পঞ্চগড়ে নৌকাডুবি: ইজারাদার-মাঝিকে দায়ী করে প্রতিবেদন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, পঞ্চগড়
পঞ্চগড়ে নৌকাডুবি

পঞ্চগড়ে নৌকাডুবি

  • Font increase
  • Font Decrease

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় করতোয়া নদীর আউলিয়ার ঘাটে নৌকাডুবির ঘটনায় প্রতিবেদন জমা দিয়েছে তদন্ত কমিটি। এতে ইজারাদার ও মাঝির অদক্ষতাসহ সাত-আটটি কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে।

সোমবার (৩ অক্টোবর) রাতে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক জহুরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, আমরা তদন্ত প্রতিবেদন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছি। তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং পূর্ণাঙ্গ বিষয়টি হাতে আসলে প্রকাশ করা হবে। তবে বেশ কিছু দিন যাচাই বাছাই করে প্রথামিকভাবে নৌকাডুবির ঘটনায় ইজারাদার এবং মাঝির অদক্ষতাকে দায়ী করা হয়েছে। এছাড়া আরও বেশ কিছু দিক চিহ্নিত করা হয়েছে।

এদিকে জেলা প্রশাসনের পাশপাশি পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের তদন্ত চলমান রয়েছে। সকল তদন্ত রিপোর্ট জমা হওয়ার পর পূর্ণাঙ্গ বিষয়টি জানা যাবে। তবে প্রতিবেদন নিয়ে এর বেশি বিস্তারিত জানাননি তিনি।

প্রতিবেদন জমার বিষয়ে পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও তদন্ত কমিটির প্রধান দীপঙ্কর রায় জানান, রোববার রাতে প্রতিবেদনটি জেলা প্রশাসক বরাবর দাখিল করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে আমরা এ বিষয়ে বিভিন্ন দিক অনুসন্ধান করে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছি। এখন বাকি বিষয়টি জেলা প্রশাসক জানাতে পারবেন।

উল্লেখ্য, মহালয়া পূজা উপলক্ষে গত রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) বোদা উপজেলার আউলিয়ার ঘাটে শতাধিক সনাতনধর্মীদের পুণ্যার্থী নিয়ে একটি নৌকা করতোয়া নদী পাড় হয়ে বদ্বেশ্বরী মন্দিরে যাচ্ছিল। নৌকাটি নদীর মাঝে গেলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডুবে যায়। এ ঘটনায় ৬৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনও নিখোঁজ রয়েছেন শিশুসহ তিনজন। ঘটনার দিনই পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট দীপঙ্কর রায়কে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে জেলা প্রশাসন। রোববার তারা প্রতিবেদন জমা দেন।

এখন পর্যন্ত ৬৯ জনের মরদেহ উদ্ধারের মধ্যে নারী ৩০ জন, পুরুষ ১৮ জন ও ২১ শিশুর মরদেহ রয়েছে। এর মাঝে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার ৪৫ জন, আটোয়ারী উপজেলার ২ জন, দেবীগঞ্জ উপজেলার ১৮ জন, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ৩ জন এবং পঞ্চগড় সদর উপজেলার ১ জন রয়েছেন।

তবে পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার শালডাঙ্গা ইউনিয়নের ছত্রশিকারপুর হাতিডুবা গ্রামের মদন চন্দ্রের ছেলে ভুপেন ওরফে পানিয়া (৪০), বোদা উপজেলার সাকোয়া ইউনিয়নের কলেজপাড়া গ্রামের সরেন্দ্রনাথ (৬৫) এবং পঞ্চগড় সদর উপজেলার ঘাটিয়ারপাড়া গ্রামের ধীরেন্দ্রনাথের মেয়ে জয়া রানির (৪) মরদেহ এখনও নিখোঁজ রয়েছে।

‘অসাংবিধানিক উপায়ে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা রাষ্ট্রদ্রোহিতা’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম

  • Font increase
  • Font Decrease

অসাংবিধানিক উপায়ে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা রাষ্ট্রদ্রোহিতা বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বুধবার (৩০ নভেম্বর) বিকালে রাজধানীতে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির শহিদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসানের স্মরণসভায় মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতি এ স্মরণসভা আয়োজন করে।

