শব-এ-বরাত পালন করা হয় যেভাবে



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
শব-ই-বরাত

শব-ই-বরাত

  • Font increase
  • Font Decrease

হিজরি ১৪৪৫ সনের ১৪ শা‘বানের দিন আজ বিশ্বব্যাপী শব-ই-বরাত পালন করা হচ্ছে। ইসলাম ধর্মানুসারীদের জন্য আজ পবিত্র একদিন। শবে বরাতের রাত ‘ক্ষমার রাত’ হিসেবেও পরিচিত। এই পবিত্র অনুষ্ঠানটির ইতিহাস, আচার-অনুষ্ঠান এবং আধ্যাত্মিক তাৎপর্য সম্পন্ন একবিশেষ ধর্মীয় অনুষ্ঠান।

ইসলামী দিনপঞ্জিকার অষ্টম মাস শা'বানের ১৫ তম দিন পালন করা হয় শব-ই-বরাত। এই রাতে নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে মুসল্লীরা ক্ষমা প্রার্থনা করে। এই রাত হলো ক্ষমা, রহমত এবং ঐশ্বরিক আশীর্বাদ প্রার্থনা একটি রাত। এইদিন মুসলিমরা তাদের প্রিয়জনের জন্য প্রার্থনা করে এবং আল্লাহর সাথে সম্পর্কের প্রতি চিন্তা করে। প্রার্থনা, দান-দক্ষিণা এবং সৎকর্মের মাধ্যমে, আল্লাহের অনুসারীরা এই পবিত্র রাতের সর্বাধিক সদ্ব্যবহার করার চেষ্টা করেন।  পরবর্তী বছরের জন্য আল্লাহর অনুগ্রহ প্রার্থনায় মত্ত হন তারা।

নবী মুহাম্মদের সময় থেকে শব-এ-বরাত পালন শুরু হয়। বিশ্বাস করা হয় যে এই রাতে, আল্লাহ আসন্ন বছরের মুসল্লীদের ভাগ্য লেখেন। তাই পূর্ববর্তী বছরের জন্য ক্ষমা চেয়ে রহমত ও বরকত প্রার্থনা করা হয়। সারাবছরের পাপের জন্য সারারাত জেগে নামাজ পরে অনুতাপ করা হয়।  যেভাবে মুসলিমরা শব-এ-বরাত পালন করে:   

ক্ষমা চাওয়া: মুসলমানরা তাদের পাপের জন্য ক্ষমা চেয়ে নামাজ পড়েন। আগামী বছরের জন্য আশীর্বাদ প্রার্থনা করে সারা রাত কাটায়। তারা বিশ্বাস করেন, আন্তরিকভাবে অনুতপ্ত হলে তাদের উপর আল্লাহ করুণা ও ক্ষমা বর্ষণ করেন।

নবীর সুপারিশ: তাদের আরেকটি বিশ্বাস হলো, নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) তার অনুসারীদের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা ও রহমতের জন্য সুপারিশ করেন।

শব-ই-বরাত


 

ভাগ্য: শব-ই-বরাতের দিনে, আল্লাহ পরের বছরের ভাগ্য নির্ধারণ করেন। তাই নিজের প্রতিফলন, আত্মদর্শন এবং ঐশ্বরিক নির্দেশনা উপলব্ধি করা হয় এই রাতে।

প্রয়াতদের স্মরণ: অনেক মুসলমানও তাদের মৃত আত্মীয় এবং প্রিয়জনের কথা স্মরণ করে। মৃত্যু পর তাদের আত্মার শান্তি প্রার্থনা করেন।  

ইবাদত: নামাজ, কুরআন তেলাওয়াত এবং প্রার্থনায় ব্যস্ত রাত কাটায় ইসলাম-ধর্মীরা। অনেকে মসজিদে বিশেষ প্রার্থনা করতে সমবেত হন।

দান ও সৎকর্ম: শব-ই-বরাতের দিন দান করার প্রথা রয়েছে। দরিদ্রদের দান করে, অভুক্তদের খাবার দিয়ে এবং উদারতার প্রকাশের মাধ্যমে আল্লাহকে খুশি করা হয়।

