দৌলতপুরে দুই ইউনিয়নের ২০ গ্রাম বন্যার পানিতে প্লাবিত



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুষ্টিয়া
ছবিঃ বার্তা২৪.কম

ছবিঃ বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মা নদীর পানি আকস্মিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। উপজেলার দুই ইউনিয়নের অন্তত ২০টি গ্রামে বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে। এতে গ্রামগুলোর প্রায় ৮ হাজার পরিবারের ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

প্রায় ১শ’ হেক্টর জমির ফসল পানির নিচে তলিয়ে গেছে। নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে পানি বৃদ্ধির হার অব্যাহত থাকায় প্রতিদিন নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। ফলে পরিবার পরিজন নিয়ে চরম মানবেতর জীবন-যাপন করছেন পদ্মা চরের মানুষগুলো। এভাবে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে দু-তিন দিনের মধ্যেই পদ্মার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করবে বলে অনেকেই আশংকা প্রকাশ করেছেন।

এদিকে মরিচা ইউনিয়নের প্রায় ৩ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে পদ্মার ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে জিও বস্তা দিয়ে ভাঙন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।

স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পদ্মা নদীর পানি প্রতিদিন প্রায় দশমিক ১২-১৫ সেন্টিমিটার করে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। বুধবার বিপৎসীমার দশমিক ৩৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

এদিকে, দৌলতপুর উপজেলার ভাগজোত পয়েন্টে গত ২৪ ঘণ্টায় দশমিক ১৪ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। পদ্মার পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এর প্রধান শাখা গড়াই নদীতেও অব্যাহতভাবে পানি বাড়ছে। আরও কয়েক দিন পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে বলে পাউবো সূত্র জানিয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিসের মতে, রামকৃষ্ণপুর, চিলমারী ও মরিচা ইউনিয়নের ফসলি জমিতে পানি ঢুকে প্রায় ১শ’ হেক্টর জমির আউস ধান, কলা, পাট অন্যান্য ফসল ক্ষতির মুখে পড়েছে।

সরেজমিনে বন্যা কবলিত এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, চারদিকে শুধু পানি আর পানি।

ছবিঃ বার্তা২৪.কম

আকস্মিক বন্যায় মাঠের ফসলের সাথে সাথে মাথা গোঁজার ঠাঁই টুকুতেও পানি ঢুকে পড়েছে। অনেকের বাড়ির উঠান ও ঘরের মধ্যে পানি ঢুকে পড়ায় বাড়িতে বাস করা দুরূহ হয়ে পড়েছে। জীবন বাঁচানোর তাগিদে ঘরের ভিতরে বাঁশের মাচা ও নৌকার উপর মানুষকে বসে থাকলে দেখা গেছে। কেউ কেউ বাড়িঘর ছেড়ে পরিবার পরিজন নিয়ে স্থানীয় স্কুল-মাদ্রাসা বা উচুঁ জায়গায় আশ্রয় নিয়েছেন।

এদিকে, উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের প্রায় ৩ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। ইতিমধ্যে শত শত একর ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে বালি ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলেও ভাঙন নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, সর্বশেষ ২০১৯ সালে পদ্মার পানি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল। তবে গত বছর বন্যার পানি না বাড়ায় কিছুটা স্বস্তিতে ছিলেন পদ্মাপাড়ের মানুষেরা। এবার আবার পদ্মা রুদ্র রূপে আবির্ভূত হয়েছে। এভাবে পানি বৃদ্ধি পেতে থাকলে অচিরেই লোকালয়ে ঢুকে পড়বে।

স্থানীয় বাসিন্দা ইয়াকুব আলী জানান, দু’দিন আগেও যেসব এলাকা শুকনা ছিল। এখন সেখানে পদ্মার পানিতে থৈ থৈ করছে। অনেকের বাড়িতে রান্না করার জায়গাটুকুও ফাঁকা নেই। ফলে তাদের খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।

রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিরাজ মন্ডল ও চিলমারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সৈয়দ আহমেদ জানান, চরাঞ্চলের অন্তত ২৫টি গ্রামে অধিকাংশ বসতবাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে। দুই ইউনিয়নের ৮ হাজার পরিবারের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন তারা।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান বলেন, পানিবন্দি মানুষের তথ্য সংগ্রহ করে দ্রুত তাদের সহায়তা করতে স্থানীয় চেয়ারম্যানদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

