ওয়াশিং মেশিন: বিলাসবহুল পণ্য এখন প্রয়োজনীয় হোম অ্যাপ্লায়েন্স



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ওয়াশিং মেশিন: বিলাসবহুল পণ্য এখন প্রয়োজনীয় হোম অ্যাপ্লায়েন্স

ওয়াশিং মেশিন: বিলাসবহুল পণ্য এখন প্রয়োজনীয় হোম অ্যাপ্লায়েন্স

  • Font increase
  • Font Decrease

ওয়াশিং মেশিন কেনার বিষয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন আসে ‘এ পণ্যটি আমি কেনো কিনবো?’। ওয়াশিং মেশিন নিয়ে মানুষের মাঝে বেশ কিছু প্রচলিত ধারণা থেকেই এ প্রশ্নটি সাধারণত সামনে আসে। এ প্রশ্নের সহজ উত্তর হলো, ওয়াশিং মেশিন দিয়ে মানুষ খুব সহজে ও স্বল্প পরিশ্রমে কাপড় পরিষ্কার করা ও পানি শুকানো যায়। বৈশ্বিক মহামারি শুরুর পর থেকে প্রতিটি বাসা-বাড়িতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্রযুক্তি পণ্যগুলোর মধ্যে ওয়াশিং মেশিন বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমান সময়ে ওয়াশিং মেশিন ব্যবহার করে অনেকেই খুব সহজেই কাপড় পরিষ্কার করতে পারেন। তবে, ওয়াশিং মেশিন কেনা নিয়ে অনেকের মাঝে এখনো প্রচলিত ধারণা বিরাজমান রয়েছে। চলুন দেখে নেয়া যাক,  একবিংশ শতাব্দীতে ওয়াশিং মেশিন কেনো প্রয়োজনীয়:         

ধরন অনুযায়ী কাপড় পরিষ্কারের সুবিধা

তথ্য-প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্বে ইন্ডাস্ট্রির শীর্ষস্থানীয় ফিচার সহযোগে ওয়াশিং মেশিনগুলোতে প্রতিনিয়ত পরিবর্তন নিয়ে আসছে ওয়াশিং মেশিন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। সব ধরনের কাপড় পরিষ্কারের জন্য ওয়াশিং মেশিনের মডেলগুলো বিভিন্ন সরঞ্জামে সজ্জিত। এক্ষেত্রে ব্যবহারকারীকে যা করতে হবে তা হলো রঙ এবং কাপড়ের ধরনের ওপর ভিত্তি করে কাপড়ের স্তূপ তৈরি করে সে অনুযায়ী ধুয়ে ফেলা। এছাড়াও, ওয়াশিং মেশিনগুলোর প্রযুক্তিতে বেশ অগ্রগতি হয়েছে এবং অনেক ফিচার ও সেটিং সুবিধাও বর্তমান ওয়াশিং মেশিনের সাথে যুক্ত হয়েছে। ম্যানুয়াল দেখে ব্যবহারকারীরা ধরন অনুযায়ী কাপড় পরিষ্কারের বিষয়টি খুব সহজেই শিখে নিতে পারবেন এবং সে অনুযায়ী ‘অপশন’ নির্বাচন করতে পারবেন। 

কাপড়কে রাখে সুরক্ষিত

অনেক ব্যবহারকারী তাদের কাপড়ের ক্ষতির জন্য ওয়াশিং মেশিনকে দায়ী করে থাকেন। কিন্তু, দশবারের মধ্যে নয়বারই এটি ওয়াশিং মেশিনের জন্য মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়েছে। বহু বছরের পুরনো মডেলের ওয়াশিং মেশিনগুলোও কাপড়ের কোন ধরনের ক্ষতিসাধন না করে কার্যকরভাবে কাপড়কে পরিষ্কার করতে সক্ষম। বিশেষ করে, সহজে নষ্ট হয়ে যায় এমন ধরনের কাপড় পরিষ্কারের জন্য বর্তমান সময়ের ওয়াশিং মেশিনগুলোতে উদ্ভাবনী ও প্রযুক্তিগত ডিজাইন নিয়ে এসেছে। এ সেটিংগুলো ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা খুব সহজেই কাপড়কে যত্ন সহকারে পরিষ্কারের মাধ্যমে কাপড়কে সুরক্ষিত রাখে।

পানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী

প্রতিটি হোম অ্যাপ্লায়েন্স সামগ্রী চালু অবস্থায় অনেক বিদ্যুৎ খরচ করে। যে কোন হোম অ্যাপ্লায়েন্স সামগ্রীর দক্ষতা নির্ভর করে এর ব্যবহারবিধির ওপর। বর্তমান সময়ের ওয়াশিং মেশিনগুলোতে পরিবেশ-বান্ধব প্রযুক্তি সমৃদ্ধ ফিচার ব্যবহার করা হয়; যা পানি ও বিদ্যুত সাশ্রয়ে সহায়ক ভূমিকা রাখে। এ প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের উল্লেখযোগ্যহারে ইউটিলিটি বিল সাশ্রয় সহ পরিবেশ রক্ষায় সাহায্য করে।     

কাপড় ধোয়ার সেরা বিকল্প ওয়াশিং মেশিন

ওয়াশিং মেশিন ছাড়া কাপড় ধোয়ার বিষয়টি অনেক সময় এবং শ্রমসাধ্য। তবে, বর্তমান যুগে ব্যস্ততার কারণে অধিকাংশ মানুষের কাপড় ধোয়ার জন্য সময় বের করার বিষয়টি বেশ দুরূহ। তাই, ব্যস্ত সময়ে কাপড় ধোয়ার জন্য সেরা বিকল্প হিসেবে ওয়াশিং মেশিন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এছাড়াও, অনেক ওয়াশিং মেশিনে প্রিওয়াশিং ফিচার রয়েছে, যা সঠিকভাবে কাপড় পরিষ্কারের আগে কাপড়কে ভিজিয়ে রাখতে সহায্য করবে।   

ডিটারজেন্টের অধিক ব্যবহার

ওয়াশিং মেশিন নিয়ে একটি ধারণা প্রচলিত আছে যে, বেশি ডিটারজেন্ট ব্যবহারে কাপড় হবে বেশি পরিষ্কার। ওয়াশিং মেশিনে এমন প্রযুক্তি রয়েছে, যা অল্প পরিমাণে ডিটারজেন্ট ব্যবহার করে পানির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে কাপড়কে পরিষ্কার করবে। এ ঘূর্ণন প্রক্রিয়া বিপুল পরিমাণ ফোম নিঃসরণ করে; ফলে, সঠিকভাবে কাপড় পরিষ্কারের জন্য অনেক পরিমাণ ডিটারজেন্ট ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে না।   

বিগত কয়েক বছর ধরে দেশের ব্যবহারকারীদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে বাংলাদেশের অনেক হোম অ্যাপ্লায়েন্স প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের ওয়াশিং মেশিন বাজারে নিয়ে আসছে। ব্যবহারকারীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে, কাপড় পরিষ্কারের বিষয়টিকে আরো সহজ করতে স্যামসাং কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকস বাংলাদেশ বিভিন্ন ধরনের ওয়াশিং মেশিন বাজারে নিয়ে এসেছে। ৭ কেজি, ৭.৫ কেজি, ৯ কেজি ও ১০ কেজি সক্ষমতার স্যামসাংয়ের টপ লোডিং ওয়াশিং মেশিনগুলোতে অল-ইন-ওয়ান সল্যুশন রয়েছে, যার বাজার মূল্য শুরু হয়েছে ২৩,৯০০ টাকা। হাত দিয়ে ও প্রি-ওয়াশিং কাপড় পরিষ্কারের জন্য এর নিউ অ্যাকটিভওয়াশ + ফিচারই চূড়ান্ত সল্যুশন। ভালোভাবে কাপড় পরিষ্কারের জন্য ‘এক্সট্রা ওয়েভ’ সহ ডেডিকেটেড সিঙ্ক ব্যবহার করা হয়েছে। এর বিল্ট-ইন ওয়াটার জেট সিঙ্কের ভেতরে ইজি-টু-রিচ বাটন ব্যবহারকে নিয়ন্ত্রণ করে।  

