ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মেলবন্ধনে গারো পোশাক



হ্যাপী রাংসা, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
রূপার তৈরি খখাশিল, দাংগাসরা, বাজু, সেংখি, দমি, পরিহিত আচিক মিচিক (গারো নারী) টুকটুকি, ছবি: অনিক

রূপার তৈরি খখাশিল, দাংগাসরা, বাজু, সেংখি, দমি, পরিহিত আচিক মিচিক (গারো নারী) টুকটুকি, ছবি: অনিক

  • Font increase
  • Font Decrease

সুদিনা রেমা। SOSU by Sudina এর ডিজাইনার ও কর্ণধার। জাতিতে গারো। গারো পাহাড়ের পাদদেশ গোসাইপুর গ্রামে তার জন্ম। পাহাড়ের গণ্ডি পেরিয়ে ২০০৩ সালে ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায়। গ্রাফিক ডিজাইন নিয়ে পড়াশোনা শেষ করেছেন। বর্তমানে তিনি গারোদের ঐতিহ্যবাহী পোশাকসহ অন্যান্য পোশাকে ভিন্নতা ও নতুনত্ব নিয়ে কাজ করছেন ।

এই ডিজাইনের দাকমান্দাটি কেউ চাইলে পেছনের গাউনটি খুলে পরতে পারবেন, ছবি: অনিক

নজরকারা, নান্দনিক এবং ঐতিহ্যবাহী কনের পোশাক তৈরি করেন সুদিনা। গারো ঐতিহ্যকে ধরে রাখার প্রচেষ্টায় দাকমান্দার আবেদন এতটুকু নষ্ট না করেও বিয়ের সাজে আধুনিক ফ্যাশনের স্পর্শ আনতেই ওয়েডিং দাকমান্দার ডিজাইন করা হয়েছে। তার ডিজাইন করা পোশাক গারোদের কাছে তো  বটেই, বাঙালিদের কাছেও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

আবার ট্র্যাডিশনের পাশাপাশি প্রাধান্য দেওয়া হয় চলতি ফ্যাশন আর চিন্তা ভাবনাকেও । যেখানে ডানা মেলেছে দ্যুতিময়, সুন্দর, স্বকীয়তা।

গাউনের আদলে তৈরি ‘দাকমান্দা গাউন’

ইদানিং গারোরা বিয়ের পোশাকের পাশাপাশি শাড়ি ও গাউনকে পছন্দের তালিকায় রাখেন। বিয়ের কনেদের এইসব চিন্তা মাথায় রেখেই শাড়ি বা গাউন ছাড়াও গারো পোশাকে ব্রাইডাল লুক আনতে সুদিনা বেছে নিয়েছেন দাকমান্দার ব্রাইডাল ড্রেসটি। তার দাকমান্দায় আকর্ষণ হিসাবে যোগ করা হয়েছে চুমকি, পুঁতি, জরি, গ্লিটার ও গ্লাসওয়ার্ক ইত্যাদি।

তার ডিজাইনের দাকমান্দাটি কেউ চাইলে পেছনের গাউনটি খুলে শুধু মাত্র দাকমান্দা টপস দিয়ে পরতে পারবেন যে কোন অনুষ্ঠানে।


নতুন প্রজন্মের ফ্যাশনপ্রেমিদের কাছে এখন কাপল ড্রেস খুবই জনপ্রিয়। তাই তাদের কথা মাথায় রেখে তাদের জন্য তৈরি করেন কাপল ড্রেস।

বার্তা২৪.কমকে সুদিনা রেমা বলেন, মানুষ চায় নতুন কিছু করতে। আধুনিকতা ও ঐতিহ্যের সাথে গাউনের আদলে তৈরি করেছেন ‘দাকমান্দা গাউন’। বুনন শৈলীর সাথে আধুনিকতাকে মিলিয়ে এক অপূর্ব শিল্প এই দাকমান্দা গাউনের।