কবর জিয়ারত: অনেক মুসলমানরা শব-ই-বরাতের দিন প্রিয়জনদের কবর জিয়ারত করতে যান। পরকালে যেন তারা ভালো থাকেন, সেই প্রার্থনা করেন। একই সাথে এই ক্ষণস্থায়ী দুনিয়োর মোহে জর্জরিত না হওয়ার কথা স্মরণ করেন।

খাবার: এই শুভ রাতে আনন্দ এবং আশীর্বাদ ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য মিষ্টিজাতীয় খাবারের আয়োজন করা হয়। বন্ধু,আত্মীয় এবং প্রতিবেশীদের জন্য বিশেষ খাবার এবং মিষ্টি তৈরি করে।

 

   

ঈদে ভিন্নধর্মী নবাবী নাটি সেমাই



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
নবাবী নাটি সেমাই

নবাবী নাটি সেমাই

  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদ মানেই আনন্দ। পবিত্র রমজান মাস শেষে স্বস্তির নামাজ আদায় করে ঈদ উদযাপনে মেতে ওঠে সবাই। ভালো-মন্দ খাবার ছাড়া ঈদ যেন অসম্পূর্ণ, আর মিষ্টি ছাড়া তো কল্পনাও করা যায়না। ঈদে মিষ্টি মুখ মানেই সেমাই। প্রতিবার সেই একই দুধে ভেজা সেমাই না করে এবার ঈদে হোক ভিন্ন কিছু। জেনে নিই, কিভাবে রাধবেন নবাবী নাটি সেমাই:
সেমাই রান্না করতে আমাদের লাগবে-
১. লাচ্ছা সেমাই, ২. লিকুইড খাঁটি গরুর দুধ (জ্বাল করে ঠান্ডা করা), ৩. ঘি, ৪. কাজুবাদাম, ৫. পেস্তা বাদাম, ৬. কাঠবাদাম, ৭. গুড়া দুধ, ৮. চিনি, ৯. কর্ন ফ্লাওয়ার, ১০. টিন ক্রিম, ১১. কাস্টার্ড পাউডার, ১২. কনডেন্স মিল্ক, ১৩. কিসমিস।

পদ্ধতি: 
১. প্রথমে একটি বড় ফ্রায়িংপ্যানে ২ টেবিল চামচ ঘি নেই। তাতে কুচি করে রাখা ১/৪ কাপ কাজুবাদাম, ১/২ কাপ কাঠবাদাম এবং ১/৪ কাপ পেস্তা বাদাম কুচি ঢেলে দেই। হাল্কা রঙ করে ভেজে নেই। বাদামগুলো তুলে নেই। একই প্যানে ৩ টেবিল চামচ মাখন বা ঘি দিয়ে দিন। (তেল ব্যবহার করা যাবে না)।
২. গরম ঘি-তে ৪০০ গ্রাাম লাচ্ছা সেমাই এবং ৪ টেবিল গুড়া দুধ নিব। এর সাথে ১/২ কাপের বেশি চিনি দিন। সবকিছু একত্রে ভেজে নিব। চিনি গলে মিশে যাওয়া অবধি মিশিয়ে নেই। ভালোভাবে মিশিয়ে নেই।
৩. সার্ভিং প্লেট বা বোলে ২/৩ তৃতীয়াংশ ভাজা সেমাই তুলে রাখি। সমান ভাবে ছড়িয়ে দিয়ে লেয়ারের মতো তৈরি করে বিছিয়ে নেই। বাকি ভাজা সেমাইগুলো সরিয়ে রাখি।
৪. ফিলিং তৈরি করতে, প্রথমে ১ লিটার জ্বাল করে ঠান্ডা করে নেওয়া ল্কিুইড দুধ নেই। তাতে ২ টেবিল চামচ কর্ন ফ্লাওয়ার দেই। ১টি টিন-ক্রিমের ২/৩ অংশ দিন। তার সাথে ২ টেবিল কাস্টার্ড পাউডার, ৪ টেবিল চামচ গুড়া দুধ এবং ১/২ কাপ কনডেন্স মিল্ক (স্বাদ অনুযায়ী বাড়িয়ে/কমিয়ে নিন) নিয়ে নিন।
৫. সব ভালোভাবে মিশিয়ে চুলা ধরিয়ে জ্বাল করে নিন। অল্প আঁচে রান্না করতে থাকুন। এভাবে জ্বাল করে নাড়তে নাড়তে ঠান্ডা করে নিন। সার্ভিং বোলে বিছিয়ে রাখা সেমাইয়ের উপর গরম অবস্থাতেই পুরো মিশ্রন ঢেলে দিন।
৬. দুধের মিশ্রনের উপর বাকি রেখে দেওয়া সেমাইগুলোও দিয়ে দেই। এর উপর কাজু, কাঠ এবং পেস্তা বাদাম কুচি দিয়ে দিই। সাথে আস্ত কিসমিসও দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করি।