এর পাশাপাশি, এ ওয়াশিং মেশিনগুলো বেশ দীর্ঘস্থায়ী; এবং এটি ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কম শক্তি খরচ করে এবং শব্দহীনভাবে চলে। কাপড়কে পুরোপুরি পরিষ্কার করতে ডিভাইসটিতে স্টেইনলেস স্টিল পালসেটর রয়েছে; যেখানে ছয়টি ব্লেড রয়েছে, যা বিস্তৃত ও শক্তিশালী পানির প্রবাহ নিশ্চিত করে। এটি কার্যকরভাবে ময়লা ও সাবান পানিকে দূর করে কাপড়কে ধুয়ে ফেলতে পারে। স্যামসাংয়ের নির্দিষ্ট মডেলের ওয়াশিং মেশিনগুলো ইনটেনস ওয়াশ ফাংশন দিয়ে কার্যকরভাবে কাপড়কে পরিষ্কার করে, ইকো টাব ক্লিন ফিচার টবকে পরিষ্কার রাখে এবং ম্যাজিক ফিল্টারের সাহায্যে ড্রেনেজ সিস্টেমকে ঠিক রাখে।

সম্পর্ক নিয়ে দুশ্চিন্তা, দূরত্ব বাড়ছে? যেভাবে মেটাবেন



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রিয় মানুষটির সঙ্গে সুন্দর সম্পর্ক গড়ে তোলার একটাই চাবিকাঠি, তা হল ভালোবাসা। তবে এই ভালোবাসাও খুব সহজ কথা নয়। কখনও কখনও ঝামেলা, কথা কাটাকাটি হয়। তাই সত্যিকারের ভালোবাসার মধ্যে কতগুলো দিক না থাকলেই নয়। সেই বিষয়গুলোর ঠিকমতো খেয়াল রাখলেই শেষ দিন পর্যন্ত একসঙ্গে হাত ধরে হাঁটা সম্ভব।

সম্প্রতি ভারতের মনোবিদ নিকোলে লেপেরা তাঁর ইনস্টাগ্ৰামে পরিণত ভালোবাসার এই দিকগুলো নিয়েই আলোচনা করেছেন।

১.মতানৈক্যের মধ্যেও যোগাযোগ থাকা: দুজনের মধ্যে কোনও একটি বিষয়ে মতানৈক্য হতেই পারে। তবে এই কারণে নিজেদের মধ্যে দূরত্ব যেন না বেড়ে যায়। কথা বলা বন্ধ করে মান অভিমান দীর্ঘ সময় ধরে চলতে না দেওয়াই ভালো।

২. ক্ষমা করা: প্রতিটি মানুষই কিছু না কিছু ভুল করে। ভুল করে বলেই সে মানুষ। যার সঙ্গে সারাটা জীবন থাকার পরিকল্পনা রয়েছে, তার ভুলগুলোকে ভালোবেসেই ক্ষমা করা উচিত। এতে সম্পর্কও দৃঢ় হয়।

৩.পরস্পরের প্রয়োজন হয়ে ওঠা: পরস্পরের কাছে প্রয়োজনীয় হয়ে ওঠা ভালোবাসাকেই দৃঢ করে। তবে এটাও দেখতে হবে, একজনের কাছ থেকে যেন অতিমাত্রায় আশা না করা হয়। এতে সম্পর্কে তিক্ততা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

৪. সরাসরি কথা বলা: কোনও সমস্যা হলে অন্যজনের থেকে না লুকিয়ে সরাসরি তার সঙ্গে আলোচনা করা উচিত। একইভাবে সঙ্গীকে চিন্তিত দেখলে তার সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তার সমস্যা জানা জরুরি। দুজনে মিলে আলোচনা করে অনেক সমস্যারই সমাধান বার করা সম্ভব।

৫. স্বাধীনতা দেওয়া: সম্পর্কে থাকার পাশাপাশি পরস্পর পরস্পরকে যথেষ্ট স্বাধীনতা দেওয়াও জরুরি। এতে দুজনের মধ্যে সম্পর্ক সহজ হয়। পাশাপাশি স্বচ্ছতাও থাকে।

৬. আনন্দ: যত বেশি স্বনির্ভর হবেন, ততই নিজেদের আবেগগুলোকে আগলে রাখতে পারবেন। এতে নিজে থেকে খুশি থাকাও সম্ভব। আর নিজে খুশি থাকলে একটা সম্পর্কও ভীষণ আনন্দের হয়ে ওঠে।

৭. একসঙ্গে সময় কাটানো: সুন্দর সম্পর্ক গড়ে তুলতে সময় ভীষণ জরুরি। ছোট ছোট খেলা বা কাজের মধ্যে দিয়ে পরস্পর পরস্পরকে সময় দিতে পারেন। এতে যোগাযোগ আরও গভীর হবে।

;

মিষ্টি মানে কি শুধুই খারাপ, আছে গুণও!