ব্রাইডমেটসহ সুদিনার তৈরি ব্রাইডাল গাউন

তিনি বলেন, নিজস্বতা, আধুনিকতা, নৈপুণ্য ও ঐতিহ্যকে বজায় রেখে ব্রাইডাল পোশাক এবং চমৎকার কিছু ড্রেস তৈরি করার চেষ্টা করছি। গারোদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক দাকমান্দা। দাকমান্দা শুধু একটি পোশাকই নয়, এটি একটি স্বতন্ত্র শিল্প সমৃদ্ধ ঐতিহ্য। নিজেদের ঐতিহ্য নিজেদেরই ধারণ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমি সবসময় দাকমান্দা নিয়ে কাজ করতে চেয়েছি। কারণ গারোদের সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী পোশাকের স্টাইলে নতুনত্ব আনা যায়।

রংতুলির মাধ্যমে নিজস্ব সংস্কৃতি

এছাড়াও আমি রংতুলিতে নিজ হাতে শিল্পীর সত্ত্বাকে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করছি পোশাকের মাধ্যমে। সুন্দর আর্ট, ডিজাইন, দেখতে যেন হয় মনোমুগ্ধকর। বিভিন্নভাবে নিজের ঐতিহ্যকে তুলে ধরার চেষ্টা করছি।


SOSU by Sudina- পেজের মাধ্যমে সুদিনা রেমার নিজস্ব ডিজাইনে বৈচিত্র্যময় এই কালেকশনে গাউন, শাড়ি, দাকমান্দা টপস, বেবি ড্রেস, মাস্কসহ গারোদের যাবতীয় পোশাক পাওয়া যাবে।

ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সপরিবারে ডিজাইনার সুদিনা রেমা

ছেলে, মেয়ে, সংসার সামলিয়ে নিজের ডিজাইনে তৈরি করে চলেছেন নতুন নতুন দাকমান্দার ব্রাইডাল পোশাকসহ অন্যান্য পোশাক। ভবিষ্যতে তার ইচ্ছে বড় পরিসরে নিজের ঐতিহ্য নিয়ে কাজ করার।

সবশেষে তিনি বলেন, গারো জনগোষ্ঠী যেন তাদের ঐতিহ্য, নিপুণ কারুকাজকে প্রকৃতির মতোই উদ্ভাবিত করে সারা বিশ্বময়।

ফেসবুক পেজ লিঙ্ক: https://www.facebook.com/profile.php?id=100054295326345

পাকা পেপের উপকারিতা



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পাকা পেঁপের কত গুণ, জানেন না অনেকে। চিকিৎসক থেকে পুষ্টিবিদ— সকলেই এই ফলকে ‘মহৌষধ’ বলে মনে করেন। শিশুদের প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে, বয়স্কদের অর্শের সমস্যায় আবার কম বয়সীদের ওজন কমানোর ডায়েটে পাকা পেঁপের স্থান সকলের আগে। বিভিন্ন ভিটামিন এবং খনিজের প্রাকৃতিক উৎস পাকা পেঁপে চোখের জন্যও উপকারী। বিটা ক্যারোটিনে ভরপুর পাকা পেঁপে ত্বকের স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এ ছাড়া শরীরের আর কী কী উপকারে লাগে পাকা পেঁপে?

অ্যান্টি অক্সিডেন্টে ভরপুর

ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি অক্সিড্যান্টে ভরপুর পাকা পেঁপে ক্যানসারের মতো দুরারোগ্য ব্যধির প্রতিরোধক। এ ছাড়াও পেঁপেতে ছড়েছে ক্যারোটিনয়েড, ভিটামিন সি এবং ই, যা ত্বকের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