;

ঈদের সাজ-পোশাক যেমন হবে



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ঈদের সাজ-পোশাক যেমন হবে

ঈদের সাজ-পোশাক যেমন হবে

  • Font increase
  • Font Decrease

চলছে ঈদের মৌসুম। ঈদ উপলক্ষ্যে সকলেই বিভিন্ন নতুন পোশাকে সেজে ওঠে। ঈদের দিন পোশাক হতে হবে সুন্দর এবং আরামদায়ক। ঈদের পোশাকের বেলায় ফ্যাশনের দিকে বিশেষ নজর রাখা হয়।

সাধারণত ঈদের দিন সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি একই পোশাক পরে থাকতে হয়। তাই পোশাক সুন্দর হওয়ার পাশাপাশি হতে হবে আরামদায়ক। জেনে নিই, ঈদের পোশাক বাছাইয়ের ক্ষেত্রে যেসব বিষয়গুলেরা মাথায় রাখতে হবে-

ঈদে ঐতিহ্যবাহী পোশাক

১. ঐতিহ্য: ঈদের জন্য সবচেয়ে উত্তম হলো ঐতিহ্যবাহী পোশাক। ইসলাম ধের্মে পোশাক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বেশ জোড়ালো ভাবে পর্দা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে যারা বোরখা পড়েন না, তারাও এতিহ্ডবাহী শালীন পোশাক পরে পবিত্র ঈদের মর্যাদা রক্ষা করতে পারেন। জাঁকজমক শাড়ি বা কারুকাজ খচিত সালোয়ার কামিজ ঈদে উৎসবের ছোঁয়া এনে দেয়। তবে কাপড় অবশ্যই আরামদায়ক হতে হবে। সেইজন্য মখমল, সিল্ক বা সিফনের মতো সমৃণ কাপড় বাছাই করুন।

২. রঙ: পোশাকের রঙে অনেক ক্ষেত্রেই অনুষ্ঠানের আমেজ ফুটে ওঠে। উজ্জ্বল রঙ উৎসবের অনুভূতি ফুটিয়ে তোলে। তাই ঈদের মতো আনন্দ উৎসবে সাদামাটা নয়, বরং উজ্জ্বল রঙ বেছে নিন। যেমন: লাল, বা মেটালিক রঙ (যেমন:সোনালী,রুপালি), মেরুন, হলুদ, কমলা, নীল, সবুজ ইত্যাদি।

ঈদের পোশাক

৩. কারুকার্য: পোশাকে কারুকাজ পুরো লুকই পরিবর্তন করে ফেলতে পারে। সিম্পল কাপড়ের উপর গ্ল্যামারাস সূক্ষ্ণ কাজও উৎসবের আভা ফুটিয়ে তোলে। এজন্য সিকুইন্সের কাজ, অ্যাম্ব্রোডারি, সুই-সুতা ও স্টোনের কাজের পোশাক বাছাই করে নিন।

৪. অস্বস্তি: অনেক সুন্দর পোশাক পরেও যদি আপনি স্বস্তিবোধ না করেন তা ঈদের লুক নষ্ট করতে যথেষ্ট। যেহেতু দীর্ঘসময় একই পোশাকে থাকতে হবে তাই পোশাকের ক্ষেত্রে আরাম অনুভব করার ব্যাপারে আপোষ করা উচিত নয়।