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
মিষ্টি মানে কি শুধুই খারাপ, আছে গুণও!

মিষ্টি মানে কি শুধুই খারাপ, আছে গুণও!

  • Font increase
  • Font Decrease

খাওয়া-দাওয়ার পর শেষ পাতে মিষ্টি খেতে অনেকেই পছন্দ করেন। আসলে বাঙালির অন্যতম প্রিয় খাবারের তালিকায় রয়েছে মিষ্টি। তাই এতরকমের মিষ্টিরও চল রয়েছে। কোনটা ছেড়ে কোনটা খাবেন, প্রায় সব মিষ্টিরই কিছু না কিছু বিশেষত্ব আছে।

অনেকে মনে করেন, মিষ্টি খেলে ওজন বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই ভয় থেকেই অনেকে এড়িয়ে চলেন এই খাবার। আবার ডায়াবিটিস রোগীদের তো একেবারেই মিষ্টি খাওয়া ভুলে যেতে হয়। তবে মিষ্টির যে শুধু খারাপ গুণ রয়েছে তা কিন্তু নয়। বরং বেশ কয়েকটি ভালো গুণের জন্য বিশেষজ্ঞরা মিষ্টি খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। বর্তমানে অনেকেই অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভোগেন। অস্বাস্থ্যকর তেলে ভাজা খাবার খেলে এই সমস্যা আরও বাড়ে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আমাদের রোজকার ডায়েটই এই অ্যাসিডিটির জন্য মূলত দায়ী। তবে, মিষ্টি খেলে এই সমস্যা কিছুটা কমতে পারে। গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্টদের কথায়, মশলাদার, ঝাল ও তৈলাক্ত খাবার খেলে তা থেকে অ্যাসিডিটির সমস্যা বেড়ে যায়। তবে এসব খাওয়ার পর সামান্য মিষ্টি খেলে তা অ্যাসিড হওয়া আটকায়। চিকিৎসকদের মতে, অতিরিক্ত অস্বাস্থ্যকর খাবার খেলে পাকস্থলীর গাত্র থেকে অ্যাসিড ক্ষরণের পরিমাণ বেড়ে যায়। মিষ্টি এই ক্ষরণের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে।

মিষ্টি খেলে কী ওজন বাড়ে?

ক্যালোরিই ওজন বেড়ে যাওয়ার পিছনে মূল কারণ। তাই একটি নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি মিষ্টি না খেলে ওজন বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকে না। মাপ বুঝে খেলে শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কাও থাকে না।

ডায়াবিটিস রোগীরা কী মিষ্টি খেতে পারেন?

ডায়াবিটিস হলে মিষ্টি একেবারেই খাওয়া যায় না, এমনটা কিন্তু চিকিৎসকদের মত নয়। রক্তে শর্করার মাত্রা গুরুতর না হলে এক আধটা মিষ্টি চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে খাওয়া যায়। এছাড়া অনেক বিশেষজ্ঞদের কথায়, সুগার ফ্রি দিয়ে বাড়িতে তৈরি মিষ্টি নিশ্চিন্তে খাওয়া যেতে পারে।

;

কোমর ব্যথা? ১০ টি প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সতর্কতা মেনে চলুন!



ডাঃ মোঃ মুরাদ হোসেন মেহেদী
কোমর ব্যথা একটি কমন সমস্যা

কোমর ব্যথা একটি কমন সমস্যা

  • Font increase
  • Font Decrease

কোমর ব্যথা একটি কমন সমস্যা। অনেকেই এই সমস্যায় ভুগে থাকেন, অনেক চেষ্টা ও চিকিৎসা করা সত্ত্বেও নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না। চিকিৎসার পাশাপাশি এক্ষেত্রে থেরাপিউটিক এক্সারসাইজ যেমন জরুরি, ঠিক তেমনি জরুরি সতর্কতা। এখানে কোমর ব্যথায় কিছু খুবই গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ নিয়ে আলোচনা করা হল।

কোমর ব্যথা হতে বাঁচতে কি করা চাই? কোমর ব্যথায় প্রতিকার কি?