হজমে সহায়ক

পেঁপে মুখের রুচি ফেরায়। সেই সঙ্গে খিদেও বাড়ায় এবং পেট পরিষ্কার রাখে। পেট পরিষ্কার থাকলে গ্যাস অম্বলের সমস্যাও নিয়ন্ত্রণে থাকে। শুধু তাই নয়, যাদের অর্শের সমস্যা রয়েছে, চিকিৎসকরা তাদের পেঁপে খাওয়ার পরামর্শ দেন।

প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে সক্ষম

পেঁপে কিন্তু শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ১০০ শতাংশ ভিটামিন সি পাওয়া যায় এই পাকা পেঁপে থেকেই। শরীরে কোনও সংক্রমণ হলে, তা কমাতে চিকিৎসকরা পাকা পেঁপে খাওয়ার পরামর্শ দেন।

ওজন কমাতে

পাকা পেঁপেতে যথেষ্ট পরিমাণ ফাইবার থাকায় তা অন্ত্রের স্বাস্থ্য রক্ষা করে। পাশাপাশি বিপাক হারও বাড়িয়ে তোলে। এ ছাড়াও যারা ওজন কমাতে ডায়েট মেনে খাবার খেয়ে থাকেন, তাদের জন্যও ভাল পাকা পেঁপে।

হার্টের স্বাস্থ্যরক্ষা করে

হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে পটাশিয়াম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ উচ্চ রক্তচাপ এবং হৃদরোগ সংক্রান্ত যাবতীয় সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করে এই যৌগ। প্রাকৃতিকভাবে পটাশিয়ামের উৎস হল পাকা পেঁপে।

;

মস্তিষ্কের টিউমার ধরা পড়বে প্রস্রাব পরীক্ষায়!



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সম্প্রতি এক গবেষণা বলছে, প্রস্রাবে থাকা একপ্রকার সূক্ষ্ম প্রোটিন ইঙ্গিত দিতে পারে মস্তিষ্কে টিউমারের অস্তিত্ব আছে কি না। গবেষণায় বলা হয়েছে, এই পরীক্ষার মাধ্যমেই জটিল কোনও পদ্ধতি ছাড়াই তা সনাক্ত করে ফেলা সম্ভব কারও মস্তিষ্কে টিউমার আছে কি না। এতে রোগ নির্ণয়ে এবং চিকিৎসা বা অস্ত্রোপচার সুবিধা হয়।

জাপানের নাগোয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানিয়েছেন, উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থায় বিভিন্ন ধরনের ক্যানসার সনাক্ত করা আগের চেয়ে অনেকটাই সহজ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু মস্তিষ্কের ক্ষেত্রে তা এখনও বেশ সমস্যা।

চিকিৎসকদের কাছে মস্তিষ্কে এই ধরনের জটিলতা ধরা পড়ার প্রাথমিক লক্ষণগুলো হল স্নায়ুর অস্বাভাবিকতা। যেমন চলাফেরা করতে, কথা বলতে বা মস্তিষ্ক নির্ভর যে কোনও কাজ করতে অসুবিধা হওয়ার উপর।

কিন্তু এই গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, মাথার টিউমারে থাকে এমন একটি কোষ বা ‘এক্সট্রাসেলুলার ভেসিকল’, প্রস্রাবের মধ্যেও উপস্থিত থাকে।

গবেষকদের প্রধান তাকাও ইয়াসুই বলেন, প্রস্রাব পরীক্ষা করার অনেক উপকারিতা রয়েছে। শরীরের বেশির ভাগ রোগই আমরা এই পরীক্ষার মাধ্যমে সনাক্ত করে ফেলতে পারি। ক্যানসারের ক্ষেত্রে তা যুগান্তকারী বলা যেতেই পারে।

যদিও ক্যানসার নির্ধারণের প্রচলিত পদ্ধতিগুলো বা রক্ত পরীক্ষাগুলো নিঃসন্দেহে নির্ভরযোগ্য। কিন্তু প্রস্রাবের মাধ্যমে পরীক্ষা করা অনেক বেশি সহজ এবং ‘নন ইনভেনসিভ’।

;