ঈদের সাজ 

৫. সাজগোজ: নারীদের ক্ষেত্রে সাজগোজ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ঈদের দিন পোশাকের সাথে সাজগোজ অবশ্যই সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। জমকালো পোশাকের সাথে হালকা সাজলে ভালো মানায়। গহনা এবং হ্যান্ডব্যাগে কিছুটা নিজস্বতার ছোঁয়া রাখুন। বাইরে ঘুরতে বের হলে বেশি উচ্চতাসম্পন্ন হির ব্যবহার না করাই ভালো।    

তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

                       

 

;

শরীরের পরিশ্রমের সাথে মস্তিষ্কের সংযোগ



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
শারীরিক ব্যায়ামে মস্তিষ্কে প্রভাব / ছবি: সংগৃহীত

শারীরিক ব্যায়ামে মস্তিষ্কে প্রভাব / ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মস্তিষ্ক সমগ্র শরীরকে পরিচালনা করার মূল যন্ত্র। মস্তিষ্ক থেকে নির্দেশ আসার ফলেই শরীরের পৃথক অংশগুলো নড়াচড়া করে। ছোট থেকে ছোট শারীরবৃত্তীয় কাজও মস্তিষ্কই পরিচালনা করে। তাই শরীরের সাথে ব্রেনের মজবুত সংযোগ রয়েছে।

এই সংযোগ কেবল একপাক্ষিক নয়। শারীরিক ব্যায়ামের কারণেও মস্তিষ্ক প্রভাবিত হতে পারে। মানসিক স্বাস্থ্যেও তার প্রভাব পড়ে। প্রতিদিন কায়িক পরিশ্রম করার ফলে মস্তিষ্ক থেকে বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থের নিঃসরণকে প্রভাবিত করে।

মেজাজের তারতম্য, আত্মসম্মানবোধ, ঘুম- ইত্যাদি কার্যকলাপের সাথে সম্পর্কযুক্ত হরমোনগুলো ব্যায়ামের ফলে বেশি নির্গত হয়।

জিমে গিয়ে ব্যয়াম করা ছাড়াও; অবসর সময়ে হাঁটাহাঁটি করা, বিকেলে খেলাধুলা করা, এলিভেটরের বদলে সিঁড়ি চড়া, অফিস থেকে ফেরার সময় হেঁটে বা সাইকেলে ফেরা- ইত্যাদি মাধ্যমে প্রতিদিন কিছু না কিছু ব্যয়াম করা যায়। এতে একদিকে যেমন শরীরে শক্তিমাত্রাও বাড়বে, আবার কাজে ফোকাস করাও সহজ হবে।    

প্রতিদিন ব্যায়াম করলে তা মানসিক যেসব ব্যাপারে প্রভাব ফেলে-

১. মানসিক বিভিন্ন অস্বাভাবিকতা দূর করতে পারে ব্যায়াম। যেমন- হতাশা, উদ্বেগ, হীনমন্যতা।  

২. কিছু মানুষের ক্ষেত্রে ব্যায়াম শারীরিক অক্ষমতা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করতে পারে। শরীরের বিভিন্ন জড়তা দূর হয় ব্যায়ামের কারণে।

৩. স্মৃতিশক্তি ভালো হয়, কাজে মনোযোগ বাড়ে এবং ধৈর্য্য ধরার ক্ষমতাও প্রভাবিত হয়।   

৪. ব্যায়ামের কারণে ঘুম ভালো হয়। শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রমও ভালোভাবে সংঘটিত হয়।   

৫. প্রকৃতির সাথে সম্পর্ক গাঢ় হয়। সবুজ পরিবেশ এবং তাজা হাওয়ার খোলা পরিবেশের কারণে মানসিক বিশ্রাম এবং শান্তিলাভ হয়।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

;

ব্যবহৃত তেলে ভাজা খাবারের প্রভাব পড়ে মস্তিষ্কে



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ডুবো তেলে রান্না / ছবি: সংগৃহীত

ডুবো তেলে রান্না / ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

 