১) ভারী জিনিস তোলা থেকে বিরত থাকুন। নিতান্তই দরকার হলে ভারী জিনিসটি শরীরের কাছাকাছি রাখুন, চেষ্টা করুন কোমরে চাপ না লাগাতে।

২) ত্রিশ মিনিটের বেশি একটানা কোথায়ও বসে বা দাঁড়িয়ে থাকবেন না। একটানা দাঁড়িয়ে থেকে দেখেছেন যে কোমর ব্যথা করে? তাই একটানা কোথাও দাঁড়িয়ে থাকার দরকার যদি হয় তবে শরীরের ভর এক পা হতে আরেক পায়ে নিন কিছুক্ষণ পর পর। প্রয়োজনে একটু বসে বিশ্রাম নিন।

৩) হাঁটু না ভেঙ্গে সামনের দিকে বেশি ঝুঁকবেন না। দীর্ঘ সময় হাঁটতে হলে মহিলারা হাই হিল পরিহার করুন।

৪) মাটি হতে বা নিচ থেকে কিছু তোলার দরকার হলে না ঝুঁকে, হাঁটু ভাজ করুন অতঃপর তুলুন।

৫) কোথাও বসলে সোজা হয়ে বসুন, ঝুঁকে বসা থেকে বিরত থাকুন। এতে আপনার স্মার্টনেস বৃদ্ধি পাবে আর বাড়বে কনফিডেন্স। পাশাপাশি এতে পেতে পারেন কোমর ব্যথা হতে মুক্তি। কোমরের পেছনে সাপোর্ট যুক্ত চেয়ার বসার জন্য উপযুক্ত। বসার সময় এমনভাবে বসুন, যেন হাঁটু ও ঊরু মাটির সমান্তরালে থাকে।

৬) বিছানায় উপুড় হয়ে শুয়ে থাকেন? এভাবে শোবেন না। আর ফোম বা নরম স্প্রিং এর গদি যুক্ত বিছানা শরীরের তথা কোমরের জন্য ভাল নয়। পাতলা তোশক ও সমান হলে ভাল হয়।

৭) নিয়মিত শারীরিক অর্থাৎ কায়িক পরিশ্রম করুন। শারীরিক শ্রমের সুযোগ না থাকলে ব্যায়াম করুন। হাঁটার যতটুকু সুযোগ আছে কাজে লাগান। যাতে ওজন না বেড়ে যায় যা কোমর ব্যথা সমস্যাটি বাড়বে বৈ কমাবে না!

শরীরের ওজন বৃদ্ধি কোমরের ব্যথা বাড়ায়।

৮) বয়স ও উচ্চতা অনুযায়ী ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন। পুষ্টিকর খাবার ও পানি পরিমাণ মত খান। কেননা ওজন নিয়ন্ত্রণে না থাকলে কোমরে চাপ পড়বে এবং কোমর ব্যথা সমস্যাটি বাড়বে।

৯) নানাবিধ কাজ করার সময় আমাদের ঝুঁকে কাজ করতে হয় যেমন রান্না, কাটা-কাটি, কাপড়চোপড় ধোয়া, মশলা বাটা, ঝাঁড়ু দেয়া বা চাপকল চাপার সময়। এই অভ্যাসগুলো যে কোমর ব্যথা হওয়ার কারণ তা জানেন? যদি না জানেন তবে জেনে রাখুন এসব অভ্যাসও কোমর ব্যথা হওয়ার কারণ! তাই এসব ক্ষেত্রে মেরুদণ্ড স্বাভাবিক ও কোমড় সোজা রাখুন।

১০) যারা দীর্ঘদিন কোমড় ব্যথায় ভুগছেন তারা কি বিছানা থেকে ওঠা নিয়ে ভেবেছেন? বিছানা হতে উঠার সময় সতর্ক হন। কারন বিছানা থেকে উঠে বসার সময় কোমরে হঠাৎ টান লাগতে পারে।

কোমর ব্যথা বেশ অস্বস্তিকর ও দীর্ঘস্থায়ী। জীবনে সুস্থ থাকতে সতর্কতার কোন বিকল্প নেই। তাই সতর্ক ও নিয়ন্ত্রিত জীবন পরিচালনা করে সুস্থতা উপভোগ করুন।

 

;

ক্যানসার হলে প্রথমেই কী সমস্যা হয়, জেনে নিন!