মন্ত্রী বলেন, সংবিধান দেশের সর্বোচ্চ আইন। সংবিধানে বলা হয়েছে দেশের সব কিছু পরিচালিত হবে সাংবিধানিকভাবে, আইনসঙ্গতভাবে। সংবিধানে বলা হয়েছে রাষ্ট্র ব্যবস্থা হবে গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ধর্মনিরপেক্ষতা ও জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে। সরকার ব্যবস্থা কি হবে সেটাও সংবিধানে বলা হয়েছে। কিভাবে সরকার গঠন হবে তাও বলা হয়েছে। সাংবিধানিক বিধি-ব্যবস্থা সম্পর্কে জনমনে অসন্তোষ সৃষ্টি বা অনাস্থা সৃষ্টির চেষ্টা যদি কেউ করে অথবা সংবিধান পরিপন্থীভাবে যদি কেউ কিছু অর্জন করতে চায় অথবা বিধি-বিধান ভঙ্গ করে বা সেটাতে উসকানি দেয় বা পরোক্ষভাবে কাজ করে তাহলে সংবিধান অনুযায়ী তার কৃতকর্ম হবে রাষ্ট্রদ্রোহিতা।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সাংবিধানিক বিধি-বিধান লঙ্ঘন করে টেনে হিঁচড়ে নামিয়ে দেবো, এই করবো, ওই করবো যারা বলছে, তারা সংবিধানের ৭(ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রদ্রোহিতার কাজ করছে। সংবিধান বলছে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় দেশ চলবে, সরকার চলবে, আদালত চলবে। আইনের বাইরে কিছু করতে গেলে কৃতকর্ম হবে রাষ্ট্রদ্রোহিতা। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রদ্রোহিতার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।

সংবিধানের আলোকে দেশ পরিচালনা করলে, সংবিধানসম্মত কাজ করলে আইনের শাসন পরিপূর্ণতা লাভ করবে বলেও এ সময় মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, সংবিধানে বলা হয়েছে কোন আইন যদি সংবিধানের মূল বিধি-বিধান বা নিয়মের পরিপন্থী তৈরি করা হয়, অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তাহলে ওই আইনের যতটুকু সংবিধানের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ ততটুকু বাতিল হবে। সংবিধানের এ বিধান থাকা সত্ত্বেও বিচার বিভাগের অনেকেই সঠিক দায়িত্ব পালন করেননি। তবে বিচারপতি নাজমুল আহাসান বিচারক হিসেবে সে জায়গাটি ভুলে যাননি। তার প্রচেষ্টার ধারাবাহিকতায় মুক্তিযুদ্ধের প্রাণসঞ্চারী স্লোগান 'জয় বাংলা' জাতীয়ভাবে গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ না এটা সম্ভব হতো না। এভাবে ত্রিশ লাখ শহীদের স্বপ্নের বাংলাদেশে জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত নাজমুল আহসান বিচারক হিসেবে, আইনজীবী হিসেবে লড়াই করেছেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, সংবিধান অনুযায়ীই সুপ্রিম কোর্ট পরিচালিত হয়। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর জিয়াউর রহমানের শাসনামলে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ সংসদে পাস হয়েছিল। তার স্বাক্ষরেই সেটি আইন হিসেবে অনুমোদন পায়। তখন এটিকে সংবিধানের একটি অংশে পরিণত করে নাম রাখা হয় পঞ্চম সংশোধনী। সুপ্রিম কোর্ট বহু ক্ষেত্রে সুয়োমোটো রুল ইস্যু করেন। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়-সুপ্রিম কোর্ট সুয়োমোটো রুল ইস্যু করে কেন বলেনি যে সংবিধানের মূলনীতি অনুযায়ী এটা কোন আইন নয়, কারণ খুনিদের বিচার করা যাবে না এটি সংবিধানের বিধি-বিধান পরিপন্থী। ইনডেমনিটি যে সংবিধানের অংশ হতে পারে না দেশের সংবিধান বিশেষজ্ঞরা কেউ কোনদিন কেন বলেনি সে প্রশ্নও থেকে যায়। বিচার বিভাগ ও সংবিধান বিশেষজ্ঞরা যথাযথ দায়িত্ব পালন করলে জাতিকে ৩৪ বছর অপেক্ষা করতে হতো না বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার পেতে।

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ইউসুফ হোসেন হুমায়ুনের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী কমিটির চেয়ারপার্সন জেড আই খান পান্না, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোমতাজ উদ্দিন ফকির, সাধারণ সম্পাদক আব্দুন নূর দুলাল প্রমুখ বক্তব্য প্রদান করেন।

;

২ কোটি ২০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনবে সরকার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে ২ কোটি ২০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনবে সরকার।

বুধবার (৩০ নভেম্বর) ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় অনুমোদন দেয়া হয়েছে এ প্রস্তাব। এতে সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে বলেন, আজকের সভায় মোট ছয়টি প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) কানাডিয়ান কমার্শিয়াল কর্পোরেশনের কাছ থেকে নবম লটে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের চুক্তির আওতায় ৩৫৮ কোটি ৪৮ লাখ টাকা মূল্যের প্রায় ৫০ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার ক্রয় করবে।

প্রতি টন সারের মূল্য পড়বে ৬৭৯ দশমিক ৬৫ মার্কিন ডলার। আগে এর মূল্য ছিল ৭৭৮ দশমিক ১৫ মার্কিন ডলার।