যে সকল ফল খেলে দ্রুত মেদ ঝরবে



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শরীরের কাজকর্ম সুষ্ঠুভাবে চালানোর জন্য শক্তির প্রয়োজন হয়। সেই শক্তি আসে খাবার থেকে। শরীরকে চালানোর জন্য এই শক্তি বাবদ যতটা ক্যালোরি দরকার, খাবারে যদি তার চেয়ে বেশি ক্যালোরি থাকে, তা হলে মেদ জমবে। আর কম ক্যালোরি থাকলে, জমা মেদ থেকে শরীর শক্তি তৈরি করে নেবে। ফলে কমবে মেদের পরিমাণ। তাই সুস্থ থাকার জন্য অনেকেই ক্যালোরি-শূন্য খাবারের খোঁজ করেন। কিন্তু ক্যালোরি-শূন্য খাবার বলে কিছু হয় না। তবে যদি এমন খাবার খাওয়া যায়, যাতে ক্যালোরির পরিমাণ শরীরের চাহিদার চেয়ে অনেকটা কম, তা হলে মেদ কমবে।

তরমুজ

ওজন ঝরানোর ডায়েটে বেশি করে ফল রাখার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা। সেক্ষেত্রে কম ক্যালরিযুক্ত ফলের মধ্যে তরমুজ বেছে নিতে পারেন। প্রতি ১০০ গ্রাম তরমুজে ক্যালোরি কাউন্ট ৩০। তাছাড়া এতে ৯২ শতাংশ পানীয় উপাদান থাকে। তরমুজ খেলে ডিহাইড্রেশনের সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা যায়।

টমেটো

টমেটোতে রয়েছে ভরপুর ভিটামিন। প্রতি ১০০ গ্রাম টমেটোতে ক্যালোরির পরিমাণ ১৮। তাছাড়া এতে রয়েছে লাইকোপিন যা ক্যানসার প্রতিরোধ করে এবং হার্ট ভাল রাখে। টমেটোর মধ্যে প্রচুর পরিমাণ সলিউবল ও ইনসলিউবল ফাইবার থাকে। যা ওজন কমানোর জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

সেলারি

স্যালাড হোক বা স্যুপ, স্বাস্থ্যকর ডায়েটে সেলারির খুব চাহিদা রয়েছে। ১০০ গ্রাম সেলারির ক্যালোরি কাউন্ট মাত্র ১৬। যে কোনও মৌসুমি সবজির সঙ্গেও রান্না করে খেতে পারেন। সেলারির মধ্যে রয়েছে ভিটামিন বি ওয়ান, বি টু এবং বি থ্রি যা কিডনির যে কোনও রোগ প্রতিরোধ করে। ওজন কমাতে এবং রক্তের পরিমাণ বাড়াতে সেলারির উপকারী।

শশা

ওজন কমাতে লো ক্যালোরি ডায়েট পছন্দের তালিকায় প্রথমেই থকতে পারে শশা। ওবেসিটি হোক বা ডায়বেটিস, যে কোনও রোগে চিকিৎসকেরা শশা খাওয়ার পরামর্শ দেন। এতে ক্যালোরির পরিমাণ খুব কম, প্রতি ১০০ গ্রামে মাত্র ১৬।

ফুটি

তরমুজের মতোই উপকারী এই ফলে প্রতি ১০০ গ্রামে ক্যালোরির পরিমাণ ৩৪। প্রচুর পরিমাণ পানীয় উপাদান থাকায় ডিহাইড্রেশনের হাত থেকে বাঁচায়। তাছাড়া এতে রয়েছে ভিটামিন সি, পটাশিয়াম এবং ফোলেট যা দেহে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

;

