২০ মে পবিত্র শবে কদর



ইসলাম ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা শেষে সিদ্ধান্ত জানাচ্ছেন ধর্ম সচিব মো. নূরুল ইসলাম, ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা শেষে সিদ্ধান্ত জানাচ্ছেন ধর্ম সচিব মো. নূরুল ইসলাম, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের আকাশে শুক্রবার পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। চাঁদ দেখা যাওয়ায় শনিবার থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হচ্ছে। চাঁদের হিসেবে আগামি ২০ মে, বুধবার দিবাগত রাতে সারাদেশে পবিত্র লাইলাতুল কদর পালিত হবে।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পূর্ব সাহানে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নূরুল ইসলাম।

সভায় তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মিজান-উল-আলম, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আনিস মাহমুদ, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মুঃ আঃ হামিদ জমাদ্দার, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সচিব কাজী নূরুল ইসলাম, ঢাকা জেলার এডিসি (সাধারণ) মো. শহিদুজ্জামান, শোলাকিয়া ঈদগাহের ইমাম মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ, বাংলাদেশ টেলিভিশনের পরিচালক মুহা. নেছার উদ্দিন, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের পিএসও আবু মোহাম্মদ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মোঃ আবদুল মান্নান, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র-পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, চকবাজার শাহী মসজিদের খতিব মাওলানা শেখ নাঈম রেজওয়ান ও লালবাগ শাহী মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ নেয়ামতুল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সকল জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়সমূহ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান হতে প্রাপ্ত তথ্যে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে রমজান মাসের চাঁদ দেখার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

রমজান মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় শনিবার (২৫ এপ্রিল) থেকে পবিত্র রমজান মাস গণনা শুরু হবে এবং ২৬ রমজান, বুধবার (২০ মে) দিবাগত রাতে সারাদেশে পবিত্র লাইলাতুল কদর পালিত হবে।

শবে কদর অর্থ হলো- মর্যাদার রাত বা ভাগ্যরজনী। শবে কদরের আরবি হলো- লাইলাতুল কদর তথা সম্মানিত রাত। যে রাতে পবিত্র কোরআন নাজিল হয়েছে, সে রাতই লাইলাতুল কদর। আল্লাহতায়ালা বলেন, নিশ্চয়ই আমি কোরআন নাজিল করেছি মর্যাদাপূর্ণ কদর রজনীতে। আপনি কি জানেন, মহিমাময় কদর রজনী কী? মহিমান্বিত কদর রজনী হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। সে রাতে ফেরেশতাগণ হজরত জিবরাইল আলাইহিস সালাম সমভিব্যাহারে অবতরণ করেন; তাদের প্রভু মহান আল্লাহর নির্দেশ ও অনুমতিক্রমে, সব বিষয়ে শান্তির বার্তা নিয়ে। এই শান্তির ধারা চলতে থাকে উষা পর্যন্ত। -সূরা আল কদর

ভারতীয় উপমহাদেশসহ পৃথিবীর অনেক দেশের ফারসি, উর্দু, বাংলা, হিন্দি নানা ভাষাভাষী মানুষের কাছে এটি শবে কদর নামে সমধিক পরিচিত।

হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘তোমরা রমজানের শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলোতে শবে কদরকে সন্ধান করো। -সহিহ মুসলিম

এ রাতগুলো হলো ২১, ২৩, ২৫, ২৭ ও ২৯। উল্লেখ্য, আরবি হিসেবে দিনের আগে রাত গণনা করা হয়।