের সামান্য অংশ দান করা- তাও হয়ে যেতে পারে নাজাতের ওসিলা। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘তোমরা খেজুরের একটি অংশ দিয়ে হলেও জাহান্নাম থেকে আত্মরক্ষা করো, আর তাও যদি না পারো তাহলে ভালো কথা দিয়ে...। -সহিহ বোখারি : ৬০২৩

হাদিসে বর্ণিত শব্দ ‘ভালো কথা’-এর ব্যাখ্যায় অনেক কিছুই অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। যেমন, ভালো কাজের পথ দেখানো, মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখা, দুই বিবাদকারীর মাঝে সন্ধি করে দেওয়া, কোনো অস্পষ্ট বিষয়কে স্পষ্ট করা, কোনো ক্ষুব্ধ ব্যক্তিকে সামলে নেওয়া কিংবা রাগান্বিত ব্যক্তিকে শান্ত করা ইত্যাদি। এই কাজগুলো আমরা স্বাভাবিকভাবেই করে থাকি। কিন্তু তাকে নেক কাজ বিবেচনা করি না। অথচ এভাবে ছোট ছোট কাজ সচেতনতার সঙ্গে সম্পন্ন করলে, তা হবে নেকির কারণ। এভাবে আমাদের দুনিয়ার জীবন হবে আমাদের আখেরাতের জন্য উত্তম প্রস্তুতি। এসব কাজ যত সামান্যই মনে হোক, আখেরাতের দীর্ঘ সফরের পথে মুমিনের জন্য তা উত্তম পাথেয়। তাই তো ইরশাদ হয়েছে, ‘যে অণু পরিমাণও নেক আমল করবে, সে তা দেখতে পাবে’ অর্থাৎ তার প্রতিদান পেয়ে যাবে।

ছোট নেকির ন্যায় ছোট গোনাহকেও আমরা অনেক সময় পরোয়া করি না। অথচ প্রতিটি গোনাহ এমন, যদি তা ক্ষমা ছাড়া রয়ে যায় তাহলে এই একটি গোনাহের জন্যও কেয়ামতের দিন হিসাবের সম্মুখীন হতে হবে। সেদিন আমার কাছে এ ব্যাপারে কৈফিয়ত তলব করা হবে। যেই মহান মালিকের পক্ষ থেকে হিসাব নেওয়া হবে এবং যেই ভয়ঙ্কর মুহূর্তে, তখন গোনাহ কীভাবে ‘ছোট’ হয়!

তাই তো নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ ব্যাপারে উম্মতকে সতর্ক করেছেন। স্বয়ং উম্মুল মুমিনীন হজরত আয়েশা (রাযি.)-কে নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্বোধন করে বলেন, ‘হে আয়েশা! ছোট ও তুচ্ছ ধরনের গোনাহ থেকেও সতর্ক থাকো। কেননা তুচ্ছ গোনাহের ব্যাপারেও মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে হিসাব তলবকারী থাকবেন। -সুনানে দারেমি : ২৭৬৮

মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত ফেরেশতারা যা লিখছে, যার হিসাব সংরক্ষণ করা হচ্ছে এবং কেয়ামতের ভয়াবহ দিনে যে হিসাবের নিষ্পত্তি হবে, তা ছোট কোনো বিষয় হতে পারে না। কিন্তু কেন যেন আমরা ঘুমিয়ে থাকি। আমাদের সঠিক উপলব্ধি জাগ্রত হয় না!

এক হাদিসে নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, হজরত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘ছোট গোনাহের ব্যাপারে তোমরা সাবধান হও। কেননা মানুষের ওপর তা জমা হয়ে একপর্যায়ে তাকে ধ্বংস করে ছাড়ে। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দৃষ্টান্ত দিয়েছেন এভাবে যে, কিছু লোক এক প্রান্তরে যাত্রা বিরতি করল। খাবার প্রস্তুতের সময় হলে প্রত্যেকে গিয়ে কিছু লাকড়ি কুড়িয়ে আনল। এভাবে কিছু কিছু করে বহু জ্বালানী সংগ্রহ হলো। তখন তা দিয়ে বড় করে আগুন জ্বালিয়ে তারা খাবার প্রস্তুত করল।’ -মুসনাদে আহমাদ : ৩৮১৮