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

মাঝে মাঝেই নানারকম ব্যথায় শরীর কাবু হয়ে পড়ে। তখন দৈনন্দিন কাজ সবকিছুতেই সমস্যা হতে থাকে। কিছু ব্যথা ওষুধ খেলে কমে যায়। আবার কিছু ব্যথা ওষুধ খাওয়া বন্ধ করলেই ফিরে আসে। এমন কিছু ব্যথা ক্যানসারের লক্ষণ হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণ শরীরে ব্যথা দিয়েই। এই ব্যথাকে আমরা প্রায়ই এড়িয়ে চলি। এতে বিপদ বাড়ে। রোগ গুরুতর আকার নিলে রোগীকে আর সারিয়ে তোলা সম্ভব হয় না। এমন অবস্থায় এই ব্যথাগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে রাখা জরুরি।

ভারতের মাসিনা হাসপাতালের ক্যানসার বিশেষজ্ঞ ডাঃ প্রসাদ কাস্বেকর  এমন কয়েকটি লক্ষণ সম্পর্কে জানিয়েছেন।

চলুন দেখে নেই সেগুলো-

১. ব্রেন টিউমার: মাথা ব্যথা, মাথা ঘোরা, জ্ঞান হারিয়ে ফেলা, হাত পা অসাড় হয়ে যাওয়া‌ ইত্যাদি ব্রেন টিউমারের লক্ষণ হতে পারে।

২. গলা মস্তিষ্ক ক্যানসার: মুখের ভিতরে আলসার, গলার কাছে দলাভাব, গলা বসে যাওয়া, গলা দিয়ে ঘড়ঘড় আওয়াজ বেরোনো, নাক বা মুখ থেকে রক্ত বেরোনো ইত্যাদি গলা ও মস্তিষ্কের ক্যানসারের লক্ষণ।

৩. ফুসফুস ক্যানসার: বুকে কফ জমে থাকা, শ্বাসকষ্টের সমস্যা বেড়ে যাওয়া, বুকে ব্যথা, বুকে অস্বস্তি হওয়া, কফ দিয়ে রক্ত বেরোনো ইত্যাদি ফুসফুস ক্যানসারের লক্ষণ।

. স্তন ক্যানসার: স্তন ক্যানসারের লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে নারী ও পুরুষ স্তনে কোনওরকম দলা অনুভব করা, বৃন্ত থেকে অস্বাভাবিক তরল ক্ষরণ, ত্বকের ধরন পাল্টে যাওয়া, বগলের কাছে দলাভাব অনুভব করা।

. পাকস্থলী ক্যানসার: খাবার গিলতে অসুবিধা হওয়া, অস্বাভাবিকভাবে ওজন কমে যাওয়া, দুর্বলতা বেড়ে যাওয়া, ক্লান্তবোধ করা, খাওয়াদাওয়ার পর পেট ফুলে যাওয়া।

. লিভার বা পিত্তথলি ক্যানসার: পেটের অংশে ব্যথা, খিদে কমে যাওয়া, অ্যাসিডিটির সমস্যা বেড়ে যাওয়া, লিভার বা অগ্ন্যাশয়ের আকার বেড়ে যাওয়া।

. কোলন ক্যানসার: মলত্যাগে অসুবিধা, মলত্যাগের সময় রক্ত বের হওয়া, তলপেটে ভার অনুভব করা।

. প্রস্টেট ক্যানসার: প্রস্রাবে সমস্যা বা প্রস্রাব না হওয়া প্রস্টেট ক্যানসারের লক্ষণ। অন্যদিকে প্রস্রাব দিয়ে কোনও ব্যথা ছাড়াই রক্ত বেরোনো মূত্রথলির ক্যানসারের লক্ষণ।

. রক্ত ক্যানসার: ক্লান্তি বেড়ে যাওয়া, ওজন হঠাৎ করে কমতে থাকা, মাঝে মাঝে জ্বর আসা, হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়া, প্লেটলেট কমে যাওয়া এই ক্যানসারের লক্ষণ।

;