ধূমপান ছাড়তে যা করবেন



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সিগারেটের নেশা ছাড়ার জন্য অনেক চেষ্টা করেছেন? অনেক কিছু করে দেখেছেন। কিন্তু কিছুতেই ছাড়তে পারেননি? তবে এক বার যোগাসনের সাহায্য নিয়ে দেখুন। বিশেষজ্ঞরা দাবি করছেন, ৮৫ শতাংশ ধূমপায়ী যোগাসন ও ধ্যানের সাহায্যে ধূমপানের নেশা ছাড়তে পারেন।

অধিংকাংশ লোক সিগারেটের কুফল সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। অনেকে এমনও আছেন, যারা ধূমপান মন থেকে ছাড়তে চান। তবু পেরে ওঠেন না। অফিসে কোনও রকম সমস্যা হলেই নীচে গিয়ে একটা সিগারেটে টান না দিলে নাকি উদ্বেগ কমে না। কর্মক্ষেত্রে চাপ, সাংসারিক টানাপড়েনের কারণে মানসিক চাপ, উদ্বেগ ক্রমাগত বেড়ে চলেছে জীবনে। মানসিক চাপ কমাতে পারলেই ধূমপানের আসক্তিও কমবে। মানসিক চাপ কমতে পারে যোগাসনের গুণে।

কিন্তু নিয়মিত কোন আসন করলে আপনি নিত্য জীবনের উদ্বেগ কমাতে পারেন, তা জেনে নিন।

উষ্ট্রাসন

এই আসন রক্ত চলাচল বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে মস্তিস্কে বেশি অক্সিজেন যায়। মন অনেক শান্ত হয়। মাটিতে হাঁটুর উপর ভর করে বসে শরীর পিছনের দিকে হেলিয়ে দিয়ে দু’হাত দিয়ে দুই পায়ের গোড়ালি ধরুন। আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসুন।

সেতু বন্ধাসন

এই আসনও শরীরের রক্ত চলাচলে সাহায্য করে। শিরদাঁড়ার জন্যেও এ আসন খুব ভাল। মাটিতে শুয়ে পড়ুন। তার পর হাঁটু ভাঁজ করে সামনের দিকে নিয়ে আসুন। এ বার শরীরটা হাওয়ায় তুলে দু’হাত দিয়ে দুই পায়ের গোড়ালি ধরুন। কয়েক সেকেন্ড এই অবস্থায় থেকে শবাসনে ফিরে আসুন।

ভদ্রাসন

যোগব্যায়ামের অন্যতম সহজ ও সাধারণ আসন এটি। কিন্তু আপনার পায়ের মাংসপেশিগুলো স্ট্রেচ করার জন্য দারুণ ব্যায়াম এটি। নিয়মিত করলে মনও অনেক শান্ত হবে। মাটিতে বসে দু’পায়ের পাতা একে অপরের সঙ্গে জুড়ে নিন। হাতের পাতা দু’টিও রাখুন পায়ের পাতার উপর।

বালাসন

বলা হয়, যোগায় সবচেয়ে রিল্যাক্সিং আসন এটি। ইংরেজিতে এর নাম ‘চাইল্ডস পোজ’। মন শান্ত করার জন্য এই আসনের জুড়ি মেলা ভার। হাঁটু মুড়ে গোড়ালির উপর বসুন। এ বার শরীরটা বেঁকান। শরীরটা এমন ভাবে বেঁকান যাতে বুক গিয়ে উরুতে ঠেকে। মাথা মেঝেতে রাখুন। আর হাত দু’টি সামনের দিকে প্রসারিত করে রাখুন। এই আসন স্নায়ুতন্ত্রের জন্য খুব উপকারী। সেই সঙ্গে ঘাড় ও পিঠের ব্যথা কমাতেও এর জুড়ি নেই।

প্রাণায়াম

শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ করলে মনের দুশ্চিন্তাগুলো অনেকটা কমানো সম্ভব। ১০-১৫ মিনিট চুপ করে ধ্যান করলেও উপকার পাবেন। এই সময়ে কপালভাতি, ভ্রমরির মতো প্রাণায়াম করতে পারেন।

;