দৌলতপুর আসনের সাংসদ অ্যাড. আ. ক. ম. সারওয়ার জাহান বাদশাহ বলেন, পদ্মায় হঠাৎ পানি বেড়ে যাওয়ায় উপজেলার চার ইউনিয়নের মানুষ ক্ষতির মুখে পড়েছে। বিশেষ করে চিলমারী ও রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের বহু মানুষ পানিবন্দি হয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন। সবসময় তাদের খোঁজ-খবর নেয়া হচ্ছে। পানিবন্দি এসব মানুষকে বাচাঁতে খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, ঔষধসহ জীবন রক্ষাকারী সামগ্রী প্রয়োজন। চরাঞ্চলের মানুষের নিরাপত্তার জন্য স্থায়ী শেল্টার সেন্টার নির্মাণের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান।

বিদেশ ফেরত কর্মীদের এইচআইভি পরীক্ষা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে প্রবেশের সময় বিদেশ ফেরত কর্মীদের এইচআইভি পরীক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক।

বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিশ্ব এইডস দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন জাহিদ মালেক।

তিনি বলেন, আমরা ঠিক করেছি, দেশ ত্যাগের আগে যেভাবে এইডস পরীক্ষা করে এইচআইভি নেগেটিভ হলে তারপর বিদেশে যেতে হয়, একইভাবে দেশে প্রবেশের সময়ও তাদেরকে পুনরায় পরীক্ষা করা হবে। এতে করে আক্রান্তদের সঠিক চিকিৎসা দেয়া যেমন সহজ হবে, অন্যদিকে, তাদের পরিবারের অন্যান্য নিরাপদ সদস্যরাও এই রোগের হাত থেকে রেহাই পাবেন।

দেশে এইডস রোগীদের চিকিৎসা দেয়া প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমানে সরকার বিনামূল্যে এইডস রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছে। চিকিৎসা নিলে এইডস রোগীরা আরও বেশিদিন সুস্থ থাকতে পারে। তবে সামাজিক প্রতিবন্ধকতার কথা ভেবে এইডস হলে তারা গোপন রাখে এবং সে কথা কাউকে প্রকাশ না করে অন্যদেরকেও আক্রান্ত করে ফেলে। এতে করে দেশে এইডস রোগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে।

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন অনুবিভাগ) মো. সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত সচিব (জনসংখ্যা, পরিবার কল্যাণ ও আইন অনুবিভাগ) ডা. আশরাফী আহমদ, এনডিসি, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি রাজেন্দ্র পোখড়া, স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর প্রমুখ।

;

‘নারী পুলিশ অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দেশে-বিদেশে কাজ করছে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

  • Font increase
  • Font Decrease

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, বাংলাদেশ পুলিশের নারী সদস্যরা অত্যন্ত দক্ষতা ও যোগ্যতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। তারা পারিবারিক সহিংসতা, সাইবার বুলিং, বাল্যবিবাহ রোধে তাদের কৃতিত্ব দেখাতে সক্ষম হয়েছেন। দেশের বাইরে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আমাদের নারী পুলিশ সদস্যরা সকলের প্রশংসা অর্জন করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) বিকালে রাজধানীর মিরপুরে পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত প্রশিক্ষণ সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি)চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, বাংলাদেশ পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির (পুনাক) সভানেত্রী ডা. তৈয়বা মুসাররাত জাঁহা চৌধুরী। সভাপতিত্ব করেন পুলিশ স্টাফ কলেজের ভারপ্রাপ্ত রেক্টর ড. এ এফ এম মাসুম রব্বানী। বিপিডব্লিউএন'র সভাপতি ও স্পেশাল ব্রাঞ্চের ডিআইজি আমেনা বেগম স্বাগত বক্তব্য রাখেন। প্রশিক্ষণের অনুভূতি ব্যক্ত করেন গাজীপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ডা. নন্দিতা মালাকার।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের সকল আন্দোলন-সংগ্রামে নারীরা সামনে ছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে নারীরা অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছেন, যুদ্ধক্ষেত্রে সেবা দিয়েছেন, তথ্য আদান প্রদান করেছেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে নারীদের অসামান্য অবদান রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীর দৃশ্যমান অগ্রযাত্রার কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার।

তিনি আরও বলেন, আমাদের মেয়েরা জাগছে। তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখছে। কৃষিতে সাফল্যের ষাট ভাগ অবদান নারীর, পোশাক শিল্পে এক চতুর্থাংশ নারীরা কাজ করছেন। সমাজে মেয়েদের দৃশ্যমানতা অনেক পাল্টেছে, আরও পাল্টাতে হবে। নারী যত বেশি এগিয়ে যাবে ততবেশি সমাজ, দেশ এগিয়ে যাবে।

প্রশিক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, প্রশিক্ষণের মূল্য অনেক। তিনি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতাকে আরও শাণিত করে পেশাদারিত্ব বাড়ানোর আহবান জানান।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাগণ, ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধি, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের প্রতিনিধি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন স্টাডিজ বিভাগের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের নারী সদস্যগণ অনলাইনে অংশগ্রহণ করেন।

;