এই হাদিসে দৃষ্টান্ত দিয়ে বোঝানো হয়েছে, ছোট ছোট ইন্ধন একত্র হয়ে বিরাট অগ্নিকুণ্ডে পরিণত হতে পারে। ফলে তখন তা যে কোনো কিছু জ্বালিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

আসলে নেকি ও গোনাহ উপলব্ধির জন্য শুধু দৃষ্টি যথেষ্ট নয় বরং প্রয়োজন হয় অন্তর্দৃষ্টি। কিন্তু বনি আদমের আখেরাতবিমুখতা অন্তর্দৃষ্টিকে আচ্ছন্ন করে রাখে। আর অন্তর্দৃষ্টি আচ্ছন্ন হয়ে গেলে বাহ্যদৃষ্টিও আর কল্যাণের পথ দেখায় না...। আখেরাতের পথে যারা চলেছেন, চলছেন; তাদের সঙ্গই পারে মানুষের সঠিক দৃষ্টি এবং অন্তর্দৃষ্টি জাগ্রত করতে।

   

সিলেট থেকে ছেড়ে গেল প্রথম হজ ফ্লাইট



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
হজ ফ্লাইটের উদ্বোধন করেছেন প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ও সিলেট-২ আসনের এমপি শফিকুর রহমান চৌধুরী।

হজ ফ্লাইটের উদ্বোধন করেছেন প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ও সিলেট-২ আসনের এমপি শফিকুর রহমান চৌধুরী।

  • Font increase
  • Font Decrease

সিলেট থেকে মদিনায় হজ ফ্লাইটের উদ্বোধন করেছেন প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ও সিলেট-২ আসনের এমপি শফিকুর রহমান চৌধুরী।

বুধবার (২২মে) বিকেল ৩টায় সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রথম হজ ফ্লাইটের উদ্বোধন করেন তিনি।

উদ্বোধনী ফ্লাইটে ৩৮৯ জন হজযাত্রী নিয়ে বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে বিমানের বিজি-২৩৭ ফ্লাইটটি মদিনার উদ্দেশে সিলেট ছেড়ে যায়।

এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ডিস্ট্রিক ম্যানেজার শাহনেওয়াজ মজুমদার।

তিনি বলেন, ঢাকা থেকে ২৯ জন হজযাত্রী নিয়ে এসে ফ্লাইটটি সিলেটের ৩৬০ জনসহ মোট ৩৮৯ জন নিয়ে মদিনার উদ্দেশে ছেড়ে গেছে বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সূত্র জানিয়েছে, সিলেট অঞ্চলের হজযাত্রীদের জন্য এবার ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৫টি ফ্লাইট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ৫টি ফ্লাইটে মোট ২ হাজার ৯৫ হজযাত্রী পরিবহন করা হবে। প্রথম দিনের ফ্লাইট ছাড়া বাকিগুলো পরিচালিত হবে সিলেট-জেদ্দা রুটে। বাকি চারটি ফ্লাইটের শিডিউল হচ্ছে আগামী ১, ৩, ৬ ও ৯ জুন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধর্মমন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থানীয় কমিটির সভাপতি মাওলানা হুছামুদ্দিন চৌধুরী এমপি, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল এমপি এবং সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী।

;

সৌদি পৌঁছেছেন ৩৪ হাজার ৭৪১ হজযাত্রী



ইসলাম ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চলতি বছর হজ ফ্লাইট শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ৩৪ হাজার ৭৪১ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। তাদের মধ্যে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২২ মে) হজ সম্পর্কিত সবশেষ বুলেটিনে এসব তথ্য জানানো হয়।

হজযাত্রীদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩ হাজার ৭৪৭ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩০ হাজার ৯৯৪ জন সৌদিতে গিয়েছেন। এখন পর্যন্ত ৮৪ হাজার ২৪টি ভিসা ইস্যু করা হয়েছে।