রমজান মাসে তেলে ভাজা খাবারের চাহিদা বেশ বেড়ে যায়। চপ, বেগুনী, পকোড়া থেকে ‍শুরু করে কাবাব, পরোটা বা যেকোনো ধরনের ফ্রাইস; সবকিছু রান্নাতেই তেল বিশেষ ভূমিকা পালন করে। শুধু কি তাই? কালো জাম, জিলাপি, বুন্দিয়ার মতো মিষ্টি জাতীয় খাবারেও অনেক তেল ব্যবহার করা হয়।

এ কারণে রমজান বাইরে দেখা যায় দোকানের ঢল! বড় বড় রেস্তোরা ছাড়াও, ছোট অনেক অস্থায়ী দোকানেও তেলে ভাজা তৈরি হয় ব্যাপক হারে। তবে এসব খাবার ডুবো তেলে ভেজে রান্না হয়। বাড়িতে বা বাইরে যেখানেই রান্না করা হোক। রান্নার পর দেখা যায় অনেক তেল রয়ে যায়। সেই তেলগুলো না ফেলে পরবর্তীতে রান্নায় ব্যবহার হয়।

ব্যবহৃত তেল দিয়ে রান্না করাকে চিকিৎসকরা সমর্থন করেন না। গ্যাস্ট্রিক, কোষ্ঠ্যকাঠিন্য, পেট ব্যথা, পেট খারাপ, অস্বস্তি সহ নানারকম প্রাথমিক সমস্যা দেখা দেয়। তবে বার বার অধিকবার ব্যবহৃত তেলে তৈরি খাবার খাওয়া আরও গুরুতর সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

রান্নার তেল / ছবি: সংগৃহীত

এইনিয়ে ভারতীয় এক প্রতিবেদনে লেখা হয়, মস্তিষ্কে পুনঃব্যবহৃত তেলের খাবারের প্রভাব পড়ে। বিজ্ঞানীর আবিষ্কার করেন, খাদ্যতালিকার সাথে স্নায়ুউত্তেজক রোগের সম্পৃক্ততা রয়েছে। দীর্ঘদিন এই ধরনের খাবার খাওয়ার ফলে নিউরোটক্সিসিটির প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।          

সারাদিন রোজা রেখে রান্না করতে কষ্ট হয় বলে প্রায়ই হয়তো বাইরে থেকে খাবার কিনে আনেন। আবার অনেকে বাইরের খাবারই খেতে পছন্দ করেন। তবে দেখা যায় বাইরের খাবার প্রায়ই ব্যবহৃত তেল ব্যবহার করা হয়। সমগ্র বিশ্বেই নিউরোটক্সিনের অস্বাভাবিক হার বাড়তে দেখা যায়। বিজ্ঞানীরা খতিয়ে দেখে ধারণা করেন, তেল পুনরায় গরম করার প্রভাবের সাথে এর সম্পর্ক থাকতে পারে। একটি ইঁদুরের উপর পরীক্ষা করে দেখা যায়, বার বার ভাজা তেলে রান্না খাবার খাওয়ার ফলে ইঁদুরের অন্ত্র,মস্তিষ্ক এবং যকৃতের ভারসাম্য ব্যাঘাত ঘটে। কোলেস্টেরল বাড়ার সম্ভাবনাও বাড়তে থাকে।

রান্নার পর অবশিষ্ট তেল / ছবি: সংগৃহীত

এই জন্য ব্যবহৃত তেল খাওয়া কমাতে হবে। শরীরের অতিরিক্ত কোলেস্টেরল এবং চর্বিও কমে এমন খাবার প্রতিদিন খাদ্যতালিকায় রাখতে হবে। ওমেগা-৩, ফ্যাটি এসিড, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, প্রোবায়োটিকস সমৃদ্ধ খাবার এই সমস্যা কাটাতে সাহায্য করতে পারে। মস্তিষ্কের জন্য উপকারী খাদ্য হলো শস্য এবং বীজজাতীয় খাবার, উপকারী চর্বিযুক্ত মাছ, বাদাম, শাক-সবজি এবং ফলজাতীয় খাবার।   

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

;