গণশুনানি ছাড়াই জ্বালানির দাম ঠিক করবে সরকার, অধ্যাদেশ জারি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশেষ পরিস্থিতিতে গণশুনানি ছাড়া সরাসরি জ্বালানির দাম সমন্বয় করার ক্ষমতা সরকারের কাছে আনতে আইন সংশোধনে অধ্যাদেশ জারি করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২২ জারি করেন রাষ্ট্রপতি।

সংসদ অধিবেশন না থাকলে জরুরি কোনো প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করেন। অধ্যাদেশ জারির পর সংসদের প্রথম বৈঠকে তা উপস্থাপন করা হয়ে থাকে। আর স্বাভাবিকভাবে আগে সংসদে উপস্থাপন হয়। আইন সভায় পাস পেলে তা রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের মাধ্যমে কার্যকর হয়।

আগের আইনে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়ানোর এই ক্ষমতা ছিল বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি)। এ সংশোধনীর কারণে বিইআরসির পাশাপাশি সরকার ‘বিশেষ পরিস্থিতিতে’ সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দিয়ে ট্যারিফ নির্ধারণ, পুনর্নির্ধারণ বা সমন্বয় করতে পারবে।

২০০৩ সালের প্রণীত আইনের ৩৪ ধারায় সংশোধনের পাশাপাশি নতুন ধারা যুক্ত করা হয়েছে।

আইনের নতুন ধারায় বলা হয়েছে, এই আইনের অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, বিশেষ ক্ষেত্রে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, ভর্তুকি সমন্বয়ের লক্ষ্যে, জনস্বার্থে, কৃষি, শিল্প, সার, ব্যবসা-বাণিজ্য ও গৃহস্থালী কাজের চাহিদা অনুযায়ী এনার্জির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এর উৎপাদন বৃদ্ধি, সঞ্চালন, পরিবহন ও বিপণনের নিমিত্ত দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের সুবিধার্থে বিদ্যুৎ উৎপাদন, এনার্জি সঞ্চালন, মজুতকরণ, বিপণন, সরবরাহ, বিতরণ এবং ভোক্তা পর্যায়ে ট্যারিফ নির্ধারণ, পুনর্নির্ধারণ বা সমন্বয় করিতে পারবে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গণশুনানি ছাড়া জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি বা সমন্বয়ের যে এক তরফা ক্ষমতা সরকার হাতে নিচ্ছে, তাতে অকার্যকর করা হলো বিইআরসিকে। আর ভোক্তার অধিকারও খর্ব হবে ।

আগের আইনে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বিইআরসি ৯০ দিন সময় নিয়ে নির্ধারণ করে। এ সময়ের মধ্যে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। মতামত নেওয়া হয় ভোক্তা প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টদের। সেখানে জ্বালানি সেক্টরের অপচয়, অনিয়ম, দুর্নীতি, অভিযোগ এবং করণীয় নির্ধারণের বিষয়ে গণমানুষ মতামত দিয়ে থাকে গণশুনানিতে। এই অধ্যাদেশ কার্যকর হওয়ার পর জ্বালানির দাম বৃদ্ধি করতে কোনো গণশুনানির প্রয়োজন পড়বে না।

;

রিটার্ন দাখিল ২৪ লাখ, রাজস্ব আয় ৩ হাজার কোটি টাকা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চলতি ২০২২-২৩ করবর্ষে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের আয়কর বিবরণী (রিটার্ন) দাখিলের শেষ সময় ছিল ৩০ নভেম্বর। তবে বিশেষ বিবেচনায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) রিটার্ন দাখিলের সময় এক মাস বৃদ্ধি করেছে।

বুধবার পর্যন্ত ২৪ লাখ করদাতা আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছেন এবং এর বিপরীতে রাজস্ব আয় হয়েছে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা।

এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সৈয়দ এ মু’মেন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গত ২০২১-২২ অর্থবছরে মোট রিটার্ন দাখিলের সংখ্যা ছিল ২৫ লাখ ৪৮ হাজার, সেখানে চলতি করবর্ষে গতকাল পর্যন্ত ২৪ লাখ রিটার্ন জমা পড়েছে। এর বিপরীতে রাজস্ব আয় হয়েছে ৩ হাজার কোটি টাকা।

করদাতাদের সুবিধার্থে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। অতিরিক্ত এই এক মাসে আরও ১১ লাখ রিটার্ন জমা পড়বে বলে আশা করছে এনবিআর।

সৈয়দ এ মু’মেন বলেন, আমরা আশা করছি-এবছর মোট রিটার্ন দাখিলের সংখ্যা ৩৫ লাখ ছাড়িয়ে যাবে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশে কর সনাক্তকরণ নম্বরধারীর (ইটিআইএন) সংখ্যা প্রায় ৮২ লাখ।

;