হেল্প ডেস্কের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত মোট ৮৭টি ফ্লাইট সৌদিতে গিয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৩৯টি, সৌদি এয়ারলাইনসের ২৮টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনসের ২০টি ফ্লাইট রয়েছে। হজ ফ্লাইট শুরুর পর থেকে মঙ্গলবার মধ্যরাত পর্যন্ত ৮৪ হাজার ২৪ জন হজযাত্রীর ভিসা ইস্যু হয়েছে।

চলতি বছর পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে তৃতীয় বাংলাদেশি হিসেবে মো. লুৎফর রহমান (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার তিনি মক্কায় মারা যান। এ নিয়ে হজ করতে গিয়ে মোট তিনজন মারা গেছেন। তাদের মধ্যে মক্কায় দুইজন এবং মদিনায় একজন মারা যান।

এ বছর সৌদি আরবে হজ করতে গিয়ে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মো. আসাদুজ্জামান নামে এক হজযাত্রী মারা যান। গত ১৫ মে তিনি মদিনায় মৃত্যুবরণ করেন। দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে মো. মোস্তফা (৮৯) নামে এক বৃদ্ধ গত শনিবার (১৮ মে) মক্কায় মারা যান।

গত ৯ মে বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের প্রথম ডেডিকেটেড ফ্লাইট ৪১৫ জন হজযাত্রী নিয়ে সৌদির উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। এর মাধ্যমেই চলতি বছরের হজের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। শেষ হবে ১০ জুন।

উল্লেখ্য, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৬ জুন পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে ২০ জুন এবং শেষ হবে ২২ জুলাই।

;

উমরা ভিসায় হজ নয়, না মানলে কঠোর শাস্তি



ইসলাম ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
উমরা ভিসায় হজ নয়, না মানলে কঠোর শাস্তি, ছবি: সংগৃহীত

উমরা ভিসায় হজ নয়, না মানলে কঠোর শাস্তি, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

উমরার পারমিট বা ভিসা দিয়ে হজপালন করা যাবে না বলে জানিয়েছে সৌদি আরবের হজ ও উমরা বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে আগামী ২৪ মে (১৬ জিলকদ) থেকে ২৬ জুন (২০ জিলহজ) পর্যন্ত হজের স্থানগুলোতে দেশটি কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে। এ সময়ে শুধুমাত্র হজের অনুমোদন নিয়েই কেবল হজ করা যাবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত হজযাত্রীদের শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। গত ১৯ মে সৌদি গেজেটের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হজ পারমিট ছাড়া মক্কায় প্রবেশে স্থানীয় নাগরিক, দর্শনার্থী ও প্রবাসীদের বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়। পবিত্র মক্কা শহর, সেন্ট্রাল হারাম এলাকা, মিনার, আরাফাত, মুজদালিফা, রুসাইফার হারামাইন ট্রেন স্টেশন, নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র এবং হজযাত্রীদের গ্রুপে হজের অনুমতি ছাড়া ধরা পড়লে জরিমানা করা হবে। আর নির্দেশনা লঙ্ঘন করে মক্কায় প্রবেশ করলে ১০ হাজার রিয়াল জরিমানা করা হবে।

আগামী ২ জুন (২৫ জিলকদ) থেকে ২০ জুন (১৪ জিলহজ) পর্যন্ত এ নির্দেশনা থাকবে। এ সময়ে নিয়ম লঙ্ঘনকারী বাসিন্দাদের তাদের দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে এবং সৌদি আরবে পুনরায় প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হবে। তা ছাড়া এ নির্দেশনা বারবার লঙ্ঘন করলে পুনরায় ১০ হাজার সৌদি রিয়াল (২ লাখ ৯২ হাজার ৭৯৪ টাকা) জরিমানা করা হবে।

সৌদি বার্তা সংস্থা আরও জানায়, আর বিনা অনুমতিতে হজ করে হজবিষয়ক নির্দেশনা লঙ্ঘনকারীদের পরিবহন করে ধরা পড়লে ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ডসহ ৫০ হাজার সৌদি রিয়াল (১৪ লাখ ৬৩ হাজার ৯৭২ টাকা) জরিমানা করা হবে এবং ব্যবহৃত গাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হবে।