সাঈদ বলেন, এছাড়াও বিএডিসি দশম লটের আওতায় ওসিপি, এসএ, মরক্কোর কাছ থেকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের চুক্তির আওতায় প্রায় ১৫০ দশমিক ৬৭ কোটি টাকা মূল্যে প্রায় ৩০ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি সার ক্রয় করবে। এতে প্রতি টন সারের দাম পড়বে ৪৭৪ মার্কিন ডলার। আগে এই মূল্য ছিল ৬৭৮ দশমিক ২৫ মার্কিন ডলার।

তিনি বলেন, ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) মোট ২৯৮ দশমিক ৯৩ কোটি টাকা মূল্যে প্রায় ২ দশমিক ২০ কোটি লিটার সয়াবিন তেল ক্রয় করবে। এতে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের মূল্য পড়বে ১৫৬ দশমিক ৯৮ মার্কিন ডলার। আগে এর মূল্য ছিল ১৬২ দশমিক ৯৪ মার্কিন ডলার।

;

৪৫তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, সর্বোচ্চ পদ স্বাস্থ্য ক্যাডারে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

৪৫তম বিসিএসের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এই বিসিএসে ২৬টি ক্যাডারে নেওয়া হবে ২ হাজার ৩০৯ জনকে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্য ক্যাডারে নেওয়া হবে ৫৩৯ জন।

বুধবার (৩০ নভেম্বর) বিকেলে বিজ্ঞপ্তিটি পিএসসির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।

৪৫তম বিসিএসের আবেদন গ্রহণ শুরু হবে ১০ ডিসেম্বর থেকে। চলবে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

বিজ্ঞপ্তিতে ২৬টি ক্যাডারে মোট ২ হাজার ৩০৯ জনবল নিয়োগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি নিয়োগ দেওয়া হবে স্বাস্থ্য ক্যাডারে ৫৩৯ চিকিৎসক। সহকারী সার্জন পদে ৪৫০ এবং ডেন্টাল সার্জন পদে ৮৯ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

এছাড়া শিক্ষা ক্যাডারে ৪৩৭ জন, প্রশাসনে ২৭৪, পুলিশে ৮০, কাস্টমসে ৫৪, আনসারে ২৫, কর ক্যাডারে ৩০ এবং পররাষ্ট্র, বন, রেল, কৃষি, মৎস্যসহ অন্যান্য ক্যাডারে ৮৭০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

নন-ক্যাডারে মোট ১ হাজার ২২ জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে নবম গ্রেডে ৫০৫ জন, দশম গ্রেডে ৬০ জন, এগারো ও ১২তম গ্রেডে ৪৫৭ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

বিজ্ঞপ্তি দেখতে ক্লিক  করুন

;

ডিআরইউর নতুন সভাপতি নোমানি, সম্পাদক সোহেল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ডিআরইউর নতুন সভাপতি নোমানি, সম্পাদক সোহেল

ডিআরইউর নতুন সভাপতি নোমানি, সম্পাদক সোহেল

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মুরসালিন নোমানী এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মাঈনুল আহসান সোহেল।

বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত রিপোর্টারদের সংগঠনটির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন-২০২২ বুধবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় সংগঠনটির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

দিনব্যাপী ভোট গ্রহণ শেষে সন্ধ্যায় এক বছর মেয়াদি এই কমিটির নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন। এছাড়া সহসভাপতি হয়েছেন সহ-সভাপতি দীপু সারেয়ার, যুগ্ম সম্পাদক মইনুল হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম এবং নারী বিষয়ক সম্পাক হয়েছেন মরিয়ম মনি সেঁজুতি, অর্থ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, দপ্তর সম্পাদক কাওসার আজম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক কামাল উদ্দিন সুমন, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন রুবেল, আপ্যায়ন সম্পাদক নাইমুদ্দিন, কল্যাণ সম্পাদক মো. তানভীর আহমেদ নির্বাচিত হয়েছেন।


কার্যনিবাহী সদস্য হিসেবে সর্বাধিক ভোটে জয় পেয়েছেন মনির মিল্লাত। নির্বাচিত অন্য সদস্যরা হলেন, ইসমাইল হোসেন রাসেল, মহসিন ব্যাপারী, মোজাম্মেল হক তুহিন, কিরণ শেখ, আলী ইব্রাহিম।

এবারের নির্বাচনে ২০টি পদের বিপরীতে প্রার্থী হয়েছেন মোট ৪৩ জন। এতে অ্যাপ্যায়ন সম্পাদক পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মাদ নঈমুদ্দীন।

নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মনজুরুল আহসান বুলবুলসহ আরও কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক দায়িত্ব পালন করেছেন।

;