তা ছাড়া পরিবহন করা মানুষের সংখ্যার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জরিমানার পরিমাণ আরো বাড়বে। আর নির্দেশনা লঙ্ঘনকারী প্রবাসী হলে সাজাভোগের পর তাকে দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৬ জুন পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। এ বছর ২০ লাখের বেশি মানুষ হজপালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

;

হাজিদের সচেতনতায় বিশেষ প্রচারণা



ইসলাম ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
হাজিদের সচেতনতায় বিশেষ প্রচারণা, ছবি: সংগৃহীত

হাজিদের সচেতনতায় বিশেষ প্রচারণা, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সৌদি আরবের হজ ও উমরা মন্ত্রণালয় হজসংক্রান্ত নিয়ম-কানুন মেনে চলা এবং বৈধ অনুমতি বা ভিসাব্যতীত হজপালন করা থেকে বিরত থাকার ব্যাপারে বার্তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য বিশ্বের বহুল ব্যবহৃত ও প্রচলিত ১৫টি ভাষায় একটি আন্তর্জাতিক সচেতনতা ও শিক্ষামূলক প্রচারণা শুরু করেছে।

এ বছর হজপালনে আগ্রহী সবার কাছে সচেতনতামূলক বার্তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য ২০টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, বিভিন্ন ইসলামি কেন্দ্র ও ব্যক্তিদের সঙ্গে সমন্বয় করে ডিজিটাল ও প্রচলিত মিডিয়ার মাধ্যমে হজসংক্রান্ত নির্দেশনাবলী ও বিধিবিধানের প্রচার-প্রসারই এই প্রচারাভিযানের লক্ষ্য।

হজযাত্রীরা পবিত্র ভূমিতে যাত্রাপথে বিমানে বসেই নিজ নিজ ভাষায় হজসংক্রান্ত বিষয়ে ধারণা পাওয়ার জন্য মন্ত্রণালয় সৌদি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটগুলোতে হজ ও উমরা চ্যানেল চালু করেছে।

সৌদি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে হজ ও উমরার চ্যানেলে রয়েছে, ২৩টি শিক্ষামূলক ক্লিপ, ১৪টি ভাষায় ১৩টি সচেতনতামূলক নির্দেশিকা, ৯ ভাষায় ১টি ডকুমেন্টারি, ৭ ভাষায় ৬টি ফিল্ম, ৭ ভাষায় ইহরাম পরার ১টি ভিডিও। ভাষাগুলো হলো- সিংহলি, মালয়েশিয়ান, আরবি, ইংরেজি, বাংলা, ফ্রেঞ্চ, হাউসাবিয়া, ফারসি, ইন্দোনেশিয়ান, তুর্কি, স্প্যানিশ, উর্দু, আমহারিক ও রুশ।

এছাড়া দেশটির হজ ও উমরা মন্ত্রণালয় তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পেজে ধারাবাহিক পোস্টে বলেছে, হজে যাওয়ার পথে, বিধিবদ্ধ সচেতনতা নির্দেশিকা পড়ুন, আপনার ঈমানি সফরে আপনার অধিকার ও বাধ্যবাধকতা সম্পর্কে জানুন। হজ-উমরা চ্যানেলের বিষয়বস্তু অনুসরণ করে যথাযথ প্রস্তুতি নিয়ে আপনার যাত্রা শুরু করুন।

হজ বিষয়ক সচেতনতার বিষয়গুলো বিস্তারিত জানার জন্য মন্ত্রণালয় নিম্নের লিঙ্কে https://www.haj.gov.sa/Guides আল্লাহর মেহমানদের প্রবেশ করার সুযোগ প্রদান করেছে। যাতে হজযাত্রী অতি সহজে হজপালন, বিভিন্ন পদক্ষেপ, সময়সূচি ও পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে পারেন।

হজ ও উমরা মন্ত্রণালয় তার প্ল্যাটফর্মের ওয়েব প্যানেলের মাধ্যমে বেশ কয়েকটি ব্যাখ্যামূলক নির্দেশিকা প্রদান করেছে, যার মধ্যে রয়েছে- মসজিদে হারাম গাইড, মসজিদে নববি গাইড এবং মসজিদে নববি পরিষেবা গাইড।

;